Logo
আজঃ Wednesday ০৫ October ২০২২
শিরোনাম

পঞ্চাশের আগেই থেমে গেলো শান্তর ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ০৫ October ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
Image

ক্যারিয়ারের প্রথম ১১ ওয়ানডেতে একবারও পঞ্চাশ করতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। আজ ১২তম ম্যাচে সেই সম্ভাবনা তৈরি করেছিলেন এ বাঁহাতি টপঅর্ডার ব্যাটার। কিন্তু পঞ্চাশের আগেই সাজঘরে ফিরে গেলেন তিনি। তবে খেলেছেন ক্যারিয়ারসেরা ৩৮ রানের ইনিংস।

এতদিন ধরে ওয়ানডে শান্তর ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ৩৭ রান। সেটি টপকে আজ ৩৮ রান করতে আউট হয়েছেন ২৩ বছর বয়সী এ ব্যাটার। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩১ ওভারে ৪ উইকেটে ১৫২ রান। পঞ্চম উইকেট জুটিতে খেলছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব।

আজ হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে চলতি জিম্বাবুয়ে সফরে টানা পঞ্চমবারের মতো টস হেরেছে বাংলাদেশ দল। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ইতিবাচক অ্যাপ্রোচে দ্রুতগতিতে রান তুলতে থাকেন তামিম। ইনিংসের তৃতীয় বলেই বাউন্ডারি হাঁকান টাইগার অধিনায়ক, এক বল পর আরও একটি।

প্রথম ওভার থেকে শুরু হওয়া এই মারমুখী ব্যাটিং পুরো ইনিংসেই টেনে নেন তামিম। প্রায় প্রতি ওভারেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রানরেট সবসময় উঁচুতে রাখেন তিনি। তামিমের দাপুটে ব্যাটিংয়ের সামনে একপ্রকার দর্শকই ছিলেন বিজয়। প্রথম পাওয়ার প্লেতে মাত্র ১৬ বল খেলার সুযোগ পান এ ডানহাতি ওপেনার।

ইনিংসের দশম ওভারে নিজের দশম বাউন্ডারি হাঁকিয়ে মাত্র ৪৩ বলে ফিফটি পূরণ করেন তামিম। যেখানে ছিল থার্ড ম্যান দিয়ে একটি ছয়ের মারও। অভিষিক্ত ব্র্যাডলি ইভান্সের খাটো লেন্থের ডেলিভারিতে আপার কাট করে ছয় মারেন তামিম। সেই ওভার থেকে ১৪ রান পায় বাংলাদেশ।

তামিমের ফিফটি পূরণ হওয়ার পর ১১তম ওভারে জোড়া চার মারেন বিজয়। এর মধ্যে ওভারের তৃতীয় বলে দৃষ্টিনন্দন কভার ড্রাইভে মাঠে উপস্থিত দর্শকদের বাহবা কুড়ান এ ডানহাতি ওপেনার। তবে সেই ওভারেই শেষ বলে পুল করতে গিয়ে মিড উইকেটে ধরা পড়েন তামিম।

মাঠের সেই পাশে বাউন্ডারির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯০ মিটার। সেই বড় বাউন্ডারিতে ছক্কার চেষ্টায় ভাঙে তামিম-বিজয়ের ৭১ রানের উদ্বোধনী জুটি। অধিনায়ককে হারানোর পর বিজয় ও শান্তর কাঁধে আসে ইনিংস এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব। ইনিংসের ১৩তম ওভারের প্রথম বলে দারুণ ড্রাইভে সেই মিশনে নিজেকে প্রস্তুত ঘোষণা দেন শান্ত।

কিন্তু এক বল পর তার স্ট্রেইট ড্রাইভ তানাকা চিভাঙার হাতে লেগে ননস্ট্রাইক প্রান্তের স্ট্যাম্প ভেঙে দেয়। ক্রিজের বাইরে দাঁড়িয়ে সেটি স্ট্যাম্পে আঘাত করতে দেখেন বিজয়। কিন্তু ব্যাট ভেতরে ঢোকানোর মতো সময় তিনি পাননি। ফলে ২০ রানেই থেমে যায় বিজয়ের ইনিংস।

তিন ওভারের মধ্যে দুই উইকেট হারিয়ে খানিক চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে মুশফিকুর রহিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত মিলে রানরেট খুব একটা কমতে দেননি। দুজন মিলে ১০.৪ ওভারে যোগ করেন ৫০ রান। তামিমের মতো বাউন্ডারি নির্ভর ব্যাটিং না করে সিঙ্গেল-ডাবলসের ওপর নজর দেন মুশফিক।

তবে মুশফিকের বিদায়টাও তামিমের মতো ঠিক বড় পাশ দিয়ে মারতে গিয়েই। ওয়েসলে মাধভেরের অফস্ট্যাম্পের বাইরের বল দারুণ স্লগ সুইপ করেছিলেন মুশফিক। কিন্তু সীমানার অনেক আগেই টনি মুনিয়োঙ্গার হাতে ধরা পড়ে যান তিনি। আউট হওয়ার আগে এক চারের মারে ৩১ বলে ২৫ রান করেছেন মুশফিক।

মুশফিকের পর নাজমুল শান্তকেও সাজঘরে পাঠান মাধভের। ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি সম্ভাবনা জাগানো শান্ত মাধভেরের করা ৩০তম ওভারে লেট কাট করার চেষ্টা করেছিলেন। বল তার ব্যাটের কানায় লেগে চলে যায় উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে। ফলে সমাপ্তি ঘটে ৫৫ বলে ৫ চারের মারে খেলা ৩৮ রানের ইনিংসের।


আরও খবর