Logo
আজঃ Sunday ২৪ October ২০২১
শিরোনাম
হলে ফিরছেন দর্শক, প্রশংসা পাচ্ছে ‘পদ্মাপুরাণ’

‘পদ্মাপুরাণ’ দেখতে হলে ফিরছেন দর্শক

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ১৭৬জন দেখেছেন
বিনোদন ডেস্ক

Image


বিনোদন ডেস্ক :

 

মুক্তির আগেই আলোচনায় ছিল তরুণ নির্মাতা রাশিদ পলাশের প্রথম চলচ্চিত্র ‘পদ্মাপুরাণ’। নানান চমকের পর এবার ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। গেল শুক্রবার (৮ এপ্রিল) দেশের বড় কিছু প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে এটি। মুক্তির দুই দিনেই বেশ ভালো সাড়া মিলেছে দর্শকের।

 

বিশেষ করে সিনেপ্লেক্সগুলোতে মুক্তি পাওয়ায় শহরের দর্শক ছবিটি দেখতে আসছেন আশা জাগিয়ে। পরিচালকের ভাষ্যে, ‘করোনাকালীন অনেক মন্দ সময় গেছে আমাদের। সিনেমা নিয়েও আমরা একটা চ্যালেঞ্জের মুখে ছিলাম। এখনো করোনা পুরোপুরি বিদায় নেয়নি। তাই একটা আতঙ্ক তো ছিলোই সিনেমাটির মুক্তি নিয়ে।

 

তবে আশার কথা হলো বেশ ভালো রেসপন্স পাচ্ছি। প্রথম দিন কয়েকটি হলে শো ফুলহাউজ গেছে। আমার প্রথম সিনেমা এটি, তাই দর্শকের এই সাড়া আমার জন্য দারুণ অনুভূতির।

তিনি দাবি করেন, দর্শক সিনেমাটি দেখে প্রশংসা করছেন। ছবির গল্প, শিল্পীদের অভিনয় নিয়ে আলোচনা করছেন অনেকে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও দর্শক ছবিটি দেখার তৃপ্তির কথা লিখছেন। অনেকে কিছু সমালোচনাও করছেন। সেগুলোকে নির্মাতা ভুল হিসেবে নিয়ে পরবর্তীতে তা শোধরে নেয়ার চেষ্টা হিসেবেই দেখছেন।

 

‘পদ্মাপুরাণ’ ছবিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদিয়া মাহি, প্রসূন আজাদ, শম্পা রেজা, জয়রাজ, সুমিত সেনগুপ্ত, কায়েস চৌধুরী, সূচনা শিকদার, রেশমী, হেদায়েত নান্নু, আশরাফুল আশিষ, সাদিয়া তানজিন প্রমুখ। এদের মধ্যে আলাদা করে আলোচনায় এসেছে সাদিয়া মাহি ও সুমিতের অভিনয়।

 

ছবির গল্প ভাবনা জানিয়ে পরিচালক বলেন, ‘পদ্মার পাড়ের প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের লড়াইয়ে গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করেছি এ সিনেমায়। আমি বিশ্বাস করি অনেক ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে এই সিনেমা।সেই জায়গাটাই পর্দায় দেখানোর চেষ্টা করেছি। আমি কোনো মতামত দেয়ার পক্ষে না। আমি একটা ওপেন এন্ডিং রাখতে চেয়েছি দর্শক যে যার মতো করে ভেবে নেবে।

 

 ‘পদ্মাপুরাণ’- দেখা যাচ্ছে

 

স্টার সিনেপ্লেক্স (বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স ও সনি স্কয়ার মিরপু্র), শ্যামলী সিনেমা, যমুনা ব্লকবাস্টার (যমুনা ফিউচার পার্ক), সিনেস্কোপ (নারায়ণগঞ্জ), সুগন্ধা সিনেমা (চট্টগ্রাম)।

 

খবর প্রতিদিন / সি.বা


আরও খবর



দেড় বছর পর করোনায় মৃত্যুশূন্য দিন কাটালো ঢাকা

১৮ মাস পর করোনায় মৃত্যুশূন্য ঢাকা

প্রকাশিত:Wednesday ২০ October ২০21 | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ১১১জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


বাংলাদেশে ২০২০ সালের ৮ মার্চ প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর আসে। এরপর সর্বশেষ ওই বছরের ৩ এপ্রিল মৃত্যুহীন দিন দেখেছিল বাংলাদেশ। এরপর দীর্ঘ দেড় বছর পর মৃত্যুশূন্য দিন পেল ঢাকা। দীর্ঘ এ ১৮ মাস দেশের অন্যান্য বিভাগে মৃত্যুশূন্য দিন গেলেও ঢাকায় যায়নি।

 

বুধবার (২০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনা পরিস্থিতি সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা কমেছে। সবশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের তিন বিভাগে ছয়জনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে পুরুষ চারজন ও নারী দুজন। সরকারি হাসপাতালে পাঁচজন ও বেসরকারি হাসপাতালে একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৭৯১ জনে।

 

এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ছয়জনের মধ্যে চট্টগ্রামে তিনজন, রাজশাহীতে দুইজন ও খুলনা বিভাগে একজন রয়েছেন। এ সময়ে ঢাকা বিভাগসহ পাঁচ বিভাগে করোনায় কোনো মৃত্যু নেই। অন্য চারটি বিভাগ হলো- বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ।

 

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি ৮৩১টি ল্যাবরেটরিতে ২০ হাজার ৩৯৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৮০ শতাংশ। আজ পর্যন্ত সর্বমোট নমুনা পরীক্ষার ভিত্তিতে শনাক্তকৃত রোগীর হার ১৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

 

২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৮১ জন। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ১৫ লাখ ২৯ হাজার ৫৪৯ জন। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

 

করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর পর থেকে ২০ অক্টোবর পর্য়ন্ত মারা যাওয়া ২৭ হাজার ৭৯১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১২ হাজার ১১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ হাজার ৬৪০ জন, রাজশাহী বিভাগে ২ হাজার ৩৮ জন, খুলনা বিভাগে ৩ হাজার ৫৮৭ জন, বরিশাল বিভাগে ৯৪৩ জন, সিলেট বিভাগে ১ হাজার ২৬১ জন, রংপুর বিভাগে ১ হাজার ৩৬২ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৪১ জনের মৃত্যু হয়।

 

  -খবর প্রতিদিন / সি.বা 


আরও খবর



রংপুরে অগ্নিসংযোগের ঘটনার অন্যতম হোতাকে গ্রেফতার

পীরগঞ্জে হিন্দুপল্লীতে হামলা-অগ্নিসংযোগের অন্যতম হোতা গ্রেফতার

প্রকাশিত:Saturday ২৩ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ১৪১জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


সম্প্রতি রংপুরের পীরগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের উদ্দেশ্যে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার অন্যতম হোতাকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) রাতে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। তিনি বলেন, রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দুপল্লীতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের উদ্দেশ্যে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার অন্যতম হোতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

তবে গ্রেফতার ব্যক্তির নাম জানায়নি র্যাব। এ বিষয়ে আগামীকাল শনিবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।

এদিকে, গত ১৯ অক্টোবর পীরগঞ্জের ১৩ নম্বর রামনাথপুর ইউনিয়নের মাঝিপাড়ায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী বলেন, পীরগঞ্জে হিন্দুপল্লীতে হামলার ঘটনা পরিকল্পিত। পরিকল্পিত না হলে এত বড় ঘটনা ঘটতো না। এর গোড়ায় আমাদের যেতে হবে। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। তদন্ত করলে বের হয়ে আসবে, এতে কারও ইন্ধন আছে কি না।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর



মাগুরা সদরে ‘আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহত

মাগুরায় দু’গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রকাশিত:Friday ১৫ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ৩২০জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


ডেস্ক এডিটর : 

মাগুরা সদরে ‘আধিপত্য বিস্তার নিয়ে  দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে অন্তত ৫০ জন।  জগদল ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়ায় শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

তিনি জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ মাগুরা সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে। হাসপাতালের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কোনো রোগীর স্বজনকে এখন হাসপাতালে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।

 

নিহতরা হলেন রহমান মোল্লা, মো. কবির, মো. অসিয়াত ও মো. ইমরান। তাদের সবার বাড়ি জগদলের দক্ষিণ পাড়ায়।

 

স্থানীয় লোকজন জানান, ১১ নভেম্বর জগদল ইউনিয়ন পরিষদকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। এই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সবুর ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. নজরুলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



আমরা আজকে ফেসবুকে যা নিয়ে কথা বার্তা বলছি সেটাই বুঝি বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রায় ১২ কোটি মানুষের কোন আগ্রহই নেই ফেসবুকে

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Saturday ২৩ October ২০২১ | ১২৩জন দেখেছেন
Image


 

Solaiman Shukhon  এর পেইজ থেকে নেয়া

 

 

আমরা ঢাকা বা কিছু বিভাগীয় শহরে বাস করা মানুষজন নিজেদেরকে বেশ খানিকটা পন্ডিত মনে করি |আমরা ভাবি আমরা আজকে ফেসবুকে যা নিয়ে কথা বার্তা বলছি সেটাই বুঝি বাংলাদেশ |

 

বাংলাদেশের প্রায় ১২ কোটি মানুষের কোনো অংশগ্রহণ এবং আগ্রহই নেই এসবে |

অধিকাংশ বাংলাদেশিদের মনোযোগ তার গ্রাম তার ধানক্ষেত তার মাছ ধরার নৌকা কিংবা বিদেশে কাজ করতে যাওয়া ছেলেকে নিয়ে |

 

শহরের কিছু মানুষ ফোনের স্ক্রিনে কি দেখে হাহা হিহি করছে সেটা এখনো বাংলাদেশকে রিপ্রেসেন্ট করে না | শহরের আমরা নিজেদের যতটা পন্ডিত মনে করি আমরা আসলে ততটা পন্ডিত না 🙂|

 

 

 

 


আরও খবর



ছাদ কিংবা ব্যালকনিতে টবে ঢেঁড়শ চাষ করবেন যেভাবে

সহজে ঢেঁড়শ চাষের উপায় !

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ২০৮জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image



ডেস্ক এডিটর : 

শহরে বসবাস করেও অনেকে বিভিন্ন সবজি চাষ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ইচ্ছে করলেই ছাদে কিংবা ব্যালকনিতে অল্প পরিসরে নানান রকমের সবজি চাষ করতে পারেন। চাইলে আপনি সহজ উপায়ে টবে ঢেঁড়শ চাষ করতে পারেন।শহরের বাসা-বাড়ির ছাদে বা বারান্দায় বড় বড় টবে, মাটির চাঁড়িতে, ড্রামে কিংবা একমুখ খোলা কাঠের বাক্সে সার, মাটি ভরে অনায়াসেই ঢেঁড়শ চাষ করা যায়।

 

ঢেঁড়শ আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় সবজি। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে, তাছাড়া ভিটামিন -এসহ অন্যান্য উপাদানও রয়েছে। আমাদের দেশে যে কোনো সময় ঢেঁড়শ চাষ করা যায়।

গাছের বৃদ্ধি এবং ঢেঁড়শের ভালো ফলনের জন্য মাটি অবশ্যই উর্বর, হালকা এবং ঝুরঝুরে হতে হবে। পানি শুকিয়ে গেলে টবের মাটিতে যেন ফেটে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। টবের মাটি ঝুরঝুরা রাখতে হলে সমপরিমাণে দো-আঁশ মাটি ও জৈব সার একসাথে ভালোভাবে মেশাতে হবে।

 

এঁটেল মাটিতে জৈব সারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। সাধারণভাবে প্রতি টবের মাটিতে চা চামচের চার চামচ টিএসপি সার ও ৫ থেকে ৬ দিন আগে ভেজানো ১১৬ গ্রাম পরিমাণ সরিষার খৈল মেশানো যেতে পারে।

 

ঢেঁড়শের অনেক জাত রয়েছে। এর মধ্যে পুশা শাওনী, কাবুলি ডোয়ার্ফ, লক্ষ্ণৌ ডোয়ার্ফ, লং গ্রিন, লং হোয়াইট, পেন্টা গ্রনি-এসব বিদেশি জাত বেশ জনপ্রিয়।

গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত অর্থাৎ বছরের যে কোনো সময়ই ঢেঁড়শ গাছ লাগানো যায়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শীতের শেষভাগ থেকে বৈশাখ পর্যন্ত ঢেঁড়শ লাগানো যায়। এরপরও লাগানো যায় তবে নাবী ফসলে মোজাইক রোগ হয় বলে ফলন ভালো হয় না।

 

ঢেঁড়শের চারা রোপণকালীন সময় আঘাত সহ্য করতে পারে না বলে সরাসরি মূল টবে বুনতে হবে। ঢেঁড়শের জন্য মাঝারী ধরণের টব হলেই চলবে। প্রতি টবে ২ থেকে ৩টি বীজ বুনে দিতে হয়।চারা গজানোর পর একটি সবল চারা রেখে বাকিগুলো ফেলে দিতে হয়। খোসা শক্ত বলে ঢেঁড়শের বীজ দেরিতে গজায়। তাই বোনার আগে ২৮ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।ঢেঁড়শ গাছ পানি সহ্য করতে পারে না। গাছের গোড়ায় দাঁড়ানো পানি তাড়াতাড়ি সরিয়ে দিতে হবে। প্রত্যেকটি টবে পানি যাতে না বেধে থাকে তার ব্যবস্থা করতে হবে।

 

গাছ ১০ থেকে ১২ সে.মি. বড় হলে টবের কিনার ঘেঁষে ১ চা চামচ ইউরিয়া ও ১ চা চামচ মিউরেট অব পটাশ মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।

 

শুঁয়া পোকা কচি কাণ্ড ছিদ্র করে গাছের ক্ষতি করে। ভাইরাস (মোজাইক) রোগ ঢেঁড়শে প্রায়ই দেখা যায়। এ রোগে পাতা হলদে হয়ে কুঁচকে যায়। রোগাক্রান্ত গাছ তুলে মাটিতে পুঁতে দিতে হয়। শুঁয়া পোকার আক্রমণ থেকে ঢেঁড়শ গাছকে বাঁচাতে হলে প্রতি লিটার পানিতে ১ মি. লি. ডায়াজিনন-৮০, নুভাক্রণ-৪০, একালাক্স-২৫ এর যে কোনোটি অথবা ১ লিটার পানিতে ১ মিলি লিটার সিমবুশ-১০ মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

 

বীজ বপনের দুই মাস পরেই ফল পাওয়া যায়। কচি অবস্থায় ঢেঁড়শ তুলতে হয়। দেরি হলে ফল শক্ত হয়ে যায় ও সেটা খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে যায়। ঘন ঘন ঢেঁড়শ তুললে গাছে বেশি পরিমাণে ঢেঁড়শ আসে। গাছের ঠিক মতো যত্ন নিলে এক একটি ঢেঁড়শ গাছ থেকে অনেকদিন ফসল পাওয়া যায়।

 

খবর প্রতিদিন / সি.বা 


আরও খবর