Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
পদ্মা সেতু পারাপারে টোল

পদ্মা সেতু পারাপারে টোলের হার নির্ধারণ করে দিয়েছে সেতু বিভাগ

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৫৬জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

উদ্বোধন এর আগেই পদ্মা সেতু দিয়ে পারাপারের জন্য অনুমোদিত যানবাহনের টোল নির্ধারণ করেছে সরকার। এতে সেতু পার হতে বড় বাসকে দুই হাজার ৪০০ টাকা টোল দিতে হবে। আর থ্রি-এক্সেল ট্রাকে লাগবে পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়া ১০০ টাকা টোল পরিশোধ করে সেতু পার হতে পারবে মোটরসাইকেল।

মঙ্গলবার (১৭ মে) সেতু বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ টোল হার নির্ধারণ করা হয়।

সরকার নির্ধারিত টোল হার অনুযায়ী, পদ্মা সেতু পারাপারে মোটরসাইকেলে ১০০ টাকা, কার ও জিপে ৭৫০ টাকা, পিকআপে এক হাজার ২০০ টাকা, মাইক্রোবাসে এক হাজার ৩০০ টাকা টোল পরিশোধ করতে হবে। বাসের ক্ষেত্রে ছোট বাস (৩১ আসন) এক হাজার ৪০০ টাকা, মাঝারি বাস (৩২ আসন বা এর বেশি) দুই হাজার টাকা, বড় বাস (থ্রি-এক্সেল) প্রতি দুই হাজার ৪০০ টাকা টোল দিতে হবে।

এছাড়া ছোট ট্রাককে (পাঁচ টন পর্যন্ত) এক হাজার ৬০০ টাকা, মাঝারি ট্রাকে (পাঁচ টনের বেশি ও সর্বোচ্চ আট টন পর্যন্ত) দুই হাজার ১০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (আট টনের বেশি ও সর্বোচ্চ ১১ টন) দুই হাজার ৮০০ টাকা, ট্রাকে (থ্রি-এক্সেল পর্যন্ত) পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা, ট্রেইলার (ফোর-এক্সেল পর্যন্ত) ছয় হাজার টাকা। আর ট্রেইলার (ফোর-এক্সেলের অধিক) ছয় হাজারের সঙ্গে প্রতি এক্সেলের জন্য এক হাজার ৫০০ টাকা যুক্ত হবে।



আরও খবর



চট্টগ্রাম মেডিকেলে বাবার অপেক্ষায় ৩ মাসের দিহাস

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
Image

৬ বছরের দিহান আর ৩ মাসের দিহাস। এই দুই সন্তানকে নিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডিএনএ নমুনা দিতে দাঁড়িয়েছেন মা রেশমি আকতার। বাবার মরদেহ শনাক্তের আশায় ডিএনএ নমুনা দেবে তারা।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে রেশমি আকতার জাগো নিউজকে বলেন, আমার স্বামী শাহজাহান কাভার্ডভ্যান চালাতেন। গার্মেন্টসের পোষাক নিয়ে ঢাকা থেকে বিএম ডিপোতে এসেছিলেন। শনিবার বিকেল তিনটায় সর্বশেষ কথা হয় শাহজাহানের সঙ্গে। রোববার সকালে গাড়ির কোম্পানি আমাদের ফোন করে আগুন লাগার কথা জানিয়েছে। আগুনের সময় শাহজাহান ওই ডিপোতে ছিল। আমরা অনেক হাসপাতালে খুঁজেছি, কোথাও খোঁজ পাইনি।

কথা হলে রেশমির বাবা মো. লিটন বলেন, আমার সঙ্গে শনিবার রাতে কথা হয়েছে শাহজাহানের। ডিপোতে আগুন লাগার খবর জানিয়েছিল আমাকে। এরপর থেকে তার মোবাইল বন্ধ। আমরা হাসপাতালের দ্বগ্ধ লাশগুলো দেখেছি। সব বিকৃত, চেনা যাচ্ছে না।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে যাদের শনাক্ত করা যায়নি তাদের স্বজনদের ডিএনএ পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ সোমবার (৬ জুন)। এরপরই স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। ডিএনএ সংগ্রহে এরই মধ্যে বুথ স্থাপন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে জেলা প্রশাসনে সহায়তা সেলের পাশে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সহযোগিতায় এ বুথ স্থাপন করা হয়েছে।

ওই বুথের সামনে লাইনে দাঁড়িয়েছেন স্বজনরা। সেখানেই কথা হয় তাদের সঙ্গে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান জানিয়েছেন, নিহতদের মাঝে ২১ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। এদের মাঝে রোববার রাত ১০টা পর্যন্ত ১২ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অনেক মরদেহ শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তাই নিহতদের ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ টেস্ট করা হবে।

এদিকে আগুন এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নেভাতে সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা একযোগে কাজ করছেন। ঘটনাস্থলে যৌথভাবে কাজ করছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসন, র্যাব, সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, রেড ক্রিসেন্ট, সিপিপি ও স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের কর্মীরা।


আরও খবর



থামছে না হরিণ শিকার; ধরাছোঁয়ার বাইরে শিকারিরা

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
Image

সুন্দরবন ও এর আশপাশের এলাকায় একের পর এক উদ্ধার হচ্ছে হরিণের চামড়া, মাংস, পাসহ হরিণ শিকারের বিভিন্ন উপকরণ। তবে রহস্যজনকভাবে ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছেন শিকারি ও পাচার চক্রের সদস্যরা।

অভিযোগ রয়েছে বন বিভাগ, কোস্ট গার্ডসহ স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই সুন্দরবনে হরিণ শিকার করে যাচ্ছেন শিকারিরা। সুন্দরবন থেকে সহজে বের হয়ে বরগুনার পাথরঘাটা হয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাওয়ার ভালো ব্যবস্থা রয়েছে। এজন্য শিকারি ও পাচার চক্রের সদস্যরা বর্তমানে বরগুনার পাথরঘাটাকে বেছে নিয়েছেন হরিণের মাংস, চামড়া, শিং পাচারের রুট হিসেবে।

Deer-4

চলতি মাসে বরগুনার পাথরঘাটার বিভিন্ন এলাকা থেকে তিনবার উদ্ধার হয়েছে হরিণের চামড়া, মাংস, মাথা ও পা। সবশেষ বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) সকালে হরিণঘাটা সংরক্ষিত বনের খুব কাছে জিনতলা বাঁধ এলাকায় মানুষের উপস্থিতি টের পেয়ে বস্তাভর্তি হরিণের মাংস, মাথা ও পা ফেলে পালিয়ে যান পাচারকারী দুই সদস্য। পরে বন বিভাগের কাছে সেগুলো হস্তান্তর করেন স্থানীয়রা।

এ ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় একই এলাকা থেকে উদ্ধার হয় হরিণের দুটি চামড়া। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোস্ট গার্ড দাবি করে, পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় হরিণের চামড়া দুটি।

একের পর এক এমন ঘটনা চলতে থাকায় জনে মনে প্রশ্ন উঠেছে বন বিভাগ ও কোস্ট গার্ডের ভূমিকা নিয়ে। পাথরঘাটা টাইগার টিমের ‘বাঘবন্ধু’ ইমাম হোসেন নাহিদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘সুন্দরবনে হরিণ ও হরিণের বাচ্চার সংখ্যা বেড়েছে। মাঝে মধ্যেই বন থেকে বেরিয়ে লোকালয়ের আশপাশে চলে আসে বাচ্চা হরিণগুলো।’

Deer-4

তিনি বলেন, ‘চলতি মাসে তিনবার হরিণের বাচ্চা লোকালয়ে আসার খবর পেয়ে তারা সেগুলো উদ্ধার করেছেন। উদ্ধার করা বাচ্চার দুটি সোনাকাটা ইকো ট্যুরিজমে ও পাঁচটি হরিণঘাটা বনে অবমুক্ত করা হয়।’

হোসেন নাহিদের মতে, যে বাচ্চাগুলো অসাধু মানুষের হাতে পড়ে যায় তা আর জীবিত অবস্থায় বনে ফিরতে পারে না। তিনি বলেন, সুন্দরবনে হরিণ বাড়ায় শিকারিরাও উঠেপড়ে লেগেছেন। বনে ঢুকলেই হরিণ শিকারের ফাঁদ চোখে পড়ে।

শিকারিরা গ্রেফতার না হওয়ার কারণে জানতে চাইলে হোসেন নাহিদ জাগো নিউজকে বলেন, বনের মধ্যে বনরক্ষীরা থাকলেও সংখ্যায় কম। এজন্য তারা অনেকটা অসহায়। আবার অনেক বিটে বনরক্ষীদের কাছে অস্ত্র নেই। তাই তারা চাইলেই শিকারিদের মুখোমুখি হতে পারেন না। আবার অনেক সময় বাধ্য হয়ে বা লোভে পড়ে শিকারিদের সঙ্গেই তারা জড়িয়ে পড়েন।

Deer-4

‘অবশ্য কোস্ট গার্ডের ক্ষেত্রে বিষয়টা ভিন্ন। কোস্ট গার্ড কর্মকর্তারা মামলায় সাক্ষী হলে বদলি হয়েও সাক্ষী দিতে দূর-দূরান্ত থেকে আসতে বাধ্য হন। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিকারি বা পাচারকারীদের না ধরে শুধু মাংস, চামড়া উদ্ধার দেখায় কোস্ট গার্ড’, যোগ করেন পাথরঘাটা টাইগার টিমের ইমাম হোসেন নাহিদ।

এ বিষয়ে কোস্ট গার্ড পাথরঘাটা স্টেশন কমান্ডার লে. মোমেনুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, শুধু হরিণের মাংস ও চামড়া নয়, শিকারি ও পাচারকারীদের ধরতেও সবসময় চেষ্টা চালান তারা। সবশেষ কিছু অভিযানে পাচারকারী ও শিকারিরা পালাতে সক্ষম হলেও এর আগে তারা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সহজেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছিলেন। বর্তমানে যে চক্রটি তৎপর হয়েছে তাদের গ্রেফতারেও চেষ্টা চলছে।

পাথরঘাটা রেঞ্জের বন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ দাবি করেন, বনের মধ্যে বিট কার্যালয়গুলোতে জনবল স্বল্পতায় তারা পেরে ওঠেন না। হরিণ শিকারি ও বনদস্যুরা সবসময় আগ্নেয়াস্ত্রসহ থাকে। তাদের প্রতিরোধে বন বিভাগের লাঠি ছাড়া কিছুই নেই। তবে হরিণের চামড়া বা মাংস উদ্ধার করলে মামলা দিচ্ছেন কোস্ট গার্ড সদস্যরা।


আরও খবর



পাঁচদিনের সফরে ঢাকায় সার্ক মহাসচিব

প্রকাশিত:Saturday ০৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) মহাসচিব এসালা রোয়ান ওয়েরাকুন পাঁচদিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছেন।

শনিবার (৪ জুন) দুপুরে কাঠমান্ডু থেকে ঢাকায় আসেন তিনি।

সফরকালে মহাসচিব এসালা রোয়ান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ সার্কের সঙ্গে কীভাবে আরও গভীরভাবে সম্পৃক্ত হতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা প্রাধান্য পাবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা করা হবে।

প্রায় ছয় বছর পর সার্কের কোনো মহাসচিব ঢাকায় আসছেন। বর্তমান মহাসচিব এসালা রোয়ানের আরও আগেই ঢাকা সফরে আসার কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে সেটি বিলম্বিত হয়।

শ্রীলঙ্কার কূটনীতিক এসালা রোয়ান ওয়েরাকুন ২০২০ সালে সার্ক মহাসচিবের (১৪তম) দায়িত্ব পান। তার আগে সার্কের মহাসচিব ছিলেন পাকিস্তানের কূটনীতিক আমজাদ হোসেন সিয়াল।

আমজাদ হোসেন তার মেয়াদকালে না আসলেও তার আগে ২০১৪ সালে তৎকালীন সার্ক মহাসচিব অর্জুন বাহাদুর থাপা ঢাকা সফর করেছিলেন।


আরও খবর



লুৎফর হাসানের সুরে খুদে গানরাজ সজীবের গান

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
Image

খুদে গানরাজ খ্যাত গায়ক সজীব দাস। প্রতিযোগিতার মঞ্চে ছোট্ট সজীব বড়দের কঠিন কঠিন সব গান সহজভাবে গেয়ে সবাইকে অবাক করে দিয়েছিলো। সেই ছোট্ট সজীব এখন বড় হয়েছেন। গায়ক পরিচয়ের পাশাপাশি সুরকার ও সংগীত পরিচালক হিসেবেও কাজ করছেন। এবার ‘ক্লান্ত লাগে’ শিরোনামে নতুন একটি গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি।

গানের কথা লিখেছেন শামীম রেজা। সুর করেছেন লুৎফর হাসান। সংগীত আয়োজনে মার্সেল। শিগগির ভিডিওসহ গানটি প্রকাশ্যে আসবে।

সজীব বলেন, ‘নতুন গান সংশ্লিষ্ট সবাই আমার সিনিয়র এবং সবাই ভীষণ প্রিয়। তাদের সঙ্গে কাজ করতে পেরেছি, এটাই আমার জন্য বড় প্রাপ্তি।’

গানটি প্রসঙ্গে শামীম রেজা বলেন, ‘সজীবের ছোটবেলা থেকেই আমি তার কণ্ঠের ভক্ত। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার গলার ধার বেড়েছে বহুগুণ। গানের যেমন সুর-সঙ্গীত আশা করেছিলাম লুৎফর-মার্সেল তেমনটিই করেছে। আশা করি, গানটি সবার ভালো লাগবে।'

অন্যদিকে লুৎফর হাসানের ভাষ্য,সজীবের কণ্ঠে ‘আমি দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা’ গানটা আমি নিয়মিত শুনি। তারপর থেকে ভাবছিলাম ওর জন্য একটা গান করব। আমার সঙ্গে সজীবের যখন দেখা হয়, তখন সে পিচ্চি। সেই সজীব এখন নিজেই মিউজিক করে, কী দারুণ সুর করে। আর তার গায়কী তো অসামান্য। শামীম ভাইয়ের লিরিক নিয়ে আমি নিয়মিত কাজ করি। এবার একটা গান দিয়ে বললেন ‘কাকে দিয়ে গাওয়ানো যায়?’। মার্সেল বলল, এই গানের জন্য তার পছন্দের শুরুতে সজীব। গাইলো সজীব। তার জন্য শুভকামনা।’


আরও খবর



একতরফা কমিটি গঠনের অভিযোগে তোপের মুখে বিএনপির আমিনুল

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৯০জন দেখেছেন
Image

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হককে ঘিরে প্রতিবাদ জানিয়েছেন দলটির উত্তরা ও বিমানবন্দর থানার বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। ঘেরাওয়ের সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমিনুলের বেশ ধাক্কাধাক্কি হয় বলে জানা গেছে।

রোববার (৫ জুন) দুপুরে উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে অনুষ্ঠিত ১, ৫১ ও বিমানবন্দর সাংগঠনিক ওয়ার্ডের সম্মেলন শুরু আগে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা সদস্য সচিব আমিনুলকে সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে ইউনিট কমিটি করে সম্মেলন দেওয়ার দাবি জানান। নেতাকর্মীরা আমিনুলের একপেশে ভূমিকার সমালোচনা করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। প্রতিবাদের একপর্যায়ে নেতাকর্মীরা আমিনুলের গাড়ির সামনে রাস্তায় শুয়ে পড়েন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ এসে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, নগর পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে উত্তরার ১২টি ওয়ার্ডে সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করছেন নগর নেতারা। নগর বিএনপি থেকে ঘোষিত প্রতিটি ওয়ার্ডের আহ্বায়ক কমিটির সব যুগ্ম আহ্বায়কের সমন্বয়ের মাধ্যমে ইউনিট কমিটি করার কথা রয়েছে। তবে টিম প্রধান, আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়কের মতামতকে উপেক্ষা করে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ব্যক্তি বিশেষের পছন্দমতো ইউনিট গঠন করে নিয়েছে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের প্রভাবশালী প্রার্থীরা এতদিন বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে এলেও কোনো কাজ হচ্ছিল না।

রোববারের ঘটনার বিষয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের ওয়ার্ড সম্মেলনে সাদি নামে একজন তার গ্রুপের লোকজন নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল। আমরা তাদের বের করে দিয়ে সফলভাবে প্রোগ্রাম শেষ করেছি।


আরও খবর