Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

ওরা নারী পাঁচারকারী গড ফাঁদার এদের নিয়ন্ত্রনে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ২৪৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 

খবরের পাতায় মাঝে মধ্যেই শিরোনামে দেখা যায় নারী ধর্ষণ, পাঁচার,গুম, হত্যা, আটক রেখে পতিতা ব্যবসা ঐ সকল ঘটনার মাঝে মধ্যে কূল কিনারা মিল্লেও অনেক ক্ষেত্রে  ঘটনার রহস্যই থেকে যায়। উন্মোচন হয় না কোন কুল কিনারা। আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা তদন্ত করতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে হাঁপিয়ে ওঠেন অনেক ক্ষেত্রে। তবে বেশিরভাগ জট বাঁধে হোটেলে রহস্য জনক মৃত্যু। আবার অনেক সময় দেশের বিভিন্ন জায়গায় নানা ফন্দি ফিকিরের পর লোম হর্ষক নরপিচাশ সন্ত্রাসী খুনিরা নানা স্বার্থ হাসিলের জন্য নারী পুরুষ শিশুকে হত্যা করে নদী নালা ডোবায়, পুকুরে লাশ ফেলে দিয়ে সটকে পরে হত্যাকারীরা। বেশিরভাগ আবাসিক হোটেলে হত্যার রহস্যে জট বাঁধে ২০১০ইং ২৮শে রমজান মাসে নারী পাঁচারকারীদের খপ্পরে পরে গুলশান থানাধীন লর্ডস ইন আবাসিক হোটেলে সিমা নামে এক নারীকে পাঁচারকারীরা কৌশলে এনে আটক করে উপযপুরি দল বেঁধে গণ ধর্ষক করে। এর পর মেয়েটিকে সেখানে পতিতা বানানোর নানা চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হোটেল দালালরা মেয়েটিকে শ^াসরুদ্ধ করে হত্যা করে লাশটিকে ও মিথ্যা স্বামী পরিচয় দিয়ে লাভলু নামে এক ব্যক্তি সিমার লাশটিকে নিয়ে গায়েব হয়ে যান। এর মধ্যে হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন নামক একটি মানবাধিকার সংস্থা তদন্ত কমিটি গঠন করেন যাহা তৎকালীন মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার ও সাড়া মিলে। এক পর্যায়ে নারী পাঁচারকারী দালালরা সংগঠনের তৎপরতা দেখে ২ দিন পর গায়েব হওয়া সিমার লাশ স্বামী পরিচয় দানকারী লাভলুগংরা গুলশান থানায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সংস্থার লোকজন লাশটিকে উদ্ধার করে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম গেন্ডারিয়া কবরস্থানে মেয়েটিকে মাটি দেওয়া হয়। আজও সিমার পরিবারের পরিচয় পাওয়া যায় নি। 


২০১১ সালে এক গার্মেন্টস কর্মী সুমি-১৪ কে মালিবাগ মিরাজ আবাসিক হোটেলে এনে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করতে ব্যর্থ হওয়ায় নারী পাঁচারকারী দালালরা হোটেলের ভবন হতে ফেলে দিয়ে পাশের বাড়ির গেইটের উপরে থাকা ধাঁরালো ৪টি শুল সুমির বুকের ভিতর দিয়ে এ ফোর ও ফোর হয়ে মেয়েটি কাটা মুরগির মতো ছটফট করে রাস্তায় শত শত পথচারীদের চোখের সামনে ছটফট করে মারা যায়। এ নিয়ে তৎকালীন রামপুরা থানার ওসি দেলোয়ার সহ বেশ কিছু পাঁচারকারী দালালদের বিরুদ্ধে হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন নামক সংস্থা জনস্বার্থে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। 


এছাড়া ২০২৩ সালে যাত্রাবাড়ি থানা এলাকায় শাহিন আবাসিক হোটেলে এক নারী হত্যার শিকার হয়। এমন হত্যা দেশের আবাসিক হোটেল গুলোতে দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় পর্যায় অসাধু আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর তৎপরতা ঢিলে ঢালা থাকায় সহজেই নারী পাঁচারকারী গড ফাঁদাররা রাজধীন সহ দেশের বিভিন্ন থানা এলাকায় মোটা অংকের সালামি দিয়ে  ভবন ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আবাসিক হোটেল প্রতিষ্ঠা করছে। স্থানীয় থানার কিছু অসাধু কর্মকর্তারা সহজেই ম্যানেজ হয়ে যাওয়ায় হোটেল গুলোকে নারী পাঁচারকারী গড ফাঁদাররা আন্ডারগ্রাউন্ডে থেকে 


শত শত দালালদের মাধ্যমে প্রেম, বিয়ে, চাকুরী দেওয়া সহ নানা ফন্দি ফিকির করে দেশের আনাচে-কানাচ হতে মেয়েদের নানা ফাঁদে ফেলে গড ফাঁদারদের নির্ধারিত আবাসিক হোটেলগুলোতে এনে প্রথমে নিজেরা ধর্ষণ করে পরবর্তীতে অর্থ কামানোর লালসায় পতিতা ব্যবসায় নানা ফন্দিতে সংগ্রহ করা মেয়েদের নামানো হয়। যদি কেউ বিভিন্ন পুরুষের সাথে অবৈধ মেলামেশা করতে না চায় তাহলে নিউ পপুলার ও নিউ বলাকা আবাসিক হোটেলে টর্চার সেলের রুমগুলোতে আটক করে বিব¯্র করে রেখে রুমের বাহির হতে গেটে তালা বদ্ধ করে রাখা হয়। খদ্দের এলে তালা খুলে নানা শারীরিক নির্যাতন পূর্বক পুরুষদের সাথে মিলামেশা করানো হয় তবে বেশিরভাগ নির্যাতনের শিকার হয় ১১ হতে ১৫ বছরের শিশুরা। আবার কাউকে দেশের বিভিন্ন পতিতালয়ে বিক্রি করে দেওয়া হয়। আর যারা এক সময় পাঁচারকারী দালালদের বশে আসে তাদের দালালরা এক হোটেল হতে অন্য হোটেলে বিভিন্ন পতিতালয়ে অর্থ কামানোর জন্য পাঠানো হয়। নাম গোপন রাখা শর্তে যাত্রাবাড়ি এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন রাজধানী ওয়ারী বিভাগের প্রায় ৫ হতে ৬ শতাধিক নারী পাঁচারকারীরা গড়ে তোলেছে ফাইভ স্টার গ্রুপ। এদের নেতৃত¦ দিচ্ছেন গড ফাদার হিসেবে সদরঘাটের ত্রাশ জাভেল হোসেন পাপন (মোবাইলঃ ০১৯৩৯-৩১৯১৪১), জামাল (মোবাইলঃ ০১৭১১-৪৪৬২৮৭), সাইদুল (মোবাইলঃ ০১৯৩৩-৫৭৮৮৫৯), সাজ্জাদ (মোবাইলঃ ০১৬১৫-২৯৮৮৬১), বাট্টু সেলিম (মোবাইলঃ ০১৭৪২-৬৮০৫৬৬), জাবেদ হোসেন মিঠু (মোবাইলঃ ০১৮২৭-১৬৫৬৩৬), এদের মূল আস্তানা হিসেবে রয়েছে যাত্রাবাড়ি থানাধীন ৮২/এ, ইউনুস সুপার মার্কেটের ৪র্থ তলায় নিউ পপুলার আবাসিক হোটেল তার উল্টো পাশেই সামিউল্লাহ প্লাজার ৫ম তলায় নিউ বলাকা আবাসিক হোটেল। সায়েদাবাদে রয়েছে নাহিদ, যাত্রাবাড়িতে শাহিন আবাসিক হোটেল, মেঘনা আবাসিক হোটেল, বাবুবাজারে রয়েছে বি-বাড়িয়া আবাসিক হোটেল, এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা কুমিল্লা, ব্রাহ্মনবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, দিনাজপুর, খুলনা, ময়মনসিংহ, যশোর, পটুয়াখালী, রংপুর, পাবনা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর সহ বিভিন্ন জেলায় রয়েছে এই সিন্ডিকেটের আবাসিক হোটেল, ফ্ল্যাট বাসা 


তবে মূল ঘাঁটি হচ্ছে ডিএমপির যাত্রাবাড়ি নিউ পপুলার ও বলাকা আবাসিক হোটেল। সেখানে ফাঁদে পরা মেয়েরা একবার আসলে আর সুশীল সমাজে ভালো ভাবে ফিরে যেতে পারে না। সেখানে বর্তমানে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর স্থানীয় পর্যায়ে রয়েছে ব্যাপক গোপন নিরাপত্তা, যাত্রাবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বি, এম ফরমান আলী উক্ত হোটেলের গড ফাঁদারদের গোপন শোভাকাঙ্খি হওয়ায় গোপনে নিরাপত্ত দিচ্ছে। ঐ হোটেলের বিরুদ্ধে কেউ কোন অভিযোগ করলে তার আর কোন হয়রানির শেষ থাকে না। অনেকেই একাধিক বার আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করার পরেও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হোটেল দুটিতে চলা নারী ঘটিত অপকর্ম বন্ধ হয়নি। যারা ঐ হোটেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে বা কথা বলেছে তারাই বারবার হয়রানির শিকার হয়েছে। দালালদের খপ্পরে পরে যে সকল নারীরা সেখানে আসে ঐ টর্চার সেল হতে দুই একদিন পর বাছাই পূর্বক দেশ বিদেশের আবাসিক হোটেল, ফ্ল্যাট বাসা পতিতালয়ে পাঠানো হয়। ভুক্তভোগী এক নারী নাম গোপন রাখা স্বত্ত্বে বলেন, নিউ বলাকা, নিউ পপুলার, আবাসিক হোটেলে নিয়মিত অবস্থান করে হোটেলে খদ্দের ও মেয়ে সংগ্রহ পূর্বক রিসিভ করে রাত দিন অপকর্ম করে সে সকল কিছু পাঁচারকারী দালালদের নাম ও নাম্বার প্রকাশ করা হইলঃ নারী পাচারকারী ও খদ্দের সংগ্রহকারী দালাল ১। ইমরান, মোবাইলঃ ০১৭২৬-২৬৩০২৬ ২। সুলতান, মোবাইলঃ ০১৬০৯-৩০৯২১৬ ৩। রসিদ, মোবাইল ঃ ০১৭২৭-০৮১৬৯০ ৪। সুলতান-২, মোবাইলঃ ০১৭৩৮-১৮৭৬২৮৫। ইমরান-২ মোবাইলঃ ০১৩১৯-০৭০৩৩৩৬। ইমরান-৩, মোবাইল ঃ ০১৩২৭-২৭০০৭২৭। মাহিম, মোবাইলঃ ০১৯৯৮-৩৫৩৬২৭৮। সুলতান-৩, মোবাইলঃ ০১৯৩২-৫৫৮৭২৫৯। রাকিব, মোবাইলঃ ০১৭৩৮-৭২১৮০৭১০। রাকিব, মোবাইল ঃ ০১৯৯২-৪৭১১৬৩১১। ফাইম, মোবাইলঃ ০১৩৩১-৪০১৪২৫,১২। মিহিন, মোবাইলঃ ০১৭১৮-২৬৪৪৫০ ১৩। হুমাউন, মোবাইলঃ ০১৮৩৪-৯৮৬৯৬৯১৪। নিরব, মোবাইল ঃ ০১৭১৭-৩৪২৫৮৮১৫। মহিদুল, মোবাইলঃ ০১৮২৬-৪৫১৬৩১১৬। আপন, মোবাইল ঃ ০১৯১১-৯৩০১৩০১৭। সুমন, মোবাইল ঃ ০১৭২০২৪৩২৩৪১৮। আবজাল, মোবাইল ঃ ০১৭৯০-৬৪০৯৯৪১৯। তোফাজেল, মোবাইলঃ ০১৭১১-৬৭৪৮৯৮২০। তারেক, মোবাইলঃ ০১৯২০-৪০১৫৬৬২১। আনোয়ার, মোবাইলঃ ০১৭৩৩-৭৬৮০৮৭ ২২। আরিফ, মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৭৪৪১৩, ২৩। অভি ভাই, মোবাইলঃ ০১৯২৪-২৬৪২৩৫, ২৪। নাসির মোবাইলঃ ০১৮১৮-৮৭৬৫৯২০, ২৫। নাসির-২ মোবাইলঃ ০১৭২৫-৭২৯২২৭, ২৬। নাসির-৩ মোবাইলঃ ০১৮১৭-২৭১৪৪৫, ২৭। মানিক, মোবাইলঃ ০১৮৪৬-৮১৩১২৯, ২৮। ইউসুফ, মোবাইলঃ ০১৭২১-৬১৭৯৩৯, ২৯। সুমন, মোবাইলঃ ০১৭২০২-৪৩২৩৪ ৩০। সুমন-২ মোবাইলঃ ০১৮১৮-৫৫৮১৮২, ৩১। মনির, মোবাইলঃ ০১৭০৪৬০৫২১৪, ৩২। তারেক (০১৬০২-৮৮২৫৩৩), ৩৩। রিপন, ৩৪। তেল মনির, ২৭৩, 


ধোলাইপাড় ও নারী সদস্য ৩৫। মলিনা আক্তার জুুঁই ৩৬। সাথী, ৩৭। লিজা ৩৮।আনোয়ারা ৩৯। আঙ্গুরী ৪০। বেবী, ৪১। রানী সহ অজ্ঞাতনামা আরো অনেকে। তবে গড ফাঁদারদের নামে ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ডিএমপির শ্যামপুর, যাত্রাবাড়ি, শাহজাহানপুর, সবুজবাগ থানাসহ তাদের নামে বে-নামে বিভিন্ন থানায় মানব পাঁচার সহ তাদের নানা ধরনের অপকর্মের দায়ে একাধিক বিভিন্ন মামলা রয়েছে।


রহস্যজনক কারণে দেখেও না দেখার ভান করে থাকে। যাত্রাবাড়ি হোটেল গুলোর টর্চার সেলে রয়েছে একাধিক সিসি ক্যামেরা। রুমগুলোতে রয়েছে গোপন ক্যামেরা। গোপন ক্যামেরায় ধারণকৃত ছবি ব্যবসার খদ্দের চাহিদা বাড়াতে দেশ ব্যাপী ইন্টারনেটের মতো জায়গায় ছেড়ে দেওয়া হয়ে থাকে। গুগলে ইউটিউবে, ফেইসবুকে মতো সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় নারীদের  ছবি ও পাঁচারকারীরা খদ্দের যোগান দাতা দালালদের মোবাইল নাম্বারও ঐ সকল ছবির পাশে দেওয়া থাকে। তবে ইন্টারনেটে যাত্রাবাড়ি আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসা বলে সার্চ দিলেই চলে আসে নিউ পপুলার, নিউ বলাকা আবাসিক হোটেলে খদ্দের যোগানদাতা দালালদের মোবাইল নাম্বার পথচারীদের মাঝে ছড়াতে দেশ ব্যাপী রাস্তার অলি গলি মেইন রোড কলকারখানা ও অফিস পাড়ার মতো জায়গায় দেখা যায় হোটেলের ভিজিটিং কার্ড বিলি করছে কিছু যুবক এ রকম হাজার হাজার হোটেল ভিজিটিং কার্ড রাস্তাঘাটে চোখ পড়তেই দেখা যায় ঐ সকল ভিজিটিং কার্ডে শুধু নারী ব্যবসায়ী দালাল ব্যক্তির ছদ্দনাম ও মোবাইল নাম্বার দেওয়া থাকে। ফোন করলেই লোকজন এসে নিয়ে যায় হোটেল নামে পতিতালয়ে। ঐ সকল পতিতালয়ে গিয়ে অনেক বিত্তবান ব্যক্তিবর্গ খদ্দের সেখানকার ছিনতাইকারী দালালদের খপ্পরে পরে আটক হয়ে অনেকে সর্বশান্ত হয়েছেন। তবে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সৎ ইচ্ছা থাকলে যে কোন সময় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারে। কিন্তু রহস্য জনক কারণে অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায় আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা দেখে ও না দেখার ভান করে থাকে। 


এলাকার গণ্যমান্য অনেকেই নিজেদের নাম গোপন রাখা স্বত্ত্বে বলেন, নিউ পপুলার, নিউ বলাকা, আল-শাহিন, মেঘনাসহ অন্যান্য হোটেলের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না। কেনানা স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর দেখভাল করার ইন্সপেক্টর জেলা প্রশাসক, আবাসিক হোটেল রেজিষ্ট্রেশন শাখা কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় পরিবেশ কর্মকর্তা ঢাকা-৫ আসানের এমপি সহ স্থানীয় থানা পুলিশ র‌্যাব-১০ ও র‌্যাব-৩ এর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা কেউ কিছু না বলার কারণে উক্ত হোটেল গুলোতে নারী ব্যবসা, মাদক ব্যবসা, নারী পাঁচার সহ নানাবিধ অপকর্ম দিন দিন বেড়েই চলেছে। এছাড়া এলাকার সচেতন যুবক, ভদ্র মানুষগুলো ও যাত্রাবাড়ি এলাকার মসজিদ, মাদরাসার সচেতন মানুষগুলো প্রতিবাদ মুখী হয়ে দাড়ালে যাত্রাবাড়ি সহ দেশের আনাচে কানাচে সরকারি অনুমতি বিহীন আবাসিক হোটেল ফ্ল্যাট বাসায় নারী পাঁচার ও অবৈধ অসামাজিক কার্যকলাপ অনেকটাই কমে যেত।


আরও খবর



খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও বাড়ল

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ১২৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সরকার আরও ৬ মাস বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়িয়েছে ।বুধবার (২৭ মার্চ) দুপুরে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।গেল ২৫ মার্চ থেকে তার সাজা স্থগিত কার্যকর হয়। এ সময় তিনি নিজ বাসায় থেকেই চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করবেন। চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে পারবেন না।

এর আগে, গত ২০ মার্চ আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছিলেন, খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে আগের দুটি শর্তেই মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানো হচ্ছে। সে সময় আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে মত দেওয়া হয়। এরপর খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে করা আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হয়।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতির মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মামলায় খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের সাজা হয়। সেদিন থেকে কারাবন্দি হন তিনি। এরপর আরেক দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার আরও সাত বছরের সাজা হয়। দেশে করোনা শুরুর দিকে ২০২০ সালের মার্চে নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার দণ্ড ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। তখন থেকে তিনি গুলশানের বাড়িতে রয়েছেন এবং প্রতি ছয় মাস পরপর সরকার থেকে তার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে।


আরও খবর



ব্যাংকে ডাকাতি ও অপহরণ: রুমা ও থানচিতে পুলিশের ৬ মামলা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ডাকাতি বান্দরবানে দুই দিনে ৩ ব্যাংকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অস্ত্র লুট, থানায় হামলা ও ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণের ঘটনায় ছয়টি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) রুমা ও থানচি থানায় মামলাগুলো রেকর্ড করা হয়।

মামলার এজাহারে কেএনএফ সন্ত্রাসীদের কথা বলা হলেও কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। সব মামলায় এজাহারে থেকে ৫শ’ আসামি অজ্ঞাত লেখা রয়েছে।

চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি নূর আলম গণমাধ্যমকে বলেন, দুই থানায় ব্যাংক লুট, অস্ত্র ছিনতাই, ডাকাতির ঘটনায় কয়েকশ অজ্ঞাত সন্ত্রাসীকে আসামি করে ৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া গত রাতে থানচিতে আক্রমণের ঘটনায় আরও একটি মামলা করা হবে।

এর আগে, গত মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাতে রুমা উপজেলায় সোনালী ব্যাংকের শাখা ঘেরাও করে কেএনএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

এ সময় তারা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের অস্ত্র-গুলি লুট করে এবং তাদের মারধর করে সোনালী ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে টাকা লুট করার চেষ্টা চালায়। এতে ব্যর্থ হয়ে ব্যাংকের ম্যানেজার নিজাম উদ্দিনকে অপহরণ করে দুর্গম পাহাড়ে চলে যায়।

এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই পরদিন বুধবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে আবারও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা থানচি উপজেলার সোনালী ব্যাংক ও কৃষি ব্যাংকে হামলা করে ১৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

এসময় সন্ত্রাসীরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে এবং ব্যাংকের বিভিন্ন ব্যক্তির মোবাইল ফোন নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

সবশেষ গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) রাতে রুমা থেকে সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার নেজাম উদ্দিনকে উদ্ধার করে র‌্যাব। কিন্তু এ ঘটনার পরপরও থানচি বাজার ও থানায় হামলা করে সন্ত্রাসীরা।

এসময় তাদের প্রতিহত করতে অন্তত ৫০০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে মধ্যরাতে বান্দরবানের আলীকদমের ২৬ মাইল এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর একটি চেকপোস্টেও গুলির ঘটনা ঘটে।


আরও খবর



ঝালকাঠিতে ট্রাক-প্রাইভেটকার-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৩৪জন দেখেছেন

Image

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরের দিকে ঝালকাঠিতে ট্রাক-প্রাইভেটকার-অটোরিকশার সংঘর্ষে ১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২৫ জন।আজ বুধবার দুপুর ২টার দিকে গাবখান সেতুর টোলপ্লাজা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরওএমও) ডা. মেহেদী হাসান সানি জানিয়েছেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৬ জনের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।


আরও খবর



সুনামগঞ্জে দাদী ও নাতনীসহ ৩ জনের মৃত্যু, ২ জন আহত

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া-সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জে একদিনের ব্যবধানে সড়ক দূঘটনায় আবারো ঝড়ে পড়ল দুইটি তাজ প্রাণ। সম্পর্কে দুজন দাদী ও নাতনী। এঘটনা গুরুতর আহত হয়েছে আরো ১জন। অন্যদিকে হাওরে মাছ শিকার করতে গিয়ে এক জেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এঘটনা আরো ১জন আহত হয়েছে। মৃতরা হলো- জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের ভুজনা গ্রামের মৃত সুরেশ বিশ্বাসের ছেলে শ্রী সচী বিশ্বাস (৩২) ও দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের তলবাউসি গ্রামের আতাউর রহমানের মা শামসুন্নাহার (৭৫) ও মেয়ে জান্নাত বেগম (১৩)। আহতরা হলো- মোটর সাইকেল চালক শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও জেলে কইল্লা বিশ্বাস (৩০)।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে- আজ শনিবার (৬ এপ্রিল) ভোর রাতে জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার কনসখাই হাওরে মাছ শিকার করতে যায় জেলে সচী বিশ্বাস ও কইল্লা বিশ্বাস। হাওরে মাছ শিকার করার সময় বজ্রপাতের শিকার হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সচী বিশ্বাস। ওই সময় তার সাথে থাকা অপর জেলে কইল্লা বিশ্বাস গুরুতর আহত হয়। পরে তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে।

অন্যদিকে গতকাল শুক্রবার (৫ এপ্রিল) রাত ১১টায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দাদী ও নাতনীর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোসহ গুরুতর আহত মোটর সাইকেল চালককে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। ওই দিন রাত ১০টায় সুনামগঞ্জ শহরতলীর বড়ঘাট এলাকা থেকে যাত্রীবাহী মোটর সাইকেল ভাড়া নিয়ে দাদী শামসুন্নাহার ও নাতনী জান্নাত বেগম তাদের গ্রামের বাড়ি দিরাই উপজেলার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এমতাবস্থায় তারা রাত সাড়ে ১০টায় সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের গাগলী এলাকায় পৌছার পর মালাবাহী একটি ট্রাক এসে মোটর সাইকেলটিকে পিছন থেকে ধাক্কা দেয়।

এঘটনায় দাদী শামসুন্নাহার ও নাতনী জান্নাত বেগম মোটর সাইকেল থেকে ছিটকে রাস্তা পড়ে যায় এবং মাথায় আঘাত পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে মারা যায়। আর মোটর সাইকেল চালক শহিদুল ইসলাম গুরুতর আহত হয়। এঘটনার খবর পেয়ে শান্তিগঞ্জ থানার পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে মৃত দাদী ও নাতনীর লাশ উদ্ধারে মর্গে পাঠায়। আর আশংকাজনক অবস্থায় আহত মোটর সাইকেল চালকে সিলেট পাঠানো হয়।দোয়ারাবাজার থানার ওসি বদরুল হাসান ও শান্তিগঞ্জ থানার ওসি মোক্তাদির হোসেন পৃথক ঘটনায় ৩জনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



সিরাজগঞ্জে জেলা যুবলীগের আয়োজনে ইফতার বিতরণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image
রাকিব সিরাজগঞ্জ থেকে:রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে বাংলাদেশ যুবলীগ কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অংশ হিসেবে  সিরাজগঞ্জ জেলা যুবলীগের উদ্যোগে ৩০০ জন অসহায় ও গরীবদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) বিকেল ৫ টা এস.এস রোডস্থ দলীয় আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে থেকে অসহায় ও গরীবদের কে ইফতার বিতরণ করে সিরাজগঞ্জ জেলা যুবলীগের নেতৃবৃন্দ। 

এসময় ইফতার বিতরণে উপস্থিত ছিলেন, সিরাজগঞ্জ জেলা যুবলীগের আহবায়ক আলহাজ্ব রাশেদ ইউসুফ জুয়েল,যুগ্ম আহবায়ক সঞ্জয় সাহা, যুগ্ম আহবায়ক হাসান শহীদ চঞ্চল,জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক আলহাজ্ব সরকার সহ অন্যন্য নেতৃবৃন্দ। 

এসময় বক্তৃতাগণ বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার 
নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে এখন আমারা স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছি। সিরাজগঞ্জ জেলা যুবলীগের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হিসেবে সব সময় ভালো কাজ গুলো করে থাকে। আমরা সব সময় জনকল্যাণে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ কাজ করি। সিরাজগঞ্জ জেলা যুবলীগ আজকে পবিত্র  মাহে রমজান উপলক্ষে ৩০০ জন অসহায় ও গরীবদের মাঝে ইফতার বিতরণ দেওয়া হলো।

আরও খবর