Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগের অভিযানে গাঁজাসহ দুই ব্যক্তি আটক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃরাজধানীর ডেমরায় চার কেজি গাঁজাসহ দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে আটক করেছে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ। সোমবার (৮ জুলাই) ডেমরা থানাধীন ডেমরা-২ পয়েন্টে চেকপোস্টে রাত ৮টার দিকে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলে- সজিব (২৫), তিনি কিশোরগঞ্জের ভৈরবের কালিয়াকৈরের স্বপনের ছেলে। অপরজন আরমাদ (২৭), তিনি কিশোরগঞ্জের ভৈরবের কালিয়াকৈরের দুলালের ছেলে। এ ঘটনায় ডেমরা থানায় একটি জিডি করা হয়।

ডেমরা থানার এসি ট্রাফিক মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌসের নেতৃত্বে ডেমরা স্টাফ কোয়াটার এলাকার গ্রাফি ইন্সপেক্টর (টিআই) মৃদুল কুমার পাল, সার্জেন্ট রমজান মুন্সি, সার্জেন্ট আরেফিন, সার্জেন্ট সুমন এর টিম ডেমরা থানাধীন ডেমরা-২ পয়েন্টে চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহভাজন এক মোটরসাইকেল আরোহীকে চ্যালেঞ্জ করে গাড়ি চেকিংয়ের জন্য সিগন্যাল দিলে তারা পালানোর চেষ্টা করে। পরবর্তীতে তাদের দুজনকে মোটরসাইকেলে ধাওয়া করে আটক করা হয়। আটকের পর তাদের শরীরে পেঁচানো অবস্থায় আনুমানিক চার কেজি গাঁজা পাওয়া যায়। এসময় তাদের মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মোটরসাইকেল নম্বর কিশোরগঞ্জ-হ ১২-৩৭০৭ (৮০ সিসি)। ট্রাফিক পুলিশের মাদক উদ্ধার ঘটনায় এলাকার মানুষের ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।

ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকার টিআই মৃদুল কুমার পাল যানজট নিরসনে ও সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে এই এলাকায় সার্বক্ষণিক কঠিন নজরদারি অব্যাহত রেখেছেন।

এদিকে আজ পৃথক অভিযানে  ১৩টি ফিটনেসবিহীন গাড়িকে ডাম্পিং করেছে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ।



আরও খবর



যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার বাবা মাকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৯০জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃ 

রাজধানী যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইল আরাবাড়ি সালাহউদ্দিন স্কুলের পাশে শফিকুর রহমান (৬০) ও তার স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিনকে (৫০) কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা প্রাথমিকভাবে কিছু বলতে পারেনি পুলিশ। তবে পুলিশের ধারণা, পূর্বশত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিচতলা ও দোতলায় লাশ পাওয়া গেলেও চারতলা পর্যন্ত পায়ের রক্তাক্ত ছাপ দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বেলা ১১টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান। তিনি বলেন, আমরা সকাল ৭টায় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। এসে শফিকুর রহমান ও তার স্ত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। তাদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করছি গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা তাদের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায়।

ওসি আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে কী কারণে স্বামী-স্ত্রীকে এভাবে হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়ে জানতে পারিনি। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম এসেছে তারা আলামত সংগ্রহ করেছে। আলামত সংগ্রহ শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।


পরিবারের অভিযোগ, ফেনীতে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

জানা গেছে তিনি শফিকুর রহমান জনতা ব্যাংক মতিঝিল শাখার একজন অবসরপ্রাপ্ত ড্রাইভার ছিলেন এবং তার এক ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন (ইমন) বাংলাদেশ পুলিশের এসআই পদে (এসবি) তে কর্মরত আছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বিকেলে ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন জানান, ১৭৫ পশ্চিম মোমিনবাগ বটতলা এলাকায় নিজের চার তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় থাকতেন ওই দম্পতি। তাদের এক ছেলে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের এসবিতে কর্মরত।

অপর এক মেয়ে বিবাহিত, তিনিও ঘটনার সময় শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, এ হত্যাকাণ্ডটি আনুমানিক ভোর ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে ঘটেছে।

পূর্ব পরিকল্পিত এ হত্যাকাণ্ড। এছাড়া হত্যাকারীরা তিনজনের অধিক থাকতে পারে। তারা আগে থেকেই বাসার বাউন্ডারির ভেতরে ওত পেতে ছিল। হত্যাকারীরা দুইভাবে বাসায় প্রবেশ করতে পারে। এক প্রধান গেট টপকিয়ে পাশাপাশি ওই বাসার সঙ্গেই একটি নির্মাণাধীন ভবন আছে, সেটার একতলা ছাদ দিয়েও তারা বাসায় প্রবেশ করতে পারে।

প্রতিদিন শফিকুর রহমান ভোরের দিকে ঘুম থেকে ওঠেন। নিয়মিতভাবে বাসার পানি ছাড়েন তারপরে পাশের মসজিদে নামাজ আদায় করতে যান। আজও একই সময় উঠেছিলেন তিনি। পরে দ্বিতীয় তলা থেকে নিচে নামেন পানি ছাড়ার জন্য। হয়তো বা নিচে নেমে পানি ছাড়ার পর বাসার বাউন্ডারির ভেতরে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে টেনে হেঁচড়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। পরে দুর্বৃত্তরা চলে যায় দ্বিতীয় তলায়। তখন মশারির ভেতরে ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন তার স্ত্রী ফরিদা। মশারির ভেতরেই ঘুমন্ত অবস্থায় দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তার হত্যা নিশ্চিত করে। স্ত্রী ফরিদার রুমের দরজাটা খুলেই নিচে নেমেছিলেন তার স্বামী।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে বুঝা যাচ্ছে, এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আগে থেকেই হত্যাকারীরা ওই বাসায় ওত পেতে ছিল। কারণ শফিকুর যে প্রতিদিন ভোরে উঠে পানি ছাড়ে তারপরে মসজিদ যান তারা সেটা জানতো। দুর্বৃত্তরা ফরিদাকে হত্যার পর রুমের ভেতরে আলমারির লকার খুলে কিন্তু কোনো টাকা পয়সা নেয়নি। বিভিন্ন কাগজপত্র এলোমেলো করেছে তারা। এমনকি নিহত ফরিদার গলার স্বর্ণের চেইন ছিল সেটাও খোয়া যায়নি। এসব দেখে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে হয়তো দুর্বৃত্তরা কোনো কাগজপত্র বা এমনও হতে পারে দলিল খুঁজতে এসেছিল। ওই দম্পতির গ্রামের বাড়ি ফেনী জেলায়। সেখানে সম্পদ নিয়ে তাদের কোনো বিরোধ ছিল কিনা সেগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে ঘটনার সময় দম্পতির ছেলে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। তিনি হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে ঢাকায় আসেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাসার আশেপাশে সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো পর্যবেক্ষণ করেছে, সেটা এখনো অব্যাহত আছে। বাসার দুই পাশেই দুটি সড়কে সব সময় যানবাহন ও লোকজন চলাফেরা করে। সবকিছু মাথায় রেখে তদন্ত চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এছাড়া এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।


আরও খবর



রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৩৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রোহিঙ্গা সংকট দ্রুত সমাধানে চীনের সহায়তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সমাধানের অনিশ্চয়তার কারণে বাংলাদেশ এখন রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে খুবই চিন্তিত। কারণ, এরই মধ্যে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের বাংলাদেশে আসার ছয় বছর পার হয়ে গেছে।

সোমবার (২৪ জুন) চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ জিয়ানচাও প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সংসদ ভবন কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সময় তিনি এই সহায়তা কামনা করেন।

সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে বলেন, এটা (রোহিঙ্গা সংকট) আমাদের জন্য খুবই হতাশা ও উদ্বেগজনক।

প্রধানমন্ত্রী চীনের মন্ত্রীকে বলেন, এটি রোহিঙ্গা সংকটের সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাধানের জন্য আমার (প্রধানমন্ত্রীর) পক্ষ থেকে চীনের প্রেসিডেন্টকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ বার্তা। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) চীনের মন্ত্রীকে তার নিজের পক্ষ থেকে এবং বাড়তি আগ্রহ নিয়ে কিছু করারও অনুরোধ করেন।

লিউ জিয়ানচাও বলেন, চীন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে কীভাবে পরিস্থিতির উন্নতি করা যায় তা খুঁজে বের করতে মিয়ানমারের সঙ্গে কাজ করছে।

রোহিঙ্গা ইস্যুটি জটিল এবং সেখানে অভ্যন্তরীণভাবে তা অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে চীনা মন্ত্রী বলেন, এমনকি, মিয়ানমার সরকারেরও (এই ইস্যুটি সম্পর্কে) কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মতো অবস্থান নেই। সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে (সেখানে) গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি একটি জটিল ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, চীন বুঝতে পেরেছে যে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের মানবিক উপায়ে সহায়তা করছে বলে তার দেশ অত্যন্ত প্রশংসা করে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রবর্তিত এই পররাষ্ট্রনীতির প্রতি তার দেশ দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, তাদের রাজনীতির মূলমন্ত্র হলো দেশের গণমানুষের উন্নয়ন ও মানোন্নয়নের পাশাপাশি জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা, ঘরবাড়ি, শিক্ষা ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করা।

আগামী মাসে শেখ হাসিনার চীন সফর প্রসঙ্গে লিউ জিয়ানচাও বলেন, এতে দুই দেশের মধ্যে অসাধারণ বন্ধুত্ব আরও জোরদার হবে। এই সফর আমাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।

বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নে অভিভূত হয়েছেন উল্লেখ করে চীনের মন্ত্রী বলেন, তার দেশ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক বাড়াতে আগ্রহী।

বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে চীনের অর্থনৈতিক অবস্থাও মন্থর।

তিনি উল্লেখ করেন যে গত বছর চীনের প্রবৃদ্ধি ছিল ৫.২ শতাংশ এবং চলমান অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ৫.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে। তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের আরও কাজ করতে হবে এবং বাংলাদেশকেও করতে হবে।

লিউ জিয়ানচাও বলেন, উন্নয়নের এক পর্যায়ে চীনের অর্থনীতি মন্থর ছিল, কিন্তু প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান সে সময়ে সে পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য এতটা উন্নত ছিল না। তিনি বলেন, ‘আমরা একটু বেশিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। সে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা আমাদের পক্ষে কঠিন ছিল। কিন্তু সৌভাগ্যবশত বাংলাদেশ স্মার্ট প্রযুক্তি, এআই ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে সে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে।

পার্টি টু পার্টি (চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ও আওয়ামী লীগ) সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরো বলেন, এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা জন্য তা গুরুত্বপূর্ণ। চীনা মন্ত্রী অর্থনীতি, বিনিয়োগ ও পার্টি টু পার্টি সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন।

অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ও মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া এসময় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



হানিফ ফ্লাইওভার কর্তৃপক্ষ ও ডিএমপি'র ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয় সভা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৯৯জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃহানিফ ফ্লাইওভার কেন্দ্রিক ট্রাফিক প্রেসার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ট্রাফিক ওয়ারি ডিভিশন, ট্রাফিক লালবাগ ডিভিশন এবং ট্রাফিক মতিঝিল ডিভিশনের কর্মকর্তাদের সাথে হানিফ ফ্লাইওভার এর নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ অরিয়ন গ্রুপের সাথে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ২৯ জুন এই সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক (দক্ষিণ) এসএম মেহেদী হাসান বিপিএম (বার) পিপিএম (বার)।সভা সঞ্চালনা করেন ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম।ওরিয়ন গ্রুপের পক্ষে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব প্রদান করেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এরফানুল আজিম।

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের টিম ট্রাফিক। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের অন্যতম শর্ত। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের নিমিত্তে ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে সেতু, উড়াল সড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে এবং মেট্রোরেল। মহানগরীর মধ্য দিয়ে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করা স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের  অন্যতম একটি উপাদান। দেশের ৪০টি জেলার পরিবহন হানিফ ফ্লাইওভার কেন্দ্রিক যাতায়াত করে। ওরিযন গ্রুপ কর্তৃক হানিফ ফ্লাইওভারের  উপর দিয়ে চলাচলকারী পরিবহন থেকে আরএফআইডির মাধ্যমে টোল আদায়ের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়া হয়। উল্লেখিত তিনটি ট্রাফিক বিভাগের সমন্বয়ে প্রচারণা চালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তাছাড়া শীঘ্রই এক মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনের আয়োজন করা হবে। একটি নির্দিষ্ট সময় সকল পরিবহনের ক্ষেত্রে বেধে দেয়া হবে যাতে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে সবাই আরএফআইডি কার্ড গ্রহণ করে। আলোচনায় ফ্লাইওভারের উপরের বাস যাতে যখন-তখন  লেন পরিবর্তন করতে না পারে, যেখানে সেখানে বাস পার্কিং করতে না পারে, যেখানে সেখানে যাত্রী উঠা-নামা করতে না পারে - সেজন্য সমন্বিতভাবে ড্রাইভ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাশাপাশি, যাত্রাবাড়ী মোড়ের  ফ্লাইওভারের নিচের আইল্যান্ড ভেঙে বাস চলাচলের রাস্তা প্রশস্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সাথে যৌথভাবে অপারেশন কন্ট্রোল রুম স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কুতুবখালি ফ্লাইওভার ইনকামিং এর রাস্তার  ফেন্সিং করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় ট্রাফিক মতিঝিল বিভাগ এবং ট্রাফিক লালবাগ বিভাগের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল শুরু

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪




স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৭৯জন দেখেছেন

Image

শাহিদ আহমেদ খান সিলেট প্রতিনিধি:প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে কবি-সাহিত্যিক সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী এমপি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিশ্বের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

প্রতিমন্ত্রী ঢাকার খামারবাড়ির গিয়াস উদ্দিন মিল্কী অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত ১৬তম জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব এর চেয়ারম্যান কবি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সাংবাদিক, কলকাতার কবি শক্তিময় দাস। এছাড়াও নাট্য ব্যক্তিত্ব আব্দুল আজিজসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ নির্মানের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নে তথা বাংলাদেশকে সুখী-সমৃদ্ধ-স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সরকার নানামুখী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করেছে । 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ইতোমধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল আমরা কবি-সাহিত্যিক সবাই পাচ্ছি।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন উদযাপন কমিটি-২০২৪’র আহবায়ক কবি ড. শহীদুল্লাহ আনসারীর সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব ঢাকা জেলা ও বিভাগীয় কমিটির সভাপতি কবি আতাউল ইসলাম সুবজ’র সঞ্চালনায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন একুশে পদপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. অরুপ রতন চৌধুরী। প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব এর চেয়ারম্যান কবি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। বিশেষ আলোচকের বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাবের মহাপরিচালক কবি নাহিদ রোকসানা। আরো বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান খোকা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের সরকার, পোয়েটস্ ক্লাব নোয়াখালি জেলা সভাপতি কবি ফারুক আল ফয়সল।

অনুষ্ঠানে ভারত-বাংলাদেশ মিলিয়ে দি হানড্রেডস ও দি ফোর্টি সিস্টার্স বিশেষ সম্মানে রঙিন উত্তরীয়, কবি-ব্যাগ, ম্যাডেল ও সনদপত্র দিয়ে যাদেরকে সম্মানিত করা হয়েছে, তারা হলেন- কবি যথাক্রমে নাহিদ রোকসান, মুস্তারী বেগম, অধরা লাকী, হেলেন মাহমুদ, সাঈদা আজিজ চৌধুরী, সেলিনা আহমেদ ডডন, শিল্পী রীণা রায়, আনুন নাহার লুবনা, সুরাইয়া পারভীন লিলি, ডাঃ মুহসিনা খানম, আফরোজা জেসমিন, সেলিনা জামান, দীপা বর্মণ, লায়লা আর্জুমান শিউলী, নূরুন নাহার মেরী, মুর্শিদা ভুঁইয়া মীরা, মোর্শেদা চৌধুরী এনী, তাসলিমা বেগম, সৈয়দা শিরিন আক্তার, তৌফিকা আজাদ, আফসানা আক্তার, কাজী শামীম রুবী, মাহফুজা আহমেদ, কামরুন জাহান ঝিনু, জান্নাতুন নাঈমী, রানু গাজী, সুবর্ণা অধিকারী, শাহিনা আফরোজ, সাজেদা ডুলু, সাহিনা জালালী পিয়ারা, সুরমা আক্তার, হাসিনা মমতাজ, নাহিন ফেরদৌস, মাহবুবা লাকি, জীবন নাহার খান নিপা, নাছরিন সুলতানা, হামিদা খাতুন, খাদেজা রহমান কল্পনা, ফরিদা সুলতানা, ইফফাত চৌধুরী, শাহনাজ শারমিন মুনু, ফারজানা আফরোজ রিতা, আরিফা রাব্বী মিলি, জয়নাব জোনাকী, ডা. অরূপরতন চৌধুরী, শক্তিময় দাস, ড. শহীদুল্লাহ আনসারী, তন্ময় হারিস, ডিআইজ রোকনউদ্দিন রোকন, ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, রেজা উদ্দিন স্টালিন, মীজা আশরাফুল ইসলাম, পুলক ভট্টাচার্য্য, ঢালী মুহাম্মদ দেলোয়ার, আব্দুর রাজ্জাক, আতাউল ইসলাম সবুজ, সুপ্রিয় বড়–য়া, ধ্রুব গৌতম, এবিএম সোহেল রশিদ, অভিনেতা আব্দুল আজিজ, আব্দুল আজিজ চৌধুরী, আব্দুর রশিদ চৌধুরী মোঃ আলী খান চৌধুরী মানিক, মোঃ নুরুল হুদা ডিউক , কণ্ঠশিল্পী মোঃ শফিকুল ইসলাম স্বপন, মোঃ আবুল কাশেম, দেবদাস হালদার, শিকদার আব্দুস সালাম, নজরুল ইসলাম বাঙালি, খান আখতার হোসেন, এটিএম মমতাজুল করিম, অমিতাভ চক্রবর্তী, আব্দুল মান্নান শেখ, আব্দুল হামিদ সরকার, ফারুক আল ফয়সাল, আবুল হোসেন হেলালী, মহিউদ্দিন চৌধুরী, মুক্তি আল মাহমুদ খান, আউয়াল খন্দকার, মুজিবুর রহমান বকুল, মোহাম্মদ আমির হোসেন, জামাল বিন হুসাইন, মোস্তাক মুসা, মোঃ জহিরুল ইসলাম, জুনায়েদ খোরাসানী, মানবিক কর্মী আবুল বাশার, সাংবাদিক জহিরুল জাহাঙ্গীর, মোঃ মনিরুজ্জামান, ড. শাহেদ মন্তাজ, জিএ সামদানী, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শামছুল হক, ঢালী মনিরুজ্জামান, মোফাজ্জল হোসেন অনু, ওস্তাদ দিলদার হোসেন মোস্তার, কণ্ঠশিল্পী জমিয়া জামান নির্ঝর, মোহাম্মদ সোয়েব মজুমদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের সরকার, মোঃ শাহ আলম, মোঃ রিপন মিয়া, রিফাত মাহবুব সাকিব, সাব্বির উদ্দিন, এসএম মনির, ডি.এম রুস্তম, রুস্তম আলী, মোঃ নূর আলম সিদ্দিকী হীরা, মোস্তফা হাসনাইন পিয়া, আবুল হোসেন মজুমদার, এম.এ করিম, মোঃ শামসুল হক, অভিনেত্রী অঞ্জিলি রায়, অভিনেতা ওমর সানি, অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান, কণ্ঠশিল্পী সামান্তা শাহীন, অভিনেতা পীরজাদা শহীদুল হারুন, কণ্ঠশিল্পী ফকির সাহাবউদ্দিন প্রমুখ। 

সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক মিলন রায়, মোঃ আলী খান চৌধুরী মানিক, শফিকুল ইসলাম স্বপন, মোঃ শাহিদুল ইসলাম, অমিতাভ চক্রবর্তী, আফরোজা জেসমিন, মুর্শিদা ভূইয়া মীরা, নাছরিন সুলতানা। অনুষ্ঠান শতাধিক কবি স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন।

কণ্ঠশিল্পী মোঃ শফিকুল ইসলাম স্বপন এর সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন কলকতার প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী পুলক ভট্টাচার্য্য ও কণ্ঠশিল্পী মীরা রায়। জসিম উদ্দিন ললিত কলা একাডেমির কোরিওগ্রাফার তহুরা আক্তার সাথী’র পরিচালনায় কাজী নজরুল ইসলামের “আমি বন ফুল গো” গানে সাথে নৃত্য পরিবেশন করেন সাদমিন আনাম সানজানা, নূর, রাজেস্বরী সরকার স্পর্শ, বর্ণ, সানজারী ইসলাম সারা, মায়া বনিক অথৈ, জ্যোতি আহমেদ সোহানা, অন্নেসা মজুমদার, মৃত্তিকা পারেখ, নিলীমা আহমেদ নিলা, পিউ বণিক, শিশির কণা সরকার প্রমুখ। 

অনুষ্ঠানে আগত সকলকে বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব এর পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান কবি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



১১ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বিদেশের কারাগারে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১০৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিশ্বের ৩১ দেশের কারাগারে ১১ হাজার ৪৫০ বাংলাদেশি শ্রমিক ও প্রবাসী আটক আছেন,জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সোমবার (১ জুলাই) জাতীয় সংসদে লিখিত প্রশ্নোত্তরে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য ফরিদা ইয়াসমিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

ড. হাছান মাহমুদ জানান, বাংলাদেশি বন্দী সবচেয়ে বেশি আটক রয়েছেন সৌদি আরবে, ৫ হাজার ৭৪৬ জন। প্রতিবেশী ভারতে আটক আছেন ১ হাজার ৫৭৯ জন। অন্য দেশগুলোর মধ্যে তুরস্কে ৫০৮ জন, ওমানে ৪২০ জন, কাতারে ৪১৫ জন, গ্রিসে ৪১৪ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪০৪ জন, দক্ষিণ আফ্রিকায় ৩৮৫ জন ও মিয়ানমারের কারাগারের ৩৫৮ জন বাংলাদেশি আটক আছেন।

এর বাইরে মালয়েশিয়ায় ২১৯ জন, ইরাকে ২১৭ জন, চীনে ১৯১ জন, হংকংয়ে ১২২ জন, জর্ডানে ১০০ জন, ইতালিতে ৮১ জন, মালদ্বীপে ৭০ জন, সিঙ্গাপুরে ৬৬ জন, ইন্দোনেশিয়ায় ৪৯ জন, লেবাননে ২৮ জন, স্পেনে ১৯ জন, ব্রুনেইতে ১৬ জন বাংলাদেশি আটক আছেন। এ ছাড়া ২ থেকে ১০ বাংলাদেশি আটক রয়েছেন জাপান, পর্তুগাল, বেলজিয়াম, মোজাম্বিক, থাইল্যান্ড, আলজেরিয়া, লিবিয়া, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ কোরিয়া ও মিসরের কারাগারে।


আরও খবর