Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে: শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের হার দিয়ে সুপার এইট শুরু গোদাগাড়ীতে রাসেল ভাইপারের চিকিৎসার দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি রূপগঞ্জে জমে উঠেছে কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার বাবা মাকে কুপিয়ে হত্যা যানজট নিরসনে সংসদ সদস্যগণের সাথে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সমন্বয়সভা ভোলায় ফের দেখা মিলল রাসেল ভাইপার, জনমনে আতঙ্ক বাজেট পাস হয়নি,অনেক কিছু পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব: অর্থমন্ত্রী দেশের সব মহৎ অর্জন আ. লীগের মাধ্যমেই হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

প্রথম আলো ও বিএনপি একে অপরের পরিপূরক: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শনিবার ০১ এপ্রিল ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৩১৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রথম আলো ও বিএনপি একে অপরের পরিপূরক।

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযুদ্ধের অর্জন নিয়ে প্রশ্ন তোলা সাধারণ কোনো ভুল নয়, বরং এটি ফৌজদারি অপরাধ। প্রথম আলো ও বিএনপি একে অপরের পরিপূরক হয়ে কাজ করে, তাদের টার্গেট আগামী নির্বাচন।

আজ শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত যৌথসভায় সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রথম আলো দেশে নৈরাজ্যের চেষ্টায় অপসাংবাদিকতা করেছে জানিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশনার দায় পত্রিকাটির সম্পাদক কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না। অথচ ক্ষমা না চেয়ে চরম ঔদ্ধত্য দেখিয়েছে পত্রিকাটি। তরুণ প্রজন্মকে উসকানি দেওয়ার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে।

ওবায়দুল কাদের অভিযোগ করে বলেন, ‘জনপ্রিয় সরকারকে হেও করার জন্য, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে ছোট করার জন্য, সরকারকে জনবিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে প্রথম আলো। কিন্তু দেশের মানুষ তা সফল হতে দেবে না। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন।

শুক্রবার বিএনপির ইফতার মাহফিলে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মিরপুরে ইফতারের আমন্ত্রণ জানিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের বেধড়ক পিটিয়েছে বিএনপি। নিজেরা মারামারি করে, আওয়ামী লীগের ওপর দোষ চাপিয়েছে। গণমাধ্যমের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো শত্রুতা নেই, কিন্তু প্রথম আলো আমাদের শত্রু ভাবে।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে আসবে না, হতেও দেবে না। কিন্তু স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, নির্বাচন ভণ্ডুল করতে আসলে আওয়ামী লীগ প্রস্তুত থাকবে।


আরও খবর



চুয়েটে হুয়াওয়ের ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৫১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্টের আয়োজন করেছে বিশ্বের অন্যতম তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরে অনুষ্ঠিত এমসিকিউ ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে সম্প্রতি এ রিক্রুটমেন্ট সম্পন্ন করা হয়। চুয়েটের সিএসই, ইইই ও ইটিই বিভাগের প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করে। সেখান থেকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা হুয়াওয়ের সাথে কাজ করার সুযোগ পাবে।

এই ইভেন্ট পরিচালনা করেন হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার সিনিয়র এইচআর ম্যানেজার মো. ফারা নেওয়াজ, এইচআর ম্যানেজার ইফতেখার রহমান ও এইচআর এক্সিকিউটিভ মো. খালিদ হুসাইন। এ সময় চুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দীন আহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে মো. ফারা নেওয়াজ বলেন, “বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অনেক মেধাবী এবং তাদের মেধার সঠিক পরিচর্যা করা প্রয়োজন। এ কারণেই প্রয়োজনীয় দক্ষতা, উপযুক্ত কর্মপরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধা দেয়ার মাধ্যমে তাদের মেধাকে সমৃদ্ধ করার জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে হুয়াওয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সম্পূর্ণভাবে সংযুক্ত ও বুদ্ধিবৃত্তিক বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্য হুয়াওয়ের রয়েছে, সেটিকে এগিয়ে নিতে এসব শিক্ষার্থীদের মাঝে যে আগ্রহ রয়েছে, তা প্রশংসনীয়। বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এই ধরনের কাজের ধারাবাহিক সুযোগ তৈরি ও এটিকে আরো সম্প্রসারণ করার জন্য আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।” 

অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দীন আহাম্মদ বলেন “হুয়াওয়ের এই ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট আয়োজন আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করলো। এর মধ্যে দিয়ে আমাদের যেসব শিক্ষার্থীর নতুন কিছু করার উচ্চাকাঙ্খা আছে, তারা স্বপ্ন পূরণের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ পাবে।  আমি ‍হুয়াওয়ের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।”   

দেশের আইসিটি খাতে মেধার উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হুয়াওয়ে কর্মক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদেরকে বিভিন্ন সুযোগ দিয়ে আসছে। দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও নিয়মিত এই ধরনের ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্টের আয়োজন করে হুয়াওয়ে। এ বছর ইতোমধ্যে বুয়েট, কুয়েট, আহ্ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (আবিপ্রবি) এবং রুয়েটে ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্টের আয়োজন করেছে হুয়াওয়ে।


আরও খবর



খাগড়াছড়িতে আশ্রয়ন প্রকল্পের অসহায় মানুষে মাঝে পুলিশ সুপার মুক্তা ধর এর ঈদ উপহার বিতরণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৬৬জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:পবিত্র ঈদ-উল আযহা  উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে আশ্রয়ন প্রকল্পের দু:স্থ ও অসহায় মানুষদের মাঝে পুলিশ সুপারের ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ।

রবিবার  ( ৯ জুন )  বিকালে খাগড়াছড়ির শালবাগান আশ্রয়ন প্রকল্পের দু:স্থ ও অসহায় মানুষদের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে  ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছেন খাগড়াছড়ি  পুলিশ সুপার  মুক্তা ধর পিপিএম (বার)।

খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার) বলেন, “ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই আনন্দ। আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা  মুসলমানদের জীবনে এক স্বর্গীয় শান্তি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। সমাজে একটি অংশ রয়েছে যাদের কাছে ঈদ-আনন্দ মানেই হলো বেঁচে থাকার লড়াই। দু’বেলা খাওয়ার সংগ্রাম। আজো রয়েছে দুঃখী মানুষের ভীড়। আমরা কি পারিনা- তাদের দুঃখ লাঘবের চেষ্টা করতে। তাদের মুখে একটু হাসি ফোঁটাতে। নতুন পোশাক বা ঈদের অন্য আনন্দগুলো তাদের সাথে ভাগাভাগি করতে। সমাজের বিত্তবানদের প্রতি অনুরোধ, আপনারাও অসহায় ও দু:স্থ মানুষের পাশে দাঁড়ান। বিলাসী ঈদ উদ্যাপনের পরিবর্তে দুঃস্থ  মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সম্মিলিতভাবে আনন্দের ঈদ উদ্যাপন করি৷

আশ্রয়ন প্রকল্পের এক বাসিন্দা আব্দুল হান্নান বলেন যে, আমি খেটে খাওয়া মানুষ। বয়সের ভারে এখন শরীরে শক্তি পাইনা যার জন্য কাজও করতে পারিনা। এই বছর ঈদ উপলক্ষে কিছু কিনতে পারি নাই। পুলিশ সুপার স্যার আমাদের জন্য ঈদ উপহার নিয়ে এসেছেন। এর চেয়ে আনন্দের আমাদের জন্য আর কি হতে পারে। আমরা সবাই স্যারের জন্য দোয়া করি আর যেন ভবিষ্যতে আমাদের মত অসহায় ও দু:স্থ মানুষদের পাশে এভাবেই মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারে। 

এসময় উপহার পেয়ে অসহায় ও দুঃস্থ  মানুষজন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন যে, পুলিশ সুপার মহোদয়ের থেকে উপহার পেয়ে ঈদের আনন্দ আরও বেড়ে গেলো। আগে কোনো স্যার এভাবে আমাদের কথা ভাবেনি। স্যার সবসময়ই আমাদের খুজ খবর রাখেন। আজ আবার ঈদ উপহার দিয়েছেন। সত্যিই আমরা অনেক আনন্দিত।আল্লাহ পুলিশ সুপার মহোদয়ের মঙ্গল করুক। 

উল্লেখ্য যে এর আগেও খাগড়াছড়ি জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয় দু:স্থ নারী,এতিম শিশু,অসহায় মানুষ,তৃতীয় লিঙ্গের সুবিধাবঞ্চিত মানুষজনদের পাশে বিভিন্ন সময় উপহার সামগ্রী বিতরণ করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

এ সময় খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমাল; মিরসরাইয়ে পানিতে ভেসে গেছে কোটি টাকার মাছ, বিদ্যুতবিচ্ছিন্ন ৯০ হাজার গ্রাহক

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১৩০জন দেখেছেন

Image

মিরসরাই প্রতিনিধি:বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে মিরসরাইয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে ফেনী নদীর জোয়ারের পানি ঢুকে মুহুরী প্রজেক্ট এলাকার ২৬ হেক্টর মৎস্য প্রকল্পের প্রায় কোটি টাকার মাছ পানিতে ভেসে গেছে। দমকা বাতাসে ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ১০ হেক্টর আউশ বীজতলা ও ১৮০ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজিক্ষেত নষ্ট হয়েছে।বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন প্রায় ৯০ হাজার গ্রাহক ।

জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ো বাতাসে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে গ্রামীন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে এবং অসংখ্য বসতঘর ভেঙে গেছে। এছাড়া বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙেছে ৩৭ টি, তার ছিঁড়েছে ৩৪০ টি স্পটে, ক্রস আর্ম ভেঙেছে ৩৬ টি। উপজেলায় প্রায় ৯০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন। অতিবৃষ্টিতে ফেনী নদীর পানি ঢুকে মুহুরী প্রজেক্ট এলাকার ৩২ টি মৎস্য খামারের ২৬ হেক্টর পুকুর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোটি টাকার কার্পজাতীয় মাছ পানিতে ভেসে গেছে। হাবিলদারবাসা এলাকায় সড়কে বড় গাছ ভেঙে পড়ে প্রায় ২০ ঘণ্টা বন্ধ ছিল ছাগলনাইয়া-করেরহাট সড়কে সবধরনের যান চলাচল। মঙ্গলবার দুপুরে গাছ কেটে সরানোর পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।উপজেলার মধ্যম ওয়াহেদপুর এলাকার কৃষক আব্দুল হান্নান বলেন, ‘এবার আমি প্রায় ৭০ শতক জমিতে বোরো আবাদ করেছি। ঘূর্ণিঝড়ের আগে ৩০ শতক জমির ধান কেটে বাড়িতে নেওয়া হয়েছে। বাকি ৩০ শতক জমির পাকা ধান পানিতে ডুবে রয়েছে। এতে ধান পচে গেলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।’চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর মিরসরাই জোনাল অফিসের এজিএম প্রকৌশলী উদয়ন দাশ গুপ্ত বলেন, এরইমধ্যে ১৮ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো ৫৪ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন রয়েছেন। লাইন চালু করতে মাঠে ১৮ টি টিম কাজ করছে। দু'একদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হয়ে যাবে আশা করি।বারইয়ারহাট জোনাল অফিসের ডিজিএম হেদায়েত উল্ল্যাহ বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে আমাদের ১২ টি খুঁটি ও ৮ টি ক্রস আর্ম ভেঙেছে। তার ছিঁড়েছে ৪০ টি স্পটে। ২৫ হাজার গ্রাহক এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ পাননি। লাইন স্বাভাবিক করতে ৬ টি টিম কাজ করছে।

সীতাকুণ্ড জোনাল অফিসের ডিজিএম পঙ্কজ চৌধুরী জানান, সীতাকুণ্ড জোনাল অফিসের আওতাধীন মিরসরাই উপজেলার ১০ হাজার গ্রাহক এখনো বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে উপজেলার ১০ হেক্টর আউশ বীজতলা পানিতে ডুবে গেছে ও ১৮০ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে। পরিপূর্ণ ক্ষয়ক্ষতি আগামী দুদু’য়েকদিনের মধ্যে নির্ধারণ করা যাবে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা নাসিম আল মাহমুদ বলেন, মুহুরী প্রজেক্টের পুকুরগুলো পাশাপাশি লাগানো থাকায় পাড় থাকে একদম সরু। ফলে অল্প বৃষ্টিতে পাড় ভেঙে মাছ পাশের পুকুরে ভেসে যায়।


আরও খবর



নচিকেতা আবারও গাইলেন ঢাকার শিল্পী আসিফ আলতাফের সঙ্গে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৭২জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক:দুই বছর আগে ‘কাঁটাতার’ শিরোনামে একটি গান করেন দুই দেশের দুই শিল্পী। গানটি ঢাকা ও কলকাতাসহ বাংলা ভাষাভাষি দর্শকের মাঝে আলোড়ন ফেলে দেয়।দুই শিল্পীকে নিয়ে গানের মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেছেন সোয়েব আহমেদ। ঈদ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ‘আসিফ আলতাফ অফিসিয়াল’ চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে গানটি।এতে জীবনমুখী শিল্পী নচিকেতা ও রাজপথের লড়াকু সৈনিক আসিফ আলতাফকে গানে গানে সংগ্রাম, ব্যর্থতা ও স্বপ্নের কথা বলতে শোনা যাবে।

গানটি নিয়ে নচিকেতা চক্রবর্তী বলেন, “এর আগে আমরা কাঁটাতার শিরোনামে একটা গান করেছি। আমার ভিষণ পছন্দ হয়েছিল গানটা। দারুণ একটা বক্তব্য ছিল। যার ফলে খুব জনপ্রিয় হয়েছিল। সেই আশা নিয়ে আমরা আরেকটা গান বানিয়েছি।”তিনি বলেন, “এবারের গানটা খুবই ইন্টারেস্টিং, আগের গানের চেয়ে অনেকবেশি ভালো হয়েছে। আমাদের ভাবনা চিন্তাটা মেলে বলেই আলতাফের লেখা ও সুর আমার পছন্দ হয়। আলতাফ বাংলাদেশে বসে যেভাবে ভাবে, কলকাতায় বসে আমিও প্রায় ওরকমই ভাবার চেষ্টা করি।”

দর্শকদের উদ্দেশে নচিকেতা বলেন, “গানটার ভেতরে যেমন অসহায়ত্ব আছে তেমন এগিয়ে যাওয়ার শক্তিও রয়েছে। দর্শকদের বলব, একটু ভালো করে শুনে দেখুন, আমাদের জীবনের গান। আপনাদের খুব পছন্দ হবে।”নচিকেতার সঙ্গে ডুয়েট প্রসঙ্গে আসিফ আলতাফ বলেন, “শ্রদ্ধেয় নচিকেতা চক্রবর্তী শুধু আমার না, সব বাঙালির পছন্দের শিল্পী। তিনি অসাধারণ সব গান গেয়ে আমাদের শৈশব রাঙিয়ে দিয়েছেন।”

“তার সঙ্গে গান করার স্বপ্ন বহুদিন ধরেই দেখছিলাম। দুই বছর আগে আমরা কাটাতার নামে একটা গান গাইলাম। কাটাতার গাওয়ার সময় তিনি আমার লেখা সুর ও গায়কির প্রশংসা করে বলেছিলেন, ‘আমরা আবার গান করব।’ সময় সুযোগ হয়ে উঠছিল না।”আসিফ আলতাফ বলেন, “এরপর ‘লক্ষ্য একই’ শিরোনামের গানটা লিখে তাকে দেখালাম। গানের কথা খুবই পছন্দ করলেন। কলকাতায় গিয়ে একসঙ্গে রেকর্ড করলাম। গানটা গেয়ে নচিকেতা বলেছেন, ‘অনেকদিন পর একটা ভালো গান করলাম। মনে হচ্ছে যৌবনে ফিরে গেছি।”

‘লক্ষ্য একই’ প্রসঙ্গে আসিফ আলতাফ বলেন, “নচিকেতার সঙ্গে যায় এমন একটা গান হয়েছে এবার। আমিও এমন গানই লিখতে চাই, গাইতে চাই। ফলে আমাদের দুজনের পছন্দ মিলে গিয়েই গানটা দাড়িয়েছে। সেই সঙ্গে সোয়েব আহমেদ দারুণ একটি ভিডিও বানিয়েছেন। আশাকরি বাংলা ভাষাভাষি দর্শকরা গানটা দেখে ও শুনে আনন্দ পাবেন।”গানের মিউজিক ভিডিও নির্মাণের অভিজ্ঞতা জানিয়ে সোয়েব আহমেদ বলেন, “এ নিয়ে দুইটা গানের ভিডিও বানালাম নচিকেতা-আসিফ আলতাফ জুটির। শিল্পী হিসেবে নচিকেতা যতটা উচু মানের, মানুষ হিসেবেও তেমন বিনয়ী। ভিডিও নির্মাণের ক্ষেত্রে আমাকে প্রচণ্ড সহযোগিতা করেছেন। গানের রেশ ফুটে ওঠে এমন একটা ভিডিও নির্মাণের চেষ্টা করেছি। দর্শকদের ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস।”

ক্যারিয়ারের প্রথমদিকে ‘জুতো’ এবং ‘যন্ত্র’ গান দিয়ে নিজের স্বকীয়তা প্রকাশ করেন আসিফ আলতাফ। এরপর শ্রোতাদের একের পর এক উপহার দেন, ন্যান্সির সঙ্গে ‘সুবহি সাদিক’ এবং লগ্নজিতা চক্রবর্তীর সঙ্গে ‘দূরত্ব’ ও ‘প্রেমে পড়ি’। গানগুলো বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের বাংলা ভাষাভাষী শ্রোতারা পছন্দ করেছেন।গত মাসে তার গাওয়া ‘টাকা’ শিরোনামের গানটি এক কোটির বেশি দর্শক দেখেছেন।

উল্লেখিত গানগুলো ছাড়াও আসিফ আলতাফের ‘আমার পাড়ায়’, ‘ঠিক হাজার বছর পর’, ‘এক কাপ চা’, সুফি ঘরানার গান ‘ফিকির’সহ বেশকিছু গান ভিন্নধর্মী শ্রোতাদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।গানের ইউটিউব লিংক: https://www.youtube.com/watch?v=FoWl-V42l4c


আরও খবর



সরাইলে ভূমিহীন পরিবার ভূমির দাবীতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image

রুবেল মিয়া সরাইল:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলায় ৪২টি ভূমিহীন পরিবার  ভূমির দাবীতে মানববন্ধন করেছেন। 

শনিবার ( ৮ জুন) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের অরুয়াইল ব্রিজের উওর পাশে সড়কে মোহন লাল মন্দিরের সামনে ৪২টি ভূমিহীন পরিবারের এ মানববন্ধন করেন। উক্ত মানববন্ধনে অংশ নেন  ভূমিহীন পরিবারের বিভিন্ন পেশার নারী- পুরুষ ও শিশুরা। 

শ্রী শ্রী মোহন লাল আখড়া মন্দিরের সভাপতি বেনী মাধব রায়ের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জাতীয় হিন্দু মহাজোট জেলার সভাপতি জয় শংকর চক্রবর্তী, সরাইল উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দেব দাস সিংহ রায়, সাধারণ সম্পাদক ঠাকুর ধন বিশ্বাস, গোপাল চন্দ্র ঘোষ, বীর মুক্তিযোদ্ধা পরশ ঘোষ, ক্ষীরুদ চন্দ্র ঘোষ, জনি আচার্য, শুভা সূত্রধর, সোনতী সূত্রধর প্রমুখ। 

এ সময় বক্তারা বলেন, আমাদের ভূমি নাই, বাড়ী ঘর নাই, ছেলে মেয়েদের নিয়ে অনেক কষ্টে জীবন যাপন করে আসছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে আমাদের আবেদন ঘর চাই বাড়ি চাই, মাথা গোজার ঠাই চাই।

       -খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর