Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

প্রকাশ্যে 'তুফান' ট্রেলার, গ্যাংস্টার শাকিব যেন ওয়ান ম্যান আর্মি

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৩০৩জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক:ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে মেগাস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা তুফান। ২ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের ট্রেলারে দেখানো হয়েছে কিশোরের গ্যাংস্টার হয়ে ওঠার গল্প।

শনিবার (১৫ জুন) রাত ৮টায় চরকি ও এসভিএফের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ্যে আসে ট্রেলারটি। শাকিবের সঙ্গে সিনেমায় রয়েছে মিমি চক্রবর্তী, মাসুমা রহমান নাবিলা, ফজলুর রহমান বাবু, শহিদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত, মিশা সওদাগর, চঞ্চল চৌধুরীসহ আরও অনেকে।

তুফান মানুষ নয়, আবার পশুও নয়, তুফান যা হতে চেয়েছিল তাই হয়েছে, রাক্ষস। ‘তুফান’-এর সঙ্গে ঠিক এভাবেই পরিচয় হলো দর্শকদের। কিন্তু কে এই ‘তুফান’?

ট্রেলারের শুরুতে একজনকে মেশিনগান চালাতে দেখা গেল। সে এক ভয়ঙ্কর মুহূর্ত। এরপরই দেখা মিলল কাঙ্ক্ষিত তুফানের। ইনি আর কেউ নন, শাকিব খান। তাকে বলতে শোনা গেল, বাশির ভাই জানত না, আমি একদিন ন্যাশনাল লেভেলে খেলব।’ ফের বললেন, ‘তুফান হতে অ্যটিটিউড লাগে, চোখের দৃষ্টি লাগে, অ্যাকশন, স্পিচ সব লাগে। এই বাশির ভাই চরিত্রে সিনেমায় রয়েছেন মিশা সওদাগর।

পুরো ট্রেলারে শাকিব খান ছিলেন ফুল অন অ্যাকশন। তবে শুধু অ্যাকশনই নয়, রয়েছে প্রেমও। আর এরপরই তুফান-এর ‘দুষ্টু কোকিল’ হয়ে ধরা পড়লেন মিমি চক্রবর্তী। তাকে প্রেম নিবেদনও করতে দেখা গেল শাকিবকে।

তবে ট্রেলারে তুফান-এর সঙ্গে খেলার যিনি পরামর্শ দিলেন তিনি আর কেউ নন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। তার সাফ কথা তুফান-এর সঙ্গে খেলতে হবে মাথা দিয়ে। এদিকে শাকিব তখন বলছেন, ‘তুফান পোষ মানে না, পোষ মানায়’। ট্রেলারে শেষে শাকিবকে যখন প্রশ্ন করা হল, সে কী চায়? উত্তর এল ‘পুরো দেশ’।

ঈদুল আজহায় মুক্তি পাচ্ছে শাকিব-মিমি’র তুফান। ঈদের পর ২৮ জুন ভারতে এরপর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ অন্যান্য দেশেও মুক্তি পাবে রায়হার রাফি পরিচালিত এই ছবি।


আরও খবর



মধুপুর সরকারী কলেজে এইচ.এসসি পরিক্ষার্থীদের জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৩০২জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা (বিশেষ প্রতিনিধি) মধুপুর টাঙ্গাইলঃ-

মধুপুর সরকারি কলেজে এইচ.এসসি পরিক্ষার্থীদের জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত।বুধবার (২৬জুন) সকাল ১০টায় দোয়া অনুষ্ঠানটি মধুপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ জাহাঙ্গীর কবির এর সভাপতিত্বে কলেজ হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মধুপুর উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট ইয়াকুব আলী।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেন,পৌর মেয়র আলহাজ্ব সিদ্দিক হোসেন খান, সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ মন্তাজ আলী সহ অত্র কলেজের শিক্ষক ও অভিভাবকগন উপস্থিত ছিলেন।


প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে নিজ উদ্যোগে কলম বিতরণ করেন, মধুপুর শহর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ আকন্দ।কলম বিতরণ শেষে তিনি বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি জামাত জোট সরকার, শিক্ষার্থীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছিল, আর আমি ছাত্রলীগের সামান্য একজন কর্মী হয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে কলম তুলে দিলাম, একদিন এই শিক্ষার্থীরাই কলমের লেখনীর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সপ্নের সোনার বাংলা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে অগ্রনী ভূমিকা রাখবে।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, অত্র কলেজের শিক্ষক মোঃ সানোয়ার হোসেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



মান্দার আত্রাই ও ফকিন্নি নদীর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করলেন এমপি ব্রহানী সুলতান গামা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৯২জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা;নওগাঁ:কয়েকদিনের একটানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে নওগাঁর মান্দা উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত আত্রাই ও ফকিন্নি নদীর পানি  হু হু করে বাড়ছে । বর্তমানে এ দুটি নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। ইতিমধ্যে বেশকিছু এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

নদীপাড়ের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত বছরের বন্যায় ভেঙে যাওয়া কয়েকটি বেড়িবাঁধ  মেরামত করা হয়নি। ২০১৭ সালের ভয়াবহ বন্যায় ভেঙে যাওয়া উত্তর নুরুল্লাবাদ ও চকরামপুর এলাকায় বেড়িবাঁধের দুটি স্থান আজো অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলে ভাঙা এসব স্থান দিয়ে পানি দ্রুতবেগে লোকালয়ে প্রবেশ করবে। পানিবন্দি হয়ে পড়বে অন্তত এক হাজার পরিবার।  

এদিকে আত্রাই ও ফকিন্নি নদীর পানি বাড়তে থাকায় আজ বৃহস্পতিবার নদী দুটির ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এসএম ব্রহানী সুলতান মামুদ গামা। এ সময় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম কুমার সরকার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নওসাদ আলীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পানি বিপৎসীমা অতিক্রিম করলে এ দুই নদীর উভয় তীরে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের অন্তত ৩০টি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে। পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ এসব স্থান সংস্কার করা হলে বন্যার প্রবনতা অনেকাংশে কমে যাবে। তখন নদীপাড়ের মানুষকে আর নির্ঘুম রাত কাটাতে হবে না। পাহারা বসাতে হবে না বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সংসদ সদস্য এসএম ব্রহানী সুলতান মামুদ গামা সাংবাদিকদের বলেন, বন্যা মোকাবেলায় সবধরণের আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে কাজ করার জন্য নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা নেওয়া হয়েছে। 

এমপি গামা আরও বলেন, বন্যা মোকাবেলায় পাউবোর পাশাপাশি কাজ করছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তর। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সজাগ থাকারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



মাটিরাঙ্গা পলাশপুর জোন ৪০ বিজিবি,র উদ্যােগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি অনুষ্টিত

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:বৃক্ষ দিয়ে সাজাই দেশ, সমৃদ্ধ করি বাংলাদেশ” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার পলাশপুর জোন  খেদাছড়া ব্যাটালিয়ন (৪০ বিজিবি) এর উদ্যােগে  বিজিবির জোন সদর দপ্তরে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পলাশপুর জোন খেদাছড়া ব্যাটালিয়ন ৪০ বিজিবির জোন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ মুনতাসির মামুন বিজিওএম পিএসসি।

রবিবার (৭ জুলাই)সকাল ১১টার দিকে পলাশ পুর জোনের আয়োজনে পলাশপুর জোন সদরসহ অধীনস্থ সকল বিওপি ক্যাম্পের পতিত /অব্যবহৃত  জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ভেষজ ঔষধি গাছের চারা বৃক্ষরোপন কার্যত্রুমের উদ্বোধন করেন  পলাশপুর জোন  খেদাছড়া ব্যাটালিয়ন (৪০ বিজিবি) এর জোন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ মুনতাসির মামুন বিজিওএম, পিএসসি। 

এ সময় পলাশপুর জোন এর ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাষ্টার সহকারী পরিচালক মোহাঃ দেলোয়ার হোসাইন, জুনিয়র কর্মকর্তা, অন্যান্য পদবীর সদস্য এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

পলাশপুর জোন খেদাছড়া ব্যাটালিয়ন ৪০ বিজিবি,র জোন অধিনায়ক লে:কর্ণেল মোহাম্মদ
মুনতাসির মামুন বিজিওএম পিএসসি বলেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর ও বিওপিগুলোতে বিভিন্ন প্রজাতির কয়েক হাজার ফলদ, বনজ, ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় বিজিবি সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বাড়াতে এআই যুক্ত করার ঘোষণা হুয়াওয়ের

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৭১জন দেখেছেন

Image

প্রযুক্তি ডেস্ক:মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস সাংহাই ২০২৪-এ আয়োজিত ‘ফাইভজি এডভান্স ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ গোলটেবিল বৈঠকে হুয়াওয়ে ওয়্যারলেস সল্যুশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড চিফ মার্কেটিং অফিসার এরিক ঝাও বক্তব্য রেখেছেন। এই বক্তব্যে তিনি নেটওয়ার্কে এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) ব্যবহারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রথম পর্যায়ে আগামী ছয় মাসের মধ্যে হাংঝো, গুয়াংঝো, ব্যাংকক, জিনান এবং শেনজেনে ১,০০০ সাইট ইঞ্জিনিয়ার ও ১০,০০০ সাইটকে এর আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিন বছরের নিরন্তর প্রচেষ্টার পর টেলিকম খাতে ফাইভজি-এ (এডভান্স) পরিকল্পনার পর্যায় থেকে বাস্তবে রূপ পেয়েছে। ২০২৪ সালকে বাণিজ্যিকভাবে ফাইভজি-এ-এর প্রথম বছর হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত নেটওয়ার্ক, ব্যবসা ও  ডিভাইস ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে ফাইভজি-এ উল্লেখযোগ্য সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। বর্তমানে মোবাইল নেটওয়ার্ক জটিল কার্যক্রম ও রক্ষণাবেক্ষণ, নেটওয়ার্কের নানা বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন অভিজ্ঞতা-নির্ভর কার্যক্রমের সাথে সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। বিষয়গুলো বিবেচনা করে হুয়াওয়ে নেটওয়ার্কে এআই ব্যবহারের প্রস্তাব করেছে। অর্থাৎ, রেডিও এক্সেস নেটওয়ার্ক (আরএএন) ইন্টেলিজেন্ট এজেন্ট তৈরি করে নেটওয়ার্কের কার্যক্রম ও রক্ষণাবেক্ষণ, অভিজ্ঞতা ও সেবায় নতুন মাত্রা যোগ করা হবে। 

আরএএন ইন্টেলিজেন্ট এজেন্ট বিভিন্ন প্রক্রিয়াকে সহজ করে দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে। এর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো হুয়াওয়ের চালু করা ফিল্ড মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার কোপাইলট। এই ধরনের প্রথম প্রযুক্তি হিসেবে চালু হওয়া কোপাইলটটিতে রয়েছে এআই-ভিত্তিক অ্যাসিস্টেন্ট, যা বিশেষায়িত তথ্যের ‍উপর ভিত্তি করে স্বাধীনভাবে সল্যুশন পলিসি তৈরির মাধ্যমে দক্ষতা বাড়াতে পারে। একটি ফিল্ড কেসে এটি দশগুণ বেশি দক্ষতার সাথে অপটিক্যাল পাথ ফল্ট পরিচালনায় সাহায্য করছে।

আরএএন ইন্টেলিজেন্ট এজেন্ট নেটওয়ার্ককে স্বাধীন ও কার্যকরভাবে অভিজ্ঞতা দিতে ও শক্তি সঞ্চয় করতে সাহায্য করে। এই অপ্টিমাইজেশান প্রক্রিয়াটি মাল্টি-ডাইমেনশনাল হাই-প্রিসিশন সেন্সিং এবং অপটিমাল এক্সপেরিয়েন্স ও ইনার্জি-সেভিং পলিসির উপর ভিত্তি করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে। ২২৩টি সেলে আবৃত একটি এলাকায় আরএএন ইন্টেলিজেন্ট এজেন্ট কয়েক হাজার ঘন্টা ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছে। এর ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শক্তির ব্যবহার সর্বনিম্ন পর্যায়ে রেখে কার্যকারিতা সর্বোচ্চ করা সম্ভব হয়েছে। এই ধরনের স্বয়ংক্রিয় নেটওয়ার্কের কার্যক্রম ও রক্ষণাবেক্ষণ বাস্তবায়নে হুয়াওয়ে এই প্রথম অপারেটরদের সাথে কাজ করেছে। 

নেটওয়ার্ক রিসোর্সের রিয়েল-টাইম ইভ্যালুয়েশনের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা-নির্ভর পরিষেবা বিষয়ক কার্যক্রমগুলোকে সহায়তা করে আরএএন ইন্টেলিজেন্ট এজেন্ট। এটি প্রয়োজন অনুযায়ী অপারেটরদের নতুন পরিষেবা সরবরাহ করতে এবং নির্ধারিত পরিষেবার (ডিটারমিনিস্ট সার্ভিস) অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। এক্ষেত্রে ফাইভজি-এ লাইভস্ট্রিমিং অ্যাসিউরেন্স প্যাকেজটি দারুণ সহায়ক। বিশ্বে প্রথম এই ধরনের লাইভ স্ট্রিমিং প্যাকেজ হিসেবে এটি ফলচাষীদের কাঙ্ক্ষিত আপলিংক স্পিড দিয়েছে, যার মাধ্যমে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে তারা গ্রাহকদের কাছে সহজে পৌঁছাতে পেরেছে।

ঝাও বলেন, “এআই-কে নেটওয়ার্কে নিয়ে আসাই আমাদের লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের দিক থেকে আমরা একটি সল্যুশন প্রোভাইডার থেকে ইন্টেলিজেন্ট নেটওয়ার্কের সহ-নির্মাতাতে (কো-বিল্ডার) পরিণত হবো। আমরা বিশ্বাস করি যে, আরএএন ইন্টেলিজেন্ট এজেন্ট ও নেটওয়ার্কগুলোর যৌথ প্রবৃদ্ধি আরও বিস্তৃত পরিসরে ব্যবসায়িক মূল্য তৈরি করবে, আরও দ্রুত নেটওয়ার্কগুলোকে রূপান্তরিত করবে এবং আমাদের শিল্পকে বুদ্ধিমত্তার একটি নতুন যুগে নিয়ে যাবে।”

আন্তর্জাতিক অপারেটর, এই খাতের পেশাজীবী ও নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে হুয়াওয়ে ২৬ জুন থেকে শুরু করে ২৮ জুন পর্যন্ত চীনের সাংহাইতে এমডব্লিউসি সাংহাই ২০২৪ আয়োজন করছে।   


আরও খবর



স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ রোকেয়ার জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image

এস এম শফিকুল ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃস্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদিকা ডাঃ রোকেয়া সুলতানা আকস্বিক ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। শুক্রবার (৫ জুলাই) বেলা ১২ টায় তিনি হাসপাতাল পরিদর্শনে যান।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের জরুরী বিভাগ এবং বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি রোগীদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ রোকেয়া সুলতানা হাসপাতালের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কথা বলেন এবং এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে আরো যত্নবান হওয়ার জন্য বলেন। পরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়কের কার্যালয়ে এক অনির্ধারিত বৈঠকে মিলত হন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব আমিনুল ইসলাম, সিভিল সাজর্ন ডাঃ রুহুল আমিন, হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ সরদার রাশেদ মোবারক সহ ডাক্তার ও কর্মচারীগণ ।


আরও খবর