Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

পদ্মা সেতু দেখানোর কথা বলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

প্রকাশিত:Saturday ২৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ১৪২জন দেখেছেন
Image

বজলুর রহমানঃ

ঢাকার ধামরাই উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী প্রেমিকাকে পদ্মা সেতু দেখানোর কথা বলে একটি রিসোর্টে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত প্রেমিক আলামিন হোসেন উপজেলার চরচৌহাট এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। গতকাল শুক্রবার (২৪ জুন) দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে।


ভুক্তভোগী ও পারিবারিক সূত্র জানায়, সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে আলামিনের। এই সুবাদে আলামিন প্রেমিকাকে পদ্মা সেতু দেখানোর কথা বলে শুক্রবার সকালে একটি রিসোর্টে নিয়ে যায়। এরপর ওই স্কুলছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে সে। দুপুর পর্যন্ত ওই রিসোর্টে অবস্থান করে তারা। বিষয়টি কাউকে না বলতে ওই প্রেমিকাকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে ভুক্তভোগী ওই কিশোরী।

ওই স্কুলছাত্রী দাবি করে, স্কুলে আসা-যাওয়ার পথিমধ্যে আলামিনের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই সূত্র ধরে সে আমাকে পদ্মা সেতু দেখানোর কথা বলে শুক্রবার সকালে রওনা হয়। এরপর দুপুরের দিকে শহর অঞ্চলের একটি রিসোর্টে নিয়ে যায়। সেই শহর ও রিসোর্ট আমি চিনি না।


সেখানে একটি রুমের ভেতরে নিয়ে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এ ঘটনা কাউকে না বলার জন্য আমার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেয় আলামিন। আমি বিকেলে বাড়ি ফিরেই আমর দাদাসহ পরিবারের লোকজনকে বিষয়টি অবহিত করি। আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।


এ বিষয়ে ওই স্কুলছাত্রীর বাবা দাবি বলেন, আলামিন আমার মেয়েটির সর্বনাশ করেছে। আমরা তার কঠোর বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শান্তি চাই।

তিনি বলেন, চৌহাট ইউপির সাবেক মেম্বার মো. জাকির হোসেন আমাকে থানায় যেতে না দিয়ে শুক্রবার বিকেল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য দফায় দফায় সমঝোতা বৈঠক করে। আমি প্রহসনের কোনো বিচার-সালিশ মানি না। আমি আইনের আশ্রয় নিতে চাই।

এ ব্যাপারে সাবেক ইউপি মেম্বার মো. জাকির হোসেন বলেন, যে ঘটনায় ঘটুক না কেন মেয়েটি বাচ্চা মানুষ। তাই ওর ভবিষ্যৎ নষ্ট করা যাবে না। তাই স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করছি। এতে দোষের কী?

এ বিষয়ে চৌহাট ইউনিয়নের পুলিশ বিট অফিসার কাওয়ালীপাড়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ধর্ষণের বিষয়ে কেউ এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ করেননি। বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।


আরও খবর



শৈলকুপা পরিষদের উপ-নির্বাচনে ভোটার শূন্য কেন্দ্র

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ০৪ August ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে। তবে ভোটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে।

রোববার (৩১ জুলাই) সকাল ৯টায় উপজেলার ভাটই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে কোনো ভোটারের দেখা মেলেনি। ভোট গ্রহণের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কর্মীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অলস সময় কাটাচ্ছেন। এক ঘণ্টায় ওই কেন্দ্রের ১০ বুথে মাত্র ২০টি ভোট কাস্ট হয়েছে। উপজেলার অন্য কেন্দ্রেও একই অবস্থা দেখা গেছে।

Jh-(2)

নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এম আব্দুল হাকিম আহমেদ, আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তফা আরিফ রেজা মুন্নু, মোটরসাইকেল প্রতীকের আনিছুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। উপজেলায় ১২০ ইভিএমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এখানে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৫৪ জন।

ভাটই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. আল আজাদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘সকাল থেকে সুন্দরভাবে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। তবে ভোটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে। বেলা বাড়লে ভোটার উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে আশা করছি। এক ঘণ্টায় ২০ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে।

Jh-(2)

এদিকে ভোটের আগের রাতে উপজেলার পুরাতন বাখরবা গ্রামে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামিখ খা (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত ব্যক্তি আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তফা আরিফ রেজা মুন্নুর সমর্থক বলে দাবি করা হচ্ছে।


আরও খবর



‘যুক্তরাষ্ট্রে ম্যানেজমেন্ট নার্সদের কাজের বড় সুযোগ আসছে’

প্রকাশিত:Thursday ০৪ August ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ১১জন দেখেছেন
Image

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি ম্যানেজমেন্ট নার্সদের কাজ করার বড় একটা সুযোগ আসছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গত ডিসেম্বরে আমি নিউইয়র্ক গিয়েছিলাম। সেখানে বিদেশি কর্মীদের বিষয়ে কয়েকজনের সঙ্গে বসেছিলাম। সেখানে চারজন বন্ধু, ছোট ভাই, কাজিনও ছিলেন। নিউইয়র্কে তাদের বিশাল অফিস আছে প্রায় ২০ হাজার বর্গফুটের। এমন অফিস যুক্তরাষ্ট্রের ৮টি প্রদেশে আছে। তারা হিউম্যান রিসোর্স ডেভলপমেন্ট নিয়ে কাজ করেন। ওখানে আমাদের বড় একটা সুযোগ আছে, দেখা যাক কী হয়।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর প্রবাসী কল্যাণ ভবনের বিজয় ৭১ মিলনায়তনে প্রবাসী কর্মীর মেধাবী সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কিছু প্রাইভেট সেক্টরকে নিয়েও বসার চেষ্টা করছি। আমার কাজিন বললেন আপনারা এইভাবে কাজ করলে আমিই বছরে ১০ থেকে ১২ হাজার বাংলাদেশি নিয়ে যাবো। যুক্তরাষ্ট্রে ম্যানেজমেন্ট নার্স লাগবে বছরে তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ।

সরকারের মাধ্যমে বিদেশে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমি আপনাদের বলবো সরকারের মাধ্যমে বিদেশে যান। সরকারি সহায়তা ছাড়া যারা বিদেশে যান তাদের কী যে ভয়ংকর অবস্থা তা আমি দেখেছি। ইতালিতে কিছু মানুষকে দেখে হোটেলে আমি সারারাত কেঁদেছি। সরকারি মাধ্যমে হজে যান, কোনো চিটিং হবে না। হয়তো আপনাকে হাইফাইভাবে রাখতে পারবে না। মিনা ও হারাম শরিফের এক কিলোমিটারের মধ্যে রাখবে। প্রাইভেট সেক্টরে গেলে বড় একটা ভোগান্তিতে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু সরকারের মাধ্যমে গেলে সেটা থাকে না। যারা যাবেন তারা সরকারের মাধ্যমে বিদেশে যাবেন।

তিনি বলেন, প্রায়ই দেখি ভূমধ্যসাগরে অনেকেই মারা যাচ্ছেন, প্রায়ই আমরা এসব নিয়ে বিপদে পড়ি। সরকারের মাধ্যমে গেলে কিন্তু এসব বিপদ হয় না। সরকারের মাধ্যমে গেলে এটা হয় না। অনেকে বেসরকারিভাবে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা খরচ করে বিদেশে যান। সরকারের মাধ্যমে এই বিনিয়োগ করলে বিদেশে বেশি বেতন পাওয়া সম্ভব।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন প্রমুখ।


আরও খবর



জ্বালানি তেলের সংকট নেই, বলছেন পাম্প মালিকরা

প্রকাশিত:Saturday ০৬ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ১০জন দেখেছেন
Image

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় লোকসান বেড়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি)। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ভর্তুকি কমিয়ে আনতে শিডিউল করে লোডশেডিং করছে সরকার। এরই মধ্যে দেশের তেলের সংকট নিয়ে নানা গুঞ্জণও চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে তেল মজুত আছে এমন কথা বারবার বলা হলেও বাস্তবচিত্র ভিন্ন। কয়েকদিন আগে পাম্পে নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল দেওয়া হবে এমন নোটিশ দেখে সারাদেশে তৈরি হয় তেল সংকটের গুঞ্জণ। অন্যদিকে, দাম বাড়ার নতুন ঘোষণায় তেল মজুতের প্রশ্ন আরও ঘনীভূত হয়েছে।

এ বিষয়ে পাম্প মালিকরা বলছেন, তারা তেল পাচ্ছেন। এ মুহূর্তে তাদের তেলের চাহিদা ও সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। তবে, তেল চাহিদা অনুযায়ী না পেলেও ‘পাচ্ছি’ বলতে হচ্ছে— এমন ইঙ্গিতও পাওয়া যায় একাধিক বক্তব্যে।

শনিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর উত্তরবাড্ডা এলাকার আল-মক্কা পাম্পের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার সজিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই। তারা স্বাভাবিকভাবেই তেল পাচ্ছেন। যতটুকু পাচ্ছেন ততটুকুই সরবরাহ হয়ে যাচ্ছে। কোনো ঘাটতি থাকছে না বলেও জানান তিনি।

gass3

তবে, চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না বলে জানান মালিবাগ অটো সার্ভিস পাম্পের ম্যনেজার মো. নুরুল ইসলাম। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, তেল আসছে ঠিকই, তবে একটু কম। আগে আমাদের প্রতিদিন এক লরির বেশি লাগতো। কিন্তু এখন এক লরির বেশি পাই না। সরকার বলছে— যে তেল আছে, কিন্তু আমাদের কাছে এক লরির বেশি চাহিদা থাকলেও পাচ্ছি না।

তিনি বলেন, এখন একটু চাহিদা বেশি। অনেকেই বেশি করে নিচ্ছেন। মনে করছেণ তেল পাওয়া যাবে না। চাহিদা বেশি, কিন্তু পরিমাণ আগের মতোই পাচ্ছি। আগে দুই লরি আসতো। এখন এক লরি আসে। তাহলে তো একটু কমই আসেই।

মালিবাগ অটো সার্ভিসের মালিক মো. জাকির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘তেল যা চাচ্ছি, তাই পাচ্ছি। কিন্তু আনার পর বিক্রি বেশি হয়ে যাচ্ছে। এজন্য তেল কম পড়ছে।’

তাহলে যা চাচ্ছেন তাই পাচ্ছেন কীভাবে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এখন তেলের চাহিদা বাড়ছে। বৃহস্পতিবার আমাকে তিনদিনের তেল নিতে হয়। ধরুন, তিনদিনের তেল আমি আনলাম। স্বাভাবিক চাহিদার তুলনায় প্রতিদিন যদি আমার এক হাজার লিটার তেল অতিরিক্ত বিক্রি হয়, তাহলে তো আমার ট্যাংকি শেষ হয়ে যাবে। একেক দিন একেক রকম চাহিদা। মালিবাগ ফ্লাইওভার থেকে বাড্ডা পর্যন্ত ডিজেলের আর কোনো পাম্প নাই। এতটুকু রাস্তায় একটি মাত্র পাম্প থাকায় আমার এখানে চাহিদাও বেশি। আমি তো তেল ধরে রাখতে পারছি না। আমার তেল আসছে আর দিয়ে দিতে হচ্ছে। আগে যে পরিমাণ তেল চাইতাম, সে পরিমাণই পেতাম। কিন্তু এখন আর তাদের নির্ধারিত পরিমাণের বাইরে তেল পাই না।

gass3

তিনি বলেন, ট্রাস্টের এক পাম্পে ‘তেল নেই’ কাগজ টাঙিয়েছিল। এ জন্য সেখানে সবাই হুমড়ি খেয়ে তেল নিতে আসে। এ জন্য ওই পাম্পের লোকজন ডেকে শোকজ করছে।

আপনি কাগজ টাঙিয়েছিলেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তেল না থাকায় আমি একদিন টাঙিয়েছিলাম। তখন ডিবি এসে আমাকে না লিখতে বলেছেন। ভাইরাল হয়ে যায়। এজন্য আর লেখি না।’

নীলক্ষেত এলাকায় কাজী গোলাম সামদানী পাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের এসএসও ওয়েল কোম্পানি থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছেন এ পাম্প মালিক। শুক্রবার (৫ আগস্ট) পাম্পে গেলে তেল সংকট নেই বলে জানান ম্যানেজার মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, এখন তেলের কোনো সংকট নেই। আমরা যা চাচ্ছি, তাই পাচ্ছি।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে শনিবার (৬ আগস্ট) রমনা পাম্পের মালিক ও পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাজেদুল হক জাগো নিউজকে বলেন, বর্তমানে তেলের কোনো সংকট নেই। সরকার দাম বাড়িয়েছে, সেটা সরকার জানে। সরকারের ভর্তূকি যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়েছে এসব মিলিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু আমরা ঠিকই পাচ্ছি। যখন লোডশেডিং শুরু হয়েছিল, তখন হঠাৎ করে তেলের চাহিদা বেড়ে গিয়েছিল। মানুষ জেনরেটরের জন্য তেল নিতো, অনেকেই অতিরিক্ত তেল নিতো। এজন্য একট ধাক্কা লাগে। এখন সে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গেছে বলে মন্তব্য তার।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) রাত থেকেই কার্যকর হয়েছে সরকার ঘোষিত ডিজেল, পেট্রল, কেরোসিন, ও অকটেনের নতুন দাম। দাম বেড়েছে প্রতি লিটার ডিজেলে ৩৪, কেরোসিনে ৩৪, অকটেনে ৪৬, পেট্রলে ৪৪ টাকা। দাম বাড়ার পর প্রতি লিটার ডিজেল ১১৪ টাকা, কেরোসিন ১১৪ টাকা, অকটেন ১৩৫ টাকা ও প্রতি লিটার পেট্রল ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগে ভোক্তা পর্যায়ে খুচরা তেলের দাম ছিল প্রতি লিটার ডিজেল ৮০ টাকা, কেরোসিন ৮০ টাকা, অকটেন ৮৯ টাকা ও পেট্রল ৮৬ টাকা।


আরও খবর



লোডশেডিং এবং করণীয়

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
Image

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য ও সরবরাহ অন্য সব দেশের মতো আমাদেরও সমস্যায় ফেলেছে। দেশে গ্যাস স্বল্পতার কারণে বিভিন্ন স্থানে লোডশেডিং হচ্ছে। এতে অনেক জায়গায়ই বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুনরায় স্বাভাবিক হবে সেপ্টেম্বর নাগাদ।

জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ পাওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। রাজধানীতেও এর প্রভাব পড়েছে। গত ৩ জুন থেকে দিনের বেলায় ঢাকার বিভিন্ন স্থানে লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া গেছে। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ার পর লোডশেডিং মোটামুটি বিদায় নিয়েছিল। বিদ্যুতের ভোগান্তির কথা মানুষ ভুলেই গিয়েছিল।

শহরে বিদ্যুৎবিভ্রাট হতো না বললেই চলে। এখন সেই লোডশেডিং আবার ফিরেছে। দেশে যে পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ করা হয়, তার একটি বড় অংশ ব্যবহার করা হয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে। এছাড়াও বিদেশ থেকে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহার করা হয়। তবে স্বস্তির কথা এই যে, ঈদের সময় লোডশেডিং ছিল না বললেই চলে।

বিদ্যুতের এ সমস্যা যে শুধু আমাদেরই তা নয়। সমস্যা শুরু হয়েছে পৃথিবীর দেশে দেশে। উন্নত অনুন্নত কেউ বাদ নেই। পরিচ্ছন্ন, নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণের দেশ এবং ধনী অস্ট্রেলিয়া এখন বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিউ সাউথ ওয়েলস প্রদেশের বাসিন্দাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস বোয়েন। একই সঙ্গে সেখানে প্রতিদিন সন্ধ্যায় দুই ঘণ্টা বাসাবাড়িতে বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। বিশ্বে কয়লা ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানিতে তালিকার শীর্ষের দিকে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

দেশটির চার ভাগের তিন ভাগ বিদ্যুৎই কয়লা ব্যবহার করে উৎপাদন করা হয়। এরপরও গত মে মাস থেকে বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছে দেশটি। এই সংকটের পেছনে কারণও রয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে নিউ সাউথ ওয়েলস ও কুইন্সল্যান্ড প্রদেশের কয়েকটি কয়লার খনি পানিতে তলিয়ে যায়।

প্রযুক্তিগত কারণেও দুটি খনি থেকে কয়লা উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। খনিগুলো থেকে নিউ সাউথ ওয়েলসের সবচেয়ে বড় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা সরবরাহ হয়। এ মুহূর্তে নানা সমস্যার মুখে অস্ট্রেলিয়ার চার ভাগের এক ভাগ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ফলে বিদ্যুতের বড় ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

উন্নত দেশ ছাড়া আমাদের আশপাশের দেশগুলোতেও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি নাজুক। বিশ্বের অন্যতম পিছিয়ে পড়া দেশ পাকিস্তানে অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। সংকট এতটাই চরমে পৌঁছেছে যে, দেশটির টেলিকম অপারেটররা তাদের মোবাইল এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করার বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে। গত ৩০ জুন এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যম জিও নিউজ।

কয়লা সংকটের পাশাপাশি গ্রীষ্মের চরম দাবপ্রবাহের কারণে ভারতজুড়ে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিচ্ছে। ফলে রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে বিভিন্ন রাজ্যের সরকার। চলতি বছরের টানা তাপপ্রবাহের কারণে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের চাহিদা বেড়ে যাওয়া এবং শিল্পকারখানার কর্মকাণ্ডে কোভিড সংক্রান্ত সব বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ার পর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কার্যক্রমে ভারতের বিদ্যুতের চাহিদা রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে। এই চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে ভারত সরকার।

আমরা সবাই জানি শ্রীলঙ্কা অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংকটেও নাজেহাল। শ্রীলঙ্কা বিদ্যুৎ সংকটের কারণে এখন এক অন্ধকার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। গত বছর সেপ্টেম্বর মাস থেকে আমাদের এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক জায়ান্ট চীনের বিদ্যুৎ পরিস্থিতিও মারাত্মক খারাপ। বিদ্যুতের জন্য চীন কয়লার ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। চীনের কিছু কর্মকর্তা ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে বলা হচ্ছে, কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় এর সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

গোটা দুনিয়ার দেশে দেশে যখন বিদ্যুতের এই অবস্থা, তখন আমাদেরও এর বাইরে থাকার সুযোগ নেই। আমাদেরও নির্ভর করতে হয় বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাঁচামাল কয়লা কিংবা এলএনজি আমদানির ওপর, আন্তর্জাতিক বাজারে যার দাম এই মুহূর্তে আকাশছোঁয়া।

বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার এই সময় আমদানি যত কম করা যায়, ততই দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল। সরকারের কাছে প্রত্যাশার পারদ ওপরে থাকার পাশাপাশি আমাদের সব নাগরিকের সহনশীল আচরণও কাম্য। দেশের জনগণকে শুধু একবার মনে করতে বলব, ২০০১-২০০৬ আমলে সেই সময়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সঙ্গে নেগোসিয়েট করে বিদ্যুৎ উৎপাদন না করে বাংলাদেশকে জেনারেটর, ইউপিএস বাজার বানানোর আমলের কথা কিংবা বৈদ্যুতিক তারবিহীন খাম্বা-খুঁটির দেশে পরিণত করার কথা। সেই সময় থেকে বাংলাদেশের এখনকার বিদ্যুৎ পরিস্থিতি অনেক ভালো। কারণ, বাংলাদেশের এখন চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা অনেক বেশি।

বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী ২০০৯ সালে দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ২৭, যা এখন ১৫২টিতে দাঁড়িয়েছে। ওই সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল প্রতিদিন ৫ হাজার মেগাওয়াটের কম, যা এখন দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৫৬৬ মেগাওয়াট (ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্যসহ)। অবশ্য এত বিদ্যুতের চাহিদা দেশে নেই। সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৫-১৬ হাজার মেগাওয়াট। বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি করে অনেক কেন্দ্রকে বসিয়ে বসিয়ে ভাড়া দেওয়া, বারবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাও রয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণকারী কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, এখন সরকার লোডশেডিং করছে এক প্রকার বাধ্য হয়ে। সরবরাহ সংকট থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস দেওয়া যাচ্ছে না। বিশ্ববাজারে দাম চড়া। তাই খোলাবাজার (স্পট মার্কেট) থেকে আপাতত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনছে না সরকার। সব মিলিয়ে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা সাম্প্রতিককালে দেখা যায়নি। খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ২০২০ সালে যে গ্যাস প্রতি ইউনিট ৪ মার্কিন ডলারে নেমে গিয়েছিল, তা এখন বেড়ে ৩৮ ডলার ছাড়িয়েছে।

সর্বশেষ কেনা হয়েছিল ২৫ ডলারে। এতে নতুন করে এলএনজি গ্যাস কিনতে বিপুল বাড়তি ব্যয়ের মুখে পড়তে হচ্ছে। তাই সরকার পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলেই মনে হয়। কারণ, এই মুহূর্তে বাড়তি দামে কিনতে গেলেও আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার ওপর মারাত্মক চাপ পড়বে, যা পরিবর্তিত বিশ্ব অর্থনৈতিক চাপের এই সময়ে মারাত্মক হুমকিতে ফেলতে পারে। হয়তো জনগণের কিছুটা কষ্ট হবে, কিন্তু তারপরও এখন সময় বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের। এর কোনো বিকল্প নেই।

সার্বিক বিবেচনায় এখনকার সমস্যাটা সাময়িক বলেই মনে হয়। যেটি জ্বালানি সংকট কাটলেই স্বাভাবিক হবে। কাজেই কোনোভাবেই আমাদের আবার জেনারেটর, ইউপিএস বাজারে পরিণত হওয়ার সুযোগ নেই। বিদ্যুতের তারবিহীন খাম্বা-খুঁটির দেশেও পরিণত হবে না, এটা নিশ্চিত। অপেক্ষা শুধু সুসময়ের জন্য।

লেখক: সাংবাদিক।


আরও খবর



হাউমাউ করে কাঁদলেন অর্পিতা, হাসপাতালে নাটকীয় কাণ্ড

প্রকাশিত:Friday ২৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যয় ও তার ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যয়। কলকাতা হাইকোর্ট তাদেরকে ২৪ ঘণ্টা পর পর স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালতের নির্দেশে শুক্রবার (২৯ জুলাই) দুপুরে অর্পিতাকে জোকা ইএসআই হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে গাড়ি থেকে নেমে হাসপাতালে যাওয়ার পথে চরম নাটকীয় ঘটনা ঘটেছে।

হাসপাতাল প্রাঙ্গণে গাড়ি পৌঁছানোর পর অর্পিতাকে নামানোর চেষ্টা করেন ইডির কর্মকর্তারা। এসময় হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেন তিনি। গাড়ি থেকে নেমে হাসপাতালে যেতে অস্বীকৃতি জানান। শেষমেষ তাকে জোর করে গাড়ি থেকে নামিয়ে হুইলচেয়ারে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

হুইলচেয়ারেও হাত-পা ছুড়ে কাঁদতে থাকেন অর্পিতা। এসময় উচ্চস্বরে নিজেকে নির্দোষ এবং কিছুই জানেন না বলে দাবি করেন তিনি। আরও বেশকিছু কথা হট্টগোলের মধ্যে স্পষ্ট শোনা যায়নি। অর্পিতার এমন কাণ্ডে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ব্যাপক ভিড় জমে।

jagonews24

এদিকে, ইডি হেফাজতে পার্থ ও অর্পিতাকে মুখোমুখি বসিয়ে এবং নথিপত্র মিলিয়ে জেরা করেছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে দিনভর চলেছে এ জেরা। তবে খাবার খাওয়া নিয়েও ইডি হেফাজতে টালবাহানা করেছেন অর্পিতা।

এরআগে টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকে গ্রেফতারের সময়ও অর্পিতা একদফা চিৎকার-চেঁচামেচি করেছিলেন। উচ্চস্বরে তিনি বলতে থাকেন, আমি নির্দোষ। এ সবই বিজেপির চাল। তবে ইডি হেফাজতে সুর নরম করছেন অর্পিতা। দিন যতই গড়াচ্ছে নমনীয় হচ্ছেন এ অভিনেত্রী।

অন্যদিকে জিজ্ঞাসাবাদে অর্পিতা জানিয়েছেন, তার ফ্ল্যাট থেকে যে ৫০ কোটিও বেশি রুপি উদ্ধার করা হয়েছে, তাতে তার কোনো অধিকার ছিল না। এ টাকা তার নয়। তার বাসায় অর্থ থাকলেও এর ধারেকাছেও যেতে দেওয়া হতো না।

jagonews24

অর্পিতার এমন দাবির সঙ্গে একমত ইডির নাম প্রকাশে এক কর্মকর্তাও। তিনি গণমাধ্যমকে নাম প্রকাশ না করে বলেছেন, মূলত পার্থ ও তার চক্রের কয়েকজনই অর্পিতার বাড়িটিকে মিনি ব্যাংক বানিয়েছিলেন।

গত ২২ জুলাই অর্পিতার টালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে নগদ ২১ কোটি ৯০ লাখ রুপি উদ্ধার করা হয়। ওই ফ্ল্যাট থেকে দামি গয়না ও বিদেশি মুদ্রাও উদ্ধার করেন ইডি কর্মকর্তারা। এরপর গ্রেফতার করা হয় অর্পিতাকে।

পরে ২৭ জুলাই বেলঘরিয়ার রথতলার একটি আবাসনে অর্পিতার নামে থাকা দুটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ইডির দল। সেখানে উদ্ধার হয় ২৭ কোটি ৯০ লাখ রুপি। উদ্ধার করা হয় ছয় কেজি স্বর্ণ, যার বাজারমূল্য ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা।


আরও খবর