Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বকাপ ফুটবলের ট্রফি প্রদর্শন

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৩০২জন দেখেছেন
Image

বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে আকর্ষনীয় ও মর্যাদার ট্রফি ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। সোনার তৈরি এই ট্রফিটি এখন বাংলাদেশে। বুধবার বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে ফিফার একটি প্রতিনিধি দল ট্রফিটি পাকিস্তান থেকে চার্টার্ড ফ্লাইটে করে ঢাকায় নিয়ে আসে।

সিডিউল অনুযায়ী প্রথমে হোটেল র‌্যাডিসন ব্লুতে এবং বিকেলে ট্রফি নেওয়া হয়েছিল রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবনে। সেখানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি এবং বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিনসহ অন্য কর্মকর্তারা ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফিটি রাষ্ট্রপতিকে প্রদর্শন করেন।

এরপর সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্বকাপ নিয়ে যাওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীকে প্রদর্শন করার জন্য সংসদ ভবনের লবিতে। ওই সময়ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি ও বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বকাপ ট্রফির পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন একটি ফুটবল উপহারও দেন।

প্রধানমন্ত্রীকে প্রদর্শনের পর বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যাওয়া হোটেল র‌্যাডিসন ব্লুতে। বৃহস্পতিবার সকালে নির্দিষ্ট কিছু র্শকের জন্য ট্রফিটি উম্মুক্ত থাকবে এবং বিকেলে বাংলাশে আর্মি স্টেডিয়ামে নেওয়া হবে। জমজমাট কনসার্টপর্ব দিয়ে শেষ হবে ট্রফির বাংলাদেশ সফরের কার্যক্রম। শুক্রবার রাতে ট্রফি বাংলাদেশ থেকে নিয়ে যাওয়া হবে পূর্ব তিমুরে।


আরও খবর



মানসিক চাপ যেভাবে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়

প্রকাশিত:Saturday ০৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬৯জন দেখেছেন
Image

ভারতের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী কেকে মারা যাওয়ার পর থেকে হৃদরোগের বিষয়ে জানার আগ্রহ বেড়েছে সবার মনেই। মঞ্চে পুরোদমে গান গাওয়ার কিছুক্ষণ পর হোটেলে ফিরেই মৃত্যুবরণ করেন কেকে।

চিকিৎসকরা জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন এই শিল্পী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হৃদরোগের পেছনে থাকতে পারে একাধিক কারণ। উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল এমনকি মানসিক চাপও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক চাপ বেড়ে গেলে তা উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোকসহ বিভিন্ন ধরনের সংবহনতন্ত্র সংক্রান্ত সমস্যা তৈরি করতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপের ফলে মানসিক অস্থিরতা, অবসাদ কিংবা অনুভূতির আকস্মিক বদল মতো দেখা দিতে পারে।

শুধু মানসিক নয়, মানসিক চাপ পেশির দুর্বলতা, ক্লান্তি, মাথা যন্ত্রণা কিংবা অনিদ্রার মতো সমস্যাও ডেকে আনতে পারে। তবে মানসিক চাপের সঙ্গে হৃদরোগের সম্পর্ক কোথায়?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক চাপ বা ‘স্ট্রেস’ হৃদযন্ত্র ও সংবহনতন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। মানুষের হৃদযন্ত্র ও হৃদযন্ত্রের রক্তপ্রবাহের সঙ্গে শারীরিক ও মানসিক চাপের কী সম্পর্ক, তা জানতে ২০২১ সালে ৯০০ জন মানুষের উপর একটি গবেষণা করা হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, অতিরিক্ত মানসিক চাপ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ও কার্যকারিতার উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ৫২টি দেশের ২৪ হাজারেরও বেশি রোগীর উপর করা আরও এক গবেষণাতেও ধরা পড়েছিল বিষয়টি।

ওই সমীক্ষায় দেখা যায়, দীর্ঘ ৫ বছর মানসিক চাপে ভোগা মানুষের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় দ্বিগুণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত মস্তিষ্কের ‘অ্যামিগ্ডালা’ নামক একটি অংশ এই মানসিক চাপ তৈরির প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, কেউ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লে এই অংশ সক্রিয় হয়ে ওঠে।

মস্তিষ্ক এরপর দেহকে নির্দেশ দেয় স্ট্রেস হরমোন উৎপাদন করতে। এই হরমোনের প্রভাবে হৃদ্পিণ্ডে রক্তের প্রবাহ কমে যেতে পারে। আকস্মিক বিপদের সময়ে হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে আনতে এই বিষয়টি খুবই কার্যকর।

তবে দীর্ঘক্ষণ ধরে এই প্রক্রিয়া চলতে থাকলে তা সংবহনতন্ত্রের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এতে দেখা দেয় রক্তনালির প্রদাহ, স্থূলতা কিংবা ইনসুলিনের কাজের পথে বাঁধা সৃষ্টি হওয়ার মতো সমস্যা।

এসব কিছুই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, হৃদদযন্ত্র ভালো রাখতে কমাতে হবে মানসিক চাপ।

সূত্র: হেলথলাইন


আরও খবর



অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

পাঠকদের ভালোবাসায় চট্টগ্রামে পালিত হয়েছে জাতীয় সাপ্তাহিক অপরাধ অনুসন্ধানের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিয়ার আব্দুল খালেক মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা ও গুণীজন সংবধর্নার আয়োজন করা হয়।

শুরুতেই সাপ্তাহিক অপরাধ অনুসন্ধানের সম্পাদক ও প্রকাশক মো. রফিকুল ইসলাম কাজল অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এরপর পাঠকের রুচিশীল, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ ও পরিবেশনের ওপর অতিথিরা আলোচনা করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক মো. রফিকুল ইসলাম কাজলের সভাপতিত্বে আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম পিআইডির উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা আজিজুল হক নিউটন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক ড. সানাউল্লাহ।

প্রধান অতিথি পিআইডি চট্টগ্রামের উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা আজিজুল হক বলেন, একটি সংবাদ সংগ্রহ করে, সেই সংবাদের আনুষঙ্গিক তথ্যউপাত্ত এবং ছবি সংগ্রহ করে সংবাদটি প্রচার করতে গিয়ে একজন সাংবাদিকের কতটা শ্রম, মেধা এবং বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হয়, সেটা শুধু নিউজ সংশ্লিষ্টরাই বুঝবেন। একটি নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের জীবননাশের হুমকি পর্যন্ত মাথায় নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে হয়। দেশে এখন দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক মিলিয়ে কয়েক হাজার পত্রিকা। এতো এতো পত্রিকার ভিড়ে অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকাটি সাহসিকতার সাথে দশম বর্ষে পদার্পণ করছে, এটা অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে।

প্রধান আলোচক হিসেবে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক ড. সানাউল্লাহ বলেন, সাপ্তাহিক অপরাধ অনুসন্ধান অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে ৯ বছর পার করে দশম বর্ষে পা রাখছে এটি একটি দুঃসাহসী কাজ। তাদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে অনেক অজানা তথ্য পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। এটি দেশের জন্য একটি ইতিবাচক কাজ। অনেক বাধাবিপত্তি পেরিয়ে তারা আজ এ পর্যায়ে এসেছে, ভবিষ্যতেও তাদের এই সাহসী পথচলা অব্যাহত থাকবে বলে আমার বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম পিআইডির সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা জিএম সাইফুল ইসলাম, দৈনিক সাংগু পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল কাদের রাজু, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা সোহাগ আরেফিন, অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মোহাম্মদ ইবরাহিম এবং অপরাধ অনুসন্ধানের মফস্বল সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান।

jagonews24

চট্টগ্রাম পিআইডির সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা জিএম সাইফুল ইসলাম বলেন, খবরের কাগজ মানেই সকালে ঘুম থেকে উঠে আঁতকে ওঠার মতো কিছু তথ্য যেন না হয়, শুধু নেগেটিভ খবরই খবর নয়। পজেটিভ অনেক খবরই আছে আমাদের চারপাশে। বর্তমান সরকারের উন্নয়নমুখী যুগান্তকারী যে প্রকল্পগুলো ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বা এখনো চলমান, সে সব কাজের এবং উন্নয়নের ফিরিস্তি সঠিকভাবে তুলে ধরলে সাধারণ মানুষ মনে স্বস্তি পায়, বেঁচে থাকার সান্ত্বনা পায়।

অপরাধ অনুসন্ধানের বার্তা সম্পাদক মোহাম্মদ ইবরাহিম সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তার ‘সরকারের উন্নয়নমুখী তৎপরতার নিউজ দেওয়ার ব্যাপারে অপরাধ অনুসন্ধানের ভুমিকা’ প্রসঙ্গে বলেন, আপনারা জেনে অবশ্যই আনন্দিত হবেন যে, একমাত্র সাপ্তাহিক অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকাই সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে। এর মধ্যে বাংলাদেশের রেলওয়ে, স্বপ্নের পদ্মা সেতু, সড়ক ও জনপথের যুগান্তকারী উন্নয়ন, প্রশাসনের কাজের আধুনিকায়নসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয় নিয়ে একাধিক বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মো. রফিকুল ইসলাম কাজল বলেন, আজকের এই আনন্দঘন মুহূর্ত আমাকে বিমোহিত করেছে। আপনাদের এই আয়োজন আমাকে অনুপ্রাণীত করেছে। আপনাদের আজকের এই আয়োজনের জন্য আজ আমি গর্বিত। আমাদের অপরাধ অনুসন্ধান পরিবার গর্বিত। আমি মনে করি আমাদের আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সাথে আমাদের যে সেতুবন্ধ সৃষ্টি হলো তা অপরাধ অনুসন্ধানের আগামীর পথচলায় আরও গতিশীল হবে।

অনেক বাধাবিপত্তি পেরিয়ে হাটি-হাটি পা পা করে সাপ্তাহিক অপরাধ অনুসন্ধান আজ ১০ম বর্ষে পা রাখছে। এর সব অবদান পাঠকদের। পাঠকদের কারণেই আমরা এতদূর অগ্রসর হতে পেরেছি বলে আমি মনে করি। বিগত নয় বছরের পথচলা আমাদের জন্য মোটেই কণ্টকমুক্ত ছিল না। পাহাড়সম বাধা ডিঙিয়ে একঝাক তরুণ, মেধাবী সাংবাদিকের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমরা ভয়কে জয় করেছি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড সদস্য (চট্টগ্রাম বিভাগ) ডা. একেএম ফজলুল হক সিদ্দিকী, কুষ্টিয়া জেলা সমিতির সভাপতি ও বিশিষ্ট সংগঠক খন্দকার আব্দুল মান্নান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সাংবাদিক মো. হোসেন, চট্টগ্রাম হিন্দু মহাজোটের সভাপতি সুজিত সরকার।

সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম কাজল চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে পৌঁছালে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম চট্টগ্রামের সাংবাদিক প্রতিনিধি দল তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেয়।


আরও খবর



পদ্মা সেতুতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল দিতে যা করতে হবে

প্রকাশিত:Friday ২৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

পদ্মা সেতু পারাপারে টোল আদায় করা হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) কার্ড যানবাহনে থাকলে টোল বুথে থাকা ডিভাইসের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্দিষ্ট টাকা কেটে নেওয়া হবে। এজন্য সেতুর দুই প্রান্তে মোট ১৪টি ইলেক্ট্রনিকস টোল কালেকশন (ইটিসি) বুথ বসিয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোরিয়ান কোম্পানি। প্রাথমিকভাবে দুই প্রান্তে একটি করে মোট দুটিতে চালু থাকছে ইটিসি। আর আটটি টোলপ্লাজায় টোল আদায় করা হবে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে। তবে আরএফআইডি সম্বলিত বাহন বাড়লে ইটিসি বুথও বাড়ানো হবে।

সেতু বিভাগ জানায়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল দিতে চাইলে যানবাহনের মালিকদের একটি সিস্টেম চালু করে নিতে হবে। এটা হলো রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি)। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ফাস্ট ট্র্যাকের মাধ্যমে মাত্র দুই থেকে তিন সেকেন্ডের মধ্যে টোল আদায় হবে এতে। আরএফআইডির জন্য যত নিবন্ধন বাড়বে তত বুথ ইটিসির আওতায় আসবে। কারণ ইটিসি বুথ চালু করলেই হবে না, যানবাহনগুলোকে আরএফআইডির জন্য নিবন্ধনও বাড়াতে হবে। আর পদ্মা সেতু সাইকেল বা হেঁটে পার হওয়ার সুযোগ থাকছে না।

স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল দিতে যেভাবে নিবন্ধন করবেন
ডিজিটাল পেমেন্টের জন্য যানবাহনে অবশ্যই বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) অনুমোদিত সচল আরএফআইডি ট্যাগ থাকতে হবে। গাড়ির মালিক ব্যাংকে বা টোলপ্লাজায় গিয়ে আরএফআইডির জন্য সরাসরি নিবন্ধন করাতে পারবেন। মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনের মালিকদের অবশ্যই হিসাব থাকতে হবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক অথবা রকেট মোবাইল অ্যাকাউন্টে। রকেট অ্যাকাউন্টটি নেক্সাস-পে অ্যাপ্লিকেশনটিতে আগে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পর তারা ইলেকট্রনিক টোল দেওয়ার এ সুবিধা পাবেন।

যেভাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল কাটা হবে
আরএফআইডি সাদা রঙের একটি কার্ড, যা যানবাহনের সামনের অংশের ড্যাশবোর্ডে থাকবে। আরএফআইডি নম্বরটি সংযুক্ত থাকবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে। অথবা এ আইডিতে অগ্রিম টাকা রিচার্জ করতে হবে। এটি সম্পূর্ণ প্রি-পেইড কার্ড। টোলপ্লাজায় থাকবে একটি যন্ত্র। এতে থাকবে কার্ড রিডার। যানবাহন যতবার পদ্মা সেতুতে উঠে ইটিসি বুথ দিয়ে যাবে ততবার বেঁধে দেওয়া টোলের টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেবে। পাশাপাশি গাড়ির মালিকের মোবাইলে এসএমএস করে জানিয়ে দেওয়া হবে কত টাকা কাটা হলো।

ডিভাইসটি যেভাবে কাজ করবে
আরএফআইডি ডিভাইসটি মূলত কাজ করে বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে। এটি অনেকটা পণ্যের বারকোড দেখার প্রযুক্তির মতো। তবে পার্থক্য হলো, আরএফআইডি ব্যবহার করে কিছুটা দূরের ট্যাগ বা কোডও পড়া যায়। এতে টোলপ্লাজায় যানবাহনকে অপেক্ষা করতে হবে না।

সেতু বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, ‘পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে মোট ১৪টি টোলপ্লাজা রয়েছে। ২৫ জুন উদ্বোধনের দিন ১০টি চালু করা হবে। ১০টির মধ্যে দুটি ইটিসি বুথ হবে। এই বুথ দিয়ে যাতায়াত করা যানবাহনগুলোকে থামতে হবে না। বুথ ক্রসের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোলের হার অনুযায়ী টাকা কেটে নেওয়া হবে। তবে যানবাহনে আরএফআইডি থাকতে হবে। এটা একটা সাধারণ কার্ডের মতো। গাড়ির সামনে এটা ব্যবহার করা হবে। কার্ডে যদি টাকা না থাকে তবে গাড়িটি আটকে যাবে। কার্ডের সঙ্গে ব্যাংক অ্যাকাউন্ড যুক্ত থাকবে।’

টোল আদায় প্রসঙ্গে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘পদ্মা সেতুতে সব ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, বিশেষ করে টোল আদায়ের ক্ষেত্রে। আমরা সেতু নির্মাণ করে দিচ্ছি, টোল আদায় করবে অন্য একটি বিভাগ। তবে আমি বলতে পারি পদ্মা সেতুতে প্রথমদিন থেকেই ইটিসি বুথ কার্যকর থাকবে। ফলে ফুল স্পিডে গাড়ি যাবে এবং গাড়ির ড্যাশবোর্ডে যন্ত্র লাগানো থাকবে ওখান থেকেই সংকেতটা নিয়ে নেবে। গাড়িতে লাগানো যন্ত্রটা প্রি-পেইড, গাড়ি গেলেই টাকা কেটে দেবে।’

সেতু বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদৌস জাগো নিউজকে বলেন, ‘পদ্মা সেতুতে টোল দিতে থামতে হবে না। সেই প্রযুক্তি সেতুর টোলপ্লাজায় স্থাপিত হয়েছে। সব ধরনের আধুনিক ব্যবস্থা টোলপ্লাজায় রয়েছে।’

দেশের মানুষের বহু প্রতীক্ষিত এ সেতু ২৫ জুন সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন। এরপর উন্মুক্ত হবে সর্বসাধারণের জন্য।


আরও খবর



ভাতিজিকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেলো চাচার

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image

ভাতিজিকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মিঠু মিয়া (১৯) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় তার ভাতিজিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) সন্ধ্যায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ-তারাপুর সড়কের গংগার হাট (মাস্টার পাড়া) এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মিঠু রংপুরের পীরগাছা উপজেলার নিজপাড়া স্বজনতারা গ্রামের আ. ছাত্তার মিয়ার ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যায় মিঠু তার সাত বছর বয়সের এক ভাতিজিকে নিয়ে বাইক চালিয়ে সুন্দরগঞ্জ-তারাপুল সড়কের চৈতন্য বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে গংগার হাট এলাকায় তার মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি সুপারির গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই মিঠু মারা যান। তার ভাতিজিকে উদ্ধার করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার ইফতেখার মোকাদ্দেম সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



‘আগে কলাপাতায় ভাত নিয়ে ঢাকা যেতাম’

প্রকাশিত:Friday ২৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজন দেখতে জনসভার আগের দিন সমাবেশ স্থলে এসেছেন ৭০ বছর বয়সী আব্দুল হালিম শরিফ। নদী ভাঙনের হয়রানিতে অতিষ্ঠ তার জীবন। তিনি বলেন, এক সময় বাড়ি থেকে কলাপাতায় করে ভাত নিয়ে ঢাকা যেতাম।

তবে পদ্মা সেতু হওয়াতে বেশ খুশি তিনি। কিন্তু জনসভার প্যান্ডেলের কাছে ঘেঁষতে চাইলেও নিরাপত্তার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে বারবার সরিয়ে দিচ্ছে বলে আফসোস করছেন তিনি।

পদ্মা সেতু উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে জনসভার আয়োজন করা হয়েছে মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের বাংলাবাজার ঘাট এলাকায়। সেতুর উদ্বোধনের পর আয়োজিত সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জনসভার আয়োজন দেখতে আগের দিন নদীপাড়ে ভিড় করছেন ওই অঞ্চলের আশেপাশের মানুষ। পরিবারসহ সেখানে আসছেন অনেকে।

সভার চারপাশের বাঁশের বেড়ায় হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন তিন-চারজন বৃদ্ধ। গল্প করছেন তারা। এ সময় তাদের সঙ্গে কথা হয় জাগো নিউজের।

তাদেরই একজন আব্দুল হালিম জাগো নিউজকে বলেন, এই এলাকায় আগে এমন সমাবেশ হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আসবে, তাকে দেখবো। সমাবেশ দেখতে আসছি। কিন্তু কাছে তো ঘেঁষতে দিচ্ছে না (আইনশৃঙ্খলা বাহিনী)।

পদ্মা সেতু চালু হলে কেমন উপকার পাবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, নদী ভাঙা মানুষ। চরে থাকতাম। এখন এ পাড়ে থাকি। আগে তো ঢাকা যেতে অনেক কষ্ট হতো, অনেক সময় লাগতো। এক সময় বাড়ি থেকে কলাপাতায় করে ভাত নিয়ে যেতাম। এখন তো শুনতেছি, এক ঘণ্টায়ই ঢাকা যাওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, আগে ঢাকা গেলে একদিন লাগতো। আবার রাত থেকে আরেক দিন আসতে হতো। এক কাজে গেলে দুদিন লাগতো।

ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগে ভোগান্তি কমবে দীর্ঘদিনের এমন আশা আব্দুল হালিমের। সেতু হওয়ায় তার সেই আশা এখন পূরণ হতে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ঢাকায় আমার আত্মীয় আছে। কিন্তু যেতে হয় খুব কষ্টে। রোগী নিয়ে গেলে আরও অনেক কষ্ট হয়। এখন থেকে আর তা হবে না।

আব্দুল হালিম শরিফের মতোই বিভিন্ন বয়সী আরও বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয় জাগো নিউজের। সেতু হওয়াতে তারাও খুব খুশি। তারা জানান, সেতু উপলক্ষে আয়োজিত এমন সমাবেশ এর আগে কখনো দেখেন নি তারা।


আরও খবর