Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
পিছন থেকে ট্রাকটি এসে ধাক্কা দেয়

রাজধানীর জুরাইনে ট্রাক চাপায় শ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১১৬জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

রাজধানীর জুরাইন কমিশনার রোড এলাকায় ট্রাকের চাপায় রাসেল (৩২) নামে এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে।


শুক্রবার (২০ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


রাসেলের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায়। বাবার নাম আবুল হোসেন।


তিনি শ্যামপুরের আলী বহর এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন বলে জানা গেছে।


ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা রাত দেড়টার দিকে রাসেলকে মৃত ঘোষণা করেন।


কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইমরুল হাসান জানান, রাসেল ট্রাকের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। শুক্রবার রাতে কমিশনার রোড চেয়ারম্যান বাড়ি মোডে রাস্তার পাশে ট্রাক থেকে বালু ফেলার কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক।


এ সময় ট্রাকের পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। তখন চালক ট্রাকটি পেছনের দিকে নিতে গেলে রাস্তার পাশে বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ট্রাকের মধ্যে চাপা পড়েন রাসেল। পরে তাকে উদ্ধার করে সহকর্মীরাই হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে মারা যান তিনি।


এসআই মো. ইমরুল হাসান জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



আরও খবর



মেহেরপুরে উচ্ছেদের প্রতিবাদে ভিক্ষার থালা হাতে ব্যবসায়ীরা

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

মেহেরপুরে কোর্ট মার্কেট উচ্ছেদের প্রতিবাদে ভিক্ষার থালা হাতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ব্যবসায়ীরা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

এ সময় হোটেল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ ইকবাল সিমন বলেন, ২০০৬ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক তালুকদার সামসুর রহমান ও তৎকালীন সদর উপজেলা নির্বাহী (ইউএনও) চুক্তিপত্রের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের দোকানঘর বরাদ্দ দেন। যদি কোনো অনিয়ম হয়ে থাকে তাহলে তারা করেছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, জেলা প্রশাসক মার্কেটটি ভাঙার বিষয়ে ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মিথ্যাচার করেছেন। ডিসি আমাদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলাপ-আলোচনা করেননি। বরং আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠান বাঁচাতে বারবার তার কাছে গেছি। উনি আমাদের বিষয়ে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই মাত্র আধাঘণ্টার ব্যবধানে আমাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন।

মেহেরপুরে উচ্ছেদের প্রতিবাদে ভিক্ষার থালা হাতে ব্যবসায়ীরা

অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন হোটেল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল হান্নান, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ ইকবাল সিমন, সদস্য রাশেদুজ্জামান, ইজারুল ইসলাম প্রমুখ। এ সময় কোর্ট মসজিদ মার্কেটের ক্ষতিগ্রস্ত দোকানমালিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার (৭ জুন) মেহেরপুর জেলা মডেল মসজিদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে মেহেরপুর কোর্ট মসজিদ মার্কেট ভবন উচ্ছেদ করে জেলা প্রশাসন। এতে ২৫ জন ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হন।

এর প্রতিবাদে বুধবার (৮ জুন) বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে হোটেল বাজার ব্যবসায়ী সমিতি। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল হান্নান জেলা প্রশাসকের অপসারণ ও মেহেরপুর পৌর নির্বাচন বর্জনের হুমকি দিয়ে পাঁচদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

মেহেরপুরে উচ্ছেদের প্রতিবাদে ভিক্ষার থালা হাতে ব্যবসায়ীরা

কর্মসূচিগুলো হলো ৯ জুন সকালে ভিক্ষার থালা হাতে জেলা প্রশাসকের কার্য়ালয়ের সামনে অবস্থান, ১০ জুন জুমার নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাত, ১১ জুন বেলা ১১টায় ২৫ মিনিট কালো পতাকাসহ উত্তোলনসহ দোকান বন্ধ রাখা, ১২ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় কাফনের কাপড় পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং সমাধান না হলে ১৩ জুন থেকে আমরণ অনশনসহ হরতাল।

এ বিষয়ে মেহেরপুর জেলা প্রশাসক মনসুর আলম খান জাগো নিউজকে বলেন, সরকারি প্রয়োজনে জমিটি দখলে নিতে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।


আরও খবর



বার্ন ইনস্টিটিউটে আরও ৭ জন ভর্তি, অবস্থা আশঙ্কাজনক

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যে আরও সাতজনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী রয়েছেন। সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

দগ্ধরা হলেন— ফায়ার সার্ভিসকর্মী গাউসুল আজম (২২) ও রবিন মিয়া (২২)। অন্যান্যরা হলেন— মাসুম মিয়া (৩৪), ফরমানুল ইসলাম (৩০), রুবেল মিয়া (৩৪), ফারুক (১৬) ও হোসেন মহিবুল্লাহ (২৭)।

রোববার (৫ জুন) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে আনা হয়। সেখান থেকে সন্ধ্যায় অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাদের শেখ হাসিনা বার্নে নেওয়া হয়। বর্তমানে তারা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্নে ভর্তি রয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইন্সপেক্টর ইউনুস আলী বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সীতাকুণ্ডে বিএম ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ দুই ফায়ার কর্মীসহ সাতজনকে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হয়েছে। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্নে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, আমাদের এখানে চট্টগ্রাম থেকে আরও সাতজনকে আনা হয়েছে। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক। এখন পর্যন্ত শেখ হাসিনা জাতীয় বার্নে দগ্ধ ১৪ জনকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে। তাদের সবারই ইনহেলেশন (শ্বাসনালী) বার্ন রয়েছে। কেউ শঙ্কামুক্ত নন।

এর আগে শনিবার (৪ জুন) রাতে সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। ডিপোর কনটেইনারে কেমিক্যালজাতীয় দাহ্য পদার্থ থাকায় বিস্ফোরণ শুরু হয়। ফলে দ্রুত পুরো ডিপোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে প্রথমে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট পৌঁছে। পরে আরও আটটি ইউনিট সেখানে যোগ দেয়। তবে বিস্ফোরণের কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পোহাতে হয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের।

এদিকে, বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনায় এ পর্যন্ত অর্ধশত মানুষ মারা গেছে। তাদের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের আটজন কর্মীও রয়েছেন। আগুনে আহত হয়েছেন আরও চার শতাধিক। দগ্ধদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিক, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও রয়েছেন।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিএম কনটেইনার ডিপোতে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সেখানে একের পর এক কনটেইনার বিস্ফোরণ হচ্ছে। জ্বলছে আগুনের লেলিহান শিখা। নিরাপদ দূরত্বে থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণের সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনীর একটি টিমও।


আরও খবর



শুক্র-শনিবার বন্ধ থাকবে ডিপিডিসির প্রি-পেইড কার্যক্রম

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
Image

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) গ্রাহকরা আগামী শুক্র (১০ জুন) ও শনিবার (১১ জুন) বিদ্যুতের প্রি-পেইড অথবা এএমআই স্মার্ট মিটারে কোনো টাকা রিচার্জ করতে পারবেন না। এজন্য নিজ মিটারে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স রাখার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বুধবার (৮ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ডিপিডিসি।

এতে বলা হয়, উন্নত গ্রাহক সেবার লক্ষ্যে সিস্টেম আপগ্রেডেশনের জন্য প্রি-পেইড অথবা এএমআই স্মার্ট মিটার সংক্রান্ত সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এজন্য ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) পক্ষ থেকে সব গ্রাহককে নিজ নিজ মিটারে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স রাখার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত প্রি-পেইড অথবা এএমআই স্মার্ট মিটার সংক্রান্ত সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে ডিপিডিসি। এসময় সব গ্রাহককে নিজ নিজ মিটারে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স রাখার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া যে কোনো প্রয়োজনে ডিপিডিসির কল সেন্টারের ১৬১১৬ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশও করেছে ডিপিডিসি।


আরও খবর



ভয়ঙ্কর যে রোগে অবশ হয়েছে জাস্টিন বিবারের মুখ

প্রকাশিত:Saturday ১১ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

কানাডিয়ান শিল্পী জাস্টিন বিবার ভয়ঙ্কর ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছেন। তার মুখের একপাশ অবশ হয়ে গেছে। এমনকি চোখের পাতাও পড়ছে না তার। বিরল এই ব্যাধির নাম ‘রামসে হান্ট সিন্ড্রোম’। এই রোগে আক্রান্ত হলে কানের চারপাশে, মুখে বা মুখে যন্ত্রণাদায়ক ফুসকুড়ি বের হয়।

এই ব্যাধিতে আক্রান্তরা পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও শ্রবণশক্তি হারিয়ে ফেলেন। ভেরিসেলা জোস্টার নামক ভাইরাসই রামসে হান্ট সিন্ড্রোমের জন্য দায়ী। এই ভাইরাস মস্তিষ্কের একটি স্নায়ুকে সংক্রমিত করে। আর এ কারণে মুখের একপাশ অবশ হয়ে যায়। এই ভাইরাসই চিকেন পক্স ও শিঙ্গেলসের মতো রোগের কারণ।

যদিও রামসে হান্ট সিন্ড্রোম প্রাথমিকভাবে শতাক্ত করা গেলে ও দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করলে এর জটিলতার ঝুঁকি কমানো যায়। তবে অনেকের ক্ষেত্রেই এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর স্থায়ীভাবে মুখের পেশি দুর্বলতা ও বধিরতা হতে পারে।

যদি স্নায়ুর খুব বেশি ক্ষতি না হয় তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। আর যদি ক্ষতি আরও গুরুতর হয়, তবে কয়েক মাস লেগে যেতে পারে।

ভয়ঙ্কর যে রোগে অবশ হয়েছে জাস্টিন বিবারের মুখ

রামসে হান্ট সিন্ড্রোমের উপসর্গ কী কী?

>> কানে প্রচণ্ড ব্যথা
>> আক্রান্ত স্নায়ুর পাশে আশপাশে র্যাশ বের হয়
>> একপাশের কানে শ্রবণশক্তি কমে যায়।
>> মাথা ঘোরা
>> মাথা ঘোরানো বা নড়াচড়ার অনুভূতি কমে যাওয়া
>> মুখের দুর্বল পাশ থেকে খাবার পড়ে যাওয়া।
>> খাবারের স্বাদ না পাওয়া

মুখের কোনো অংশে প্যারালাইসিস হলে ও ফুসকুড়ি দেখা দিলে এক্ষেত্রে বেশ কিছু পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন চিকিৎসক। যেমন- ভেরিসেলা জোস্টার ভাইরাসের জন্য রক্ত ও ত্বক পরীক্ষা, ইলেক্ট্রোমায়োগ্রাফি, লুম্বার পাঙ্কচার (বিরল ক্ষেত্রে), মাথার এমআরআই, নার্ভ কনডাঙ্কশন ইত্যাদি।

রামসে হান্ট সিনড্রোম কেন হয়?

চিকেনপক্সে আক্রান্তদের মধ্যে বেশি দেখা দেয় এই রোগ। চিকেনপক্স থেকে সুস্থ হয়ে উঠলেও ভাইরাসটি শরীরে থেকে যায় ও পরে যে কোনো সময় তা সক্রিয় হয়ে দাদ, তরল ভরা ফোসকাসহ একটি যন্ত্রণাদায়ক ফুসকুড়ির সৃষ্টি করে।

রামসে হান্ট সিন্ড্রোম হলো একটি শিঙ্গলস প্রাদুর্ভাব, যা কানের কাছে মুখের স্নায়ুকে প্রভাবিত করে। ফলে মুখের আক্রান্ত পাশ অবশ হয়ে যায় ও শ্রবণশক্তি কমে যায়।

ভয়ঙ্কর যে রোগে অবশ হয়েছে জাস্টিন বিবারের মুখ

এই রোগে কাদের ঝুঁকি বেশি?

চিকেনপক্সে আক্রান্ত হওয়ার পর যে কারও রামসে হান্ট সিন্ড্রোম দেখা দিতে পারে। এটি বয়স্ক প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেই বেশি দেখা দেয়। তবে ৬০ বছরের বেশি বয়সীদেরকে গুরুতরভাবে প্রভাবিত করে।

আবার যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম ও গর্ভবতী তারাও এই ব্যাধিতে ভুগতে পারেন দীর্ঘদিন। রামসে হান্ট সিন্ড্রোম শিশুদের মধ্যে বিরল। যদিও এই ব্যাধি সংক্রামক নয়, তবে সতর্ক থাকা জরুরি।

রামসে হান্ট সিন্ড্রোমের চিকিৎসা কী?

স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ প্রয়োগ করা হয় অনেক সময়, যেমন- প্রিডনিসোন। এটি শক্তিশালী অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি ড্রাগ। আবার অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ, যেমন- অ্যাসাইক্লোভির বা ভ্যালাসাইক্লোভির দেওয়া হয় অনেক সময়। অনেকের ক্ষেত্রে স্টেরয়েড দিয়ে বা শক্তিশালী পেইনকিলার প্রয়োগ করা হয়।

মুখের দুর্বলতা থাকাকালীন, চোখ পুরোপুরি বন্ধ না হওয়ার পর কর্নিয়াতে আঘাত যাতে না লাগে, তার জন্য চোখের প্যাচ ব্যবহার করা যেতে পারে। রাতে চোখের লুব্রিকেন্ট ও দিনে টিয়ারড্রপ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় যাতে চোখ শুকিয়ে না যায়।

রামসে হান্ট সিন্ড্রোম প্রতিরোধে করণীয়

শিশুদেরকে নিয়মিতভাবে চিকেনপক্সের টিকা দিতে হবে। তাহলে চিকেনপক্স ভাইরাসে আক্রান্তের ঝুঁকি কমবে। আবার ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য দাদের টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সূত্র: মায়োক্লিনিক


আরও খবর



চুয়াডাঙ্গায় লাইটের গোডাউনে আগুন: ২০ লাখ টাকার ক্ষতি

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

চুয়াডাঙ্গা শহরের ফেরিঘাট রোডে একটি বাল্ব গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৮ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ফেরিঘাট রোডের তিনতলা একটি ভবনের নিচের ওই গোডাউনে আগুনের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে ২০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে নষ্ট হয়েছে।

প্রথমে আগুনের ফুলকি দেখে স্থানীয়রা খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি টিম আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এরপর আগুনের ভয়াবহতা মারাত্মক আকার ধারণ করলে আরও একটি দল এসে কাজ শুরু করে। ৪ ঘণ্টা পর সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

নিচতলার গোডাউনে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে ওই ভবনে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন প্রতিবেশিরা। এরপর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিতে কাজ শুরু করে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, রাত ২টার দিকে তিনতলা ওই ভবনের নিচতলায় আগুনের শিখা দেখতে পান স্থানীয়রা। এরপর খবর দেওয়া হলে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গোডাউনের সাটার ভেঙে আগুনের ভয়াবহতা দেখতে পান। এরপর শুরু হয় নিয়ন্ত্রণের কাজ। অন্তত ৪ ঘণ্টা চলে কার্যক্রম।

jagonews24

ওই ভবনের মালিক নাগিব মাহফুজ জানান, বাড়িটির নিচতলা গোডাউন হিসেবে ভাড়া দেওয়া আছে। ওই গোডাউনে এলইডি বাল্ব, বৈদ্যুতিক পাখা ও বৈদ্যুতিক তার রাখা হত। ইলেকট্রিক পণ্যের কারণে আগুন ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছায়। তবে আগুন ছড়িয়ে না পড়ায় আশপাশে ক্ষয়ক্ষতি খুব বেশি হয়নি।

চুয়াডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানান, রাত ২টার পর খবর পেয়ে নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি দল। টানা ৪ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। গোডাউনের প্রবেশপথ ও জায়গা সরু হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হয়। এছাড়া গোডাউনে ইলেকট্রিক জিনিসপত্র থাকার কারণে দ্রুতই আগুনের ব্যাপকতা ছড়ায়।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। তবে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত নয়। প্রাথমিক ধারণা ২০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে নষ্ট হয়েছে।


আরও খবর