Logo
আজঃ Monday ২৭ June ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা নাসিরনগরে মুক্তিযোদ্বাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন পদ্মা সেতু দেখানোর কথা বলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ জুরাইনে পাশের বাড়ির উপড় ধসে পড়েছে সেই ঝুকিপুর্ন ভবনটি

রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় মাংস উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:Friday ১৮ February ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ১৭০জন দেখেছেন
Image

স্টাফ রিপোর্টারঃ

রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় মাংস উৎপাদনে এখন আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরস্থ পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত 'প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী, ২০২২' এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।


প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও টাংগাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য ছোট মনির, ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ্, মহাপুলিশ পরিদর্শক বেনজীর আহমেদ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ। বক্তব্য প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. আব্দুর রহিম।


মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অন্যান্য দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রাণিসম্পদ খাতের বিজ্ঞানী-গবেষক, উদ্যোক্তা ও খামারিগণ সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরো বলেন, "প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার কারণে মাংস উৎপাদনে এখন আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ। মাংস আমরা বিদেশে রপ্তানি করতে যাচ্ছি। এখন ভারত-মিয়ানমার থেকে কোরবানির পশু আমদানি করতে হয় না। বেকাররা এখন খামার করে গর্বের সাথে বলেন আমরা খামারি"।


তিনি আরো বলেন, "দেশব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী করায় মানুষের মধ্যে প্রাণিসম্পদ খাত নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনা,  সৃষ্টি হয়েছেঅনুপ্রেরণা। এটা সম্ভব হয়েছে প্রাণিসম্পদ খাতবান্ধব সরকার প্রধান শেখ হাসিনার কারণে"।


মন্ত্রী আরো বলেন, "একটা সময় মানুষ সপ্তাহে একবার মাংস খেতে পারত না। এখন কোন কোন পরিবার দিনে তিন বেলা মাংস খায়। দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের এ বৈপ্লবিক পরিবর্তন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তন। এ পরিবর্তনের সূচনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে। দেশ স্বাধীন হবার পর তিনি সর্বপ্রথম বিদেশ থেকে উন্নত জাতের গবাদিপশু দেশে নিয়ে এসেছেন। গবাদি পশুতে কৃত্রিম প্রজনন প্রবর্তন করেছেন"।


প্রধান অতিথি আরো বলেন, "বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পর কৃষি,মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে সামনের দিকে নিয়ে আসার জন্য সব ধরনের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন। কারণ তিনি কৃষক ও কৃষি বান্ধব সরকার প্রধান। একটা সময় বিদ্যুতের দাবিতে কৃষকদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। আর এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষি, লাইভস্টক ও ডেইরি খাতে রাষ্ট্রীয় প্রণোদনা দিচ্ছেন। এর ফলে আজ বিকশিত বাংলাদেশ। এর ফলে আজ প্রাণিসম্পদের বিশাল সম্ভাবনাময় জগৎ আমরা সৃষ্টি করতে পেরেছি"।


প্রাণিসম্পদ খাতে বিদ্যমান সব সমস্যা সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে বলেও এসময় জানান মন্ত্রী।


প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাভুক্ত ৬১টি জেলার ৪৬৬টি উপজেলায় এ প্রদর্শনী দিনব্যাপী একযোগে অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকায় অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় প্রদর্শনীতে ভিন্ন ভিন্ন ভ্যালু চেইনভিত্তিক ১১০টি স্টল স্থাপন করা হয়। এসব স্টলে উন্নত জাতের এবং অধিক উৎপাদনশীল গবাদিপশুসহ বিভিন্ন প্রাণী তথা গাভী, বাছুর, ষাঁড়, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, মুরগী, হাঁস, দুম্বা, কবুতর ইত্যাদি প্রদর্শন করা হয়। এছাড়াও প্রদর্শনীতে প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রযুক্তি, ঔষধ সামগ্রী, টিকা, প্রাণিজাত পণ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণ সরঞ্জাম, মোড়কসহ পণ্য বাজারজাতকরণ প্রযুক্তির স্টলও স্থাপন করা হয়।


প্রদর্শনীতে বিচারক প্যানেলের সামনে র‌্যাম্পের উপর দিয়ে গবাদিপশুর হেঁটে যাওয়ার দৃশ্য ছিল দেখার মতো। গুণ, মান, জাত, স্বাস্থ্য, সৌন্দর্য্য, আকার, অবদান, নিরাপদতা, কর্মসংস্থান, বাজারজাতকরণ, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক প্রভাবসহ সার্বিক পর্যবেক্ষণ বিবেচনায় ১১টি ক্যাটাগরিতে খামারিদের মোট ৩১টি স্টলকে পুরস্কৃত করা হয়।


আরও খবর



টাকা আসবে কোথা থেকে, খরচ হবে কোথায়

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
Image

২০২২-২০২৩ অর্থবছরের জন্য ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। নতুন অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত এই ব্যয় বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের (পাঁচ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা) চেয়ে ১৪ দশমিক ২৪ শতাংশ বেশি। যা বাংলাদেশের মোট জিডিপির ১৫ দশমিক ২৩ শতাংশ।

‘কোভিড অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন’ শিরোনামে বৃহস্পতিবার (৯ জুন) বিকেল তিনটায় জাতীয় সংসদে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী। এর আগে মন্ত্রিসভায় বাজেট অনুমোদন হয়।

প্রস্তাবিত বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট চার লাখ ৩১ হাজার ৯৯৮ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়াও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

আগামী অর্থবছরের বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে চার লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআর–সংগৃহীত কর থেকে পাওয়া যাবে তিন লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। এনবিআর–বহির্ভূত কর থেকে আসবে ১৮ হাজার কোটি টাকা। এছাড়াও কর ব্যতীত প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

ফলে, মোট ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। গত বাজেটে এ হার ছিল ৬ দশমিক ২ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে এ ঘাটতি মেটানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

ঘাটতির মধ্যে বৈদেশিক উৎস থেকে আসবে ৯৫ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা। বৈদেশিক অনুদান আসবে তিন হাজার ২৭১ কোটি টাকা। এছাড়াও অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে আসবে এক লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া হবে এক লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা, সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ও অন্যান্য খাত থেকে ৫ হাজার ১ কোটি টাকা ঋণ নেবে সরকার। বাজেটে জিডিপির আকার ধরা হয়েছে ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা।

২০২২-২০২৩ অর্থবছরে বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে চার লাখ ৩১ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা। এই ব্যয়ের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় করা হবে ৭৬ হাজার ৪১২ কোটি টাকা। পণ্য ও সেবার জন্য ব্যয় করা হবে ৩৮ হাজার ৩৩২ কোটি টাকা। ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে ৮০ হাজার ২৭৫ কোটি। ভর্তুকি প্রণোদনা ও নগদ ঋণ বাবদ এক লাখ ৭৭ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

উন্নয়ন ব্যয়ের মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) খরচ করা হবে দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা। এডিপিবহির্ভূত বিশেষ প্রকল্পে ব্যয় হবে সাত হাজার ৭২১ কোটি টাকা। কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচিতে দুই হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা খরচ করা হবে।

কোন খাতে কত বরাদ্দ
প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের ১৪ দশমিক ৭০ শতাংশ থাকছে এ খাতে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে সুদের জন্য। এ খাতে বরাদ্দ ১১ দশমিক ৯০ শতাংশ। ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে। ভর্তুকি ও প্রণোদনায় থাকছে ৮ দশমিক ৪০ শতাংশ। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ।

এছাড়া জনপ্রশাসনে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ, স্বাস্থ্যে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ, প্রতিরক্ষায় ৫ শতাংশ, জ্বালানি ও বিদ্যুতে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ, কৃষিতে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ, সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ, জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ৪ দশমিক ৪ শতাংশ, গৃহায়ণে ১ শতাংশ, বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্মে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ, শিল্প ও অর্থনৈতিক সার্ভিসে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ, পেনশনে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ এবং বিবিধ ব্যয়ের জন্য ৪ দশমিক ৯ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার হচ্ছে ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। এবারের বাজেটের আকার যেমন বড়, তেমনি এ বাজেটে ঘাটতিও ধরা হয়েছে বড়।

অনুদান বাদে এই বাজেটের ঘাটতি দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির সাড়ে ৫ শতাংশের সমান। আর অনুদানসহ বাজেট ঘাটতির পরিমাণ দুই লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ৪০ শতাংশের সমান।

এটি বর্তমান সরকারের ২৩তম এবং বাংলাদেশের ৫১তম ও বর্তমান অর্থমন্ত্রীর চতুর্থ বাজেট। বাজেটে সঙ্গত কারণেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কৃষিখাত, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাসহ বেশকিছু খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



লাকী আখান্দের জন্মদিনে তার সুর করা গান এলো মেহরিনের কণ্ঠে

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
Image

বিশ বছর ধরে অপ্রকাশিত গানের রিলিজ, স্মৃতিচারণ ও সংগীতায়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা সংগীতের দিকপাল লাকী আখান্দের ৬৬তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন হলো। দেশের শীর্ষ সংগীতশিল্পীরা এ উৎসবে একইসাথে প্রথমবারের মতো অডিও-ভিডিও রিলিজ করলেন।

লাকী আখান্দের সুরারোপিত গোলাম মোরশেদের কথায় মেহরিনের জাদুকরী কন্ঠে গাওয়া ‘সে গানেরই পাখি’ প্রকাশ হলো আজ।

লাকী আখান্দের জন্মদিন ও তার সুর করা গান প্রকাশ উপলক্ষে আজ ৭ জুন হোটেল সোনারগাঁওয়ে উপস্থিত ছিলেন দেশের শীর্ষ সংগীত তারকারা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘লাকী আখান্দের সৃষ্টিসম্ভার বাংলা গানের ভুবনে বৃহত্তর শ্রোতা সমাজের ’কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব কে এম খালিদ, এমপি।

অসুস্থতাজনিত কারণে শিল্পীর জন্মজয়ন্তী আয়োজনে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব উওমেন-এর ভাইস চ্যান্সেলর এবং আনিসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন ড. রুবানা হক সশরীরে হাজির হতে না পারলেও তিনি লিখিত বার্তা পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানান। সে স্থলে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বঙ্গবিডিডটকম-এর কো-ফাউন্ডার ও ডিরেক্টর, আনিসুল হক ফাউন্ডেশনের অন্যতম ট্রাস্টি এবং মোহাম্মাদী গ্রুপের ডিরেক্টর নাভিদুল হক।

অনুষ্ঠানে শীর্ষ শিল্পী মেহরিনের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে ‘সে গানেরই পাখি’ গানটির অডিও এবং ভিডিও রিলিজ করেন মাননীয় অতিথিবৃন্দ। এ সময় আবহজুড়ে মোহন সুরের জাল ছড়িয়ে বেজে ওঠে ‘সে গানেরই পাখি’; উপস্থিত শিল্পীরা সবাই উঠে আসেন মঞ্চে।

সবাই মিলে কেক কাটার মধ্য দিয়ে শুরু হয় সুরের বরপুত্র শিল্পী লাকী আখান্দের ৬৬তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন আয়োজন। এরপর লাকী আখান্দের সৃষ্টিশীল জীবন নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন শিল্পীর আজীবন বন্ধু ও সঙ্গীতভুবনের সতীর্থ গোলাম মোরশেদ, মেহরিন, ফোয়াদ নাসের বাবু, বংশীবাদক ওস্তাদ আজিজুল ইসলাম, মাকসুদুল হক এবং ডা. রুবাইয়াত রহমান।

‘সে গানেরই পাখি’ এর সংগীত আয়োজন করেছেন দেশের তরুণ সংগীত প্রতিভা রূপক। এছাড়া লাইমলাইট স্টুডিওর প্রযোজনায় গানটির অনবদ্য ভিডিওটির নির্মাতা তাজওয়ার ইয়াকিন এবং এসকে নাঈম। চমৎকার ভিডিওটির কালার গ্রেডিং করেছেন তৌহিদুর রহমান রুবেল। ভিডিওতে মা ও মেয়ের চরিত্রে মডেল হিসেবে অংশ নেন নাজিফা আয়াত ও তাসনুভা, ঘটনাচক্রে ব্যক্তিগত জীবনেও যারা সম্পর্কে মা ও মেয়ে।

অনুষ্ঠানে গানটির ভিডিও চিত্র নির্মাণের নেপথ্য ফুটেজ প্রদর্শনের পাশাপাশি লাকী আখান্দের স্মৃতিবিজড়িত ভিডিও ফুটেজ প্রদর্শন হয়। এ সময় মেয়র আনিসুল হক ও শিল্পীর বিভিন্ন ফুটেজ দেখে উপস্থিত দর্শক শ্রোতাদের আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তে দেখা যায়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে লাকী আখান্দের ডজনখানেক গান দিয়ে সাজানো প্রায় ৪০ মিনিটের একটি মনোমুগ্ধকর জ্যামিং সেশন উপহার দেন সমবেত শিল্পী ও তারকারা।

‘সে গানেরই পাখি’ উপভোগ করা যাবে এই লিংকে


আরও খবর



রূপগঞ্জের গঙ্গানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে থৈ থৈ পানি ॥ পাঠদান ব্যাহত ॥ উপস্থিতি কম

প্রকাশিত:Sunday ১৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৩৪৬জন দেখেছেন
Image

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ মোঃ আবু কাওছার মিঠু 


নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া ইউনিয়নের গঙ্গানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে থৈ থৈ পানি। সামান্য বৃষ্টিতে মাঠে হাঁটু পানি জমে থাকে। তাতে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাচ্ছে। 


সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয় মাঠে পানি থৈ থৈ করছে। শিক্ষার্থীরা প্যান্ট হাঁটু পর্যন্ত গুটিয়ে শ্রেণিকক্ষে যাওয়া আসা করছে। কারো কারো কাপড় ভিজে গেছে। বিদ্যালয়ের তিন দিকে বহুতল ভবন। পশ্চিম দিকে রূপসী-মুড়াপাড়া-কাঞ্চন সড়ক। তাতে পানি বের হওয়ার ব্যবস্থা নেই। নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সারা বছরই মাঠে পানি জমে থাকে। মাঝে মধ্যেই মাঠে হাঁস সাঁতার কাটে। 


বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা সুলতানা বলেন, ১৯৭৩ সালে গঙ্গানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়। বর্তমানে এখানে ২৭৪ জন শিক্ষার্থী লেখাপাড়া করছে। পাঠদানের জন্য রয়েছে ৬ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা। ফলাফলও ভালো।  জলাবদ্ধতা দূর করতে  মাঠে মাটি ভরাট করা হলেও পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নিচ্ছে।


তাতে বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সমাবেশ কিংবা অ্যাসেম্বলি হয় না । খেলাধুলাসহ স্বাভাবিক হাঁটা চলা করতে পারে না তারা। স্কুলের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের বন্দি হয়ে থাকতে হয়। জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা ও অ্যাসেম্বলী থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এছাড়া বিদ্যালয়ের ভবন অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ভবনের দেয়াল ও ছাদ থেকে পলেস্তেরা খসে পড়ছে। দুর্ঘটনার ভয়েও শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি দিনদিন কমে যাচ্ছে। 


বিদ্যালয়ের ২৩ শতাংশ জমির অধিকাংশই এখন বেদখল হয়ে গেছে। বিদ্যালয়ের নামে নামজারি করা ১২ শতাংশ জমিই এখন দখলে রয়েছে। এ বিদ্যালয়টি স্থানীয় ও সংসদ নির্বাচনী ভোট কেন্দ্র। সেই হিসেবে আগামী নির্বাচনের আগেই নতুন ভবন নির্মাণ করার প্রয়োজন বলে এলাকাবাসী মনে করছে। রূপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে ম্যানেজ করতে না পারায় দীর্ঘ দিনেও গঙ্গানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে না। অগ্রিম অর্থ নিয়ে নতুন ভবন নির্মাণের তালিকা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। 


রূপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার জায়েদা আখতার তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিদ্যালয় ভবনটি পুরাতন এবং জরাজীর্ণ হওয়ায় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। শিগগিরই নতুন ভবন নির্মাণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 


নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অহীন্দ্র কুমার মন্ডল বলেন, সরেজমিন পরিদর্শন করে কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। অগ্রাধীকার ভিত্তিতে গঙ্গানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ করা হবে। 


আরও খবর



গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন শুরু ১৫ জুন

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
Image

গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের (প্রথম বর্ষে) ভর্তির আবেদন আগামী ১৫ জুন থেকে শুরু হবে। ২৫ জুন পর্যন্ত চলবে এ আবেদন প্রক্রিয়া। তবে চলতি শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদনে নির্দিষ্ট তারিখ শেষে আর অতিরিক্ত সময় বাড়ানো হবে না।

রোববার (৫ জুন) গুচ্ছভুক্তবিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভাশেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক এই তথ্য জানান।

আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী ৩০ জুলাই থেকে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। ৩০ জুলাই ‘ক’ ইউনিট, ১৩ আগস্ট ‘খ’ ইউনিট এবং ২০ আগস্ট ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি সহনীয় পর্যায়ে, সরকারকে বিকেএমইএর ধন্যবাদ

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি সহনীয় পর্যায়ে নির্ধারণ করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।

রোববার (৫ জুন) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ধন্যবাদ জানায় বিকেএমইএ।

এর আগে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের ভোক্তা পর্যায়ে মূল্য হার সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের সামগ্রিক মূল্য প্রতি ঘনমিটারে ৯ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১ টাকা ৯১ পয়সা করা হয়েছে। অর্থাৎ ২২ দশমিক ৭৪ শতাংশ দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ বর্ধিত মূল্য জুন থেকে প্রযোজ্য ও কার্যকর হবে।

বিকেএমইএ জানায়, তৈরি পোশাক শিল্পে বহুল ব্যবহৃত ক্যাপটিভ বিদ্যুতে প্রতি ঘনমিটারে গ্যাসের মূল্য ১৫ দশমিক ৫২ শতাংশ বৃদ্ধি করে ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহৎ শিল্পে গ্যাসের মূল্য ১১ দশমিক ৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি করে প্রতি ঘনমিটারে ১১ টাকা ৯৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রে এই মূল্য ১১ টাকা ৭৮ পয়সা এবং ক্ষুদ্র, কুটির ও অন্যান্য শিল্পের ক্ষেত্রে ১০ টাকা ৭৮ পয়সা করা হয়েছে। বিইআরসি সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে এই হার নির্ধারণ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বিকেএমইএ সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্যাসের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বিইআরসিকে যে পরামর্শ দিয়েছেন এজন্য আমরা তার প্রতি গভীর ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বিএআরসির চেয়ারম্যানকে বিকেএমইএর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।

তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, বস্ত্র খাতের উৎপাদন ব্যবস্থায় সরকার কর্তৃক নির্ধারিত গ্যাসের মূল্য আমরা সমন্বয় করতে পারবো ও সরকারের সহযোগিতায় নিটওয়্যার রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখতে সক্ষম হবো। আমরা বিশ্বাস করি, বস্ত্র খাতের উৎপাদন ব্যবস্থায় সরকার নির্ধারিত গ্যাসের মূল্য আমরা সমন্বয় করতে পারব এবং


আরও খবর