Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

রাজধানী ঢাকা বায়ুদূষণে শীর্ষে আজ

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আজ বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। অন্যদিকে, দ্বিতীয় নম্বরে রয়েছে ভারতের দিল্লি।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তালিকার শীর্ষে থাকা ঢাকার দূষণ স্কোর হচ্ছে ২৫৬ অর্থাৎ এখানকার বাতাস আজ খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। এরপর রয়েছে দিল্লি। শহরটির স্কোর ২১২ অর্থাৎ সেখানকার বায়ুর মানও খুবই অস্বাস্থ্যকর।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। দূষণমাত্রার তালিকায় লাহোরের স্কোর ২১১। সেখানকার বায়ুর মান খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। এরপর রয়েছে ভারতের কলকাতা ও চীনের উহান ।

স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।


আরও খবর



কোনাপাড়ায় ঢাকা ওয়াসার জমি দখল করে ঘর নির্মাণ

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৬২জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃ 


রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানা এলাকার কোনাপাড়া ব্রীজের উপর অবৈধ ভাবে ঢাকা ওয়াসার সরকারি সম্পত্তিতে ঘর নির্মাণ করে দখল দারিত্ব কায়েম করেছে একটি চক্র।চক্রটি ঢাকা ওয়াসার অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে এসব অবৈধ দখলদারিত্ব বজায় রাখতে সচেষ্ট রয়েছে। জনদুর্ভোগ তৈরি করে এ ধরনের স্থাপনা তৈরি করা হলে তা ওয়াসার এসব এলাকার সম্পত্তির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে অভিমত এলাকাবাসীর।

স্থানীয়রা জানান একটি অসাধু চক্র ঢাকা ওয়াসার এসব জায়গায় অবৈধ স্থাপনা তৈরি করে দোকান নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে লাভবান হবে পক্ষান্তরে সরকারের কোটি কোটি টাকার সম্পদ থেকে যাবে হুমকির মুখে।এ ধরনের অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা সময়ের দাবী হিসেবে উল্লেখ করেন তারা।

ঢাকা ওয়াসার সরকারি সম্পত্তিতে স্থাপনা তৈরি করে দোকান ভাড়া দিয়ে অর্থ আদায়ের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তারা।



আরও খবর

ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জার্মানিতে অনুষ্ঠিতব্য ‘মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে’ যোগ দিতে ঢাকা ছেড়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মিউনিখের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নতুন সরকার গঠনের পর এটাই তার প্রথম বিদেশ সফর। আগামী ১৬ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি মিউনিখে অনুষ্ঠিত হবে সিকিউরিটি কনফারেন্সের ৬০তম আসর। এতে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীসহ অংশ নেবেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিনিধিরা।

সম্মেলনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থা তুলে ধরবেন শেখ হাসিনা। পাশাপাশি জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ্, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডরিকসন ও নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে তার।

এ ছাড়া, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও মেটা গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের প্রেসিডেন্ট নিক ক্লেগ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে পারেন। সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির। দুইদিনের এ সফর শেষে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।


আরও খবর



সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার রায় আবারও পেছাল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সগিরা মোর্শেদকে ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীতে পারিবারিক দ্বন্দ্বে গুলি করে হত্যা মামলার রায় আবারও পিছিয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ দায়রা জজ মোহাম্মদ আলী হোসাইনের আদালতে এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বিচারক ছুটিতে থাকায় আগামী ১৩ মার্চ রায়ের জন্য নতুন তারিখ রাখা হয়েছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে, দুই পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে ২৫ জানুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত। কিন্তু ওইদিন রায় প্রস্তুত না হওয়ায় বিচারক রায় ঘোষণা পিছিয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই সগিরা মোর্শেদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় রমনা থানায় মামলা করেন সগিরা মোর্শেদের স্বামী সালাম চৌধুরী।

মামলার আসামিরা হলেন- সগিরা মোর্শেদের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী ও তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহিন, শ্যালক আনাছ মাহমুদ রেজওয়ান, মারুফ রেজা ও মন্টু মণ্ডল ওরফে কুঞ্জ চন্দ্র মণ্ডল। আসামিদের মধ্যে আনাস মাহমুদ এবং মারুফ রেজা কারাগারে, অন্যরা জামিনে।

জানা গেছে, ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই সগিরা মোর্শেদ ভিকারুননিসা নূন স্কুল থেকে মেয়েকে আনতে যাচ্ছিলেন। বিকেলে সিদ্ধেশ্বরী রোডে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা ব্যক্তিরা তার হাতের সোনার চুড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তখন তিনি দৌড় দিলে তাকে গুলি করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই সগিরা মোর্শেদ মারা যান।

২০২০ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে উল্লেখ করা হয়, সগিরা মোর্শেদের পরিবারের সঙ্গে আসামি শাহীনের বিভেদ তৈরি হয়েছিল। এছাড়া শাশুড়ি সগিরাকে অপছন্দ করতেন এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সগিরা-শাহীনের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। আসামিরা নিজেদের বাসায় বসে সগিরাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ডা. হাসান আলী তার চেম্বারে অন্য আসামি মারুফ রেজার সঙ্গে ২৫ হাজার টাকায় হত্যার চুক্তি করেন।

এরপর ২০২১ সালের ২ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত সগিরা মোর্শেদের ভাসুরসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর মধ্যদিয়ে দীর্ঘ ৩১ বছর পর এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়।

মামলাটিতে ৫৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।


আরও খবর



নাড়াইছড়ি বন বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন বন্য প্রাণীর দেহাবশেষ বা ট্রফি উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৩জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী বাজার এলাকায় বনবিভাগ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন বন্য প্রাণীর দেহাবশেষ বা ট্রফি উদ্ধার করেছে নাড়াইছড়ি বনবিভাগ।

শনিবার (১০ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দীঘিনালা উপজেলার বোয়াল খালী বাজারে পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী, এর দিক নির্দেশনায় নাড়াইছড়ি বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো.মতিউর রহমান নেতৃত্বে নাড়াইছড়ি রেঞ্জের সঙ্গীয় স্টাফ সহ বিভিন্ন বন্য প্রাণীর দেহাবশেষ বা ট্রফি জব্দ করা হয়।

নাড়াইছড়ি বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো.মতিউর রহমান জানান,চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী,র দিক  নির্দেশনায় আমরা নাড়াইছড়ি রেঞ্জের সকল স্টাফ বন্য প্রাণীর পাচার রোধ, বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার স্বার্থে নিয়মিত টহল, বন্য প্রাণীর বাণিজ্য রোধে হাটবাজার  নিয়মিত টহল,এর মাধ্যমে বন্য প্রাণীর দেহাবশেষ বা ট্রফি জব্দ করা হয়।

আরও খবর

বিনামূল্যে বই পেল ২৬৬ কলেজ শিক্ষার্থী

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বেনাপোলে লিটন বাহিনীর সন্ত্রাসীরা এখনো স্বমূর্তিতে

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেনাপোলে হট্টগোল করার হোতা লিটন বাহিনীর সন্ত্রাসীরা এখনো এলাকায় স্বমূর্তিতে বিচরণ করায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ভোট কেন্দ্রে সেদিনের সেই অস্ত্রের ঝনঝনানি, মুহুর্মূহু বোমা বিস্ফোরণ আর চাকু মারার দৃশ্য মনে উঠতেই জীবন হারানোর শঙ্কায় আঁতকে ওঠে এলাকাবাসী। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পোর্ট থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয় সে সময়। অভিযোগের সাথে বারবার ফোনালাপ ও সিসি ফুটেজের বিষয় যুক্ত করা হয়। কিন্তু অনেকে এখনো গ্রেফতার হয়নি।

বিচারের আশায় বিভিন্ন মহলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বেনাপোল ওয়ার্ডের ছুরিকাঘাতপ্রাপ্ত, শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিতসহ অসংখ্য আঘাতপ্রাপ্ত পরিবারের সদস্যরা।

বেনাপোল কলেজ পাড়ার আবু সাঈদ অনিকের দেখা একটি হৃদয় বিদারক ঘটনার বর্ণনা ও বেনাপোল পোর্ট থানায় এজাহার থেকে জানা যায়, গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেসহ বেনাপোল ওয়ার্ডের বাসিন্দা ‘আওয়ামী লীগ নেতা’ মহাতাব উদ্দিনের ছেলে শাওন হোসেন (২৬), জয়নালের ছেলে উজ্জল হোসেন (২৬) ও আব্দুল সামাদের ছেলে জুয়েল (২৩) সহ কয়েকজন নৌকা প্রতীকের কর্মী হিসেবে ভোটারদের মাঝে ভোটার স্লিপ প্রদানে সহযোগিতা করছিলো। যা মেনে নিতে পারেনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য প্রার্থী আশরাফুল আলম লিটন। ক্ষমতার দাপটে তিনি তার পোষ্য সন্ত্রাসী বাহিনী লেলিয়ে দেন শার্শা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ন্যায় নিজ জন্মস্থান বেনাপোল ওয়ার্ডের প্রতিবেশী নিরস্ত্র নৌকা প্রতীকের কর্মীদের উপর।

বেনাপোলে এ বর্বরোচিত হামলায় লিটনের পোষ্য সন্ত্রাসীরা অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দলবদ্ধভাবে এসে তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ তাদের উপর তাণ্ডবলীলা চালায়।

এজাহারের বিবরণে জানা যায়, জীম নামের ৪ নম্বর আসামি নৌকা প্রতীকের কর্মী অনিককে খুন করার উদ্দেশ্যে তার হাতে থাকা হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে জখম করে এবং সে মাটিতে পড়ে গেলে ইমরান নামের ৩ নম্বর আসামি তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারপিট করে।

একই কাজে লিপ্ত হাসান নামের ৭ নম্বর আসামি তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে শাওনকে এবং ফয়সাল নামের ৫ নং আসামি তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে উজ্জলকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে। মামুন নামের ৬ নম্বর আসামি তার হাতে থাকা দা দিয়ে শাওনের মাথার মাঝে আঘাত করে। ইকবল নামের ১ নম্বর আসামি তার হাতে থাকা বারমিজ চাকু দিয়ে জুয়েলের পেটের বাম পাশে আঘাত করে। একই খেলায় নাসির নামের ২ নম্বর আসামি ও ইমরান নামের ৩নম্বর আসামি তাদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দা’য়ের উল্টো পিঠ দিয়ে তাদেরকে আঘাত করে। তবে, এজাহার নামীয় ৯ নম্বর আসামি আব্দুল ওয়াহিদ দুদুর হুকুমে এজাহারের অন্যান্য আসামিরাসহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন তাদেরকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে। এ সময় আহতরা বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করলে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে প্রেরণ করে।

পরে, এলাকাবাসীর কাছে সংবাদ আসে’ জুয়েলের পেটে ছুরি মারায় তার নাড়ি-ভুড়ি বেরিয়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে। রাখে আল্লাহ’ মারে কে! এ যাত্রায় নৌকার প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত ও টানা ৪ বারের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দিনের সার্বিক দেখভাল, চেষ্টা ও নিজ অর্থায়নে আহতদের সুচিকিৎসায় মায়ের ছেলেরা ঘরে ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

এজাহারের ১নম্বর আসামি ইকবল হোসেন ও ২ নম্বর আসামি নাসির উদ্দিন জামিন বাদেই কোন ক্ষমতার উৎসে এলাকায় স্বদর্পে চলাফেরা করছে তা নিয়ে হতাশ এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা পরিষদের মাসিকসভা ও আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে সমন্বয়ক “উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু নিরপেক্ষতা বজায় রাখাসহ সন্ত্রাসী আটক ও অস্ত্র উদ্ধারে বেনাপোল পোর্ট থানার পুলিশকে তাগিদ দিলেও অদ্যবধি তা আমলে আসেনি।

তবে বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুমন ভক্ত জানান,  এ ঘটনায় অজ্ঞাত এক আসামিকে আটক করা হয়েছে। এজাহারের ২ জন পলাতক রয়েছে। বাকিরা আদালত থেকে জামিনে আছে। পলাতকদের আটকের বিষয়ে পুলিশ সচেষ্ট রয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, এ ঘটনায় ১৩ জনকে উল্লেখসহ ৫ থেকে ৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

তারা হলো বেনাপোল ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে ইকবাল হোসেন (২৫), বাবলুর ছেলে নাসির (৩২) ও মোঃ ইমরান (২৭), মুকুলের ছেলে জীম (২২), ও ফয়সাল (৩০), মুজিবরের ছেলে মামুন (৫৮), মৃত আব্দুল মতিন টেনার ছেলে হাসান (৩৩), নারায়নপুরের কালামের ছেলে সোহেল (৩০), বেনাপোল ওয়ার্ডের মৃত মোহাম্মাদ উল্লাহর ছেলে আব্দুল ওহিদ দুদু (৬৫), মৃত আব্দুল মতিন টেনার ছেলে মিজানুর রহমান (৪৫), নায়ায়নপুর কলেজপাড়া মৃত বাবুর ছেলে লিটন (২৮), নারায়নপুর কেলেরকান্দার কলমের ছেলে বাদশা (২০) ও মোরশেদের ছেলে জিল্লুর রহমান (২৬) সহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন।

বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জুলফিকার আলী মন্টু জানান, বেনাপোল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারি আশরাফুল আলম লিটন জয়লাভ করতে মরিয়া হয়ে এ বর্বরোচিত হামলার নির্দেশ দেন। যা বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি জানান, লিটন একজন খলনায়ক। বেনাপোল পৌরসভার মেয়র থাকাকালীন সময় থেকে
সীমান্তের ত্রাস, মাদক, অস্ত্র ও স্বর্ণ চোরাচালানসহ বহু অপকর্ম সিন্ডিকেটের সক্রিয় প্রধান হয়ে বিচরণ করেছে। এ বারের জাতীয় নির্বাচনে তার স্বমূর্তির বিষ্ফোরণ ঘটেছে। তার মামাতো ভাই তনিসহ পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন অপকর্ম পরিচালনা করে থাকে।


আরও খবর

ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪