Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত
হলে ফিরছেন দর্শক, প্রশংসা পাচ্ছে ‘পদ্মাপুরাণ’

‘পদ্মাপুরাণ’ দেখতে হলে ফিরছেন দর্শক

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৪৫৫জন দেখেছেন
বিনোদন ডেস্ক

Image


বিনোদন ডেস্ক :

 

মুক্তির আগেই আলোচনায় ছিল তরুণ নির্মাতা রাশিদ পলাশের প্রথম চলচ্চিত্র ‘পদ্মাপুরাণ’। নানান চমকের পর এবার ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। গেল শুক্রবার (৮ এপ্রিল) দেশের বড় কিছু প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে এটি। মুক্তির দুই দিনেই বেশ ভালো সাড়া মিলেছে দর্শকের।

 

বিশেষ করে সিনেপ্লেক্সগুলোতে মুক্তি পাওয়ায় শহরের দর্শক ছবিটি দেখতে আসছেন আশা জাগিয়ে। পরিচালকের ভাষ্যে, ‘করোনাকালীন অনেক মন্দ সময় গেছে আমাদের। সিনেমা নিয়েও আমরা একটা চ্যালেঞ্জের মুখে ছিলাম। এখনো করোনা পুরোপুরি বিদায় নেয়নি। তাই একটা আতঙ্ক তো ছিলোই সিনেমাটির মুক্তি নিয়ে।

 

তবে আশার কথা হলো বেশ ভালো রেসপন্স পাচ্ছি। প্রথম দিন কয়েকটি হলে শো ফুলহাউজ গেছে। আমার প্রথম সিনেমা এটি, তাই দর্শকের এই সাড়া আমার জন্য দারুণ অনুভূতির।

তিনি দাবি করেন, দর্শক সিনেমাটি দেখে প্রশংসা করছেন। ছবির গল্প, শিল্পীদের অভিনয় নিয়ে আলোচনা করছেন অনেকে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও দর্শক ছবিটি দেখার তৃপ্তির কথা লিখছেন। অনেকে কিছু সমালোচনাও করছেন। সেগুলোকে নির্মাতা ভুল হিসেবে নিয়ে পরবর্তীতে তা শোধরে নেয়ার চেষ্টা হিসেবেই দেখছেন।

 

‘পদ্মাপুরাণ’ ছবিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদিয়া মাহি, প্রসূন আজাদ, শম্পা রেজা, জয়রাজ, সুমিত সেনগুপ্ত, কায়েস চৌধুরী, সূচনা শিকদার, রেশমী, হেদায়েত নান্নু, আশরাফুল আশিষ, সাদিয়া তানজিন প্রমুখ। এদের মধ্যে আলাদা করে আলোচনায় এসেছে সাদিয়া মাহি ও সুমিতের অভিনয়।

 

ছবির গল্প ভাবনা জানিয়ে পরিচালক বলেন, ‘পদ্মার পাড়ের প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের লড়াইয়ে গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করেছি এ সিনেমায়। আমি বিশ্বাস করি অনেক ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে এই সিনেমা।সেই জায়গাটাই পর্দায় দেখানোর চেষ্টা করেছি। আমি কোনো মতামত দেয়ার পক্ষে না। আমি একটা ওপেন এন্ডিং রাখতে চেয়েছি দর্শক যে যার মতো করে ভেবে নেবে।

 

 ‘পদ্মাপুরাণ’- দেখা যাচ্ছে

 

স্টার সিনেপ্লেক্স (বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স ও সনি স্কয়ার মিরপু্র), শ্যামলী সিনেমা, যমুনা ব্লকবাস্টার (যমুনা ফিউচার পার্ক), সিনেস্কোপ (নারায়ণগঞ্জ), সুগন্ধা সিনেমা (চট্টগ্রাম)।

 

খবর প্রতিদিন / সি.বা


আরও খবর



অবসর নিলেন ক্যারিবীয় তারকা অলরাউন্ডার

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ নারী ক্রিকেট দলের তারকা অলরাউন্ডার দেয়ান্দ্র ডটিন। জাতীয় দলের ড্রেসিংরুম থেকে ভালো খেলার জন্য সহায়ক পরিবেশ না পাওয়ার আক্ষেপ জানিয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৩১ বছর বয়সী এ স্পিনিং অলরাউন্ডার।

বর্তমানে বার্বাডোজ নারী ক্রিকেট দলের হয়ে কমনওয়েলথ গেমসে রয়েছেন ডটিন। রোববার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুঃস্বপ্নের মতো একটি ম্যাচই কেটেছে তার। যেখানে ব্যাট হাতে ২২ বলে ৮ রান করার পর বোলিংয়ে এক ওভারেই খরচ করেন ২৫ রান। এই ম্যাচের পরপরই অবসরের সিদ্ধান্ত জানান ডটিন।

তবে সবধরনের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। চলতি মাসের শেষ দিকে শুরু হতে যাওয়া নারী ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) ক্রিকেটের প্রথম আসরে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের অধিনায়কত্ব করার কথা রয়েছে তার। এছাড়া বার্বাডোজের হয়ে কমনওয়েলথ গেমসে শেষ ম্যাচ খেলবেন কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে অবসরের ঘোষণা দিয়ে ডটিন লিখেছেন, ‘পুরো ক্যারিয়ারে আমাকে অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে দলের পরিবেশ আমার পারফরম্যান্স বাড়ানোর মতো সহায়ক নয়। এই পরিবেশে আমি আমার সেরা খেলতে পারবো না কারণ এখানে আমার সামর্থ্যকে খাটো করে দেখা হয়েছে।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজ নারী দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার ডটিন। ক্যারিবীয়দের জার্সি গায়ে খেলেছেন ১৪৩ ওয়ানডে ও ১২৪ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। এছাড়া বার্বাডোজের হয়েও খেলেছেন ২টি কুড়ি ওভারের ম্যাচ। সবমিলিয়ে ওয়ানডেতে ৩৭২৭ ও টি-টোয়েন্টিতে করেছেন ২৬৯৭ রান।

২০১০ সালের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাত্র ৩৮ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন ডটিন। যা নারী-পুরুষ সবমিলিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড ছিল। ২০১৭ সালে ডেভিড মিলার ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করে এটিকে দুইয়ে ঠেলে দেন।


আরও খবর



মোবাইলের আলোয় বেচাকেনা

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১২ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

মানতে হবে সরকারের বিধিনিষেধ। আবার পরিবার-পরিজন নিয়ে একটু ভালো থাকতে কিছুটা বাড়তি সময় কাজও করতে হবে। তাইতো সরকারের বিধিনিষেধ আর নিয়মনীতির মধ্যে থেকেই রাত ৮টার পর মোবাইলের আলোয় পুরোদমে বিকিকিনি করতে দেখা গেছে পটুয়াখালী শহরের নিউমার্কেট এলাকার মাছ ব্যবসায়ীদের।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক রাত ৮টা। বৈদ্যুতিক বাতির আলো বন্ধ করে দেওয়া হলো। একের পর এক মাছবিক্রেতা পকেট থেকে বের করতে থাকেন ফোন। মোবাইলের টর্চলাইট জালিয়ে আবারও সবাই মাছ বিক্রি এবং মাছ কাটার কাজ শুরু করলেন।

jagonews24

প্রতিদিন রাত ৮টার পর এভাবেই বেচাকেনা চলছে পটুয়াখালীল মাছের বাজারে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা মানতে রাত ৮টা বাজলেই বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ করে দিয়ে মোবাইলের আলোয় বেচাকেনা করছেন মাছবিক্রেতারা।

বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সন্ধ্যার পর অনেক ক্রেতা বাজার করতে আসেন। বিশেষ করে যারা সারাদিন ব্যস্ততার কারণে বাজার করতে পারেন না, তারা রাতেই বাজার করেন। এখন যেহেতু সন্ধ্যা হয় ৭টায়, সেজন্য লোকজন আসতে না আসতেই রাত ৮টা বেজে যায়। এমন পরিস্থিতিতে রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত মোবাইলের আলোয় চলে মাছ বাজারের বেচাকেনা।

jagonews24

শুক্রবার (৫ আগস্ট) রাতে পটুয়াখালী নিউমার্কেট বাজারে গিয়ে দেখা যায়, মাছের দোকানগুলোতে মাচার ওপরে মোবাইল ফোনগুলো এমনভাবে রাখা হয়েছে যাতে মোবাইলের টর্চলাইটের আলো সরাসরি নিচে রাখা মাছের পাত্রে পড়ে। আবার যারা মাছ কাটাকাটির কাজ করছেন তারাও বঁটি বরাবর মোবাইলগুলো তাক করে রেখেছেন। পাশাপাশি অনেক ক্রেতাকে তাদের মোবাইল ফোন বিক্রেতার দিকে তাক করে সহযোগিতা করতে দেখা গেছে।

jagonews24

নিউমার্কেটের মাছবিক্রেতা রনত জাগো নিউজকে বলেন, ‘মাছ এবং সবজি যেহেতু সবসময় প্রয়োজন হয় সে কারণে আমাদের অন্তত রাত ১০টা পর্যন্ত বৈদ্যুতিক বাতি জালিয়ে বিক্রি করার সুযোগ দিলে ক্রেতা-বিক্রেতা সবার জন্য উপকার হয়। যেহেতু সরকার নিয়ম করেছে ৮টায় দোকান বন্ধ করতে হবে, সে কারণে আমরা ৮টায় বাতি বন্ধ করে মোবাইল জ্বালিয়ে দোকানদারি করছি।’


আরও খবর



সাইফের ফুটবল থেকে সরে যাওয়া নিয়ে কী বলছে বাফুফে?

প্রকাশিত:Wednesday ০৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১৭ August ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
Image

হঠাৎ করেই ফুটবলীয় কার্যক্রম থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশের ফুটবলের অন্যতম করপোরেট দল সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। এই দলটির মাধ্যমেই ২০১৬ সালে প্রথম কোন কর্পোরেট দল ফুটবলে এসেছিল।

সাইফের ফুটবল থেকে সরে যাওয়া কোনো ভাল খবর নয়। এটা ফুটবলের জন্য দারুণ এক দুঃসংবাদ। কারণ, এই ক্লাবটি কেবল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগেই খেলার জন্য খেলেনি। তাদের বিশাল ভবিষ্যত পরিকল্পনাও ছিল।

এই ক্লাবের বয়সভিত্তিক দলটি খেলে দ্বিতীয় বিভাগ লিগে। তারা দেশব্যাপি প্রতিভা অন্বেষণ করে খেলোয়াড় বাছাই করে দল তৈরি করে। এ দলটি ফুটবলে আসার পর প্রতি বছর দলবদলে তাদের খেলোয়াড় নিয়ে টানাটানি শুরু হয় অন্য ক্লাবগুলোর মধ্যে। কারণ, ফুটবলার তৈরির একমাত্র স্বীকৃত দলই এই সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব।

প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে তৃতীয় হওয়া দলটির হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তের পর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) প্রফেশনাল লিগ কমিটির চেয়ারম্যান আবদুস সালাম মুর্শেদীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছি। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।

বাফুফের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহগ বলেছেন, ‘সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব থেকে চিঠি পেয়েছি। বাফুফে সভাপতি বরাবর একটা চিঠি তারা দিয়েছে। সেখানে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড বলেছে, ফুটবলীয় কার্যক্রমে সাময়িকভাবে অংশগ্রহণ করছে না। তাদের যুব দলটাও দ্বিতীয় বিভাগ লিগে খেলে থাকে। তারা আসলে ফুটবলের সব কার্যক্রম থেকেই বিরতি নিচ্ছে।’

চিঠিতে কী কারণ দেখিয়েছে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব? ‘তারা চিঠিতে উল্লেখ করেছে যে, বৈশ্বিক ব্যবসা-বাণিজ্যের যে পরিস্থিতি তার মধ্যে তাদের পক্ষে ফুটবল সংক্রান্ত কর্মকান্ডে ফোকাস করা সম্ভব হচ্ছে না। দেশের ফুটবলের যে কর্মকান্ড চলছে তার জন্য প্রশংসাও করা হয়েছে চিঠিতে’ - বলেছেন মো. আবু নাইম সোহাগ।

সাইফের নাম প্রত্যাহারের পর প্রিমিয়ার লিগের অনেক হিসেব বদলে যাবে। তাতে কোনো সংকট তৈরি হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ‘কোনো মৌসুমেই আমাদের কোনো দলই কিন্তু নিশ্চিত নয়। প্রতি বছরই দলগুলোকে ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের জন্য আবেদন করতে হয়। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই ক্লাবগুলোকে লাইসেন্স প্রদান করা হয় এবং তার আলোকে ক্লাবগুলো লিগ খেলে থাকে। এই মুহূর্তে আমাদের পক্ষে বিষয়টি নিয়ে বেশি কিছু বলা সম্ভব না।’

বাফুফের কিছু করণীয় আছে কি না এ ব্যাপারে- এমন প্রশ্নের জবাবে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক বলেছেন,‘আমাদের প্রফেশনাল লিগের আদল, কাঠামো এবং যে বৈশ্বিক নিয়ম কানুন, আমরা যেমন বাফুফে ক্লাব লাইন্সেসিংটা ফলো করি। ক্লাব লাইন্সেসিংটাই বলে দেবে ক্লাব কতটা সামনে এগুতে পারে। সেই আলোকে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবং পরের মৌসুমকে সামনে রেখে আমাদের ক্লাব লাইসেন্সিং উইনডো ওপেন হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট দলকে আবেদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কমিটিই সিদ্ধান্ত নেবে আগামী মৌসুমে কারা কারা খেলছে।’

তাছাড়া লিগে প্রমোশন ও রেলিগেশনের একটা বিষয় রয়েছে উল্লেখ করে মো. আবু নাইম সোহাগ বলেছেন, ‘এ বছর বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ থেকে প্রিমিয়ার লিগে যারা উঠবে তারা স্পোর্টিং মেরিট অনুযায়ী বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে খেলার জন্য যোগ্য। তবে তারা যদি ক্লাব লাইসেন্সিং না করে এবং শর্ত পূরণ না করে তাহলে চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হলেও প্রিমিয়ার লিগ খেলতে পারবে না। কারণ, চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হওয়া প্রিমিয়ার লিগে খেলার একটা শর্ত। তাই বলবো ক্লাব লাইসেন্সিং শেষ হওয়ার পর আমরা বুঝতে পারবো কারা থাকছে প্রিমিয়ার লিগে।’


আরও খবর



দিনাজপুরে নারীর মরদেহ উদ্ধার, পরিকল্পিত হত্যা বলছে পুলিশ

প্রকাশিত:Saturday ৩০ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ১৬ August ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
Image

দিনাজপুরের খানসামায় আম বাগান থেকে সাদেকা বেগম (৩২) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি পুলিশের।

শুক্রবার (২৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ভেড়ভেড়ী গ্রামের সায়েদ চেয়ারম্যান পাড়ায় সাবেক স্বামী জাহাঙ্গীর ইসলামের বাড়ির পাশে আম বাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা। সাদেকা উপজেলার তেবাড়িয়ার ডাঙ্গাপাড়া এলাকার আব্দুস সামাদের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাদেকা প্রায় ৯ মাস আগে তার প্রথম স্বামী জাহাঙ্গীর ইসলামকে তালাক দিয়ে নীলফামারীর সদর উপজেলার দারোয়ানী এলাকায় সলেমান মিস্ত্রিকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সাদেকা তার স্বামী ও শ্বশুরকে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর আর বাড়িতে ফেরেননি। শুক্রবার সকালে সাবেক স্বামী জাহাঙ্গীরের বাড়ির পাশে বাগানে তার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। তবে স্ত্রীর মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পরও দ্বিতীয় স্বামীর বাড়ির লোকজন আসেনি।

সাদেকার ভগ্নিপতি মাহাবুর ইসলাম বলেন, ‘প্রথম স্বামীর সঙ্গে ১৫ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল সাদেকার। ওই সংসারে তাদের তিনটি ছেলে সন্তান রয়েছে। সংসারে খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া ও নির্যাতন করায় তাদের তালাক হয়। পরে পরিবারকে না জানিয়ে সলেমান মিস্ত্রির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। নতুন স্বামীর বাড়ি থেকে বাচ্চাদের খোঁজ খবর নিতে গত রাতে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে যায়। এরপর সকালে জানতে পারি সাদেকাকে কে বা কারা হত্যা করে মরদেহ আম বাগানে ফেলে রেখেছে। এটি একটি হত্যাকাণ্ড এবং এ হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’

এ বিষয়ে জানতে সাদেকার দ্বিতীয় স্বামী সলেমান মিস্ত্রির মোবাইল নম্বরে কল দিলেও বন্ধ পাওয়া যায়।

খানসামা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তাওহীদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। নিহতের মরদেহের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এলেই সঠিক তথ্য জানা যাবে। এরপর দোষীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে একটি মামলার প্রক্রিয়াও চলছে।


আরও খবর



শেখ কামাল তারুণ্যের অগ্রদূত

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১৭ August ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

দুলাল আচার্য

আজ ৫ আগস্ট, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের ৭৪তম জন্মদিন। ১৯৪৯ সালের এই দিনে তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। অর্থাৎ ভারতবর্ষ ভাগের পর সদ্য পাকিস্তান রাষ্ট্রে শেখ কামালের জন্ম হয়। সেই অর্থে পাকিস্তান রাষ্ট্রে শোষণ-বঞ্চনা-নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাঙালির স্বাধীনতা আদায়ের সংগ্রামের পরিক্রমা আর শেখ কামালের বেড়ে ওঠা ছিল অনেকটাই সমান্তরাল। বাঙালির ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সন্তান হিসেবে তিনি খুব কাছ থেকেই বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রাম প্রত্যক্ষ করেছেন।

বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী ছিলেন শেখ কামাল। শাহীন স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে বিএ (অনার্স) পাস করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের হাতে নিহত হওয়ার আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের এমএ শেষ পর্বের পরীক্ষার্থী ছিলেন।

নিহত হওয়ার পর তার পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। ছিলেন জাতীয় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যও। ১৯৬৯-র গণঅভ্যুত্থান ও ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরোচিত ভূমিকা পালন করেন শেখ কামাল। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ওয়ার কোর্সে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে মুক্তিবাহিনীতে কমিশন্ড লাভ করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল এমএজি ওসমানির এডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সংস্কৃতিকে তিনি রাজনীতির সমীকরণ ভাবতেন। তাই সংস্কৃতির রাজনীতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন শেখ কামাল। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, রাজনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন চাইলে রাজনীতির সংস্কৃতি বদলাতে হয়। রাজনীতির সংস্কৃতিকে টেকসই করার জন্য তিনি সমাজের বিভিন্ন স্তরে, বিভিন্ন অঙ্গনে পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিলেন। তিনি ‘ছায়ানট’র সেতার বাদন বিভাগের ছাত্র ছিলেন। মঞ্চ নাটক আন্দোলনের ছিলেন প্রথমসারির সংগঠক। ছিলেন নাট্যচক্রের নাট্যজন। সংস্কৃতিমনা বন্ধুদের নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন ‘স্পন্দন শিল্পী গোষ্ঠী’।

শেখ কামাল ছিলেন ‘ঢাকা থিয়েটার’র প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম। অভিনয় শিল্পী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যাঙ্গনে ছিলেন ব্যাপক পরিচিত। ক্রীড়া ও সংস্কৃতিকে তিনি গ্রহণ করেছিলেন আত্মোপলব্ধির সোপান হিসেবে। শেখ কামাল খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সংগঠিত বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আত্মনিবেদিত ছিলেন। মাত্র ২৬ বছর বয়সেই সর্বক্ষেত্রে তিনি তার অসামান্য মেধা ও অসাধারণ কর্মকাণ্ডের উজ্জ্বল সাক্ষর রেখে গেছেন। লোভ-লালসা তাকে কখনও স্পর্শ করতে পারেনি। তিনি সবসময়ই ব্যক্তির চেয়ে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ সুরক্ষায় কাজ করে গেছেন।

বাংলাদেশের আধুনিক ক্রীড়াঙ্গনের রূপকার বলা হয় শেখ কামালকে। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে তরুণ সমাজকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলার অগ্রণী সৈনিক হিসেবে সংগঠিত করার জন্য তিনি খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক-সামাজিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় উদ্যোগী হন। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন আবাহনী ক্রীড়াচক্র, যা আজকের আবাহনী ক্লাব।

স্বাধীনতা-উত্তর যুব ও ক্রীড়া উন্নয়নে শেখ কামাল যে অনন্য অবদান রেখে গেছেন তার স্মরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার, শেখ কামালের নামে কক্সবাজারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ, বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আন্তর্জাতিকমানের স্টেডিয়াম ও ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ এবং শেখ কামালের জীবনের ওপর বিভিন্ন গ্রন্থের প্রকাশ। এছাড়া শেখ কামালের স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাংলাদেশের ফুটবলকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

শেখ কামাল ছিলেন তার প্রজন্মের অগ্রবর্তী পথপ্রদর্শক। ছিলেন তিনি দূরদর্শী ও গভীর চিন্তাবোধের অধিকারী। শেখ কামাল মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখসমরে অংশ নিতে চেয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে জেনারেল ওসমানীর এডিসি নিয়োগ করা হলে, সন্মুখযুদ্ধে যেতে না পারার কষ্ট তার ছিল। তবে এডিসি হিসেবে মুক্তিবাহিনীতে গেরিলা বাহিনীর সংগঠনে ও তাদের প্রশিক্ষণে অসামান্য দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন।

সদ্য প্রয়াত প্রবীণ সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী তার এক স্মৃতিচারণে উল্লেখ করেছিলেন, ‘বাবা বঙ্গবন্ধুর মতোই শেখ কামালও ছিলেন একজন অত্যন্ত সাহসী মানুষ। ২৬ মার্চ ভোরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার পরপরই তিনি তার মাকে লুকিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। তার সাহসী চিন্তা-চেতনা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং বিচক্ষণতা তাকে যুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশে তরুণ সমাজের কাছে এক অনুসরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছিল।’

রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানের সন্তান হয়েও অত্যন্ত সাদাসিধে জীবনযাপন করতেন শেখ কামাল। ক্ষমতার বিন্দুতে থেকেও তিনি ছিলেন নির্লোভ, নির্মোহ। তার সারল্যতার পরিচয় মেলে সেই শৈশবেই। বঙ্গবন্ধুর বয়ানেই এই সারল্যতা ফুটে উঠেছে। একবার জেল থেকে মুক্তি পেয়ে বঙ্গবন্ধু প্রায় দেড় মাস টুঙ্গিপাড়ার গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। এ সময় শেখ কামালকে নিয়ে আবেগঘন একটি দিনের ঘটনা আত্মজীবনীর ২০৯ পৃষ্ঠায় এভাবে উল্লেখ করেছেন বঙ্গবন্ধু- “একদিন সকালে আমি ও রেণু বিছানায় বসে গল্প করছিলাম। হাচু ও কামাল নিচে খেলছিল। হাচু মাঝে মাঝে খেলা ফেলে আমার কাছে আসে আর ‘আব্বা’ ‘আব্বা’ বলে ডাকে। কামাল চেয়ে থাকে। একসময় কামাল হাচিনাকে বলছে, ‘হাচু আপা, হাচু আপা, তোমার আব্বাকে আমি একটু আব্বা বলি। আমি আর রেণু দু’জনই শুনলাম। আস্তে আস্তে বিছানা থেকে উঠে যেয়ে ওকে কোলে নিয়ে বললাম, ‘আমি তো তোমারও আব্বা।’... কামাল আমার কাছে আসতে চাইতো না। আজ গলা ধরে পড়ে রইল। বুঝতে পারলাম, এখন আর ও সহ্য করতে পারছে না। নিজের ছেলেও অনেকদিন না দেখলে ভুলে যায়।”

শেখ কামালকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর আবেগঘন উচ্চারণ- একবার গ্রেফতার অবস্থায় ফরিদপুর কারাগার থেকে জাতির পিতাকে গোপালগঞ্জে আনা হয়েছিল মামলার তারিখে। তখন গোপালগঞ্জ থানা ঘাটে গিয়ে বঙ্গবন্ধু দেখেন তাদের নৌকা। পিতা, স্ত্রী ও সন্তানরা এসেছেন। এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, “এক বছর পরে আজ ওদের সাথে আমার দেখা। হাচিনা আমার গলা ধরল আর ছাড়তে চায় না। কামাল আমার দিকে চেয়ে আছে। আমাকে চেনেও না আর বুঝতেও পারে না। আমি কে? কামালও আমার কাছে এখন আসে। হাচু ‘আব্বা’ বলে দেখে কামালও ‘আব্বা’ বলতে শুরু করেছে।”

কারাগারের রোজনামচা বইয়ের ১৫৯ পৃষ্ঠায় শেখ কামালের প্রসঙ্গ উল্লেখ রয়েছে। ১৯৬৬ সালের ১২ জুলাই বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কারাগারে দেখা করতে গেলে কামালের পড়াশোনা নিয়ে কথা হয়। বিষয়টি বঙ্গবন্ধু উল্লেখ করেছেন এভাবে, ‘রেণু বলল, কামাল খুব লেখাপড়া আরম্ভ করেছে। আগামীবারে মেট্রিক পরীক্ষা দেবে। সকলকে মন দিয়ে পড়তে বলে বিদায় নিলাম।’ পরের বছর কামালের মেট্রিক পরীক্ষার সময়কালে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, ‘৬ এপ্রিল (১৯৬৭) থেকে আমার বড় ছেলে মেট্রিক পরীক্ষা দেবে। কোনো খবর পাই নাই কেমন পরীক্ষা দিলো।’ পরে আবার লিখেন- ‘কামাল এসেছিল। বলল পরীক্ষা ভালো দিয়েছে। এই খবরটার জন্য ব্যস্ত ছিলাম।’

শেখ কামাল বর্তমান প্রজন্মের কাছে এক অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব হলেও স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি ও দেশবিরোধী চক্র জাতির পিতার পরিবার নিয়ে গোয়েবলসীয় কায়দায় বারবার মিথ্যাচার করে জনমানসে এক ভ্রান্ত প্রতিচিত্র আঁকার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সময়ের পথ ধরে ইতিহাসের প্রকৃত সত্য আজ প্রতিষ্ঠিত। কালো মেঘ ক্ষণিকের জন্য বাধাগ্রস্ত করলেও যেমন সূর্যোদয় রুখতে পারে না, ঠিক তেমনি সত্য আজ তার নিজস্ব শক্তি নিয়েই সব বাধা ডিঙিয়ে উদ্ভাসিত।

শেখ কামাল অফুরন্ত প্রাণশক্তির অধিকারী ছিলেন। বিরামহীনভাবে ছুটে চলা এ উদ্দীপ্ত কর্মনিষ্ঠ প্রাণের স্পন্দনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেয় খুনি ঘাতকচক্র। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের জন্য প্রস্তুতিতেও ছিলেন শেখ কামাল। ১৪ আগস্ট রাত ১০টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতাদের সঙ্গে।

খুনি ঘাতকচক্র শেখ কামালকে হত্যার মধ্য দিয়ে শুধু এক প্রতিশ্রুতিশীল তারুণ্য বা যুব অহংকারকেই হত্যা করেনি, হত্যা করেছিল ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের এক সম্ভাবনাময় নেতৃত্বকে। ঘাতকরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করলেও স্বাধীন বাংলাদেশের উদ্দীপ্ত তারুণ্যের অগ্রদূত এবং ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম পথিকৃত, বহুমাত্রিক গুণে-গুণান্বিত এই অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, বাঙালির চিন্তা-চেতনায় ও জাতির ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবেন। প্রজন্মের অহংকার শেখ কামাল, জন্মদিনে সশস্ত্র শ্রদ্ধা।

লেখক: সাংবাদিক।


আরও খবর