Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

রান্না করা মাংস ও সালাদের দোকানে কাজ করতেন টাইটানিক ছবির নায়িকা

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৪৩জন দেখেছেন
Image

 বিনোদন ডেস্ক।

হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেট উইন্সলেট। ‘টাইটানিক’ সিনেমায় রোজের চরিত্রে অভিনয় করে জয় করে নিয়েছেন অস্কার। হয়েছেন কালজয়ী সিনেমার অংশ।


দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতে, একজন অভিনেত্রী হিসেবে উইন্সলেটের নমনীয়তা স্পষ্ট। তিনি ‘টাইটানিক’ এবং দার্শনিক ‘রেব্যুলোশনারি রোড’- এর মতো ব্লকবাস্টার সিনেমায় অভিনয় করার পাশাপাশি। এইচবিওর ‘মিলড্রেড পিয়ার্স’ এবং ‘মেয়ার অফ ইস্টটাউন’- এর মতো ড্রামাতেও অভিনয় করেছেন। হয়েছেন বিখ্যাত।



তবে কেট উইন্সলেট বিখ্যাত এবং মিলিয়ন ডলার উপার্জন শুরু করার আগে বাকিদের মতো সাধারণ কাজ করতেন।


বার্কশায়ার লাইভ অনুসারে, উইন্সলেট বার্কশায়ারের রিডিং শহরে বেড়ে উঠেন। অভিনেত্রী হওয়ার আগে রান্না করা মাংস এবং তৈরি করা সালাদ ইত্যাদির দোকানে কাজ করতেন।



তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তার প্রথম সিনেমা ‘হেভেনলি ক্রিয়েচার’- এ অভিনয় করার সময় অভিনয়ের ক্যারিয়ারকে সুরক্ষিত করার আশায় পার্শ্ব কাজ হিসেবে তিনি ডেলিতে কাজ চালিয়ে যান। কেননা একজন অভিনেত্রী হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করা বেশ কঠিন। বিশেষ করে যখন কেউ সবেমাত্র কাজ শুরু করে।


তিনি বলেন, ‘অবশ্য যখন আমি বিখ্যাত সিনেমাগুলোতে প্রধান চরিত্রে সুযোগ পেতে শুরু তখন সময়ের সঙ্গে সবকিছু বদলে যায়।’

১৯৯৪ সালে শোবিজ দুনিয়ায় আত্মপ্রকাশের পর উইন্সলেটের পরবর্তী দুর্দান্ত হিট ছিল ১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সেন্স অ্যান্ড সেন্সিবিলিটি’ ছবিটি। এরপর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। অনেক দূর এগিয়ে শক্ত করে নিয়েছেন নিজের স্থান।


আরও খবর



খাদ্য সংকট আরও প্রকট হচ্ছে, জাতিসংঘের সতর্কতা

প্রকাশিত:Saturday ০৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
Image

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বিদ্যমান খাদ্য সংকট ও মূল্যস্ফীতি আরও প্রকট হচ্ছে। এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম বেড়ে অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে। জাতিসংঘ সতর্ক করে এসব কথা জানিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) জানিয়েছে, চলতি বছরের মে মাসে সংস্থাটির খাদ্য মূল্যসূচক কমেছে। যদিও মার্চে মূল্য রেকর্ড পরিমাণ বাড়ে।

তবে মূল্যসূচক কমলেও এক বছর আগের তুলনায় মে মাসে ২২ দশমিক আট শতাংশ বেশি ছিল। ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার কারণেই এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে। কারণ বিশ্বের খাদ্য নিরাপত্তায় দেশ দুইটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

খাদ্য সংকটের বিষয়ে এফএওয়ের প্রধান বিশ্লেষক লুকা রুশো বলেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের ফলে জ্বালানির পাশাপাশি সাহায্য বিতরণের খরচও বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে তীব্র খাদ্য সংকটের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

রুশো বলেন, এটা কোনো নতুন সংকট নয়। তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তায় থাকা মানুষের সংখ্যা গত ছয় বছরে নাটকীয়ভাবে বাড়ছে। ইউক্রেন যুদ্ধ সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে।


আরও খবর



অর্থঋণ আদালতে ঝুলে থাকা মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির তাগিদ

প্রকাশিত:Thursday ১৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

অর্থঋণ আদালতে ঝুলে থাকা মামলাগুলো যাতে দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয় সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া নির্দিষ্ট পরিমাণ ডাউন পেমেন্টে ব্যবসায়ীদের ঋণ পরিশোধের সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সঙ্গে এক বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, অর্থঋণ আদালতে ঝুলে থাকা মামলাগুলো যাতে দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয় সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কারণ অভিজ্ঞ আইনজীবীর অভাবে অনেক সময় মামলাগুলো দীর্ঘায়িত হয়ে পড়ে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যাংকের ঋণ আদায় কার্যক্রম। মামলাগুলো যাতে দ্রুত নিষ্পত্তি হয় তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, নির্দিষ্ট পরিমাণ ডাউন পেমেন্টে ব্যবসায়ীদের ঋণ পরিশোধের সুবিধা দেওয়ার বিষয় বিবেচনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সুবিধা দেওয়া হতে পারে। চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না আসলেও এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিবেচনা করবে।


আরও খবর



নামাজ যখন মর্যাদা বৃদ্ধি ও গুনাহ মাফের কারণ

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

নামাজ ইসলামের প্রধান ইবাদত। ঈমানের পরেই এর স্থান। যার নামাজের হিসাব সহজ হবে তার সব কাজের হিসাবই সহজ হবে। আল্লাহ তাআলা কিছু নামাজির গুনাহ মাফ করে দেবেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন। এসব নামাজি কারা?

গুনাহ মাফ ও মর্যাদা বৃদ্ধির অন্যতম আমল নামাজ। যেসব নামাজি নামাজ পড়ার জন্য নিজেদের নিয়োজিত রাখে তারাই পাবে এ মর্যাদা। গুনাহ মাফ ও মর্যাদা পেতে হাদিসে ৩টি দিকনির্দেশনা এসেছে। তাহলো-

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‌আমি কি তোমাদের এমন কাজের কথা বলব না? যা দ্বারা আল্লাহ তাআলা পাপরাশি দূর করে দেবেন এবং মর্যাদা উঁচু করে দেবেন?

সাহাবায়ে কেরাম বললেন, ‘হ্যাঁ’, অবশ্যই (বলবেন) হে আল্লাহর রাসুল! তখন তিনি বললেন-

১. অসুবিধা ও কষ্ট থাকা সত্ত্বেও (নামাজের জন্য) পরিপূর্ণভাবে অজু করা।

২. মসজিদে যাওয়ার জন্য বেশি পদচারণা করা।

৩. এক নামাজের পর অন্যনামাজের জন্য  অপেক্ষা করা।

জেনে রাখ! এটাই হলো রিবাত।’ (মুসলিম)

রিবাত : এটি হলো নিজেকে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্যে আটকে রাখা ও শয়তানের মোকাবেলায় নিজেকে প্রস্তুত রাখা। যা অধিকাংশ ঈমানদার মানুষের জন্যই সহজ।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, হাদিসের অনুসরণে নামাজের জন্য উত্তমরূপে অজু করা। মসজিদে যাওয়ার সময় যথাসম্ভব বেশি পদচারণার মাধ্যমে মসজিদে যাওয়া। জামাতে এক ওয়াক্তের নামাজ পড়ার পর অন্য ওয়াক্তের নামাজের জন্য অপেক্ষা করা। আর এতেই রয়েছে নামাজির গুনাহ মাফ ও মর্যাদা বৃদ্ধির ঘোষণা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে উল্লেখিত নিয়তে নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। দুনিয়া ও পরকালে তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দিন। জীবনের সব গুনাহ ক্ষমা করে দিন। আমিন।


আরও খবর



নওগাঁয় নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্যসহ আটক ৮

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

নওগাঁয় নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য কনা খাতুন নামের এক শিক্ষিকাকে আটক করেছে একটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। একই সঙ্গে আরও সাত পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের মুক্তারপাড়া গ্রামের দেওয়াপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

কনা খাতুন প্রশ্নফাঁস চক্রের মূলহোতা মেহেদী হাসানের স্ত্রী। তিনি জেলার বদলগাছী উপজেলার রামশাহাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা।

পুলিশ জানায়, প্রশ্নফাঁস চক্রের বিষয়টি জানতে পেরে চক্রের মূলহোতা মেহেদী হাসান ও তার স্ত্রী কনা খাতুনের ওপর নজর রাখে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। পরে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের মুক্তারপাড়া গ্রামের দেওয়াপাড়ার বাবার বাড়ি থেকে কনা খাতুনকে আটক করা হয়। এসময় চক্রের একজনকে আটক করা গেলেও অন্যদের আটক সম্ভব হয়নি।

পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে শহরের বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে বিএমসি মহিলা কলেজ কেন্দ্র থেকে চারজন, জনকল্যাণ মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজন, সেন্ট্রাল গার্লস স্কুল কেন্দ্র থেকে একজন ও পিএম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজনকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। পরে আটক পরীক্ষার্থীদের একমাসে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নওগাঁ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বদরুদ্দৌজা বলেন, কনা খাতুনের বিরুদ্ধে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।


আরও খবর



‘নারীর প্রতি সহিংসতা রোধের আন্দোলনে সবাই শামিল হোন’

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধের আন্দোলনে সবাইকে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক নারীকে নিপীড়নের প্রতিবাদে ও নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এই আহ্বান জানানো হয়।

রোববার (১২ জুন) বিকেলে সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘আসুন নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলি’ স্লোগানে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

গত বুধবার (৮ জুন) দিবাগত রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীলক্ষেত এলাকায় এক নারী নিপীড়নের শিকার হয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। ওই ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি মামলাও করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করে সংগঠনটি।

এসময় বক্তারা নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সবাইকে নির্বিকার মনোভাব পরিহার করে সোচ্চার হতে বলেন। সহিংসতার ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীকে চিহ্নিত করে তাকে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ সব জায়গায় নিরাপদে ও স্বাধীনভাবে নারীর চলাচল নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। পাশাপাশি যৌন হয়রানি, নিপীড়নসহ নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনা অনুসারে পৃথক আইন প্রণয়নের দাবি জানান বক্তারা।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, করোনাকালীন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও নারীর প্রতি সহিংসতা থেকে আমরা কোনোভাবেই মুক্ত হতে পারছি না। নারীদের প্রতি যারা ক্রমাগত অশোভন আচরণ করছে, তাদের সমাজের কাছে লজ্জিত হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, সব পুরুষ নারীকে অসম্মানের চোখে দেখে বিষয়টি এমন নয়। গুটিকয়েক পুরুষ যারা নারীকে অধঃস্তন ভেবে সহিংসতা, যৌন হয়রানি ও হেনস্তা করছে তাদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধের আন্দোলনে সবাইকে শামিল হওয়ার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর নারীর জন্য নিরাপদ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তিনি।

ডা. ফওজিয়া মোসলমের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড লবি পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অ্যাড. দীপ্তি সিকদার সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদা রেহানা বেগম, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড সম্পাদক রেখা সাহা, আন্দোলন সম্পাদক রাবেয়া খাতুন শান্তি, ঢাকা মহানগর কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মঞ্জু ধর, কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদের সদস্য ডা. নাহিদ নবী লেনা, সিনিয়র আইনজীবি অ্যাডভোকেট রাম লাল রাহা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী রিদিয়া রাকা, ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী নির্জনা ভূঁইয়া।

এসময় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, জাতীয় পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং সংগঠনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে ১১টি দাবি তুলে ধরেন অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড লবি পরিচালক জনা গোস্বামী। দাবিগুলো হলো-

১. এই সমাবেশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানায় এবং অবিলম্বে নির্যাতকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।

২. নারী ও কন্যার প্রতি যৌন নিপীড়নসহ সব ধরনের সহিংসতা ও নির্যাতন বন্ধ করতে হবে।

৩. নারীদের উত্ত্যক্তকররণ, যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন, ধর্ষণ, গণধর্ষণ, হত্যা, অ্যাসিড নিক্ষেপের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

৪. নারীর স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা দিতে হবে।

৫. নারী-পুরুষ নির্বিশেষে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অপরাধ ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ সমাজ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে।

৬. নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে পারিবারিক মূল্যবোধ গড়ে তোলা এবং ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার নারীকে দায়ী করার মানসিকতা পরিহার করতে হবে।

৭. উত্ত্যক্তকরণ, যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন রোধে মহামান্য হাইকোর্টের রায়ের আলোকে পৃথক আইন প্রণয়ন করতে হবে।

৮. ধর্ষণসহ নারীর প্রতি যৌন সহিংসতা বন্ধে সরকারের ঘোষিত নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের বাস্তবায়ন দৃশ্যমান করতে হবে।

৯. কর্মক্ষেত্র ও রাস্তাঘাট, গণপরিবহনসহ ঘরে-বাইরে সবখানে নারী ও কন্যার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

১০. নারীর প্রতি প্রচলিত নৈতিবাচক প্রথা ও রীতিনীতি অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিরবিচ্ছিন্ন প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে।

১১. সমাবেশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব বিশ্ববিদ্যালয় সিসি ক্যামেরার আওতায় এনে নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে।


আরও খবর