Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

পোরশায় দাফনের ৪মাস পর কবর থেকে অফিস সহায়কের লাশ উত্তোলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৭৩জন দেখেছেন

Image

পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি :নওগাঁর পোরশায় দাফন করার প্রায় ৪মাস পর মোকসেদ আলী(৫৫) নামের এক অফিস সহায়কের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। তিনি উপজেলার সোমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামানের উপস্থিতিতে স্থানীয় সোমনগর কবরস্থান থেকে তার লাশ উত্তোলন করা হয়।

জানা গেছে, অফিস সহায়ক মোকসেদ আলী গত বছরের ৬নভেম্বর দিবাগত রাতে মারা যান। স্ট্রোকজনিত কারনে মোকসেদের মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের পক্থে কে জানানো হয়। সে কারনে পরের দিন মঙ্গলবার জোহরের নামাজের পর সোমনগর মসজিদে মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল। এর কিছুদিন পরে তার বোন সাপাহার উপজেলার মামুরিয়া গ্রামের শফিউদ্দিনের স্ত্রী হাসিনা বেগম তার ভাইয়ের মৃত্যুকে স্বাভাবিক নয় দাবি করে নওগাঁ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মোকসেদ  আলীর স্ত্রী জান্নাতুন ফেরদৌস ও একই গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে মিজানুর রহমানকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিত স্থানীয় থানা পুলিশ মিজানুর রহমান এবং ঔ গ্রামের লোকমানের ছেলে রহমত আলীকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন এবং মোকসেদের স্ত্রী জান্নাতুন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতে মামলার শুনানি শেষে আদালত মোকসেদ আলীর লাশ কবর থেকে তুলে ময়না তদন্তের জন্য নির্দেশ দেন। লাশ উত্তোলনের সময় সাপাহার সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার এমএম সবুজ রানা, পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ আতিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত খুনী আক্তারুজ্জামান ডলার’'কে ৩১ বছর পর গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৩

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ১৩৩জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টারঃ১৯৯৩ সালে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যদের মধ্যে অস্ত্রের দ্বন্দ্বে  যশোর জেলার অভয়নগর থানাধীন কোটা গ্রামের চাঞ্চল্যকর মতিয়ার রহমান তরফদার (৩০) হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত সুদীর্ঘ ৩১ বছর যাবৎ দেশে-বিদেশে পলাতক চরমপন্থী মাস্টারমাইন্ড খুনী  আক্তারুজ্জামান ডলার (৫৫)’কে ঢাকা মহানগরীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন মানিকদী এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৩।

র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, র‍্যাব-৩ প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে বিভিন্ন ধরণের অপরাধ নির্মূলের লক্ষ্যে অত্যন্ত আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে আসছে। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি খুন, চাঁদাবাজি, চুরি, কিশোর গ্যাং, ডাকাতি ও ছিনতাই চক্রের সাথে জড়িত বিভিন্ন সংঘবদ্ধ ও সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে র‍্যাবের জোরালো তৎপরতা অব্যাহত আছে। 

এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-৩ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গত ২২ মার্চ ২০২৪ ইং রাত ২ ঘটিকার সময় ঢাকা মহানগরীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন মানিকদী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৯৯৩ সালের যশোর জেলার অভয়নগর থানায় চরমপন্থী  পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যদের মধ্যে অস্ত্রের দ্বন্দে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দীর্ঘ ৩১ বছর যাবৎ দেশে-বিদেশে পলাতক প্রধান আসামি চরমপন্থী আক্তারুজ্জামান ডলার (৫৫)’কে রাজধানীর  ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন মানিকদী এলাকা হতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ও মামলার সূত্রে জানা যায় যে, ভিকটিম মতিয়ার রহমান তরফদার ও গ্রেফতারকৃত আসামী আক্তারুজ্জামান ওরফে ডলার একই গ্রামের দুই পাড়ার বাসিন্দা ছিল। ডলার ছিল তৎকালীন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (সর্বহারা পার্টির) সক্রিয় সদস্য। ভিকটিম অভয়নগর এলাকার রাজঘাটে অবস্থিত কার্পেটিং জুট মিলস ফ্যাক্টরিতে কাজ করতো। খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানা এলাকার জনৈক তোযাম চেয়ারম্যানকে সর্বহারা পার্টির ডলার ও তার দোসররা হত্যা করে একটি বন্দুক ছিনিয়ে নেয়। 

এই ছিনিয়ে নেওয়া বন্দুকটি আসামি আক্তারুজ্জামান ওরফে ডলার বস্তায় ভরে জনৈক ভ্যান চালক আসলামের ভ্যানে তেজপাতা আছে মর্মে এটি যশোরের নোয়াপাড়ায় নিয়ে যেতে বলে। ভ্যান চলার সময় মাঝে মাঝে ইটের ধাক্কায় খটখট আওয়াজ হওয়ায় ভ্যানচালক আসলাম পথিমধ্যে পায়রা বাজারে ভিকটিম মতিয়ার রহমানকে ঘটনাটি বলে। তখন সে বস্তা খুলে একটি বন্দুক পায় যার গায়ে কয়েকদিন আগে মৃত তোযাম চেয়ারম্যানের নাম সম্বলিত ছিল। 

তখন তৎকালীন চেয়ারম্যান আমিন সাহেবের মধ্যস্থতায় বন্দুকটি পায়রা বাজারে অবস্থিত পুলিশ ক্যাম্পে  হস্তান্তর করে। এলাকায় এই মর্মে খবর প্রকাশ পায় মৃত তোযাম চেয়ারম্যান হত্যার ঘটনায় ডলারসহ চরমপন্থী  অন্য সদস্যরা জড়িত। এই ঘটনায় ডলার সহ তার চরমপন্থী দলের  অন্য সদস্যরা ভিকটিমকে শায়েস্তা করার পায়তারা করতে থাকে। ১৯৯৩ সালের দশম রমজানের ৩ মার্চ ১৯৯৩  খ্রিস্টাব্দে ডলার সহ ২০-২৫ জনের একটি সশস্ত্র চরমপন্থী  পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির দল ভিকটিমের ছোট ভাইকে রাইস মিলে বেঁধে রেখে ভিকটিমের পুরো বাড়ি ঘিরে ফেলে। 

ভিকটিমকে ঘরের বেড়া কেটে টেনে হেঁচড়ে বাইরে নিয়ে এসে বাড়ির সামনেই রাত ১০ টা নাগাদ মাথা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি ২২ টি কোপ মেরে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে। ভিকটিমের বাবার একটি বন্দুক ও ছিনিয়ে নিয়ে যায়। মূলত: চরমপন্থী  দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের ঘটনায় উক্ত ভিকটিম নিহত হয়। পরবর্তীতে আসামির বিরুদ্ধে ১৯৯৩ সালে যশোর জেলার অভয়নগর থানায় হত্যা মামলাটি রুজু হয়। মামলা রুজু হওয়ার পরপরই গ্রেফতারকৃত আসামি নিজ এলাকা থেকে পালিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফেরারি জীবনযাপন করতে শুরু করে। 

এক পর্যায়ে নিজের নাম ঠিকানা ও পরিচয় গোপন রেখে মাহমুদুল হাসান নামে নতুন নাম ধারণ করে ও নতুন পাসপোর্ট তৈরি করে দীর্ঘদিন যাবত দক্ষিণ আফ্রিকায় আত্মগোপনে ছিলেন। মামলা রুজু হওয়ার পর থেকেই অদ্যাবধি সে পলাতক ছিল। যেহেতু আসামি দীর্ঘদিন যাবত ছদ্মবেশ ধারণ করে পালিয়ে ছিল, আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য পরিচালনা শেষে আদালত উক্ত মামলায় দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০০০  খ্রিষ্টাব্দ তারিখে বিজ্ঞ আদালত ধৃত ডলারের বিরুদ্ধে উক্ত হত্যা মামলায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের যাবতীয়  প্রমাণ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত মর্মে রায় প্রদান করে। দুধর্ষ এই খুনী গত ২২ মার্চ ২০২৪ ইং ঢাকা মহানগরীর মানিকদী এলাকায় আত্মগোপনে থাকাকালীন র‍্যাব-৩ এর হাতে আটক হয়।ধৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

আরও খবর



ভূমি অফিসের পরিছন্নতা কর্মীর বিরুদ্ধে জমি নামজারি করতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ১৬৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃরাজধানীর ডেমরা মাতুয়াইল এলাকায় জমি নামজারি  নামে ঘুষ নিয়েছে এসি ল্যান্ড অফিসের পরিচ্ছন্নতা কর্মী।ঐ পরিচ্ছন্নতা কর্মীর নাম সাইফুল। ডেমরা রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে কর্মরত। ই নামজারি ফাইল জমা দেওয়ার পর বিভিন্ন জটিলতার ভয় দেখিয়ে সেবা গ্রহিতাদের কাছ থেকে নানাভাবে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ভূমি অফিসের লোকজন দীর্ঘদিন এমন অভিযোগ করে আসছিলেন সকলেই। নামজারি করতে আসা ভুক্তভোগীরা জানান সরকার ডিজিটাল পদ্ধতিতে নাম জারি চালু করলেও ভূমি অফিসের দুর্নীতি এখনো কমেনি। নানা দোষ ত্রুটি ধরে ফাইল আটকে অর্থ আদায় করা নিত্যদিনের ব্যাপার। এতদিন ভূমি অফিসে নানা কর্মচারী কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বিষয়ে জানা গেলেও এই অফিসে এবার একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মীও নামজারীর নামে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয় এমন প্রমাণ পাওয়া গেল। মাতুয়াইল মৌজার ১৬৯৬৫/২০২৩-২৪ নামজারি মোকাদ্দমায় বাদীর কাছ থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেন পরিছন্নতা কর্মী সাইফুল। 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাইফুলের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে অকপটে ১০০০০ দশ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার কথা স্বীকার করেন পরিছন্নতা কর্মী সাইফুল ইসলাম। সাইফুল ইসলাম বলেন, কামাল নামক এক ব্যক্তির কাছ থেকে নামজারির জন্য ১০ হাজার টাকা গ্রহণ করেছি, কিন্তু আমি সেই টাকা একা নেইনি সার্ভেয়ার আনোয়ার এর কাছে বেশিরভাগ টাকা দিয়েছি নামজারির কাজ করার জন্য, আমরা নামজারি করতে টাকা নিলে শতভাগ গ্যারান্টির সাথে কাজ করে দেই।

সারা জমিনে দেখা যায়, জয় কালী মন্দিরে আশেপাশে ভূমি অফিসের কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে দালাল, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে বড় একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। কোন মানুষ বিনা পয়সায় সেবা পায় না এমনটি বলেছেন ভুক্তভোগীরা। শুধু কর্মকর্তা-কর্মচারী না নয় এই অফিসের দারোয়ান থেকে শুরু করে ঝাড়ুদার পর্যন্ত আপাদমস্তক দুর্নীতিতে মোড়ানো। প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকার অনিয়ম দুর্নীতি হয় এই অফিসে। যার ভাগ নিচ থেকে উপর মহল পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এই বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান মূলক একটি প্রতিবেদন আসছে আগামী সংখ্যায়।


আরও খবর



ফুলবাড়ীর আঁখিরা বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ১৭জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার আঁখিরা গণহত্যার বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ। বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মোহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরীর নেতৃত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধসহ সুধিজন আলাদীপুর ইউপির আঁখিরা বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভে আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।

পরে বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভ চত্বরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. এছার উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরী। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অম্বরিশ রায় চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল কাশেম আকন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোজাম্মের হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তোজাম্মেল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শচিন্দ্র নাথ দাস, আলাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাকির বাবলু, ইউপি সদস্য মো. আব্দুর রাজ্জাক, ইউপি সদস্য মো.ইদ্রিস আলী, ইউপি সদস্য অর্পণ রায়, ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক অমর চাঁদ গুপ্ত অপু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার সাদাত মন্ডল,সাংগঠনিক সম্পাদক প্লাবন শুভ প্রমুখ। এসময় অন্যন্যা মুক্তিযোদ্ধাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।শেষে বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।


আরও খবর



থানার ভিতরেই নষ্ট হচ্ছে ৩ কোটি টাকা মুল্যের মোটরসাইকেল, কারও মাইক্রোবাস

প্রকাশিত:সোমবার ০১ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৬জন দেখেছেন

Image

জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রায় শতাধিক দামি মোটরসাইকেল পড়ে আছে সৈয়দপুর থানার খোলা আকাশের নিচে। শুধু মোটরসাইকেল নয়, পাশেই রয়েছে জরাজীর্ণ মাইক্রোবাস প্রাইভেট কার, সহ অন্যান্য যানবাহন। নিত্যদিনের রোদ, বৃষ্টি,আর ধুলায় এসব গাড়ির যন্ত্রাংশে মরিচা ধরে গেছে। একই স্থানে দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন, অবহেলায় পড়ে থাকায় অধিকাংশ যানবাহন অকেজো হয়ে গেছে।এ যানবাহনগুলোর অধিকাংশই বিভিন্ন অপরাধে জব্দ করা মামলার আলামত। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে এগুলো। আইনি জটিলতার কারণে অনেক মালিকই ছাড়িয়ে নিতে পারেন না এসব।  অন্যদিকে আইনি জটিলতার কারণে নিলাম না হওয়ার কারনে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

গতকাল ১ এপ্রিল সোমবার থানায় গিয়ে দেখা যায়, থানা প্রাঙ্গণে খোলা আকাশের নিচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে জব্দ করা প্রায় শতাধিক যানবাহন। সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় যানবাহন খোলা স্থানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়েছে। 

থানার কর্মকর্তাদের দাবি, জব্দ করা যানবাহন রাখার জন্য আলাদা  নির্দিষ্ট কোন গ্যারেজ নেই। গ্যারেজ থাকলে জব্দ করা যানবাহন গুলো নষ্ট হতো না। সরকারের কোষাগারে জমা হতো পর্যাপ্ত রাজস্ব।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৈয়দপুর থানায় জব্দকরা যানবাহনগুলো একই স্থানে পড়ে আছে বছরের পর বছর। ১০/১২ বছর আগে আটক করা গাড়িও আছে সেখানে। যার অধিকাংশই ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক গাড়ি রয়েছে যেগুলোর ভেতরে, বাইরে ধুলা, ময়লা জমে যন্ত্রাংশ ক্ষয়ে খসে পড়ছে।

থানা সূত্রে জানা যায়, জব্দ করা মোটরসাইকেলের সংখ্যা  প্রায় শতাধিক। এ ছাড়া ৩ টি প্রাইভেটকার ১ টি মাক্রোবাস সহ অন্যান্য যানবাহন খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, বিভিন্ন অপরাধে এসব যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। কাগজপত্র না থাকায় সঠিক মালিকের কাছেও হস্তান্তর করা যাচ্ছে না। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন বলে তিনিও মনে করেন। কিন্তু গ্যারেজের মত সেড না থাকায় সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি বলেন, ‘দৈনিক অথবা মাসে যে পরিমাণ গাড়ি আমাদের এখানে জমা হচ্ছে, সে অনুসারে মামলার নিষ্পত্তি হচ্ছে না। আইনি জটিলতার ফলে জব্দ হওয়া বাহনের সংখ্যা বাড়ছে। অল্প জায়গায় অধিক যানবাহন রাখার কারণে নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রাংশ। জায়গা না থাকায় এগুলোকে খোলা আকাশের নিচে রাখতে হয়।

ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জাকির হোসেন বলেন গাড়ি রাখার ভালো কোন জায়গা না থাকায় অনেক সময় অনলাইনের মাধ্যমে জরিমানা করে গাড়ি ছেড়ে দেয়া হয়। ভালো জায়গা থাকলে ও কাগজ পত্র বিহীন গাড়ির দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি হলে, খোলা আকাশের নিচে যানবাহন নষ্ট হতো না এবং সরকারও পেতো রাজস্ব। 


আরও খবর



পহেলা বৈশাখ: প্রাণের উৎসবে জেগেছে আত্রাই

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৫জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই(নওগাঁ) প্রতিনিধি:চির নতুনের ডাক দিয়ে বাঙালির জীবনে আবার এসেছে পহেলা বৈশাখ। প্রাণের এ উৎসবকে ঘিরে নওগাঁর আত্রাই উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে বাংলা নতুন বর্ষ ১৪৩১ কে বরণ করা হয়েছে।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সকালে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে উপজেলা চত্ত্বর থেকে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে।

শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথি হিসাবে নেতৃত্বদেন সাংসদ অ্যাড. ওমর ফারুক সুমন। এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবাদুর রহমান প্রামানিক, ইউএনও সঞ্চিতা বিশ্বাস,সহকারী কমিশনার (ভূমি) অঞ্জন কুমার দাস, ওসি জহুরুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম ও শেখ হাফিজুল ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল, উপজেলা আ’লীগ সহসভাপতি আজিজুর রহমান পলাশ, পল্লী বিদ্যুৎ আত্রাই এর ডিজিএম আব্দুল আলীম লিটন, মহিলা বিষয়ক অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন, যুব উন্নয়ন অফিসার এস এম নাসির উদ্দিন, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার প্রদীপ কুমার সরকার, উপজেলা আ’লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলে রাব্বি জুয়েল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আফিল উদ্দিন, স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। বিকেলে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।


আরও খবর