Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে: শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের হার দিয়ে সুপার এইট শুরু গোদাগাড়ীতে রাসেল ভাইপারের চিকিৎসার দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি রূপগঞ্জে জমে উঠেছে কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার বাবা মাকে কুপিয়ে হত্যা যানজট নিরসনে সংসদ সদস্যগণের সাথে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সমন্বয়সভা ভোলায় ফের দেখা মিলল রাসেল ভাইপার, জনমনে আতঙ্ক বাজেট পাস হয়নি,অনেক কিছু পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব: অর্থমন্ত্রী দেশের সব মহৎ অর্জন আ. লীগের মাধ্যমেই হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

রাজধানীর ওয়ারীতে ককটেল বিস্ফোরণে এক পরিবারের তিনজন আহত

প্রকাশিত:সোমবার ২০ নভেম্বর ২০23 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ২৭১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:এবার রাজধানীর ওয়ারী থানার সামনের রাস্তায় ককটেল বিস্ফোরণে ঘটনা ঘটেছে। এতে একই পরিবারের তিনজন আহত হয়েছেন রোববার (২০ নভেম্বর) রাতে ঘটনাটি ঘটে।

আহতরা হলেন- মাকসুদা আক্তার (৫৫), তার স্বামী আবুল বাশার (৬৫) ও তাদের ছেলে মাহবুব (২০)।

মাকসুদা বাসা বাড়িতে কাজ করেন, তার স্বামী আগে ফুটপাতে ফলের ব্যবসা করতেন, ছেলে বিভিন্ন মুদি দোকানে খবারের আইটেম সাপ্লাইয়ের কাজ করেন। তারা থাকেন গেন্ডারিয়ারা ধুপখোলা এলাকায়।

আবুল বাশার জানান, তারা সংবাদ পেয়েছেন তাদের ছেলেকে পুলিশ থানায় নিয়ে গেছে, এমন সংবাদ শুনে থানার সামনে যান। সেখানে পুলিশের সঙ্গে কথা হয় তাদের। ছেলেকে নিয়ে ফেরার সময়ে রাস্তার পাশে হঠাৎ একটি বিস্ফোরণের শব্দ হয়। ধোয়া হয় চতুর্দিকে। কিছু সময় পর দেখতে পান তারা আহত হয়েছেন।

অজ্ঞাত দুষ্কৃতিকারীদের নিক্ষিপ্ত ককটেল বোমায় তারা আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া। তিনি বলেন, আহতরা ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।


আরও খবর



যানজটের পাশাপাশি ছিনতাই, চাঁদা বাজী বন্ধে কাজ করছে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ২৭১জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ডেক্স:- ঢাকা মহানগরবাসী যাতে নির্বিঘ্নে এবং স্বাচ্ছন্দে চলাচল করতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে টিম ট্রাফিক ডিএমপি। সেই ধারাকে অব্যাহত রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ।


যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়নের ফলে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের মধ্য দিয়ে ৩৮টি জেলার যানবাহন গমনাগমন করে থাকে। রাস্তার তুলনায় মাত্রাতিরিক্ত গাড়ি এবং আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যা অধিক হওয়াতে ওয়ারী বিভাগের যানজট নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অপরাধ দমনেও সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হয়। 


ডিসি (ট্রাফিক-ওয়ারী) বিভাগ মোহাম্মদ আশরাফ ইমামের নেতৃত্বে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সদস্যগণ সাহসিকতার সঙ্গে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যানজট নিরসনের পাশাপাশি অপরাধ দমনেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছেন।

 ইতোপূর্বে মহাসড়কে ছিনতাই ও চাঁদাবাজি রোধ করতে এই বিভাগের সদস্যগণ বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

তারা ছিনতাইকারী গ্রেপ্তারসহ ছিনতাইকারীর কবল থেকে ছিনতাইকৃত স্বর্ণের চেইন, কানের দুল ও আংটি এবং মোবাইল, মানিব্যাগ/ভ্যানিটিব্যাগ, হাত ঘড়ি উদ্ধার করেছেন। পাশাপাশি সিটি টোলের নামে চাঁদাবাজি বন্ধের লক্ষ্যে চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার করে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করেছেন। 


অপরাধ দমনের এই ক্রমাগত প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে অদ্য এসি (ট্রাফিক-যাত্রাবাড়ী) তত্ত্বাবধানে যাত্রাবাড়ী ট্রাফিক পুলিশ বক্সের টিআই পবিত্র বিশ্বাস, সার্জেন্ট শেখ ইমরান হোসেন, কং কামরুল ইসলামের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বুধবার (২২ মে) আনুমানিক সকাল ১০ টা ৪৫ মিনিটে যাত্রাবাড়ী ফারুক স্মরণীর মুখের সামনে থেকে রাব্বি নামের এক ছিনতাইকারীকে আটক করেন।


উক্ত ছিনতাইকারী এক পথচারী ভদ্র মহিলার স্বর্ণের কানের দুল ছিনতাই করে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধাওয়া করে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরবর্তীতে যাত্রাবাড়ী থানার এএসআই রায়হানকে বুঝিয়ে দেয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে ভিকটিমের নাম অনিন্দিতা। তার বাসা যাএাবাড়ী কাজলায় (ব্রীজের ঢালে)।


ডিসি (ট্রাফিক-ওয়ারী) মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম জানান যে, যানজট নিরসনে এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ওয়ারী অপরাধ বিভাগ এবং ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগ একই বৃন্তে সম্মিলিতভাবে কাজ করছে।

      -খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর



জাতীয় ঈদগাহে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৭১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এবারের ঈদ জামাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে,বলেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান। ঈদকেন্দ্রিক সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই। তবে সবকিছু মাথায় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে।

রোববার (১৬ জুন) সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, সারাদেশের মতো ঢাকা মহানগরীতেও যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ জামাতে রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা নামাজ আদায় করবেন। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পাঁচটি জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঢাকা মহানগরীতে সব জামাতের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য পার্কিং ও ডাইভারশন থাকবে। পোশাকধারী পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। পেট্রলিং, সিসিটিভি ক্যামেরা মনিটরিংসহ নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাবের পেট্রোল টিম দায়িত্ব পালন করবে। আশা করি ঈদের জামাত সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হবে। সারাশহরে প্রায় ২৫ লাখ পশু কোরবানি হবে। পশু কোরবানি দেওয়ার ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে যে ব্যবস্থাপনা রাখা হয়েছে, নগরবাসীকে সেই নিয়মকানুন মেনে চলার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। বর্জ্য অপসারণে সিটি কর্পোরেশনকে সহায়তা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, চামড়া ব্যবস্থাপনার জন্য এবার সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে পুলিশ এবং সিটি কর্পোরেশন যৌথভাবে সেখানে কাজ করবে। কোনোভাবে যাতে চামড়া পাচার হতে না পারে, দালাল ফড়িয়া চক্র যাতে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সব থানা কেন্দ্রিক সেই ব্যবস্থাপনা থাকবে। যে কেউ এ ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলে আমরা তাদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানাচ্ছি। যারা ঈদের জামাতে নামাজ পড়তে আসবেন তাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ, আপনার কোনো ধরনের দাহ্য বস্তু, বিস্ফোরক জাতীয় বস্তু ও ধারালো কিছু নিয়ে আসবেন না। বাংলাদেশের চামড়া প্রসেসিং এলাকা ঢাকা জেলার সাভারে। ঢাকাকেন্দ্রিক যে চামড়া সেগুলো কালই সেখানে যাবে। আর ঢাকার বাইরেরগুলো সাত দিনের মধ্যে সেখানে আসবে। এ কাজ যাতে সুন্দরভাবে করা হয়, সেজন্য ডিএমপি সহায়তা করবে।

চাঁদাবাজির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা এরইমধ্যে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি, অনেককেই গ্রেপ্তার করেছি। পরে এ ধরনের কাজ যারা করবেন, তারা সতর্ক হবেন এবং ভবিষ্যতে এসব থেকে তারা নিবৃত থাকবেন। আমরা সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। আমরা সব সময় সর্বাত্মক এবং সর্বোচ্চ ব্যবস্থাটাই নিয়ে থাকি। এবারও সেটি করা হয়েছে। জঙ্গি হামলার সুনির্দিষ্ট কোনো থ্রেট নেই, তারপরেও আমরা সবকিছু মাথায় রেখেই আমাদের নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজিয়েছি।


আরও খবর



ঢাকাসহ সারাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১৪৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.৪ মাত্রার । আজ বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ১৭ মিনিটের দিকে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশ।


বিস্তারিত আসছে


আরও খবর



নির্বাচন ব্যবস্থা গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি: নওগাঁয় রাশেদা সুলতানা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ১২৬জন দেখেছেন

Image
নওগাঁ প্রতিনিধি:নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা বলেছেন দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি। নির্বাচনের ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেলে দেশের গণতন্ত্র বলে কিছু থাকবে না এবং দেশের মানুষের জন্য কোন মঙ্গল বয়ে আনবে না। সেই কথা বিবেচনা করেই নির্বাচন কমিশন নির্বাচনগুলো সহিংসতা মুক্ত রেখে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছে।

বৃহস্পতিবার নওগাঁ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভায় বেগম রাশেদা সুলতানা এসব কথা বলেন। 

তিনি আরও বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা নির্বাচন ভালো ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সামনের নির্বাচনগুলো আমরা আরও ভালোভাবে সম্পন্ন করতে চাই। নির্বাচন কমিশনের একটাই প্রত্যাশা নির্বাচনে যেন কোন ব্যত্যয় না ঘটে। কালিমা লিপ্ত না হয়। এসময় নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্টদের নিরপেক্ষতা বজায় রেখে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন ও প্রার্থীদের আচরণ বিধি মেনে প্রচার-প্রচারণা চালানোর আহবান জানান।

এসময় রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) ইমতিয়াজ হোসেন, রাজশাহীর অ্যাডিশনাল ডিআইজি বিজয় বসাক, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ৩য় ধাপে আগামী ২৯ মে জেলার আত্রাই ও রাণীনগর উপজেলায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আরও খবর



রোজার সময় দেশে ডিজিটাল পেমেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে ২৫ শতাংশের বেশি: ভিসা

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১২৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ডিজিটাল পেমেন্টে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ভিসা জানিয়েছে গত রমজান মাসজুড়ে ই-কমার্সের মাধ্যমে বাংলাদেশি ক্রেতাদের লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। তথ্য থেকে দেখা যায়, বিশেষ করে কার্ডের মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্ট প্রদান ২৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, যার প্রায় ৭০ শতাংশই ই-কমার্সের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।

রোজার মাসে ভোক্তাদের কেনাকাটা বেড়ে যাওয়াও এবং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড দুইভাবেই অর্থ পরিশোধ করায় খুচরা ব্যয়ের হার বেড়ে যায়। অনলাইন ও দোকান থেকে কেনাকাটা এই দুই ক্ষেত্রেই ডিজিটাল পেমেন্টের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ঘটেছে; এর মাধ্যমে বোঝা যায়, মানুষ কার্ড ব্যবহার করে আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক লেনদেনে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে ভিসা বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ বলেন, “ভোক্তারা কার্ড পেমেন্টে দ্রুত অভ্যস্ত হচ্ছেন দেখে আমি অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। রমজানের খরচের প্রায় ৭০ শতাংশই ই- কমার্সের মাধ্যমে হয়েছে। আমরা আশা করছি ঈদুল আজহার সময়েও এই গতি অব্যাহত থাকবে এবং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার সমানভাবে বাড়বে। আর এর মধ্য দিয়ে ভিসা’র প্রতি মানুষের আস্থা রয়েছে বোঝা যায়।”

ভিসা কনসাল্টিং অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স অনুযায়ী, মানুষ গত পবিত্র রমজান মাসে দোকানে বা সামনাসামনি কেনাকাটার তুলনায় অনলাইনে বেশি লেনদেন করেছেন। গতবছরের তুলনায় এ বছর সামগ্রিক ব্যয়ে ই-কমার্সের অংশ ৬ শতাংশ বেড়েছে; ভিসা কার্ডধারীরা ভ্রমণ, শিক্ষা ও ইউটিলিটির ক্ষেত্রে বেশি খরচ করেছেন। ভিসা’র পর্যবেক্ষণে আরও উঠে এসেছে, অনলাইন ও দোকানে যথাক্রমে ৫০ ও ১৫ শতাংশের মতো ব্যয় বেড়েছে এবং দোকানে কেনাকাটার সময় প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রেই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে হয়েছে।

তবে, ঈদের আগের দিনগুলোতে দোকানে ৬০ শতাংশেরও বেশি খরচ হয়। আর এসব দোকান ব্যয়ের মোট ৬৫ শতাংশই পোশাক, সুপারমার্কেট ও ভ্যারাইটি স্টোর, মোবাইল ফোন ও অ্যাক্সেসরিজ এবং অন্যান্য খুচরা দোকানে হয়।

এ বিষয়ে সাব্বির আহমেদ আরও বলেন, “তরুণ প্রযুক্তিপ্রেমী জনসংখ্যা, স্মার্টফোনের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল রূপান্তরে উপযোগী সরকারি উদ্যোগ বাংলাদেশের জন্য একটি প্রতিশ্রুতিশীল আগামী তৈরি করছে।

লেনদেনের প্রাথমিক উপায় হিসেবে যেখানে নগদ অর্থ ব্যবহার করা হয়, সেখানে খুব স্পষ্ট একটি পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে; আর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনকে সহায়তা করতে পেরে আমরা আনন্দিত। উদ্ভাবনী উপায়ে কার্ডের ব্যবহার ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে আমরা আমাদের ব্যাংক ও মার্চেন্ট অংশীদারদের সাথে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি; যেন দেশজুড়ে আমাদের গ্রাহকরা খুব নিরাপদে, সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যে যেকোনো সময় যেকোনো জায়গা থেকে ভিসা কার্ড ব্যবহার করতে পারেন।”


আরও খবর