Logo
আজঃ Wednesday ২৬ January ২০২২
শিরোনাম
অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে সহ-শিল্পীদের নগ্ন ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদেশের মাটিতে কৃষিপণ্য সরবরাহ বাড়াণোর লক্ষ্যে : ইরান রাজনৈতিক কঠিন চাপে রয়েছেন মেয়র আরিফুল স্বপ্নের মেট্রোরেল রওনা হলো আগারগাঁওয়ের উদ্দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণে ভারতে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ মুরাদ হাসান এমিরেটসের ফ্লাইটে কানাডা গেলেন সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আগামী বিশ্বকাপে ব্যাটসম্যানদের উন্নতি দেখতে চান করোনাভাইরাসে আরও ছয়জনের মৃত্যু বিশ্বের ৪৩তম ক্ষমতাধর নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ওমিক্রন প্রতিরোধে নির্দেশনা জারি করলেন পুলিশ সদস্যদের

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১৬৫জন দেখেছেন
Image

করোনাভাইরাসের এর নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও এর প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন প্রতিরোধে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি (অপারেশনস-২) মোহাম্মদ উল্ল্যা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হলো

১. প্রত্যেক পুলিশ সদস্য ডিউটি পালনের সময় অবশ্যই মাস্ক, গ্ল্যাভস, হেডকভার, ফেসশিল্ড প্রভৃতি পরিধান করবেন।

২. ডিউটি পালনকালে কিছু সময় পর পর হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে এবং নিয়মিত ডিউটি শেষে সাবান/হ্যান্ড ওয়াশ দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে।

৩. কোডিড-১৯ (ওমিক্রন) উপসর্গ দেখা দিলে আইসোলেশন সেন্টারে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

৪. প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে দ্রুত সময়ের মধ্যে কোডিড-১৯ ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে ইউনিট ইনচার্জ কর্তৃক অধীন পুলিশ ও নন-পুলিশ সদস্যদের ভ্যাকসিন গ্রহণ নিশ্চিত করা।

৫. পুলিশের সব ইউনিটে ‘No Mask No Service’ এবং ’No Mask No Entry’ নির্দেশনা প্রতিপালন করা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মাস্কের ব্যবস্থা রাখা।

৬. ডিউটিরত সব ক্ষেত্রে শারীরিক দূরত্ব (কমপক্ষে ৩ ফুট বা ১ মিটার), হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।

৭. সেবা গ্রহীতা ও দর্শনার্থীদের পুলিশ স্থাপনায় প্রবেশের ক্ষেত্রে শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয় ও হাত ধোয়া/স্যানিটাইজ নিশ্চিত করা।

৮. প্রত্যেক পুলিশ সদস্যের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী (মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ইত্যাদি) ব্যবহার নিশ্চিত করা।

৯. অপারেশনাল কাজে ব্যবহৃত অস্ত্র, হ্যান্ডকাফ, রায়ট গিয়ার, হ্যান্ডমাইক, মেটাল ডিটেক্টর, আর্চওয়ে ইত্যাদি যথাযথভাবে জীবাণুমুক্ত করা।

১০. ডিউটি শেষে আবাসস্থলে প্রবেশের আগে ইউনিফর্ম ও জুতা ভালোভাবে জীবাণুমুক্ত করা এবং সাবান দিয়ে গোসল করা।

১১. ডাইনিং রুম, ক্যান্টিন, বিনোদন কক্ষ, রোল কল, ডিউটিতে যাবার পূর্বে ও ডিউটি হতে ফেরার পরে, সমাবেশস্থলে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রীর ব্যবহার নিশ্চিত করা।

১২. কোভিড-১৯ উপসর্গ দেখা দিলে কিংবা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে ছিল বা এসেছে এমন পুলিশ সদস্যদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোভিড পরীক্ষার ব্যবস্থা করা।

১৩. কোভিড-১৯ পজেটিভ সদস্যদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী কেন্দ্রীয়/বিভাগীয়/জেলা পুলিশ দাসপাতাল ও স্থানীয় হাসপাতালে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।

১৪. জরুরি প্রয়োজনে রোগীকে অন্যত্র স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ইউনিট ইনচার্জ কর্তৃক তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

১৫. ইউনিট ইনচার্জ ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিজ ইউনিটের আক্রান্ত সদস্য ও তার পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা এবং সার্বিক সহায়তা প্রদান করা।

১৬. হাজতখানা সর্বদা জীবাণুমুক্ত রাখা এবং হাজতে থাকাকালীন কোন ব্যক্তির কোডিড-১৯ এর লক্ষণ প্রকাশ পেলে অবিলম্বে তাকে পৃথক করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

১৭. রেশন সামগ্রী, ওষুধ ইত্যাদি সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি এবং সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করা।

১৮. কোডিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কর্তৃক প্রণীত এসওপি এর নির্দেশনাসমূহ অনুসরণ এবং রোলকলে সচেতনতামূলক ব্রিফিং প্রদান করা।

১৯. কোডিড-১৯ সংক্রাতে ইতিপূর্বে প্রেরিত নির্দেশনা যথাযথ ও আন্তরিকভাবে প্রতিপালন করবেন।

২০. প্রত্যেক পুলিশ ইউনিটে কর্মরত সব সদস্যদের স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রশাসনের সঙ্গেসমন্বয়পূর্বক কোভিড-১৯ (বুস্টার ডোজ) ভ্যাকসিন গ্রহণে নিশ্চিত করতে হবে।

২১. কোভিড-১৯ সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী বিধায় সব পুলিশ সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গকে অবশ্যই যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে


আরও খবর



দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১১০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক" দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তনে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন,‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে উন্নয়ন, প্রযুক্তি জ্ঞান বৃদ্ধি এবং বিশ্ব দরবারে যেন তারা মাথা উঁচু করে চলতে পারে সেইভাবে আওয়ামী লীগ সরকার পদক্ষেপ নেয় এবং বাস্তবায়ন শুরু করে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাতগুলো উন্মুক্ত করে দেই। সরকার জনগণের সেবক; সেটা আমরা প্রমাণ করেছি।’

আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রাজধানীর বিজয় সরণিতে অবস্থিত সামরিক জাদুঘর উদ্বোধনের পর তিনি এসব কথা বলেন।

জাদুঘরটি উদ্বোধন করে নিজেকে ধন্য মনে করেছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,‘এটি সশস্ত্র বাহিনীর জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং আমাদের তিন বাহিনী সম্পর্কে আমাদের তরুণ প্রজন্ম উদ্বুদ্ধ হবে। সম্যক জ্ঞান পাবে। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীসহ সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের মধ্যে একটি প্রেরণা আসবে। তারা তৃপ্ত হবেন।’

সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার পেছনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা স্মরণ করে সরকারপ্রধান বলেন,‘স্বাধীনতার পরে তিনি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী গঠন করেন। তাদের প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট গড়ে তোলেন। সাড়ে তিন বছর সময়ের মধ্যে রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা ও আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য তিনি কাজ করেছেন। যুদ্ধ ক্ষতবিক্ষত দেশকে তিনি শূন্য থেকে দাঁড়িয়ে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রাম পর্যায়ে উন্নয়ন ও তারা যাতে আত্মমর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে পারেন তার জন্য বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেটা তিনি সম্পন্ন করে যেতে পারেননি। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। একই সঙ্গে আমার মা ও ভাইসহ পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আপনজন হারিয়েছিলাম এটা সত্য কিন্তু বাংলাদেশ কী হারিয়েছিল? একের পর এক ক্যু হয়েছে। শত শত সেনা অফিসারকে জীবন দিতে হয়েছে। অনেক পরিবার এখনো তাদের খোঁজও পায়নি। পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের ওপর চলে অত্যাচার নির্যাতন। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ যে আদর্শ নিয়ে স্বাধীন হয়েছিল তার থেকে বিচ্যুত হয়। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা থেমে যায় যা কখনো হওয়ার কথা নয়।’

বারবার নির্বাচিত করার জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘আমরা দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার কারণে কেবল দেশের উন্নয়ন নয় বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি। ইশতিহারের ঘোষণা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।’

জাদুঘরের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের যে ইতিহাস রয়েছে-স্বাধীনতার ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং সেই সঙ্গে আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক সশস্ত্র বাহিনী-দেশের মানুষ যেন সে সম্পর্কে জানতে পারে, উপলব্ধি করতে পারে, আমাদের সামরিক বাহিনী অর্থাৎ সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী কী কাজ করে, কিভাবে চলে বা অতীতে তারা কী করেছে সে বিষয়ে মানুষকে জানানো একান্তভাবে দরকার। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানা, একই সঙ্গে আমাদের ভবিষ্যৎ কী হতে যাচ্ছে-সে সম্পর্কে জানা দরকার।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আজকে যে সামরিক জাদুঘরটি আমরা দেখছি-এটি প্রথমে নির্মিত হয়েছিল খুব ক্ষুদ্র পরিসরে। বিজয় সরণির পাশের জায়গাটিতে এটি প্রস্তুত করা হয়। আমার খুব আকাঙ্খা ছিল-এটিকে খুব আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলার। তারই পাশে আরেকটি জায়গায় আমি প্রথমবার যখন সরকারে আসি, প্লানেটোরিয়াম করে ফেলি।’

তিনি বলেন, ‘যে কোনো কাজ আমি প্রথমবার যখন করতে গেছি, প্রতিটি ব্যাপারেই কিন্তু পরবর্তী সরকার এসে আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। প্লানেটোরিয়াম যখন আমি করলাম এর জন্য আমার বিরুদ্ধে দুটো মামলা দেওয়া হয়েছিল। কেন দেওয়া হয়-আমি ঠিক জানি না। আমরা যখন প্লানেটোরিয়াম করেছি, তখনই সমস্ত ইউটিলিটি যেন সামরিক জাদুঘর এবং প্লানেটোরিয়াম-উভয়েই শেয়ার করতে পারে সে ব্যবস্থাও নিয়েছিলাম। আর সেই সঙ্গে সরকার প্রধান হিসেবে বিভিন্ন সময় বিদেশে যখন আমরা যাই বা কোনো সরকার প্রধান যখন আমাদের দেশে বেড়াতে আসে তখন যে উপহার দেয়-সেগুলো সংরক্ষণ করা এবং দৃষ্টিনন্দনভাবে রাখা ও মানুষের সামনে তুলে ধরার ব্যবস্থাও করি। আমাদের যে তোষাখানা জাদুঘর আছে বঙ্গভবনে, সেখানে স্টোর রুমের মতো জিনিসপত্রগুলো রাখা। কিন্তু সেগুলো মানুষের সামনে প্রদর্শন করবার ব্যবস্থা আমি নিয়েছি। এজন্য এই জায়গায় আমরা তোষাখানা জাদুঘরও নির্মাণ করি। এবং এটা সামরিক বাহিনীর হাতেই দিয়েছিলাম, একটা কমিটিও আমরা করে দেই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেই সঙ্গে সামরিক জাদুঘরটাকেও অত্যন্ত আধুনিক করে গড়ে তোলা এবং এটা যেন দৃষ্টিনন্দন হয়-সারা বিশ্বের যত সামরিক জাদুঘর হয়েছে, তারমধ্যে যেন শ্রেষ্ঠ জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় সেটাই আমার আকঙ্খা ছিল। আমি এই জাদুঘরটি এখনো সরেজমিনে দেখিনি, প্রাথমিক পর্যায়ে যখন কাজ শুরু হয় তখন কিছুটা দেখেছি, যখন যতটুকু ডেভেলপ হয়েছে আমি ছবিতে দেখেছি, এবং যখন যেটা নির্দেশনা দেওয়ার আমি দিয়েছি, কিন্তু যতটুকু এখন দেখলাম—আমি মনে করি, এটা হবে সর্বশ্রেষ্ঠ, সুন্দর, আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি সামরিক জাদুঘর। কাজেই সেভাবে এটি তৈরি হোক সেটাই আমি চাই।’

তিনি বলেন, ‘জাদুঘর শুধু প্রদর্শনীর জন্য না, এটা দেখে আমাদের তরুণ প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে এবং দেশপ্রেমে জাগ্রত হয়ে তারা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে, আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যোগদান করতে আগ্রহী হবে, এগিয়ে আসবে।’


আরও খবর



নাসিরনগরের বিভিন্ন স্থানে আবারো নতুন করে জমে উঠেছে মাদকের বাজার

প্রকাশিত:Monday ০৩ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১৫৮জন দেখেছেন
Image
নাসিরনগরের বিভিন্ন স্থানে আবারো নতুন করে জমে উঠেছে মাদকের বাজার


মোঃআব্দুল হান্নানঃ

 ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরের বিভিন্ন গ্রামে আবারাে নতুন করে খোলতে শুরু করেছে মাদকের বাজার।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এ সমস্ত মাদকের মধ্যে রয়েছে বাংলা মদ,গাঁজা,ইয়াবা,ফেনসিডিল,উইসকি সহ ইন্ডিয়ান নামী দামী ব্র্যান্ডের আরো অনেকনাম না জানা মাদক।


আর এ সমস্ত মরণ নেশা মাদকের কবলে পড়ে ধবংস হতে চলেছে এলাকার যুব সমাজ।যুব সমাজে নেমে এসেছে নৈতিক অবক্ষয়।অনেক মাদক সেবীরা মাদকের টাকা সংগ্রহ করতে না পেরে লিপ্ত হতে চলেছে চুরি,ডাকাতির মত বিভিন্ন অপরাধ মুলক কাজে।

এতে করে বাড়তে শুরু করেছে নানা অপরাধ প্রবনতা।মাদকের টাকার জন্য অনেকেই আবার মা বাবার সাথে করছে অমানবিক ব্যবহার।কেহ কেহ আবার মা বাবাকে করছে শারীরীক ও মানষিক ভাবে লাঞ্চিত।লোক লজ্জার ভয়ে অনেক মা বাবাই নীরবে সহ্য করে যাচ্ছে মাদকসেবী সন্তানেন এমন অমানবিক অত্যাচার নির্যাতন।


নাসিরনগরের উল্লেখ যোগ্য যে সমস্ত ইউনিয়নে মাদকের মাদকের সবচেয়ে বেশী ছড়াছড়ি রয়েছে সে গুলোর মধ্যে  নাসিরনগর সদর,হরিপুর,গুনিয়াউ,ফান্দাউক,ধরমন্ডল,গোকর্ণ,কুন্ডা,ভলাকুট,গোয়াল নগর ও চাতলপাড়।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এক ইউনিয়ন পরিষদের  কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ও নব নির্বাচিত ইউপি সদস্যকে নাসিরনগর সদরের এক মাদক ব্যবসায়ী মহিলা ও চট্রগ্রামের এক মাদক ব্যবসায়ী পুরুষ প্রতিনিয়ত প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মরণনেশা ইয়াবার চালান সরবরাহ করে যাচ্ছে।মাদক ব্যবসায়ীরা ভয়ংকর বলে কেউ তাদের বিরোদ্ধে মুখ খোলে কথা বলার সাহস পাচ্ছে না।


ভুক্তভোগীরা এলাকার তালিকা ভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করাতে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোরদাবী জানিয়েছে।মাদক নিয়ন্ত্রনে থানা পুলিশের কি ভুমিকা রয়েছে জানতে চাইলে,নাসিরনগর থানার পুলিশ পরিদর্ক তদন্ত এস,এস আতিক বলেন জনগণের সাথে মিশে সহজে খোজ খবর নেয়ার উদ্দেশ্যেই বিট পুলিশিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।মাদক নিয়ন্ত্রনে পুলিশ সব সময় তৎপর রয়েছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।



আরও খবর



নাসিরনগরের ১৩ ইউপি"র চেয়ারম্যানগণের শপথ গ্রহন অনুষ্টিত।

প্রকাশিত:Tuesday ০৪ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১৪৩জন দেখেছেন
Image
নাসিরনগরের ১৩ ইউপি"র চেয়ারম্যানগণের শপথ গ্রহন অনুষ্টিত।


মোঃ আব্দুল হান্নানঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার,নাসিরনগর উপজেলার ১৩ ইউপি"র নব -নির্বাচিত চেয়ারম্যানের শপথ গ্রহণ জেলা প্রশাসকের কার্য্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।


সোমবার  সকাল ১১ঘটিকার সময় নব নির্বাচিত ১৩ জন চেয়ারম্যান কে শপথ বাক্য পাঠ করান জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ -দৌলা খাঁন।


অনুষ্ঠানে যে সকল চেয়ারম্যান শপথ গ্রহণ করেন-তার মাঝে পূর্বভাগ ইউনিয়ন থেকে নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃআক্তার মিয়া,চাতলপাড় ইউনিয়ন থেকে নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান,মোঃ রফিকুল ইসলাম,ভলাকুট ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ রুবেল মিয়া, গোয়ালনগর ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আজহারুল হক চৌধুরী,  নাসিরনগর সদর ইউনিয়ন থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান পুতুল রানী সরকার।


কুন্ডা ইউনিয়ন থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ নাসির উদ্দিন ভূইয়া। গোকর্ণ ইউনিয়ন থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান, সৈয়দ শাহীন। হরিপুর ইউনিয়ন থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ ফারুক মিয়া,  গুনিয়াউক ইউনিয়ন থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান। মোঃজিতু মিয়া। চাপরতলা ইউনিয়ন থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ মনসুর আলী ভূইয়া।


বুড়িশ্বর ইউনিয়ন থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান, মোঃ ইকবাল চৌধুরী।ফান্দাউক ইউনিয়ন থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ ফারুকু উজ্জামান, ধরমন্ডল ইউনিয়ন থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ সফিকুল ইসলাম।


নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের কে জনগণের সেবার মান উন্নত সমৃদ্ধ পৌঁছে দেয়ার আহ্বান জানান,

জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ -দৌলা খান।

শপথ গ্রহণ কৃত নির্বাচিত চেয়ারম্যান গন কে ভাল নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিতে এবং জনসাধারণ কে যথার্থ সেবার মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।


আরও খবর



সোমবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত হাতিরঝিলে যান চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৪ January ২০২২ | ১২২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর হাতিরঝিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে আগামী সোমবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত হাতিরঝিলসহ রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করবে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।

আজ বৃহস্পতিবার ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হাফিজ আল আসাদ এ তথ্য জানিয়েছেন। ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়, ওই দিন রেইনবো ক্রসিং হয়ে যানবাহন হাতিরঝিল হয়ে গুলশান, বনশ্রী, রামপুরা ও বাড্ডায় চলাচল করার পরিবর্তে মগবাজার, মৌচাক হয়ে যাওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে। রামপুরা ইউলুপ ও ইসলাম টাওয়ার হয়ে হাতিরঝিলের মধ্য দিয়ে চলাচলের পরিবর্তে গাড়ি গুলশান-বাড্ডা লিংক রোড হয়ে যেতে পারবে।

এ ছাড়া পুলিশ প্লাজা হয়ে যেসব গাড়ি হাতিরঝিলের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন দিকে যেত, ওই সব গাড়িকে পুলিশ প্লাজা ও শুটিং ক্লাবের মধ্যের রাস্তা দিয়ে বাড্ডা লিংক রোড হয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছে ডিএমপি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন চলাকালে যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা রক্ষা ও যানজট এড়াতে সবার সহযোগিতা চেয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।


আরও খবর



আসন্ন ২নং বাকশীমুল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী রফিজুল ইসলাম টিউবওয়েল প্রতীক জনপ্রিয়তার শীর্ষে

প্রকাশিত:Sunday ২৩ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ৭২জন দেখেছেন
Image


স্টাফ রিপোর্টারঃ 

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার ২নং বাকশীমুল ইউনিয়ন পরিষদ  ৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ রফিজুল ইসলাম টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন।এই ওয়ার্ডের প্রতিটি আনাচে কানাচে প্রতিদিন চলছে তার নির্বাচনী গনসংযোগ।ওয়ার্ডে আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে মেম্বার প্রার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান সাবেক মেম্বার মোঃ রফিজুল ইসলামের। জনগণ চাচ্ছে একজন সৎ ও নীতিবান জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি নির্বাচিত হোক।


যিনি মানবসেবক হয়ে ৬ নং ওয়ার্ডের জনগণের পাশে দাঁড়াবে। ঠিক তেমনি একজন যোগ্য প্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ রফিজুল ইসলাম।মাদক ইভটিজিংমুক্ত যুব সমাজ গড়তে তিনি  সর্বসময় সোচ্চার।৬ নং ওয়ার্ডের জনগণের দুঃখ-দুর্দশা নিরসনের জন্য আসন্ন নির্বাচনে একজন মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ রফিজুল ইসলাম। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবামূলক কার্যক্রম করার জন্য ৬ নং ওয়ার্ডের জনগণের মনোনীত মেম্বার পদপ্রার্থী।  উন্নয়নের লক্ষ্যে এই ওয়ার্ড টিকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করতে চান তিনি।মাদক সন্ত্রাস নির্মূলের জন্য কাজ করবেন।


পাশাপাশি যুবসমাজের জন্য সাংস্কৃতিক বিনোদন ও খেলাধুলার ব্যবস্থা করে দেবেন বলেও বিশ্বাস এলাকাবাসীর। শিক্ষার হার শতভাগ সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে বেতন বিহীন কিন্ডারগার্টেন ও প্রাইভেট স্কুল গুলোতে পড়াশোনা করতে পারে সেই ব্যবস্থা করবেন তিনি। ২ নং বাকশীমুল ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সুষ্ঠু বিচার সালিশের জন্য এই ওয়ার্ডের প্রতিটি এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির সমন্বয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিচার সালিশি সম্পন্ন করবেন।বড় আনন্দপুর এলাকার মরহুম আব্দুল গফুর সরদার এর সুযোগ্য পুত্র মোঃ রফিজুল ইসলাম বলেন আমি কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী। জনগন সঠিক রায় দিলে আসন্ন নির্বাচনে টিউবওয়েল প্রতীকের জয় অবশ্যম্ভাবী।


আগামী ৭ ফেবৃুয়ারী ২০২২ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত হবে বুড়িচং উপজেলার ২নং বাকশীমুল ইউনিয়ন পরিষদ এর ভোটগ্রহন।মোঃ রফিজুল ইসলামের বড় ভাই জহিরুল ইসলাম বলেন,এলাকায় পুর্বেও আমার ভাই মেম্বার নির্বাচিত হয়ে জনগনের পাশে থেকে কাজ করেছেন,আবার সে ভোটে নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন করবে,আমি তার জয়ের বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী।


-খবর প্রতিদিন/ সি.বা 

আরও খবর