Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সফর সংক্ষিপ্ত করে বুধবার দেশে ফিরছেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বুধবার রাতেই চীনের সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পূর্বনির্ধারিত সুচি অনুযায়ী সফর শেষে বৃহস্পতিবার ফেরার কথা ছিল সরকারপ্রধানের।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বেইজিংয়ের সেন্ট রেজিস হোটেলে এক সংবাদ স‌ম্মেল‌নে এ তথ‌্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সকল অনুষ্ঠান অপরিবর্তিত রয়েছে। শুধু ১১ তারিখ সকালের পরিবর্তে ১০ জুলাই রাতে ঢাকায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে বুধবার দুপুরের আগে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং বিকেলে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক হবে প্রধানমন্ত্রীর। দুই বৈঠকের মাঝে ২০ থেকে ২২টি চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

সোমবার (৮ জুলাই) সকালে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



জাল-নৌকা-ই ঠিকানা ভোলার জেলে পল্লীর শিশুদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image

শরীফ হোসাইন, ভোলা বিশেষ প্রতিনিধি:ভোলার মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠা ভোলারচর, মাঝেরচর, মদনপুর চর, চটকিমারা চর, রামদাসপুর এবং মেঘনার কুলের বিভিন্ন বেরি বাঁধ এলাকার জেলেপাড়া। সেখানে হাজার হাজার জেলেদের বসবাস। নদী ভাঙ্গনে দিশেহারা ঐ জনপদের বসতি ছাড়া আর কিছু নেই। নদীতে মাছ শিকার ও কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করা ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় নেই। পৈত্রিক পেশাকে ধরে জীবিকা নির্বাহ করছে হাজার হাজার পরিবার। এসব অঞ্চলে প্রাথমিক বা কিছু জায়গায় মাধ্যমিকের আলো পৌঁছালেও যেন শিক্ষা গ্রহণ না করেই জেলে বা কৃষক হিসেবে গড়ে উঠছে তাদের শিশুরা। দারিদ্র্যের সংসারে একটু আয়ের আশায় এখানকার শিশুরা খুব কম বয়সেই বেছে নিতে বাধ্য হয় জেলে অথবা কৃষি জীবন। যেখানে তাদের এই বয়সে হাসি-খুশি ও আনন্দ-উল্লাসে বেড়ে ওঠার কথা, সেখানে শুধুই দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত। যে বয়সে  শিশুটির হাতে থাকার কথা ছিল বই-খাতা, সেই শিশুটির হাতে আজ মাছ ধরার জাল। দিন কাটে তার নদীর বুকে। সন্তানদের পড়ালেখা করানোর প্রতি আগ্রহ নেই তাদের বাবা মায়ের। আধুনিক সভ্যতা থেকে পিছিয়ে পড়া এই জনপদের অভিভাবকদের অসচেতনতা ও নদী ভাঙ্গনের কারণে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে না এখানকার শিশুরা। চরাঞ্চল ও  জেলে পল্লীর অধিকাংশ শিশুদের জীবনের গল্প এমন।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলে নৌকায় কাজ করা অধিকাংশের বয়স ৮ থেকে ১৫ বছর। জীবনের প্রয়োজনে তারা এই বয়সে হয়ে ওঠে দক্ষ মাঝি বা জেলে। এই শিশুদের কেউ বাবার সঙ্গে জাল টানে, কেউ নৌকার বৈঠা ধরে, কেউবা জাল থেকে মাছ ছাড়িয়ে ঝুড়িতে তোলে। আকৃতি অনুযায়ী মাছ বাছাই করার কাজও তারা করে। এভাবেই নিচ্ছে তারা দক্ষ জেলেতে পরিণত হওয়ার শিক্ষা। মাঝে মাঝে বাবার কাজের দায়ভারও তাদের বইতে হয়। ধরা মাছ নিয়ে বাবা হাটে গেলে বাবার অনুপস্থিতিতে উত্তাল নদীতে নৌকা নিয়ে চলে যায় শিশুটি। জোয়ার ভাটা ওদের মুখস্থ। দিন শেষে এই মাছ বিক্রি করে যা পায় তা দিয়ে কিছুটা হলেও উপকৃত হয় তাদের পরিবারের মানুষগুলো।

ভোলার খাল, ইলিশা বেরিবাঁধ, মাঝেরচর, মদনপুরসহ এসব অঞ্চলের জেলে পরিবারগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে প্রতিনিয়ত অনিশ্চতায় বিবর্ণ হয়ে ওঠে জেলে পল্লীর হাজারো শিশুর শৈশব। শিশুশ্রমের বেড়াজালে বন্দিজীবন আর বাবার কষ্টের সঙ্গী হতে ষষ্ঠ শ্রেণিতে আর পড়া হয় না অধিকাংশ শিশুর। ফলে কোমলমতি সব শিশুর কাঁধে ওঠে সংসারের বোঝা। বাবা-মা ছোট ভাইবোন নিয়ে বেঁচে থাকাই তখন তাদের জীবনের মূলমন্ত্র। চর অঞ্চলের  অনেক শিশুর স্কুলে যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও সম্ভব হয়ে ওঠে না যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায়।

ইলিশা তেমাথা ঘাটের কাছেই বাবার মাছ ধরার সঙ্গী হিসেবে ছিলেন ১০ বছরের শিশু হাসিব। হাসিবের  ভাষ্য ‘স্কুলে যাইতে তো ইচ্ছা করে তয় কামের লাইগ্যা যাইতে পারি না। জোয়ার আওয়ার আগেই জাল পাতি, আর ভাটায় পানি টানলে মাছ লইয়া আইতে আইতে স্কুল ছুটি হইয়া যায়।

এ ঘাটেই কথা হয় আরো কিছু জেলে শিশুর সঙ্গে। মনির, আব্বাস ও রুবেল নামের এই শিশুরাও বলছে, বাবার কাজের সঙ্গী হতে হয় বলেই তারা স্কুলে যেতে পারে না। মদনপুরের কয়েকজন জেলের সাথে কথা বললে তারা জানান, মাছ ধরা আমাদের পৈত্রিক পেশা। এই পেশাকে ধরে রেখেছি এখনো। আমাদের সন্তানরা সেই পেশা ধরে রাখবে। ইচ্ছা থাকলেও ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা করানোর খরচ নেই। তাই মাছ ধরার কাজ শিখাচ্ছি। 

ছেলে বেলা থেকে কাজ শিখলে বড় হয়ে একজন দক্ষ মাঝি হিসাবে নিজেদের গড়তে পারবে ওরা। রাজাপুরের জেলে ইউসুফ (৪৫) বলেন, সব পরিবারই এখন বোঝে যে, তাদের পোলাপাইনগুলারে পড়ানো উচিৎ। কিন্তু পেটের তাগিদে সবাই তো পড়াইতে পারে না। 

ভোলার খালের মাছ ব্যবসায়ী আরিফ জানান, নৌকায় একজন জেলের পক্ষে জাল টেনে মাছ ধরা কষ্টকর। মাছ ধরতে হলে আরো লোকের দরকার হয়। দরিদ্র জেলেরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার পরিবারের মানুষগুলোকে সহকারী হিসেবে ব্যবহার করে। মূলত এই কারণে শিশুগুলোকে স্কুল ছাড়তে হয়।

স্থানীয় দৈনিক ভোলার বাণী’র সম্পাদক মাকসুদ রহমান বলেন, জেলে পল্লীর শিশুদের শিক্ষিত করতে হবে এমন প্রবণতা কম। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, দরিদ্র ও অভাবী মানুষের বিচরণ বেশি। শিশুদের শিক্ষিত করার প্রবণতা তখন বৃদ্ধি পাবে যখন সমাজ থেকে অভাব দূর করা যাবে। প্রতিটি শিশুর জীবনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পরিবারকে সচেতন করতে পারলে কমে আসবে শিক্ষাবঞ্চিত শিশুর সংখ্যা।


আরও খবর



আত্রাইয়ে প্রতিবন্ধীদের মাঝে সহায়ক উপকরণ বিতরণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ১২৭জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:নওগাঁর আত্রাইয়ে প্রতিবন্ধী ও বিভিন্ন রোগে আক্রান্তদের মাঝে সহায়ক উপকরণ ও চেক বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার সকালে প্রতিবন্ধী ও প্রতিবন্ধতা এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্তদের মাঝে সহায়ক উপকরণ ও চেক  তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্চিতা বিশ্বাস।

 উপজেলা প্রতিবন্ধী অফিসার পিএম কামরুজ্জামান জানান, প্রতিবন্ধী ও প্রতিবন্ধতা ঝুঁকিতে থাকা ৫ জনকে সহায়ক উপকরণ হিসাবে ট্রাইসাইকেল দেওয়া হয়েছে। 

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সোহেল রানা জানান, ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্টোকে আক্রান্ত প্যারালাইসিস, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসিয়া রোগে আক্রান্ত ১৯ জনকে চেকের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



যশোরে কোটা বিরোধী আন্দোলনে হামলায় ২০ আহত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৫২জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোরে কোটা বিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতাকর্মীদের হামলায়  ২০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের কালেক্টরেট চত্বরে এ হামলা চালায়। সকালে শহরের দড়াটানা ভৈরব চত্বরে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখার দাবিতে মুক্তিযোদ্ধারা সমাবেশ করে।

এরপর তারা জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন। তাদের সাথে ছিলো মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতাকর্মীরা। ডিসি অফিস থেকে নেমে আসার সময় সেখানে উপস্থিত হয় কোটা বিরোধ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এসময় মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হামলা চালায়। তাদের মারপিটে আন্দোলনরত ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



পত্নীতলায় সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালিত

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১১২জন দেখেছেন

Image
দিলিপ চৌহান, পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:পত্নীতলায় জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে সাঁওতাল বিদ্রোহের মহানায়ক সিধু ও কানুর স্মরণে ১৬৯তম ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার দুপুরে নজিপুর পুরাতন বাজার পত্নীতলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভানেত্রী বিচিত্রা তির্কীর সভাপতিত্বে ও জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নরেন চন্দ্র পাহান এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পত্নীতলা প্রেসক্লাব ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি সভাপতি আলহাজ্ব বুলবুল চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক দিলীপ চৌহান, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধক্ষ্য মার্টিন মুরমু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদ নওগাঁ সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নিতাই চন্দ্র পাহান, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ পত্নীতলা  উপজেলা শাখা সাধারণ সম্পাদক পরেশ টুডু, মান্দা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নিপেন মুন্ডা, মহাদেবপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল পাহান, জেলা আদিবাসী ছাত্র পরিষদ সভাপতি মিঠুন পাহান, দপ্তর সম্পাদক শাকিল পাহান, জাতীয় আদিবাসী ছাত্র পরিষদ পত্নীতলা উপজেলা শাখা সভাপতি পলাশ পাহান, সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত পাহান,  উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মমতা রানী মহন্ত, দিলীপ কুমার দাস প্রমুখ।

বক্তারা বলেন এ বছর সাঁওতাল বিদ্রোহের ১৬৯ বছর পূর্ণ হচ্ছে। ইংরেজদের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ফিরিয়ে আনার সংগ্রামের নাম সাঁওতাল বিদ্রোহ। এ বিদ্রোহই ছিল ইংরেজদের দেশ থেকে বহিষ্কার করার প্রথম আন্দোলন। আজ থেকে ১৬৯ বছর আগে ১৮৫৫ সালের এই সাঁওতাল সম্প্রদায়ের চার ভাই সিদু-কানহু-চানদ ও ভাইরোর নেতৃত্বে সাঁওতালরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। এ যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ সৈন্য ও তাদের দোসর অসৎ ব্যবসায়ী, মুনাফাখোর ও মহাজনদের অত্যাচার, নিপীড়ন ও নির্যাতনের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করা। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও সাঁওতালরা অধিকার থেকে বঞ্চিত।

আরও খবর



জুনের ২৩ দিনে এলো ২০৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৪৮জন দেখেছেন

Image

ঈদুল আজহা থাকায় এ মাসে ২৩ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২০৫ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে শুধু ২৩ জুনই এসেছে ১৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এ তথ্য পাওয়া গেছে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে। প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৮ কোটি ৯১ লাখ ডলার।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, চলতি মাসের প্রথম ১২ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে ১৪৬ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন। আর ২৩ জুন পর্যন্ত তারা পাঠান ২০৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। গত বছরের ১ থেকে ২১ জুন প্রবাসী আয় এসেছিল ১৬৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

গত মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক একলাফে ডলারের দাম ৭ টাকা বাড়িয়ে ১১৭ টাকা নির্ধারণ করার পর বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসা বেড়ে যায়। এতে মাসের প্রথম ২৩ দিনেই এসেছে ২০৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। আর শুধুমাত্র সোমবার (২৩ জুন) এই এক দিনেই এসেছে ১৩ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, গত মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক একলাফে ডলারের দাম ৭ টাকা বাড়িয়ে ১১৭ টাকা নির্ধারণ করার পর বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসা বেড়েছে। যার প্রভাব দেখা গেছে গত মাসে। চলতি মাসেও এখন পর্যন্ত প্রবাসী আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা চলছে। তবে নথিপত্রে ডলারের দাম ১১৭ টাকা হলেও ব্যাংকগুলো ১১৮-১১৯ টাকা দরেও প্রবাসী আয়ের ডলার কিনছে। যে ব্যাংক ডলারের দাম যত বেশি দিচ্ছে, সেটি প্রবাসীদের কাছ থেকে তত বেশি ডলার পাচ্ছে। এসব ব্যাংক অবশ্য বেশি দামে অন্য ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করছে। এতে আমদানিকারকদের বেশি দামে ডলার কিনতে হচ্ছে। মাঝেমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকও এসব ব্যাংক থেকে ডলার কিনে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ায়।

২০২০ সালে করোনা ভাইরাসের কারণে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলে বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসা বেড়ে গিয়েছিল। তখন প্রবাসী আয় প্রতি মাসে গড়ে ২০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল। এর প্রভাবে তখন বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর ডলার–সংকট শুরু হয়। ফলে মোট রিজার্ভ কমতে কমতে এখন ২৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। তবে প্রকৃত রিজার্ভ ১৩ বিলিয়ন ডলার।

দেশে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২ হাজার ১৬১ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় আসে। আর চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) প্রবাসী আয় এসেছে ২ হাজার ১৩৭ কোটি ডলার।


আরও খবর