Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

প্রেসক্রিপশনে ৬০ টাকার ওষুধ নাম পরিবর্তন করে ৬০০-তে বিক্রি

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
Image

ময়মনসিংহে প্রেসক্রিপশনে থাকা ৬০ টাকার ওষুধ নাম পরিবর্তন করে ৬০০ টাকায় বিক্রির অপরাধে এক ফার্মেসি মালিকের ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুপুরে অভিযোগকারী বৃদ্ধ মালেক মিয়াকে জরিমানার ৮ হাজার ৭৫০ টাকা বুজিয়ে দেন জেলা ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নিশাত মেহের।

নিশাত মেহের জাগো নিউজকে বলেন, ১৫ জুন বৃদ্ধ আবদুল মালেক কানের সমস্যার কারণে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান। চিকিৎসক ওই বৃদ্ধকে ৬০ টাকা দামের একটি কানের ড্রপ লিখে দেন। ওই বৃদ্ধ মেডিকেল কলেজ গেটের বিপরীতে সাবা মেডিকেল নামে এক ফার্মেসিতে ওষুধটি কিনতে যান। ফার্মেসির মালিক প্রেসক্রিপশনের ওপর অন্য একটি ইউনানি ওষুধ লিখে তা ৬০০ টাকায় বিক্রি করেন। ওই ওষুধ সেবনের পর রোগীর উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

তিনি আরও বলেন, এ অবস্থায় ওই বৃদ্ধ আবারও চিকিৎসকের কাছে যান। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে বৃদ্ধ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে ২৬ জুন লিখিত অভিযোগ দেন। ওই দিন অভিযান চালিয়ে সাবা মেডিকেল ফার্মেসিকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী জরিমানার ২৫ শতাংশ টাকা (৮ হাজার ৭৫০ টাকা) অভিযোগকারী মালেক মিয়াকে দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



অনিয়মে জর্জরিত ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, অপসারণের সুপারিশ

প্রকাশিত:Wednesday ১০ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১০জন দেখেছেন
Image

ঢাকার মোহাম্মদপুরের বছিলায় অবস্থিত ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়। এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে ২০১৫ সালের ৪ জানুয়ারি যোগ দেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ। এরপর ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে মেয়াদ শেষ হলে সরকার তাকে দ্বিতীয় দফায় নিয়োগ দেয়। দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে আহসান উল্লাহর বিরুদ্ধে আসতে থাকে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ। তদন্ত করে সেসব অভিযোগের সত্যতাও পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। ভিসির অপসারণসহ বেশকিছু সুপারিশও করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহর বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, স্বজনপ্রীতি, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের হেনস্তা, নিয়মবহির্ভূত পদোন্নতিসহ রয়েছে বেশকিছু অভিযোগ। এছাড়া উপাচার্যের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনজনিত একাধিক অভিযোগও রয়েছে। সম্প্রতি ইউজিসি থেকে এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে উপাচার্যের দেওয়া সব নিয়োগ-পদোন্নতি বাতিলের। একই সঙ্গে উপাচার্য আহসান উল্লাহকে অপসারণেরও সুপারিশ করা হয়েছে।

তবে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কাছে উপাচার্য দাবি করেন, প্রশ্ন তৈরির জন্য এসব শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়।

উপাচার্যের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ
তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভিসি হওয়ার পর ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় ও স্বজনপ্রীতি করেছেন আহসান উল্লাহ। সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন তার নিজের এলাকা চট্টগ্রাম থেকে। পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে গিয়ে বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করেছেন। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই দিয়েছেন নিয়োগ। আবার যাদের নিয়োগ দিয়েছেন তাদের মধ্যে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ১০-১৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। আর ৫-১০ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে কর্মচারীদের থেকে। ৫২ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ১১২ জনকে। এছাড়া বাড়িভাড়ার নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে ইউজিসি।

 

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ, তার অপসারণে সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি

এসব অনিয়মে উপাচার্যকে নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন ভিসির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার আবু হানিফ। এছাড়া সিন্ডিকেট সদস্য ও ভবানীপুর ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. হাসান মাসুদসহ আরও কয়েকজন উপাচার্যের ঘনিষ্ঠ বলে তাকে দ্বিতীয় দফায় সিন্ডিকেট সদস্য করা হয়।

এদিকে প্রথম দফায় ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটিতে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে হয় এ তদন্ত।

এরপর দ্বিতীয় দফায় তদন্ত করে ইউজিসি। সেখানেও সত্যতা মেলে অভিযোগের। এ তদন্ত কমিটিতে ইউজিসির সদস্য (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়) অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ্রসহ পাঁচ সদস্য ছিলেন।

দ্বিতীয় দফার তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকার মনোনীত সিন্ডিকেট সদস্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) হেলাল উদ্দীন এসব অনৈতিক ও অবৈধ নিয়োগের বিরোধিতা করায় তাকে সিন্ডিকেট থেকে বাদ দেওয়া হয়। কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে জালিয়াতির জন্য অবৈধভাবে ‘নিয়োগ কমিটি’র বাইরে আলাদা প্রশ্নপত্র করা হয়। এছাড়া অবৈধভাবে এক লাফে ১৩ জন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীকে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা বানানো হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আইন অনুযায়ী ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোকে গড়ে তোলা হলেও অপ্রয়োজনে উপাচার্যের পছন্দের বেশ কয়েকজনকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানতে চাইলে প্রশ্ন মডারেটর ও প্রণয়নের জন্য শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয় বলে দাবি করেন উপাচার্য।

এছাড়া নিয়মে নেই এমন অধীনস্থ মাদরাসায় বিভাগ খোলার অনুমোদন দেওয়া হয় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়।

এর আগে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সদস্য ছিলেন সাব্বির আহমেদ মমতাজী। তার সংশ্লিষ্টতায় মূলত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হন আহসান উল্লাহ। মমতাজীর বিরুদ্ধেও নিয়োগ বাণিজ্য ও অনিয়মের অভিযোগ ছিল। ক্ষমতাবলে তিনি নিজের ছেলে-মেয়েকে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দিয়েছিলেন। এসব অভিযোগেরও প্রমাণ পেয়েছে ইউজিসি।

 

ইউজিসি ভবন

ইউজিসির সুপারিশ
উপাচার্য আহসান উল্লাহর দেওয়া ১১২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিয়োগ বাতিল করে পুনরায় নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা। তবে যারা ‘অবৈধভাবে’ নিয়োগ পেয়েছেন তাদের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণে সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।

সিন্ডিকেট সদস্যের কয়েকজন উপাচার্যের সহযোগী হিসেবে কাজ করায় এ সিন্ডিকেট ভেঙে নতুনভাবে গঠন করা ও আহসান উল্লাহকে অপসারণ করে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) মো. আবু ইউসুফ মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, দ্বিতীয় দফায় ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত প্রতিবেদন ইউজিসি থেকে আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্রুত সময়ে জানানো হবে সিদ্ধান্ত।

জানতে চাইলে ইউজিসির চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক দিল আফরোজা বেগম জাগো নিউজকে বলেন, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। বর্তমান উপাচার্যের অনিয়ম প্রমাণ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে।


আরও খবর



মিথ্যা মামলা করায় বাদীর কারাদণ্ড

প্রকাশিত:Thursday ০৪ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

রাজশাহীতে মিথ্যা মামলাকরায় বাদীকে সাতদিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার দুই আসামিকে এক হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৩ আগস্ট) রাজশাহীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ এর বিচার মারুফ আল্লাম এ আদেশ দেন। আদালতের সহকারী মো. নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত বাদীর নাম মো. মতিউর রহমান শাহ। তিনি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার শিয়ালা প্রেমতলী গ্রামের মৃত কাশেম আলী শাহর ছেলে।

নজরুল ইসলাম জানান, অনধিকার প্রবেশ, ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলা, শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগ এনে ফৌজদারি মামলা করেন মতিউর রহমান শাহ। কিন্তু বিচার শেষে আদালতের কাছে স্পষ্ট হয় যে, বাদীর অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক। ফলে আদালত আসামিদের খালাস দিয়ে বাদীকে সাতদিনের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে দুজন আসামির প্রত্যেককে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, আসামিদের বিরুদ্ধে শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হলেও বাদী কিংবা তার কোনো একজন সাক্ষী আদালতকে শ্বাসরোধ সম্পর্কে একটি শব্দও বলেননি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।

আরও জানা যায়, বাদীর জমিতে প্রবেশ করে আসামিরা তার ঘরবাড়ি ভেঙেছেন মর্মে বাদী যে অভিযোগ করেছেন, তার পক্ষেও বাদীপক্ষের সাক্ষীরা সাক্ষ্য দেননি। বাদীপক্ষের উপস্থাপিত দুজন সাক্ষীর একজন বলেছেন, ঘটনার দিন তিনি ঘটনাস্থলেই ছিলেন না। অন্যজন বলেছেন, ওই জমিতে মূলত বাদী নয়, বরং আসামির স্থাপনা ছিল।

সাক্ষ্যপ্রমাণ, তদন্তকারীর প্রতিবেদন এবং উভয় পক্ষের বক্তব্য অনুসন্ধানে আদালতের কাছে স্পষ্ট হয়, বাদী তার জমি আসামির কাছে বিক্রি করে ভিন্ন জায়গায় গিয়ে বসবাস করছিলেন। পরে আসামি সেই জমিটি তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করার উদ্যোগ নিলে বাদী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। বাদী চেয়েছিলেন, জমিটি তৃতীয়পক্ষের কাছে বিক্রি না করে তার কাছেই যেন বিক্রি করেন। কিন্তু ভালো দাম না পাওয়ায় আসামি বাদীর কাছে ওই জমি বিক্রি না করে তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করে দেন। এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে মামলা করেন বাদী।

আদালতের সহকারী জানান, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের জন্য কারাদণ্ড বাদীকে কেন কারাদণ্ড হবে না তা জানতে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে কারণ দর্শাতে বলা হয়। পরে বাদি কারণ দর্শানোর জন্য দুদিনের সময় চান। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কারণ দর্শানোর কোনো ব্যাখ্যা না দাখিল করায় আদালত বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।


আরও খবর



হোয়াইট হাউজের কাছে বজ্রপাত, গুরুতর অবস্থা ৪ জনের

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

যুক্তরাষ্ট্রে হোয়াইট হাউজের কাছে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে। বজ্রাঘাতে চারজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ওয়াশিংটনের ফায়ার সার্ভিস ও জরুরি বিভাগ জানায়, হোয়াইট হাউজের রাস্তার পাশে একটি পার্কে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে দুই জন নারী ও দুই জন পুরুষ গুরুতর আহত হন।

ভুক্তভোগীদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানীজুড়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বেশ কয়েকটি বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

সূত্র: এএফপি


আরও খবর



স্বয়ংক্রিয় টোলে ১০ শতাংশ ছাড়, বেড়েছে ব্যবহারকারীর সংখ্যা

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

বর্তমানে সারাদেশের ১০টি সেতু-মহাসড়কের দ্রুত গতির লেন ব্যবহার করে ইলেক্ট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) বা স্বয়ংক্রিয় টোল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। আর এ প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত টোলের ওপর ১০ শতাংশ ছাড় পাচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। এতে গত ছয় মাসের ব্যবধানে এসব সয়ংক্রিয় টোল প্লাজাগুলো থেকে টোল আদায় বেড়েছে ২৬ লাখ ৯২ হাজার টাকা।

ইলেক্ট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) বা স্বয়ংক্রিয় টোল সংগ্রহ এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে টোল গেট অতিক্রম করার সময় গাড়ি না থামিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই টোল পরিশোধ করা যায়। গাড়িতে বিদ্যমান সচল ও কার্যকর রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) ট্যাগের মাধ্যম টোল দেওয়া যায়।

এ প্রযুক্তির উল্লেখযোগ্য সুবিধা হলো, এটি সড়কের যানজট হ্রাস করে। অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে- জ্বালানি সাশ্রয়, টোল সংগ্রহের ক্ষেত্রে সময় সাশ্রয়, মহাসড়কের সক্ষমতা বৃদ্ধি, টোল সারিতে অপেক্ষা করার সময় সংক্ষিপ্ত করা ও যানবাহনের ধোঁয়া নির্গমন কমিয়ে পরিবেশ দূষণের মাত্রা হ্রাস করা। বিশ্বজুড়ে ইটিসি গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠার অন্যতম মূল কারণ হলো- এ পদ্ধতিতে টোল দিতে গাড়িচালকদের নগদ অর্থ বহনের প্রয়োজন হয় না।

মেঘনা সেতু, গোমতি সেতু, ভৈরব সেতু, শহীদ ময়েজউদ্দিন সেতু, আত্রাই টোল প্লাজা, চরসিন্ধুর সেতু, খান জাহান আলী সেতু, লালন শাহ সেতু, পায়রা সেতু, শাহ আমানত টোল প্লাজায় ইটিসি লেন চালু রয়েছে।

গত জুলাই মাসের হিসাব অনুযায়ী, ইটিসি লেন ব্যবহার করে শাহ আমানত সেতুর টোল প্লাজায় ৩ হাজার ২১টি যানবাহন থেকে ২১ লাখ ৬১ হাজার ১৮৪ টাকা, মেঘনা ও গোমতি সেতুতে ৭ হাজার ৫৭৬ যানবাহন থেকে ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ৭০৩ টাকা, ভৈরব সেতুতে ৫ হাজার ৭৫৮ যানবাহন থেকে ১১ লাখ ২৮ হাজার ৩৩১ টাকা, শহীদ ময়েজউদ্দিন সেতুতে ৫ হাজার ১৪৩ যানবাহন থেকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৮৬১ টাকা, আত্রাই টোল প্লাজায় ২১ যানবাহন থেকে ৬৫২ টাকা, খান জাহান আলী সেতুতে ৭৩৭ যানবাহন থেকে ৫৪ হাজার ৪১৫ টাকা, লালন শাহ সেতুতে ৫৩ যানবাহন থেকে ৩ হাজার ২১৭ টাকা, পায়রা সেতুতে একটি যানবাহন থেকে ৯৫ টাকার টোল আদায় করা হয়েছে। তবে চরসিন্ধুর সেতু থেকে কোনো টোল সংগ্রহ হয়নি।

গত সাত মাসের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ইটিসি লেন ব্যবহারকারী ২০ হাজার ৬৭৪ যানবাহন থেকে ৪৮ লাখ ৩৫ হাজার ৮৫৫ টাকা, ফেব্রুয়ারি মাসে ১৯ হাজার ৫৯৭ যানবাহন থেকে ৪৪ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪০ টাকা, মার্চ মাসে ২২ হাজার ২১৮ যানবাহন থেকে ৪৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬১০ টাকা, এপ্রিল মাসে ১৯ হাজার ১৪২ যানবাহন থেকে ৪১ লাখ ৯৭ হাজার ৩২০ টাকা, মে মাসে ২২ হাজার ৯৬ যানবাহন থেকে ৪৮ লাখ ১০৮ টাকা, জুন মাসে ২১ হাজার ৩৬৯ যানবাহন থেকে ৪৭ লাখ ৩২ হাজার ৬৬৪ টাকা এবং জুলাই মাসে সর্বোচ্চ ২৪ হাজার ৪০৩ যানবাহন থেকে ৭৫ লাখ ২৮ হাজার ৫০৯ টাকার টোল স্বয়ংক্রিয়ভাবে আদায় করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ইটিসি সিস্টেম এ দ্রুত গতির লেন ব্যবহারকারীদের উৎসাহিত করতে প্রনোদনা প্রদান করা হলে এ পদ্ধতিতে টোল প্রদানে মোটরযান চালকরা আগ্রহী হবেন। তাই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে টোল সংগ্রহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে ইটিসি লেন ব্যবহারে অনুপ্রাণিত করতে অর্থ বিভাগের সম্মতির আলোকে দ্রুত গতির লেন ব্যবহারকারীদের জন্য নির্ধারিত টোল হতে ১০ শতাংশ অর্থ ছাড় দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। গত ২৫ এপ্রিল এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি হয়। পরে গত ৩০ মে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব ফাহমিদা হক খান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ০১ জুন থেকে এই ছাড় কার্যকরের ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর থেকে ইটিসি লেন ব্যবহারে ১০ শতাংশ ছাড় পাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ডিজিটাল বাংলাদেশের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম টোল প্লাজায় ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর পাইলটিংয়ের উদ্দেশ্যে একটি করে ফাস্ট ট্র্যাক ইটিসি লেন চালু করা হয়। বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে গড়ে প্রতিদিন পায় ২০ হাজার গাড়ি পার হয়। এতো বিপুল সংখ্যক গাড়ি হতে টোল আদায় করতে গিয়ে কোনো কোনো লেনে প্রায়ই ৩ থেকে ৪টি গাড়ির লাইন তৈরী হয়ে যায়। এ ছাড়া ঈদে কিংবা বিভিন্ন উৎসবে গাড়ির সংখ্যা যখন ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যায় তখন লেনে গাড়ির লাইন অনেক দীর্ঘ হয়। ফাস্ট ট্র্যাক লেন ব্যবহার করে টোল প্লাজায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাড়ি পারাপার করা সম্ভব হচ্ছে। টোলের ফলে যাতে যানজটের সৃস্টি না হয় সে লক্ষ্যেই এই লেন করা হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের (টোল ও এক্সেল) উপসচিব ফাহমিদা হক খান জাগোনিউজকে বলেন, সারাদেশে ১০টি সেতু ও মহাসড়কে স্বয়ংক্রিয় টোল সংগ্রহের ব্যবস্থা রয়েছে। ইতোমধ্যে এই পদ্ধতিতে টোল প্রদানে ১০ শতাংশ ছাড়ের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। গত ০১ জুন থেকে এই ছাড় কার্যকর হয়েছে। আগের তুলনায় এখন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে। আমরা মানুষকে জানাতে বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছি, সামনে আরও সংখ্যা বাড়বে বলে আশা করছি।

যেভাবে ইটিসি লেনে টোল পরিশোধের প্রক্রিয়া:

ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিঃ এর নেক্সাস-পে অথবা রকেট একাউন্ট এর টোল কার্ড ব্যবহার করে এই সুবিধাটি পাওয়া যায়। সুবিধাটি পেতে গাড়ির নম্বরটি টোল কার্ডের সাথে ডাচ- বাংলা ব্যাংক এর যেকোন শাখা, ফাস্ট ট্র্যাক বা নেক্সাস-পে থেকে রেজিস্টেশন করে টোল কার্ডের প্রয়োজনীয় ব্যালেন্স নিশ্চিত করা হয়। আর সহজেই ব্যবহারকারীর গাড়িতে বিদ্যমান সচল ও কার্যকর রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) ট্যাগের মাধ্যম টোল প্রদান করা যায়। এরফলে নগদ টাকা প্রদানের জন্য কাউকে টোল প্লাজায় এক মুহূর্তও অপেক্ষা করতে হয় না। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ও বাধাহীনভাবে ফাস্ট ট্র্যাক লেন ব্যবহার করে যানবাহন টোল প্লাজা অতিক্রম করতে পারে।

সার্বিক বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নূরী জাগোনিউজকে বলেন, ইটিসি লেন নিয়ে আমরা ব্যাপক প্রচারনা চালাচ্ছি। আমরা সবার মুঠোফোনে এসএমএস পাঠিয়েছি। পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছি, টিভিতে স্ক্রলও দিচ্ছি। আমরা জনগণকে ইটিসির বিষয়টি জানাতে চাই। এই বিশেষ লেন ব্যবহার করলে টোলের উপর সরকার ১০ শতাংশ ছাড় দেবে। এতে ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়বে বলে আশা করি। এখন গাড়ি যা যাচ্ছে, সামনে আরো বেশি যাবে। যেহেতু এই লেনে টোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না তাই প্রচারণার ফলে এর ব্যবহারকারী অনেক বাড়বে বলে আশা করছি।


আরও খবর



ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৫১

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১৮জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৫১ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

এ সময় তাদের কাছ থেকে চার হাজার ৬৩৯ পিস ইয়াবা, ৫৩ গ্রাম হেরোইন, চার বোতল ফেনসিডিল ও ৪৭ কেজি ১২৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) ভোর ৬টা থেকে শুক্রবার (৫ আগস্ট) ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৬টি মামলা রুজু হয়েছে।


আরও খবর