Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরে বসে সাদা চুল কালো করুন

প্রকাশিত:Saturday ০৯ April ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১৯৪জন দেখেছেন
Image

খবর প্রতিদিন ডেস্কঃ

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের প্রিয় ঝলমলে কালো চুলগুলো যখন সাদা হতে শুরু করে, এটা মেনে নিতে বেশ কষ্ট হয়। কেনা কলপে চুল পছন্দের রং করে নেওয়া যায়।


তবে এতে অনেকের অ্যালার্জি বা আরও বেশি চুল পেকে যাওয়ার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

সাদা চুল প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরেই কালো করতে পারেন। কীভাবে? জেনে নিন-


আমলকি ও হেনা

চুলের যত্নে যে প্রশাধনী ব্যবহার  করা হয়, তার বেশির ভাগেরই প্রধান উপাদান হলো আমলকি। ঘরোয়া উপায়ে পাকা চুল কালো করতে চুলের লেন্থ অনুযায়ী হেনা পাউডার গরম পানিতে ভিজিয়ে পেস্ট করে নিন। এবার পেস্টে আমলকি পাউডার ও অল্প কফি মিশিয়ে মিশ্রণটি ভালো করে চুলে লাগিয়ে নিন। ১ ঘণ্টা রেখে চুল ভালো করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন।


মেথি ও নারকেল তেল

অ্যামিনো অ্যাসিড ও লিকিথিন সমৃদ্ধ মেথি আমাদের চুল সাদা হওয়া রোধ করে। নারকেল তেল গরম তাতে মেথি দানা দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এবার উষ্ণ গরম অবস্থায় মেথি ছেঁকে নিয়ে স্কাল্প ও চুলের গোঁড়ায় ভালো করে মালিশ করুন। রাতে ঘুমানোর আগে মালিশ করে পরদিন সকালে উঠে শ্যাম্পু করে নিলে সব থেকে ভালো ফল পাওয়া যাবে।


চা পাতা

এছাড়াও চা পাতার পাউডার – ২ চামচ, মেহেদি পাউডার – ২ চামচ, মধু – ১ চামচ , লেবুর রস – ১ চামচ। বাটিতে সব উপকরণ একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। পুরো চুলে মিশ্রণটি ভালো করে লাগিয়ে আধাঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন।


ওপরের যেকোনো প্যাক ব্যবহারের আগে চুল শ্যাম্পু দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। নিয়মিত এসব প্যাক ব্যবহারে সাদা চুল কালো হবে, সেই সঙ্গে থাকবে মজবুত, সিল্কি ও সুপার সফট।



আরও খবর



আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী আর নেই

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী আর নেই

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (১৯ মে) স্থানীয় সময় আনুমানিক সকাল ৭টায় যুক্তরাজ্যের লন্ডনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।


গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ।


আবদুল গাফফার চৌধুরী স্বাধীনতা যুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের মাধ্যমে নিবন্ধিত স্বাধীন বাংলার প্রথম পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক জয় বাংলা’র প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন। তিনি ভাষা আন্দোলনের স্মরণীয় গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র রচয়িতা।


আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর জন্ম ১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া গ্রামে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের মিডলসেক্সে এজোয়ার এলাবার মেথুইন রোডের ৫৬ নম্বর বাড়িতে বসবাস করতেন।


ছাত্রজীবনে লেখালেখিতে হাতেখড়ি হয়েছিল তার। ১৯৪৯ সালে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সম্পাদিত মাসিক সওগাত পত্রিকায় তার গল্প প্রকাশিত হয়। ১৯৫২ সালে সাময়িকপত্রে প্রকাশিত হয় প্রথম উপন্যাস ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’।


আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর সাংবাদিকতায় হাতেখড়িও ছাত্রজীবনে। ঢাকা কলেজের ছাত্র থাকাকালে যোগ দেন দৈনিক ইনসাফ পত্রিকায়। ১৯৫১ সালে যোগ দেন খায়রুল কবীর সম্পাদিত দৈনিক সংবাদের বার্তা বিভাগে। ১৯৫৬ সালে যোগ দেন তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া সম্পাদিত দৈনিক ইত্তেফাকে।



১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী কলমযোদ্ধার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। জয় বাংলা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে মডারেটরের ভূমিকাও পালন করেন। স্বাধীনতার পর ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক জনপদের প্রধান সম্পাদক ছিলেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।


তিনি ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে লন্ডনে পাড়ি জমান। ১৯৭৬ সালে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী সেখানে ‘বাংলার ডাক’ নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। ‘সাপ্তাহিক জাগরণ’ পত্রিকায়ও কিছুদিন কাজ করেন। পরে তিনি ‘নতুন দিন’ ও ‘পূর্বদেশ’ পত্রিকা বের করেন। প্রবাসে থাকলেও গাফ্ফার চৌধুরী আমৃত্যু বাংলাদেশের প্রধান প্রধান সংবাদ মাধ্যমে নিয়মিত লিখে গেছেন। এছাড়া ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন নানা সভা-সেমিনারে।


গাফ্ফার চৌধুরী ইউনেস্কো পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পদক, একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদকসহ অসংখ্য পদক ও সম্মাননা পেয়েছেন।


আরও খবর



সমুদ্রে মৎস্য আহরণকারী ১০ হাজার নৌযানে নতুন প্রযুক্তি সংযোজন হচ্ছে

প্রকাশিত:Wednesday ১১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১০৮জন দেখেছেন
Image

ঢাকা, ১১ মে ২০২২ (বুধবার)

সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে নতুন যন্ত্র ও প্রযুক্তি সংযোজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (১১ মে) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম ২০২২ বাস্তবায়ন বিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে শিগগিরই নতুন যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হচ্ছে। মৎস্য অধিদপ্ত কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের আওতায় বাণিজ্যিক মৎস্য ট্রলারে ভেসেল মনিটরিং সিস্টেম (ভিএমএস) এবং আর্টিসানাল ও যান্ত্রিক মৎস্য নৌযানে যথাক্রমে অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) ও গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (জিএসএম) ব্যবস্থা সংযোজনের কাজ চলমান রয়েছে।


এর মাধ্যমে অনুমতিপ্রাপ্ত সমুদ্রগামী নৌযানসমূহের অবস্থান জানা যাবে এবং এদের সহজেই মনিটর করা যাবে। এ নৌযানসমূহ আইনের ব্যত্যয় করলে লাইসেন্স বাতিল করাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরো যোগ করেন, আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করা যাবে না। আইন অমান্য করলে সম্প্রতিক সামুদ্রিক মৎস্য আইন ও মোবাইল কোর্টের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। তবে অসহায় জেলেরা যেন অহেতুক হয়রানি না হয় সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা মানে দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি করা, রাষ্ট্রের জন্য কাজ করা। এক্ষেত্রে মৎস্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মৎস্যজীবী সমিতির সদস্যদের সরকারের নীতি বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে হবে।


মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ করা গেলে মৎস্যজীবীদেরই লাভ হবে। সরকার শুধু মৎস্যজীবী ও দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থকে নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। এজন্য অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে নিবেদিতভাবে কাজ করতে হবে।

মাঠ পর্যায়ে মৎস্যজীবীদের তালিকা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে হালনাগাদ করা হবে বলে এ সময় জানান মন্ত্রী। প্রকৃত মৎস্যজীবী ছাড়া সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে সমুদ্রগামী জেলেদের এ বছর পর্যাপ্ত ভিজিএফ দেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।


সুন্দরবনের মৎস্যসম্পদ ও জেলেদের বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তর ও বনবিভাগ সমন্বিত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনা খুব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, অনেক সময় আইন প্রয়োগে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়।। এ ধরনের পরিস্থিতি সাধারণ জেলেরা করে না। এখানে কিছু দুর্বৃত্ত এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। 


নিষিদ্ধকালে মাছ সংরক্ষণ ও বিপণনের কোন সুযোগ দেওয়া যাবে না। মোবাইল কোর্ট ও অন্যান্য অভিযানে সম্পৃক্তদের এটা নিশ্চিত করতে হবে। সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের বিস্তার ঘটছে।  একদিকে যেমন মাছ নিয়ে গবেষণা বাড়ছে তেমনি মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের যেভাবে, যত কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার সবটুকু করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ হেমায়েত হুসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক ও নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজি শফিকুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, র‌্যাব এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ, মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে গত ২৪ এপ্রিল সামুদ্রিক মৎস্য আইন ২০২০ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। উপকূলীয় বিভাগ চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনার ১৪ টি জেলার ৬৭ টি উপজেলা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নিষিদ্ধকাল বাস্তবায়নকালে সমুদ্রগামী হালনাগাদকৃত ও নিবন্ধিত জেলেদের ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকার উপকরণ সহযোগিতা প্রদান করবে।


আরও খবর



অর্থনৈতিক মন্দায় বিপর্যস্ত শ্রীলংকা সরকারের নতুন নয় মন্ত্রীর শপথ গ্রহণ

শ্রীলঙ্কার মন্ত্রিসভায় নতুন নয় জন মন্ত্রী শপথ নিয়েছেন

প্রকাশিত:Friday ২০ May ২০22 | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
Image

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

শ্রীলঙ্কার নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় নিয়োগ পেয়েছেন  ৯ জন। 


শুক্রবার (২০ মে) নতুন মন্ত্রীদের শপথ বাক্য পড়িয়েছেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে।


এদিকে, শপথ নিয়েই ২১তম সংশোধনী নিয়ে কথা বলেছেন বিচার, কারা বিষয়ক ও সাংবিধানিক সংস্কার বিষয়ক নতুন মন্ত্রী ডা. বিজয়দাসা রাজাপক্ষে। 


আগামী সোমবার (২৩ মে) দেশটির মন্ত্রিসভায় এ সংক্রান্ত খসড়া উপস্থাপন করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।


লঙ্কান সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর ও নিউজ ফার্স্ট’র প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনগুলোয় বলা হয়, শুক্রবার নতুন ৯ মন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।



বিজয়দাসা রাজাপক্ষসহ নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা হলেন- বন্দর, নৌ ও বিমানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নিমাল সিরিপালা ডি সিলভা, শিক্ষামন্ত্রী হয়েছেন সুশীল প্রেমজয়ন্ত।


স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন কেহেলিয়া রামবুকওয়েলা, হারিন ফার্নান্দো পর্যটন ও ভূমিমন্ত্রী, রমেশ পাথিরানা প্ল্যান্টেশন শিল্পমন্ত্রী, মানুশা নানায়াক্কারা শ্রম ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী, নালিন ফার্নান্দো বাণিজ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা মন্ত্রী এবং তিরান আলেস জননিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।


নিউজ ফার্স্ট জানিয়েছে, ২১তম সংশোধনী নিয়ে আলোচনা হচ্ছে মন্ত্রিসভায়। শপথ পড়েই বিষয়টি আলোচনায় তুলে আনেন বিচার, কারা বিষয়ক ও সাংবিধানিক সংস্কার বিষয়ক নতুন মন্ত্রী বিজয়দাসা রাজাপক্ষে।


তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দূর করাই আমার প্রথম দায়িত্ব। যে কারণে সংবিধানের ২১তম সংশোধনী আনতে হবে। 


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মন্ত্রিত্ব নিতে চাননি বিজয়দাসা। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী জোরালো অনুরোধের কারণে তিনি বিকল্প খুঁজে পাননি। তবে, স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়ার শর্তে তিনি পদটি গ্রহণ করেন।



আরও খবর



বঙ্গোপসাগরে জাহাজ ডুবি

বঙ্গোপসাগরে গম বোঝাই জাহাজ ডুবি

প্রকাশিত:Wednesday ১৮ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১২২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকার গমসহ  ডুবে গেছে লাইটার জাহাজ ‘এমভি তামিম’।  


বুধবার (১৮ মে) বিকেল ৩টার দিকে জাহাজটি রামগতি পাইলট বিচের নিচে তিল্লার চর এলাকায় ডুবে যায়।


আগের দিন মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থানরত বড় জাহাজ ‘এমভি প্রোফেল গ্রেস’ থেকে প্রায় ১ হাজার ৬০০ টন গম বোঝাই করে ঢাকার নাবিল অটো ফ্লাওয়ার মিলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিল জাহাজটি। 


দুর্ঘটনার পর জাহাজটির ১২ জন নাবিককে অপর একটি জাহাজ এসে উদ্ধার করেছে।


এমভি তামিম জাহাজটি ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের (ডব্লিউটিসি) সিরিয়ালে পরিচালনা করছিল সমতা শিপিং অ্যান্ড লজিস্টিকস। সমতার কর্মকর্তা জামাল হোসেন  জানান, চলার পথে পানির নিচে অদৃশ্য বস্তুর সঙ্গে লেগে জাহাজের সামনের হেজ ফেটে যায়।


এ সময় হেজে পানি ঢুকে যায়। পরে মাঝের ও সামনের হেজেও পানি ঢুকে জাহাজটি ডুবে যায়।


শুধু জাহাজের ব্রিজ দেখা যাচ্ছে। নাবিকদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।  




আরও খবর



সড়ক দুর্ঘটনায় পাঠাও চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু

প্রকাশিত:Thursday ১২ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১০১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

রাজধানী ঢাকার কারওয়ানবাজার এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় হাফিজুর রহমান (২৬) নামে এক পাঠাও চালকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১১ মে) রাতে ওই এলাকার সোনারগাঁও ক্রসিংয়ের সামনে ঘটনাটি ঘটে।


বৃহস্পতিবার (১২ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করে পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের মরদেহ শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছে। কোন গাড়ির সঙ্গে পাঠাও চালকের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


নিহতের গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটের মোল্লার হাট উপজেলায়।


তেজগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সালেকীন মিত্তাল তৌফিক জানান, বুধবার রাতের দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে।



পাঠাও চালক হফিজুর কারওয়ানবাজারের সোনারগাঁও মোড়ের ব্র্যাক-এশিয়ার সামনে দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার সময় কোনো একটি বাহন সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে চাপা পড়েন হাফিজুর


তার সঙ্গে থাকা আরোহীও গুরুতর আহত হন। তার পা ভেঙে গেছে। ঘাতক বাহনটিকে চিহ্নিত করা যায়নি।


আরও খবর