Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৫৩

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৫৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

ডিএমপির নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার (৬ জুন) ভোর ৬টা থেকে বুধবার (৭ জুন) ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এসময় গ্রেফতারদের কাছ থেকে ১৭৯৮ পিস ইয়াবা, ২১৮ গ্রাম হেরোইন, ২০ কেজি ৭৬৫ গ্রাম গাঁজা, ১৪০ বোতল ফেনসিডিল ও ১০ লিটার দেশি মদ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪২টি মামলা রুজু হয়েছে।


আরও খবর



রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে, যে পরামর্শ বিশ্লেষকদের

প্রকাশিত:Monday ১৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
Image

বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম হু হু করে বেড়ে যাওয়ায় বাড়ছে আমদানি ব্যয়। এতে প্রতিনিয়তই কমছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। গত বছরের এ সময়ে দেশের যে রিজার্ভ ছিল, তা দিয়ে ৮ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব ছিল। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন বা ৪ হাজার কোটি ডলারের নিচে নেমে (৩৯ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন) এসেছে। এ রিজার্ভ দিয়ে চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটোনো সম্ভব।

এরই মধ্যে রিজার্ভ ধরে রাখতে নানামুখী সংস্কার এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে রয়েছে— আমদানি ঋণপত্র বা এলসি খোলার ২৪ ঘণ্টা আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানানোর পাশাপাশি রপ্তানিকারকের রিটেনশন বা প্রত্যাবাসন কোটা (ইআরকিউ) হিসাবে জমা করা বিদেশি মুদ্রার ৫০ শতাংশ নগদায়ন করা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে আরও কঠোর হওয়ার সুযোগ আছে। রপ্তানির সঙ্গে রেমিট্যান্সকেও বাড়াতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনীয় পণ্য না হলে আমদানি বন্ধ করতে হবে। এসব না করতে পারলে পরিস্থিতি আরও (ক্রিটিক্যাল) খারাপের দিকে যাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, এখনো ভালো অবস্থায় রয়েছে রিজার্ভ। বেশকিছু পদক্ষেপের কারণে রিজার্ভ ভালো অবস্থানে যাবে।

সাম্প্রতিক সময়ে আমদানি অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় বাজারে ডলারের সংকট দেখা দিয়েছে। বিলাসবহুল এবং অপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে নিরুৎসাহিত করতে সরকার একটা পদক্ষেপ নিয়েছে। এরপরও ডলারের বাজার নিয়ন্ত্রণে আসছে না। আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়া ও রেমিট্যান্স কমে আসায় ডলারের এ সংকট। এতে রপ্তানি আয় বাড়লেও ডলারের সংকট কাটছে না। এতে রিজার্ভ থেকে ডলার ছেড়ে বাজার নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এসব কারণে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩৯ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। এ পরিস্থিতিতে ডলারের জোগান বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— ‘ব্যাংকগুলো তাদের আমদানির খরচ মেটাতে অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট থেকে ঋণ নিতে পারবে। আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার ২৪ ঘণ্টা আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানাতে হবে। রপ্তানিকারকের রিটেনশন বা প্রত্যাবাসন কোটা (ইআরকিউ) হিসাবে জমা করা বিদেশি মুদ্রার ৫০ শতাংশ নগদায়ন করতে হবে।’

কাগজে-কলমে রিজার্ভ এখন প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার বা ৩৯ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু এ হিসাব নিয়ে আছে বিতর্ক। বলা হচ্ছে— প্রকৃত রিজার্ভের অংক ৩২ বিলিয়ন ডলার। রিজার্ভের অংক নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আইএমএফ যুক্তি হচ্ছে— বর্তমানে রিজার্ভের অর্থে রফতানি উন্নয়ন তহবিলে (ইডিএফ) ৭০০ কোটি, জিটিএফে ২০ কোটি, এলটিএফএফে ৩ কোটি ৮৫ লাখ এবং সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে পায়রাবন্দর কর্তৃপক্ষকে ৬৪ কোটি ডলার ও বাংলাদেশ বিমানকে ৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার ঋণ দেওয়া হয়েছে। এ ৭৯২ কোটি ৬৫ লাখ ডলারের বাইরে কারেন্সি সোয়াপের আওতায় শ্রীলঙ্কাকে দেওয়া হয়েছে ২০ কোটি ডলার। এটা রিজার্ভ থেকে বাদ দিলে প্রকৃত রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসবে।

অন্যদিকে, প্রতিনিয়ত রিজার্ভ কমে যাওয়ায় বাড়ছে উদ্বেগ। এক বছর আগে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রেকর্ড অবস্থায় ছিল। কিন্তু এখন সেই অবস্থানে নেই। গত বছরের এ সময়ে যে রিজার্ভ ছিল তা দিয়ে ৮ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা তৈরি হলেও বর্তমান সময়ে তা কমে হয়েছে চার মাসের। মূলত আমদানি ব্যয় মেটাতেই শেষ হচ্ছে রিজার্ভ। বিশ্লেষকরা বলছেন, সতর্ক না হলে অবস্থা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নকে (এসিইউ) আমদানির অর্থ পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে গেছে।

এ বিষয়ে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যায় এমন রিজার্ভ থাকলে মোটামুটি গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়। যদিও সেখানে কিছুটা ঝুঁকি থাকে। আমাদের কয়েক মাস পরে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নকে (এসিইউ) আমদানির অর্থ পরিশোধ করতে হবে, সেখানে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারের মতো চলে যাবে। একটা ক্রিটিক্যাল অবস্থা তৈরি হতে পারে। কাজেই এখন চেষ্টা করতে হবে রপ্তানি বাড়ানো আমদানি ব্যয় কমোনার। বিশেষ প্রয়োজনীয় না সেব পণ্য আমদানি বন্ধ করতে হবে। বেশ কিছু দিন ধরে রেমিট্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। রেমিট্যান্সকে আমরা গুরুত্ব মনেকরি, কারণ এ টাকাটা আমাদের রিজার্ভ এ যোগ হয়। রেমিট্যান্সটাকে বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।’

ডলারের সংকট মেটাতে রিজার্ভ থেকে ডলার ছেড়ে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রতিনিয়ত দামও বাড়ছে ডলারের, এর বিপরীতে দুর্বল হচ্ছে টাকা। রিজার্ভ ধরে রাখতে তাই নানামুখী সংস্কার এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে রিজার্ভ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়নি এমনটাই বলছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, রিজার্ভ দিয়ে তিন মাস পর্যন্ত আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হলে, তখন পর্যন্ত শঙ্কা থাকে না। আমাদের রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। বাংলাদেশ ব্যাংক এরই মধ্যে নানা পদক্ষে নিয়েছে। ডলারের বাজার স্বাভাবিক রাখতে বিলাসবহুল পণ্য আমদানি আরও কঠোর করা হয়েছে। এসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ঋণপত্র খোলার সময় ব্যাংকগুলোকে আমদানিকারকদের কাছ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত অগ্রিম অর্থ নিতে পারবে। ব্যাংকগুলো এখন তাদের আমদানির খরচ মেটাতে অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট থেকে ঋণ নিতে পারবে। আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার ২৪ ঘণ্টা আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানাতে হবে এবং রপ্তানিকারকের রিটেনশন বা প্রত্যাবাসন কোটা (ইআরকিউ) হিসাবে জমা করা বিদেশি মুদ্রার ৫০ শতাংশ অনতিবিলম্বে নগদায়ন করতে হবে।


আরও খবর



৬ বছর আগে ভারতের স্টার্টআপ ছিল ৪৭১, এখন ৭২৯৯৩

প্রকাশিত:Saturday ২৩ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

২০১৬ সালে ভারতে স্বীকৃত স্টার্টআপ ছিল মাত্র ৪৭১টি। কিন্তু পরের ছয় বছরেই তা বেড়ে হয়েছে ৭২ হাজারের বেশি। শুক্রবার (২২ জুলাই) ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী সোম প্রকাশ এ তথ্য জানিয়েছেন।

রাজ্যসভায় এক লিখিত জবাবে ভারতীয় মন্ত্রী বলেছেন, স্টার্টআপ ও প্রযুক্তি ইকোসিস্টেম যে কোনো দেশের জন্য প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি। এটিকে স্বীকার করে সরকার ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারি ‘স্টার্টআপ ইন্ডিয়া’ কর্মসূচি চালু করে, যার লক্ষ্য ভারতের স্টার্টআপ সংস্কৃতিকে লালন করার জন্য একটি শক্তিশালী ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উদ্যোক্তাদের সমর্থন এবং বৃহৎ আকারে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।

তিনি জানান, ২০১৬ সালে যেখানে ভারতে স্বীকৃত স্টার্টআপ ছিল মাত্র ৪৭১টি। ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ হাজার ৯৯৩টি। অর্থাৎ গত ছয় বছরে ভারতে স্টার্টআপের সংখ্যা বেড়েছে ১৫৪০০ শতাংশ।

৫৬টি বৈচিত্র্যময় খাতের স্টার্টআপগুলোকে স্বীকৃতি দিয়েছে ভারতের শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য প্রচার বিভাগ (ডিপিআইআইটি)। ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) রোবোটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিশ্লেষণের মতো উদীয়মান প্রযুক্তি সম্পর্কিত খাতে সাড়ে চার হাজারের বেশি স্টার্টআপ স্বীকৃতি পেয়েছে।

ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ (ডিএসটি) ২০১৬ সালে ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ ফর ডেভেলপিং অ্যান্ড হার্নেসিং ইনোভেশনস (নিধি) নামে একটি কর্মসূচি শুরু করে, যা সফল স্টার্টআপের ধারণা ও উদ্ভাবনকে (জ্ঞান-ভিত্তিক এবং প্রযুক্তি-চালিত) সমর্থন করে। এর কর্মসূচির আওতায় উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ফেলোশিপ প্রদান থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে সহায়তা করা হয়।

জৈবপ্রযুক্তি খাতে উদ্ভাবনে উদ্বুদ্ধ করার জন্য বায়োটেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ অ্যাসিসট্যান্স কাউন্সিল (বিআইআরএসি) এর মাধ্যমে সহযোগিতা দিচ্ছে ভারতের জৈবপ্রযুক্তি বিভাগ। দ্য ইনোভেশন ফর ডিফেন্স এক্সিলেন্স (আইডিইএক্স) চালু করেছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিরক্ষা উৎপাদন বিভাগ। এটি প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ সংক্রান্ত উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির উন্নয়নে উৎসাহিত করে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় অনুদান দেয়।

এসব উদ্ভাবনী প্রোটোটাইপের বিকাশে অনুদান হিসেবে দেড় কোটি রুপি পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা আইআইটি, আইআইএম এবং অন্যান্য বেসরকারি ইনকিউবেটরগুলোর কাছ থেকেও প্রচুর সমর্থন পেয়েছে স্টার্টআপগুলো।

সূত্র: এনডিটিভি


আরও খবর



৯ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই ব্যবহারের উপযোগী টয়লেট

প্রকাশিত:Thursday ০৪ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

ব্যবহারের উপযোগী টয়লেট নেই ৯ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। দেশের ৫৪টি জেলার চার হাজার ৯৫১টি বা ৯ দশমিক ৮ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যবহারের উপযোগী কোনো ওয়াশ ব্লক, টয়লেট নেই। ব্যবহারের উপযোগী ওয়াশ ব্লক আছে ১৯ হাজার ৮১৬টি বা ৩৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ বিদ্যালয়ে। ব্যবহার উপযোগী টয়লেট আছে ৩৯ হাজার ৯৬৮টি বা ৭৩ দশমিক ৭২ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

আর ১১ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই। এসব বিদ্যালয়ে ব্যবহারের উপযোগী নলকূপ বা পানির কোনো উৎস নেই।

বুধবার (৩ আগস্ট) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই তথ্য জানানো হয়।

এর আগে সংসদীয় কমিটি নিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য দেশের ৬৪ জেলার সব স্কুলগুলোর তথ্য জানতে চায়। এর প্রেক্ষিতে সব উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে এ সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়। ৬৪টি জেলার ৫৪ হাজার ৫১১টি বিদ্যালয়ের তথ্য দেওয়া হয়েছে।

দেশে বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে মোট ৬৫ হাজার ৫৬৬টি। আগামী বৈঠকে অন্য জেলার স্কুলগুলোর তথ্য চেয়েছে সংসদীয় কমিটি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে উত্থাপিত কার্যপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ৪৮ হাজার ৪৭৪টি বা ৮৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যবহারের উপযোগী নলকূপ বা পানির উৎস আছে। আর ছয় হাজার ৩৭টি বা ১১ দশমিক ০৭ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যবহারের উপযোগী নলকূপ বা পানির উৎস নেই।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫৪ হাজার ২৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া বা হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা আছে। প্রায় ৯৬ শতাংশ বিদ্যালয়ে টয়লেট ওয়াশ ব্লক নিয়মিত হারপিক বা ফিনাইল দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করা হয়।

কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য শিরীন আখতার, মো. জোয়াহেরুল ইসলাম, ফেরদৌসি ইসলাম এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার পাচ্ছেন লিটন দাসসহ ১১ জন

প্রকাশিত:Wednesday ০৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৫জন দেখেছেন
Image

৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেষ্ঠ্যপুত্র শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকীতে প্রদান করা হবে তার নামে প্রবর্তিত শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার-২০২২।

বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ, সংগঠক প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।

কারা পাচ্ছেন এবারের শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার? জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- এবার ৭ ক্যাটাগরিতে ১১টি পুরস্কার প্রদান করা হবে। এরমধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠানও আছে।

শুক্রবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারের জন্য মনোনীতের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যারা পুরস্কার পাচ্ছেন

উদীয়মান ক্রীড়াবিদ : ক্রিকেটার শরিফুল ইসলাম ও আরচার দিয়া সিদ্দিকী।

ক্রীড়াবিদ : ক্রিকেটার লিটন দাস, শ্যুটার আবদুল্লাহ হেল বাকী ও ভরোত্তোলক সাবেরা সুলতানা।

সংগঠক : স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সাইদুর রহমান প্যাটেল ও জাতীয় মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমা শামীম।

আজীবন সম্মাননা : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও দেশের বর্ষিয়ান ক্রীড়া সংগঠক হারুনুর রশীদ।

সংগঠন : বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)।
পৃষ্ঠপোষক : গ্রীণ ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড।

ক্রীড়া সাংবাদিক : কাশিনাথ বশাক।


আরও খবর



বিরল রক্তের গ্রুপের খোঁজ মিললো, আছে মাত্র ১০ জনের শরীরে

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
Image

রক্তের গ্রুপ প্রধানত ৪টি- ও, এ, বি ও এবি। রক্তের গ্রুপ বাবা-মায়ে কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জিন দ্বারা নির্ধারিত হয়। রক্তের গ্রুপ পজিটিভ হবে না কি নেগেটিভ, তা নির্ভর করে লোহিত রক্তকণিকায় প্রোটিনের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির কারণে।

রক্তকণিকায় প্রোটিনের উপস্থিতি থাকলে রক্তের গ্রুপ হবে পজিটিভ। আর রক্তে প্রোটিন না থাকলে রক্তের গ্রুপ হবে নেগেটিভ। বিশেষজ্ঞরা বলেন, যাদের রক্তের গ্রুপ ‘ও’,তারা হলেন সর্বজনীন দাতা। ‘এবি’ রক্তের গ্রুপের মানুষেরা সর্বগ্রহীতা।

তবে সম্প্রতি এমন একটি নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের রক্ত মিলেছে যাকে এ, বি, ও কিংবা এবি কোনো গ্রুপের মধ্যেই ফেলা যাচ্ছে না। তাই এই রক্তের গ্রুপকে বলা হচ্ছে ইউনিক ব্লাড গ্রুপ।

সম্প্রতি এই বিরল রক্তের গ্রুপের খোঁজ মিলেছে ৬৫ বছর বয়সী ভারতের গুজরাটের এক অধিবাসীর মধ্যে। তিনি একজন হৃদরোগী। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই গ্রুপের রক্ত নাকি ভারতে এবারই মিলেছে কারও শরীরে।

আসলে ব্লাড গ্রুপকে ২৪ ধরনের সিস্টেম অনুযায়ী ভাগ করা যায়। এছাড়া ৩৭৫ ধরনের অ্যান্টিজেন আছে রক্তে। এরমধ্যে ইএমএম সবচেয়ে বেশি। এটাই হলো স্বাভাবিক অবস্থা।

তবে বিশ্বে মাত্র ১০ জনের শরীরে এই ইএমএম হাই ফ্রিকোয়েন্স অ্যান্টিজেন অবর্তমান। এ কারণেই তাদের রক্তের গ্রুপ বিরল। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলেও সত্যিই যে, বিরল এই নেগেটিভ রক্তের গ্রুপের মানুষগুলো কারো থেকে রক্ত নিতেও পারেন না, এমনকি কাউকে রক্ত দিতে পারেন না।

জানা গেছে, পুরো পৃথিবীতে মাত্র ৯ জনের শরীরে অতীতে মিলেছিল এই রক্তের গ্রুপ। তবে ৬৫ বছর বয়সী গুজরাটের ওই মানুষটিকে ধরলে ১০ জন হয়। পুরো বিশ্বে মাত্র ১০ জনের শরীরে মিলেছে বিরল এই রক্ত।

সবার রক্তে লোহিত রক্ত কণিকার গায়ে একটি বিশেষ প্রোটিন থাকে। তবে এই বিরল রক্তের গ্রুপে সেই প্রোটিন থাকে অনুপস্থিত। আর এ কারণেই এই মানুষগুলোকে আমাদের থেকে আলাদা করে দেয়।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া/জিবিজ


আরও খবর