সোহাগ আহম্মেদ যাত্রাবাড়ী ঢাকা : 

রাজধানীর ধোলাইপাড় চত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর মোরাল বসানোর বিরোধিতা করে আন্দোলন ও সমাবেশ।শায়েখে চরমোনাই নায়েবে আমিরুল মুজাহিদীন মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমের সভাপতিত্বে তৌহিদী জনতা ঐক্য পরিষদের আয়োজনে শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানাধীন ধুপখোলা মাঠে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এই আন্দোলনে একাত্ততা ঘোষনা করেছেন ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন । সমাবেশে বক্তারা বলেন,এই আন্দোলন কোন রাজনৈতিক আন্দোলন নয়, এই আন্দোলন ইসলাম রক্ষার আন্দোলন। ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপনের পরিবর্তে বাংলাদেশের স্থাপতি বঙ্গবন্ধু মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের নামে রুহের মাগফিরাত কামনায় আল্লার ৯৯ নাম অংকিত স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপনের দাবীতে শান্তিপূর্ণ ভাবে তারা সমাবেশ করছেন।

আন্দোলনকারীরা বলেন, এদেশ মুসলমানদের দেশ, প্রায় ৯১ ভাগ মুসলমানদের বসবাস,তাছাড়া মসজিদের শহর ঢাকা, সেই ঢাকার প্রান কেন্দ্রে মূর্তি স্থাপন করতে দেওয়া হবে না। যদি এই মূর্তি স্থাপন করা হয়ে তবে তা ভেঙ্গে বুড়িগঙ্গায় নিক্ষেপ করা হবে।

ঢাকা ৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামীলীগের স্থায়ী কমিটির সদস্য সানজিদা খানম বলেন, রাজধানীর প্রবেশদ্বার ঢাকা ৪, ৫ সংসদ সদস্য আসন ও যাত্রাবাড়ী,কদমতলি ও শ্যামপুর থানার সিমানাবর্তী হওয়ায় ধোলাইপাড়া মোড়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন।

এই ধোলাইপাড় হয়ে বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু হয়ে স্বাধীনতার স্থাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজারে যেতে হয়। ফলে বঙ্গবন্ধুর এই মোরালটা এই জাতির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ন বহন করে।

যা এদেশের স্বাধীনতা বিরোধিরা চায় না বলে, ধর্মের নামে এদেশের ধর্মপ্রান মুসলমানদেরকে ভীন্নখাতে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। তিনি আরো বলেন, আন্দোলকারীরা মুলত বঙ্গবন্ধুর নাম সহ্য করতে পারে না। সব সময় সরকারের সকল উন্নয়নকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে আসছে ।

যত বাধা আসুক না কেন এই ধোলাইপাড়ে জাতীর জনকের মোরাল স্থাপন করা হবেই। তবে এই আন্দোলন সমাবেশকে কেন্দ্র করে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া বা অন্যকোন অপ্রতিকর ঘটনা ঘটেনি।

ওয়ারী বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার ( ডিসি) শাহ ইফতেখার আহমেদ বলেন, জনগনের জানমালের হেফাজত ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সতর্ক রয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।