Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

পিতা-মাতাকে হত্যায় দায়ে যশোরে ছেলের মৃত্যুন্ডের আদেশ

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৩জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোরের পল্লীতে মহির ও আনোয়ারা দম্পতি হত্যা মামলায় ছেলে মিলন উদ্দিনকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (৭ম) আদালতের বিচারক জুয়েল অধিকারী এ আদেশ দিয়েছেন। আদালতের পেশকার শাহরিয়ার আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, আসামি মিলন উদ্দীন (৩২) উচ্ছৃংখল প্রকৃতির লোক। তিনি তার পিতা-মাতার কাছ থেকে টাকা নিয়ে সারাদিন ঘুরে বেড়াতেন। তাকে কাজকর্ম করার কথা বললেই পিতা মাতাকে শারিরিকভাবে নির্যাতন করতো।

২০১৯ সালের ২৫ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি তার পিতা মহির উদ্দীনের (৬২) কাছে হাত খরচের জন্য দুই হাজার টাকা চান। টাকা না দেয়ায় মিলন ঘরে থাকা ধারালো গাছিদা দিয়ে পিতাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে জখম করেন। এ সময় তার মা আনোয়ারা বেগম ঠেকাতে গেলে মিলন তাকেও কুপিয়ে জখম করেন। এক পর্যায়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মহির ও আনোয়ারা ঘটনাস্থলেই মারা যান।এ ঘটনায় মিলনের বিরুদ্ধে চৌগাছা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন তার ভাই হুমায়ুন কবির।দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজ বিচারক জুয়েল অধিকারী আসামি মিলন উদ্দিনকে মৃত্যুদন্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন।রায় ঘোষণা শেষে বিচারক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


আরও খবর

জামিন পেলেন মিল্টন সমাদ্দার

সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪




ভোলার মেঘনায় ড্রেজার ডুবি : ২ জনের মরদেহ উদ্ধার, এখনও নিখোঁজ-৩

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯৭জন দেখেছেন

Image

শরীফ হোসাইন, ভোলা বিশেষ প্রতিনিধি:ভোলার মেঘনা নদীতে ডুবে যাওয়া ড্রেজার থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা হলেন, মো. আরিফুর ইসলাম ও নুরে আলম। নুরে আলম ডুবে যাওয়া ড্রেজারটির মালিক ছিলেন। ডুবুরি টিম ড্রেজারটির কেবিন থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে। তবে এখনো অপর ৩ শ্রমিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তারা হলেন, মো. হারুন (৫৫), সিয়াম আহমেদ (২৩) ও তানজিল আহমেদ (২৩)। তাদের সবার বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার ৩নং পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের পাঙ্গাশিয়া গ্রামে। মঙ্গলবার (৯ জুলাই) ভোররাত ৩টার দিকে মালিকপক্ষের ভাড়াটে ডুবুরি টিম ওই দু'জনের মরদেহ উদ্ধার করে। লিশা নৌ-থানার ইন্সপেক্টর বিদুুৎ কুমার বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দিনভর অভিযানের পর সোমবার বিকেলে নৌ-পুলিশ, কোষ্টগার্ড ও ফায়ারসার্ভিসের যৌথ অভিযানে ডুবে যাওয়া ড্রেজারটির সন্ধান পায় তারা। আজ সকাল থেকে নিখোঁজ ৩ শ্রমিককে উদ্ধারে সরকারি ও বেসরকারি ডুবুরি টিম কাজ করে যাচ্ছে। 

ভোলা ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. লিটন জানান, গতকাল বিকেলে ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ ও কোষ্টগার্ডের যৌথ অভিযানে ডুবে যাওয়া ড্রেজারটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে পুনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। এর আগেই মালিকপক্ষের ভাড়াটে ডুবুরি টিম ভোররাতে দু’জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এখন ভাড়াটে ডুবুরি টিম ও সরকারি ডুবুরি টিম যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। বাকি ৩ জনের মরদেহ খোঁজা হচ্ছে। 

কোষ্টগার্ড দক্ষিণ জোনের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এইচ এম হারুন অর রশিদ বিএন জানান, ড্রেজারটির দুটি কেবিন ভিতর থেকে আটকানো। মেঘনায় পানির তীব্র স্রোত। যাঁর কারনে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে। ডুবুরি টিম চেষ্টা করছে ড্রেজারটি নদীর তলদেশ থেকে ভাসমান অবস্থায় নিয়ে আসার জন্য।

এদিকে নিখোঁজ শ্রমিকদের স্বজনরা ট্রলারযোগে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহাজারি করছেন। তারাও নদীতে ঘুরে নিখোঁজদের সন্ধান করছে। ভোলা জেলা প্রশাসক মো. আরিফুজ্জামান জানান, নিখোঁজ শ্রমিকদের লাশ উদ্ধারে ডুবুরি টিম তৎপর রয়েছে। জেলা প্রশাসকের একটি টিম বিষয়টি মনিটরিং করছে।

উল্লেখ্য, রোববার গভীর রাতে ভোলার মেঘনা নদীর গাজীপুর চর নামক এলাকা থেকে বালু উত্তোলনের সময় আফসানা-১ নামের ড্রেজারটি ৫ শ্রমিক নিয়ে ডুবে যায়।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



খাস জমি দখল করে মাছচাষ, পানিবন্দি ৩০০ পরিবার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image

মিরসরাই প্রতিনিধি:মিরসরাইয়ে সরকারি খাস জায়গা দখল করে খালের শ্রেণি পাল্টে মাছচাষ করায় বিপাকে পড়েছে প্রায় ৩০০ পরিবার। টানা বর্ষণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে বসতঘরে থাকতে পারছেন না তারা। উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের চুনি মিঝির টেক এলাকায় অবৈধভাবে খালের জায়গা দখল করে মাছচাষ করায় পানিবন্দি রয়েছে পরিবারগুলো।

সরেজমিনে ইছাখালী ইউনিয়নের চুনি মিঝির টেক গিয়ে দেখা যায়, সরকারি খাস জমি দখল করে অনেকে দিঘী খনন করেছেন। আবার কেউ কেউ সড়কের পাশে ও ফসলি জমি কেটে দিঘী খনন করেছেন। পানি চলাচলের একমাত্র খাল দখল করে রেখেছেন তারা। সামান্য বৃষ্টি হলে পানি চলাচলের কোনো জায়গা থাকে না। এলাকার অধিকাংশ পরিবারের ঘরে ঢুকে যায় বৃষ্টির পানি। এতে বিপাকে পড়েছে ওই এলাকার প্রায় ৩০০ পরিবার।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ১০-১৫ জনের একটি সিন্ডিকেট ওই এলাকার কোম্পানী নগর খালটির জায়গা দখল করে দিঘী কেটে মাছচাষ করছে। এতে করে পানি নিষ্কাশনের জায়গা সংকুচিত হয়ে গেছে। ফলে বৃষ্টির পানি জমে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৩০০ পরিবার।

পানিবন্দি হয়ে থাকা গৃহবধূ নাছিমা জানান, তার দুই সন্তান এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। ঠিকমতো সন্তানদের খাবারও দিতে পারেন না। টিউবওয়েলে পানি ওঠে না। পানির জন্য ১ কিলোমিটার হাঁটা লাগে। দিঘীর পাশে বড় করে পানি চলাচলের জায়গা করলে পানি জমে থাকতো না বলে জানান তিনি।

ষাটোর্ধ্ব বিবি ছকিনা জানান, এই এলাকায় কখনো পানি উঠতো না। দিঘী খনন হওয়ার পর হালকা বৃষ্টি হলে ঘর বাড়িতে পানি উঠে যায়। দিঘীর মালিকদের কিছু বললে তারা ঘর-বাড়ি বিক্রি করে চলে যাওয়ার হুমকি দেন।

সাবেক ইউপি সদস্য সাহাব উদ্দিন বলেন, এই জায়গায় ৮৬ ফুট সরকারি খাস জায়গা ছিল। পানি চলাচলের জন্য অনেক বড় খাল ছিল। কিন্তু মাছচাষিরা দিঘী খনন করে খালের জায়গা দখল করে নিয়েছে। এখন পানি চলাচলের কোনো জায়গা নেই। হালকা বৃষ্টি হলে পানি জমে প্রায় ৩০০ পরিবার কষ্ট করে। খালের জায়গা উন্মুক্ত করে দিলে আর পানি জমে থাকবে না।

তবে খাল দখল করে দীঘি খনন করা ইয়াছিন ও হারুন অর রশিদ জানান, ইছাখালীতে শুধু আমরা না, অনেকে দীঘি খনন করে আসছে। তাদের বিষয়ে কেউ কিছু বলছে না। আমরা লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছি। পুরো দীঘির পাড় কেটে দিলে আমাদের অনেক লোকসান হবে। তবে বাড়িঘরের পানি কমে যাওয়ার জন্য আমরা প্রকল্প থেকে পানি যাওয়ার পাইপ বসিয়েছি।

ইছাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল মোস্তফা বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। মাছচাষিরা অবৈধভাবে দিঘী খনন করেছে। বিগত তিন বছর ধরে ওই এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে অনেক কষ্ট করছেন। বিষয়টি আমাদের এমপি মাহবুবউর রহমান রুহেল ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে একাধিকবার অবহিত করেছি। আশা করছি শিগগিরই তারা এ ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন বলেন, আমি নিজে এই এলাকা পরিদর্শন করেছি। অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে রয়েছে। অবৈধ দিঘী খননের কারণে পানি জমে থাকে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



টাঙ্গাইলের মধুপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৬৫জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইল:মধুপুর প্রেসক্লাবে সভাপতি হিসেবে অধ্যাপক গোলাম ছামদানী ও সাধারণ সম্পাদক পদে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন নির্বাচিত হয়েছেন।শনিবার (৬ জুলাই) সকালে মধুপুর প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিতব্য প্রথম অধিবেশনে দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও দ্বিতীয় অধিবেশনে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এ নির্বাচনে ২জন সভাপতি এবং ২জন সাধারণত সম্পাদক পদে  প্রতিদন্ধিতা করেন।

উক্ত নির্বাচনে সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ০৮ ভোট এবং অধ্যাপক গোলাম জামদানী পেয়েছেন ১১ ভোট । সাধারণ সম্পাদক পদে সাবেক সম্পাদক এস এম শহীদুল ইসলাম শহীদ পেয়েছেন ০৮ ভোট এবং তার প্রতিদন্ধি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন পেয়েছেন ১১ভোট ।

মধুপুর প্রেসক্লাবের সর্বমোট ১৯জন সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সভাপতি হিসেবে ১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক গোলাম ছামদানী এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ১১ ভোট পেয়ে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন নির্বাচিত হয়েছেন। এ নব- নির্বাচিত কমিটি আগামী ২০২৪/২৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।  

উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন উত্তর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরাম ও গোপালপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন। এছাড়াও মধুপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এম এ রউফ ও ধনবাড়ী প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনছার আলী সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

   -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



দোলাইপাড়ের বাস কাউন্টার মালিকদের ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগে তলব

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৬৯জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃদক্ষিণবঙ্গের ২১ টি জেলার বাস দোলাইপাড় হয়ে পোস্তগোলা ব্রিজ দিয়ে বিভিন্ন জেলায় গমন করে। দোলাইপাড় গোলচত্বর এর দুপাশে গড়ে ওঠা স্থায়ী এবং অস্থায়ী(টেবিল কাউন্টার) বাস কাউন্টারের কারণে এই এলাকায় ট্রাফিক প্রেসার বেশি থাকে। দোলাইপাড় কেন্দ্রিক যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে দোলাইপাড়ের দুপাশের সকল কাউন্টার মালিক এবং বাড়িওয়ালাদেরকে  গত ১২/০৭/২৪ খ্রি: তলব করা হয়েছে হাটখোলা রোডস্থ ডিসি ট্রাফিক ওয়ারী অফিসে। এ সময় কাউন্টার মালিকদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাসুম মোল্লা। 

ডিসি (ট্রাফিক-ওয়ারী) বিভাগ মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম জানান , ইতিমধ্যে দোলাইপাড়ের দুপাশে ফুটপাতের উপর টেবিল নিয়ে বসা অস্থায়ী টিকেট কাউন্টার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। উক্ত স্থানের যারা কাউন্টার ভাড়া দিয়েছেন সে সকল বাড়িওয়ালা এবং সকল কাউন্টার মালিককে তলব করা হয়েছে। ডিসি ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের অফিসে উপস্থিত ছিলেন ব্যাপারি পরিবহন, সোনালী পরিবহন, অন্তরা পরিবহন, তেতুলিয়া পরিবহন, টুঙ্গীপাড়া এক্সপ্রেস, সোহাগ পরিবহন, চেয়ারম্যান পরিবহন, রাজিব পরিবহন, শিবচর স্টার ডিলাক্স, গোল্ডেন লাইন, ইমাদ পরিবহন, দোলা পরিবহন এবং হামদান পরিবহন এর টিকিট কাউন্টার মালিকবৃন্দ এবং তাদের ম্যানেজার। কাউন্টার ম্যানেজার এবং মালিকদেরকে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয় যে, এক টিকেট কাউন্টারের ভিতরে একাধিক সাব-কাউন্টার ভাড়া দেওয়া যাবে না, সকল বাস এক সারিতে বামে অবস্থান করবে, গোল চত্বর ঘেঁষে কোন বাস দাঁড়াবে না, গোলচত্তরে কোন বাস ইউটার্ন করবে না, রাস্তার দু'পাশে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসের দুটো কাউন্টার থাকতে পারবে না, কোন চাঁদাবাজি হবে না, জ্বালানি নেওয়ার জন্য কোন গাড়ি উল্টা পথে আসবেনা এবং সকল বাসকে এক সারিতে থাকার জন্য কাউন্টার মালিকগণ ট্রাফিক কমিউনিটি ভলান্টিয়ার্স দিবেন। ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের পক্ষ থেকে এ সকল অসংগতি আগামী রবিবারের মধ্যে দূর করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। 

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন এডিসি (ট্রাফিক-ওয়ারী) বিভাগ সুলতানা ইশরাত জাহানসহ জোনাল এসিবৃন্দ।


আরও খবর

রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল শুরু

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪




সৈয়দপুরে মেরামতে আসা ট্রেন লাইনচ্যূত : চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১০৭জন দেখেছেন

Image

খোকন সৈয়দপুর( নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় মেরামতে আসা ট্রেন লা্ইনচ্যূত হয়েছে। শনিবার (১৩ জুলাই) বেলা  আনুমানিক আড়াইটায় সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ২০০ গজ দূরে ওই ট্রেনটির লাইনচ্যূতের ঘটনা ঘটে। ফলে চিলাহাটি থেকে সৈয়দপুর হয়ে চলাচলকারী খুলনা, রাজশাহীগামীসহ অন্যান্য ট্রেনের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। 

সূত্র জানায়, এসব প্রিয়ডিক্যাল ওভার হোলি বা রুটিন মেরামতের জন্য রেলওয়ে কারখানায় আনা হচ্ছিলো ওইসব কোচ। ট্রেনটি ঈদের বিশেষ ট্রেন হিসাবে জয়দেবপুর-পার্বতীপুর রুটে চলাচল করেছে। ট্রেনটির বহরে ১৩ কোচ রয়েছে। এরমধ্যে কয়েকটি কোচ লাইন চ্যূত হয়ে পড়ে। ফলে সৈয়দপুর -পার্বতীপুর রুটে সকল ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় বলে জানান স্টেশন মাস্টার ওবাইদুল ইসলাম রতন। এছাড়া রেলঘুন্টিতে ট্রেন বহরটি আটকে থাকায় শহরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়ে যায়। 

সৈয়দপুর রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) মো. সুলতান মৃধা বলেন, রেলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কাজ করছেন। তবে সন্ধ্যার আগে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবণা কম বলে জানান তিনি। 

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর