Logo
আজঃ শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩
শিরোনাম

অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ বৃদ্ধিও সাথে সাথে পণ্যের বৈচিত্র্য সাধন হবে: তোফাজ্জল হোসেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১৫১জন দেখেছেন

Image

এম আনোয়ার হোসেন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:মিরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর পরিদর্শন শেষে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সারাদেশে পরিকল্পিত শিল্পায়নের অংশ হিসেবে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহে বিনিয়োগকারীদের পরিষেবা প্রদানে অনেক চ্যালেঞ্জ থাকলেও বেজা তা সাফল্যের সাথে মোকাবিলা করে সকল সরকারী সংস্থার সাথে সুসমন্বয়ের মাধ্যমে পানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংযোগ নিশ্চিত করছে। বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) মিরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থনৈতিক অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সাথে সাথে পণ্যের বৈচিত্র্য সাধন হবে। সরকারের এই মেগা প্রজেক্টটি দ্রুততম সময়ে সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও সংস্থার আন্তরিকতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, জমি বারদ্দ নিয়ে কারখানার কাজ শুরু না করায় ইতোমধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানের জমি বরাদ্দ বাতিল করা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান জমি বরাদ্দ নিয়ে কারখানা স্থাপনের কাজ করবে না পর্যায়ক্রমে তাদের জমি বরাদ্দ বাতিল করে নতুন বিনিয়োগকারীদের বরাদ্দ দেওয়া হবে। এই শিল্পনগর প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে ১৩৯ টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আমরা তাদের পুণর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছি। তাদের ঘর করে দেওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিকদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় শেষে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে এশিয়ান পেইন্টস, মডার্ন সিনটেক্স, বাংলাদেশ অটো ইন্ডাস্ট্রিজসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখেন তিনি। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, মিরসরাইয়ে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শিল্পনগর নির্মিত হচ্ছে। এর ফলে এদেশে শিল্পায়নের অভূতপূর্ব বিপ্লব সাধিত হবে এবং জনগনের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যসমূহ পূরণ হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন খাতের নানা শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের শিল্প স্থাপনের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরকে বেছে নিচ্ছেন যা দেশের শিল্পায়নের পথে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এসময় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) শেখ ইউসুফ হারুন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের প্রকল্প পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ফারুক, বেপজার চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বশর মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নুরে আলম মিনা, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্ল্যাহ, বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. হাবিবুর রহমান ও মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিন।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ মিরসরাই, সীতাকুন্ড ও সোনাগাজী উপজেলায় প্রায় ৩৩ হাজার একর উপর “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর” স্থাপন করছে। এ শিল্পনগরে এখন পর্যন্ত দেশী-বিদেশী প্রায় ১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ৫টি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে উৎপাদন শুরু করেছে। আরো ২১ টি শিল্প প্রতিষ্ঠান শিল্প স্থাপনের কাজ শুরু করেছে যা পর্যায়ক্রমে আগামী নভেম্বর ২০২৩ হতে উৎপাদন শুরু করবে। ইতোমধ্যে ১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ৮৭০ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রায় ৮ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এই শিল্পনগরে।


আরও খবর



সাকিব আল হাসান নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাখ্যা দিলেন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | ৭৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে অনুসন্ধান কমিটির কাছে ব্যাখ্যা দিয়েছেন মাগুরা-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) নির্বাচনি এলাকা-৯১ ও মাগুরা-১ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধানী কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ সত্যব্রত শিকদারের আদালতে স্ব-শরীরে হাজির হয়ে তিনি এই ব্যাখ্যা দাখিল করেন।

আদালত থেকে বেরিয়ে সাকিব আল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, গত ২৯ তারিখে আমি ঢাকা থেকে মাগুরায় আসলে আমার ভক্তসহ শহরবাসী আমাকে শুভেচ্ছা জানান। এটা একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা। এ ঘটনার জন্য আমি খুবই দুঃখিত। আমি নির্বাচনী আইনের প্রতি যথেষ্ঠ শ্রদ্ধাশীল। তবে নির্বাচনে এই প্রথম ও নতুন। আগামীতে যেন এরকম ঘটনা না ঘটে সেদিকে আমি দৃষ্টি রাখব।

এ বিষয়ে সাকিব আল হাসানের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাজেদুর রহমান সংগ্রাম বলেন, গত ২৯ নভেম্বর সাকিব আল হাসান মাগুরায় আসেন। তখন কামারখালী এলাকায় জমা হয় তার ভক্ত ও উৎসুক জনতা। সেখানে ভক্ত ও সাধারণ জনতা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায়। সেখানে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না। কিংবা দলীয় কাউকে তিনি ডাকেননি। আমরা নোটিশের জবাবে এসব কথা উল্লেখ করেছি। ভবিষ্যতে আমরা এসব বিষয়ে সতর্ক থাকব। আইন মেনে চলবো।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) মাগুরা-১ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী সাকিব আল হাসানকে তলব করে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি।

নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করায় করায় তাকে তলব করা হয়। নির্বাচনি এলাকা-৯১ ও মাগুরা-১ আসনের নির্বাচনি অনুসদ্ধানী কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ সত্যব্রত শিকদার বৃহস্পতিবার এ তলব আদেশ দেন।

আদেশে, শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) অনসুন্ধান কমিটির কাছে স্ব-শরীরে হাজির হয়ে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তার ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে সাকিবকে।

তলব আদেশে বলা হয়েছে, আপনি জনাব সাকিব আল হাসান, মাগুরা-১ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী হিসিবে ঘোষণার পর গত ২৯/১১/১৫ ইং তারিখ বুধবার ঢাকা থেকে মাগুরা আগমনের সময় পথিমধ্যে কামারখালী এলাকা থেকে শোডাউন করে গাড়িবহর নিয়ে মাগুরা শহরে প্রবেশ করেন এবং নাগরিক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তাতে জনগণের চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেন। যা বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, ইলেকট্রিক মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এর মাধ্যমে আপনি সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০০৮ এর ৬ (ঘ), ৮ (ক), ১০ (ক) এবং ১২ ধারার বিধান লঙ্ঘন করেছেন।

তলবকৃত চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, উক্ত আইন ভঙ্গের কারণে কেন আপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তদমর্মে নিম্ন স্বাক্ষরকারী (সত্যব্রত শিকদার, নির্বাচনী অনুসদ্ধান কমিটি, নির্বাচনী এলাকা-৯১, মাগুরা-১ এবং জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত, মাগুরা) দপ্তরে আগামী ৩১/১২/২০২৩ ইং তারিখ শুক্রবার বিকাল ৩টায় স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

প্রসঙ্গত, বুধবার প্রথমবার নির্বাচনি এলাকায় যান সাকিব। মাগুরায় পৌঁছে একাধিকবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন বলে অভিযোগ ওঠে। তবে দুপুরে জেলার দলীয় কার্যালয়ে সবাইকে নির্বাচন আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে ছিলেন তিনি নিজে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দুই ইসলামী দলের শীর্ষ নেতাদের সাক্ষাৎ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ | ৯৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মুফতি ফয়জুল হক জালালাবাদী ও মাওলানা আনওয়ারুল হকের নেতৃত্বাধীন দুটি ইসলামী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা।

বৃহস্পতিবার (নভেম্বর ৩০) সকালে গণভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন গণমাধ্যমকে জানান, সাক্ষাৎকালে সংসদ নির্বাচনের সার্বিক বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন খেলাফতে রাব্বানী বাংলাদেশ এবং নেজামে ইসলাম পার্টি বাংলাদেশের নেতারা।

এসময় একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি এই নির্বাচনে সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করেন।

সাক্ষাৎকালে সংসদ নির্বাচনকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও ব্যাপক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন দুই ইসলামী দলের শীর্ষ নেতারা।


আরও খবর



রাণীশংকৈলে হাল চাষ করার সময় ট্রাক্টর চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১২ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ | ৮৮জন দেখেছেন

Image
রাণীশংকৈল ( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ট্রাক্টর দিয়ে হাল চাষ করার সময় ট্রাকটরের নিচে পড়ে গিয়ে তাজু ইসলাম (১৫) নামে চালকের মার্মান্তিক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার (১১নভেম্বর) বিকালে উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের চন্দন চহট ভাবকী নামক এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।নিহত চালক তাজুল ইসলাম উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের কাশুয়া বাদামবাড়ী এলাকার আব্বাস আলীর ছেলে। 

স্হানীয় ও বালিয়াডাঙ্গী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার শফিউল্লাহ বসু মিয়া সূত্রে জানা যায়,তাজু আজ সকাল থেকে চন্দন চহট ভাবকী এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে হারুনের ট্রাক্টরটি চালাচ্ছিল। হাল চাষ করার সময় কোন এক সময় নিজেই ট্রাক্টরের নিচে পড়ে যায় সে। এতে ফালসেটে ঢুকে তার মর্মান্তিক হয়। পড়ে বালিয়াডাঙ্গী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দিলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে রাণীশংকৈল থানা পুলিশকে খবর দেয়।

থানা অফিসার ইনচার্জ গুলফামুল ইসলাম মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধিন।

আরও খবর



ঢাকা-৫ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আতিকুর রহমানের মতবিনিময় সভা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১৬২জন দেখেছেন

Image

সোহরাওয়ার্দীঃআগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণায় ঢাকা-৫ সংসদীয় আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৭০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব আতিকুর রহমান আতিক দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা ও অবরোধ বিরোধী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ডেমরা-রামপুরা সড়কের পাশে আতিক মার্কেট এলাকায় এই কর্মসূচি পালিত হয়।

এ সময় আলহাজ্ব আতিকুর রহমান আতিক বলেন, ডেমরা আমার জন্মস্থান। আমি এই আসনের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কিছু করতে চাই।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে এই এলাকার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগ দেন, আমি আমার জীবনের সর্বোচ্চ করে দেখাবো।  

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৫ আসনে ডজন খানেক প্রার্থী থাকলেও জনসমর্থনের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে ডিএসসিসির ৭০ নং ওয়ার্ডের দুই বারের সফল কাউন্সিলর আলহাজ্ব আতিকুর রহমান আতিক।

স্থানীয় ৭০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবু বলেন, রাজনৈতিক এবং সামাজিক ভাবে আলহাজ্ব আতিকুর রহমান আতিক অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যাক্তি,তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দেয়া হলে চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।

কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ সহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এসময় শতশত নারী পুরুষ নৌকায় ভোট চেয়ে শ্লোগান দেন।


আরও খবর



মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসন ছিটকে গেলেন খোকন॥ স্বতন্ত্র প্রার্থীর হিড়িক

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ | ৪৯জন দেখেছেন

Image

মেহেরপুর প্রতিনিধি:মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন ডাঃ আবু সালেহ মোঃ নাজমুল হক সাগর। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বর্তমান এমপি সাহিদুজ্জামান খোকনের জায়গা দখল করেছেন। অন্যদিকে এ আসনটিতে দলীয় প্রধানের নির্বাচনে অংশ গ্রহণের দ্বার খুলে দেওয়ার ঘোষণায় স্বতন্ত্র প্রার্থীদের হিড়িক পড়েছে।

রোববার বিকেলে অনেকটাই আকস্মিকভাবে নতুন মুখ হিসেবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন তালিকায় জায়গা করে নেন ডাঃ সাগর। তিনি মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক। তার পিতা প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক ছিলেন গাংনীর প্রথম এমপি। ডাঃ আবু সালেহ মোঃ নাজমুল হক সাগর তখন কর্মরত ছিলেন স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালকের কার্যালয়ে। পরে তিনি চাকুরী ছেড়ে দিয়ে ২০২২ সাল থেকে গাংনীর রাজনীতিতে সক্রিয় হন। পরবর্তীতে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের পর তিনি স্বাস্থ্য জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদকের পদ পান।

তথ্যমতে, মেহেরপুর-২ আসনে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নতুন মুখ হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন গাংনী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাহিদুজ্জামান খোকন। ২০২২ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে তিনি আবারও সভাপতি নির্বাচিত হন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আসেন মোখলেছুর রহমান মুকুল।

সাহিদুজ্জামান খোকন, মোখলেছুর রহমান মুকুল, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক,সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. একেএম শফিকুল আলম, ডাঃ নাজমুল হক সাগরসহ ১৫ জন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশায় দলীয় মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। তবে চমকের মাধ্যমে মনোনয়ন পেলেন ডাঃ নাজমুল হক সাগর।

মনোনয়নের নামের তালিকা প্রকাশের পর নৌকার পক্ষে মিষ্টি বিতরণ আর আনন্দ মিছিল করেন ডাঃ নাজমুল হক সাগরের কর্মী সমর্থকরা। তেমনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোট করার আশায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের কর্মী সমর্থকরাও মিষ্টি বিলিয়েছেন বিভিন্ন স্থানে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনসহ আরও অনেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন এমন কথা শোনা যাচ্ছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ঘনিষ্টজনদের কাছ থেকে। ইতিমধ্যে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদুল ইসলাম জুয়েল ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নুরুল ইসলাম রিন্টু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। সাবেক এমপি মকবুল হোসেনসহ আরও কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র তুলবেন বলে আলোচনা হচ্ছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থীর ইতিহাসঃ

গাংনী উপজেলা নিয়ে গঠিত মেহেরপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইতিহাসে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয় শুরু হয় ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। এ নির্বাচনে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনকে বাদ দিয়ে নৌকার টিকিট পান বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসাব উদ্দীন। তবে মেনে নেননি নেতাকর্মীরা। তাদের চাপেই মূলত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে টেলিভিশন প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন মকবুল হোসেন। বিএনপি প্রার্থী আব্দুল গণিকে পরাজিত করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন মকবুল হোসেন। এ নির্বাচনে মকবুল হোসেন

(টেলিভিশন) পেয়েছিলেন ৪৫ হাজার ৮২০ ভোট, আব্দুল গণি (ধানের শীষ) ৩৩ হাজার ৮৬১ ভোট এবং হিসাব উদ্দীন (নৌকা) ১ হাজার ৭৭১ ভোট। জয়লাভের পর শেখ হাসিনাকে আসনটি উপহার দিয়েছিলেন মকবুল হোসেন। অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০০১ সালে। এ নির্বাচনে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন নৌকা প্রতীক পেলেও বিএনপি প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গণির কাছে পরাজিত হয়। জয়-পরাজয়ের ব্যবধা ছিল প্রায় ২০ হাজার ভোটের।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মকবুল হোসেনকে বাদ দিয়ে মনোনয়ন দেয় তৎকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেককে। তবে তীব্র আন্দোলনের পর এমএ খালেকের বদলে মকবুল হোসেনকে নৌকার টিকিট দেয় আওয়ামী লীগ। এ নির্বাচনে মকবুল হোসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে বিএনপি প্রার্থী আমজাদ হোসেনের কাছে ২ হাজার ৪৮৯ ভোটে পরাজিত হন।

২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিহীন নির্বাচনে আবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান এমএ খালেক। তবে এবার মনোনয়ন বদল হয়নি। শেষ পর্যন্ত মকবুল হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এমএ খালেকের নৌকার

বিরুদ্ধে ভোটযুদ্ধে মাঠে নামেন। নির্বাচনে মকবুল হোসেন জয়লাভ করেন ১০ হাজার ২৮১ ভোটে। ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন থেকে আবারও ছিটকে পড়েন মকবুল হোসেন। এ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও পরবর্তীতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। এ নির্বাচেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন জয়লাভ করেন। নেতাকর্মীরা বলছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনকে দলের কোন পদ পদবীতে রাখা হয়নি। তাছাড়া তার বয়সও

বেড়েছে। জীবনের শেষ নির্বাচন হিসেবেই তিনি দলের কাছে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ায় তাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তার কয়েকজন

কর্মী সমর্থক। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে কোন বাধা নেই বলে দলীয় প্রধান ঘোষণা দিয়েছেন। তাই মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে থেকে আরও কয়েকজন হতে পারেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এক্ষেত্রে মনোনয়ন পত্র উত্তোলন, জমাদান ও প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে এবারের ভোটের প্রতিদ্বন্দীতার হিসাব-নিকাশের জন্য।


আরও খবর