Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা কখন, কীভাবে দেখবেন

প্রকাশিত:Saturday ১৫ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১৯০জন দেখেছেন
Image

স্পোর্টস ডেস্ক: ক্রিকেটে বয়সভিত্তিক পর্যায়ের সর্বোচ্চ টুর্নামেন্ট হিসেবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপকে ধরা হয়ে থাকে। সেই টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশের ক্রিকেটের বড় সাফল্যের সংক্ষিপ্ত তালিকাতে থাকবে এটি। শুক্রবার থেকে আবারও শুরু হচ্ছে এই টুর্নামেন্ট। তবে বাংলাদেশের ম্যাচ উদ্বোধনী ম্যাচের দুদিন পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দিয়ে শুরু হবে।

গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দলই তিনটি করে ম্যাচ খেলবে। সেখানে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষ হিসেবে পাচ্ছে, ইংল্যান্ড, কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে। গ্রুপ পর্বের সবগুলো ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যা ৭টায়।

কীভাবে দেখবেন?

গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচ দেখাবে গাজী টেলিভিশন ও র‌্যাবিটাহোল। তৃতীয় ম্যাচটি দেখাবে না তারা। আইসিসি যদিও জানিয়েছে, ওয়েবসাইটে সরাসরি সম্প্রচার করবে তারাও।

বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কখন, কোথায় :

তারিখ প্রতিপক্ষ ভেন্যু সময়


১৬ জানুয়ারি ইংল্যান্ড ওয়ার্নার পার্ক, সেন্ট কিটস সন্ধ্যা ৭টা


২০ জানুয়ারি কানাডা কেনারি স্পোর্টস ক্লাব, সেন্ট কিটস সন্ধ্যা ৭টা


২২ জানুয়ারি আমিরাত ওয়ার্নার পার্ক, সেন্ট কিটস সন্ধ্যা ৭টা


আরও খবর



কোনাপাড়ায় শামীম খানের পক্ষ থেকে ঈদে ৩০০ পরিবারের জন্য শাড়ি লুঙ্গী উপহার

প্রকাশিত:Friday ২৯ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১৪৩জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

রাজধানীর যাত্রাবাড়ি ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন ৬৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শামীম খানের পক্ষ থেকে  ঈদ উপলক্ষ্যে ৩০০ পরিবারকেশাড়ি লুঙ্গী উপহার প্রদান করা হয়েছে।শুক্রবার ২৯ এপ্রিল দুপুরে কোনাপাড়া মোমেন বাগ এলাকায় মাতুয়াইলের দরিদ্রপরিবারের দুঃস্থ মানুষদের মাঝে এসব উপহার সামগ্রী বিতরন করা হয়।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এফ এম শরীফুল ইসলাম শরীফ।৬৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নীরু আমীন নুরুল,মাতুয়াইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শান্ত নুর খান শান্ত,ডেমরা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস দলিল লেখক স্ট্যাম্প ভেন্ডার কল্যান সমিতির সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খান এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


ঈদ উপহারের শাড়ি ও লুঙ্গী পেয়ে স্থানীয় দুঃস্থ অসহায় মানুষের মধ্যে আনন্দ উচ্ছাস লক্ষ্য করা গেছে।ঈদের আনন্দ সকলের মাঝে ভাগাভাগি করে নিতে ঢাকা দক্ষিন সিটিকর্পোরেশন ৬৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম খানের এইউদ্যোগ কে সাধুবাদ জানান আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকাবাসী



আরও খবর



বাড়ি-ঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন কৃষক

সিলেটে বন্যার পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে গুদামে রাখা ধান-চাল

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৭১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণে ডুবেছে সিলেট নগরের প্রায় অর্ধেক এলাকা। বানবাসী হয়েছেন ১৩ উপজেলার মধ্যে ১০টির শতাধিক ইউনিয়নের লোকজন। বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন অনেকে। সে ক্ষতি অংকের হিসেবে পোষাবার নয়! গ্রীষ্মে ভয়ঙ্কর বন্যা ২০০৪ সালের বন্যাকেও ছাড়িয়েছে।


গত ১১ মে থেকে অতিবৃষ্টি আর ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি বুকে ঠাঁই দিতে পারেনি সুরমা। ফলে পানি উপচে প্লাবিত হয়েছে গ্রাম-নগর সব প্লাবিত হয়েছে। কৃষিজীবী থেকে ব্যবসায়ী, সব শ্রেণির মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।


বানবাসী হয়েছেন অন্তত ১০ লক্ষাধিক মানুষ। বাড়ি-ঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন কৃষকরাও। সম্প্রতি ঘরে তোলা বোরো ফলসও বানের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অবারিত বর্ষণে ঘরে রাখা ধানে চারা গজিয়েছে।গুদামে রাখা সারি সারি ধান-চালের বস্তা ভিজে নষ্ট হয়েছে বন্যার পানিতে। তা দেখে ব্যবসায়ীদের চোখে ছল ছল করছে জল। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর জনপ্রতিনিধি কিংবা প্রশাসন খোঁজ না নেওয়ায় অনেকে বোবা কান্নায় ক্ষোভ ঝাড়লেন।


শনিবার (২১ মে) থেকে নদ-নদীর পানি খানিকটা স্থিতিশীল হওয়াতে নগর থেকে পানি নেমে যায়। চারিদিকে মানুষ যখন খাবার সংকটে, তখন বন্যা পরবর্তী ক্ষতির দিকটা ফুটে উঠছে ক্রমশ।  দেখা গেছে, বন্যার পানি কমতে শুরু করে। গুদামের সাটার খুলতেই বেরিয়ে আসছে ধান-চাল পচা দুর্গন্ধ। মজুতকৃত ৫০ কেজির হাজার হাজার বস্তা চাল এবং ২ মন ওজনের ধানের বস্তার স্তূপ ভিজে পচন ধরেছে। কেউ স্যালো মেশিন লাগিয়ে সেচ দিয়ে গুদাম থেকে পানি সরাচ্ছেন। প্রতিটি গুদামে ঢুকেছে বন্যার পানি। হু হু করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাখার অভাবে আড়ৎদাররা ধান-চালের বস্তা সরানোর সময় পাননি।


ধান-চালের পচা দুর্গন্ধে এলাকার বাতাসও দুষিত হয়ে গেছে। যেগুলো এখন গো-খাদ্যেও ব্যবহার করার অনুপযুক্ত। ব্যবসায়ীদের এ ক্ষতি যেন চোখে দেখে সহ্য করার মতো নয়।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নগরের কাজিরবাজার মোস্তাক এন্ড ব্রাদার্সের ৫টি গুদামের এক একটিতে অন্তত সহস্রাধিক বস্তা করে চাল রাখা ছিল। যেগুলো বন্যার পানিতে পচে নষ্ট হয়ে গেছে। কোনোমতে কিছু চাল সরাতে পারলেও বেশিরভাগ বন্যার পানিতে ভিজে নষ্ট হয়েছে। একইভাবে এম এস অটো রাইস মিল, মতিন ব্রাদার্স, হাসান ব্রাদার্স, ফাইয়ান ও পদ্মা রাইস মিল, দয়া ও জামান মিল, রঙ্গেশ অটো রাইস মিলের হাজার হাজার বস্তা ধান-চাল রাখা ছিল। যেগুলো পচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়েছে।


এছাড়া আরো অনেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে শত শত বস্তা চাল ও ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। ভিজে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা গুদাম থেকে সেগুলো সরাতে পারেননি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে।ব্যবসায়ীরা বলেন, বন্যা ঠিকই চলে গেছে। তবে কোটি কোটি টাকার পণ্য নষ্ট করে দিয়ে গেল। এদিকে, গ্রামীণ জনপদে বন্যা ও বৃষ্টির কারণে বোরো ধান শুকাতে না পারায় অনেকের ধানে চারা গজিয়েছে।ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, অতি বৃষ্টিতে ধান শুকানোর সুযোগ না পাওয়ায় বস্তার মধ্যে ধানের চারা গজিয়েছে।



বন্যা কবলিত এলাকার কৃষকরা বলেন, এমনিতে বন্যায় প্রাণ বাঁচানো দায়, খাবার সংকট। তার ওপর ঘরে পানি উঠে প্রতিটি বাড়িতে রাখা ধান চারা গজিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। বন্যার কারণে আয় রোজগার নেই, ত্রাণ যা মিলছে, তা দিয়ে হয়তো ২/৩ বেলা চলে, এরপর আর যাওয়ার জায়গা নেই। না খেয়ে মরা ছাড়া উপায় নেই।


আরও খবর



আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী আর নেই

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী আর নেই

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (১৯ মে) স্থানীয় সময় আনুমানিক সকাল ৭টায় যুক্তরাজ্যের লন্ডনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।


গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ।


আবদুল গাফফার চৌধুরী স্বাধীনতা যুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের মাধ্যমে নিবন্ধিত স্বাধীন বাংলার প্রথম পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক জয় বাংলা’র প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন। তিনি ভাষা আন্দোলনের স্মরণীয় গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র রচয়িতা।


আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর জন্ম ১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া গ্রামে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের মিডলসেক্সে এজোয়ার এলাবার মেথুইন রোডের ৫৬ নম্বর বাড়িতে বসবাস করতেন।


ছাত্রজীবনে লেখালেখিতে হাতেখড়ি হয়েছিল তার। ১৯৪৯ সালে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সম্পাদিত মাসিক সওগাত পত্রিকায় তার গল্প প্রকাশিত হয়। ১৯৫২ সালে সাময়িকপত্রে প্রকাশিত হয় প্রথম উপন্যাস ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’।


আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর সাংবাদিকতায় হাতেখড়িও ছাত্রজীবনে। ঢাকা কলেজের ছাত্র থাকাকালে যোগ দেন দৈনিক ইনসাফ পত্রিকায়। ১৯৫১ সালে যোগ দেন খায়রুল কবীর সম্পাদিত দৈনিক সংবাদের বার্তা বিভাগে। ১৯৫৬ সালে যোগ দেন তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া সম্পাদিত দৈনিক ইত্তেফাকে।



১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী কলমযোদ্ধার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। জয় বাংলা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে মডারেটরের ভূমিকাও পালন করেন। স্বাধীনতার পর ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক জনপদের প্রধান সম্পাদক ছিলেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।


তিনি ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে লন্ডনে পাড়ি জমান। ১৯৭৬ সালে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী সেখানে ‘বাংলার ডাক’ নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। ‘সাপ্তাহিক জাগরণ’ পত্রিকায়ও কিছুদিন কাজ করেন। পরে তিনি ‘নতুন দিন’ ও ‘পূর্বদেশ’ পত্রিকা বের করেন। প্রবাসে থাকলেও গাফ্ফার চৌধুরী আমৃত্যু বাংলাদেশের প্রধান প্রধান সংবাদ মাধ্যমে নিয়মিত লিখে গেছেন। এছাড়া ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন নানা সভা-সেমিনারে।


গাফ্ফার চৌধুরী ইউনেস্কো পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পদক, একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদকসহ অসংখ্য পদক ও সম্মাননা পেয়েছেন।


আরও খবর



সাংবাদিক ও বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে মধ্যাহ্ন ভোজ

দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার সাংবাদিক ও বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে মধ্যাহ্ন ভোজ

প্রকাশিত:Wednesday ১৮ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১৯২জন দেখেছেন
Image
সোহরাওয়ার্দীঃ

দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার সম্পাদক প্রয়াত অধ্যাপক দীন মোহাম্মদ ভুঁইয়ার বাসভবনে পত্রিকার সাংবাদিক ও বিশিষ্ট জনদের সম্মানে মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়।

সকলের উপস্থিতিতে রাজা খালির বাসভবন এক মিলন মেলায় পরিণত হয়। 

দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শরফ উদ্দিন ভূঁইয়া রাব্বির নিমন্ত্রণে আয়োজিত গণভোজে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক রেজাউল করিম রাজু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ নজরুল ইসলাম মুক্তি। 

এতে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি নাজমুল হাসান,বিশেষ সংবাদ দাতা মো:আবদুস সবুর রবিন, বিশেষ সংবাদ দাতা মো: সেলিম হোসেন রনি, সটাফ রিপোর্টার মাজহারুল ইসলাম বাপ্পি,স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আলমগির, শেফরান আহমেদ, দৈনিক মুক্ত খবর পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার এ আর হানিফ,দৈনিক আমাদের কন্ঠ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার বজলুর রহমান।

দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার প্রকাশক রেশমি ভূইয়া আমন্ত্রিত সব অতিথিদের স্বাগত জানান।

আগামী দিনগুলোতে দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার সকল কার্যক্রম আরো বেগবান করার লক্ষ্যে সবাইকে একযোগে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান রেশমি ভূঁইয়া

আরও খবর



নাসিরনগর হরিপুরের এক ত্রাসের নাম ভয়ংকর কাপ্তান

প্রকাশিত:Monday ০৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২২ May 20২২ | ৮৫জন দেখেছেন
Image


নাসিরনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের মন্দির ভাংঙ্গা, মাদক,ডাকাতি,খুন ও মারামারী সহ একাদিক মামলার গ্রেপ্তারী ফরোয়ানা ভুক্ত আসামী ও হরিপুরের এক  ভয়ংকর ত্রাসের নাম কাপ্তান।


কাপ্তানের ভয়ে গ্রামের তিতন ফকির সহ অনেকেই আতংকে  দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।জানা গেছে ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবরে নাসিরনগরে হিন্দুদের বাড়িঘর ও মন্দির ভাঙ্গার অন্যতম আসামী কাপ্তান।তাছাড়াও কাপ্তানের বিরোদ্বে  নাসিরনগর ও পার্শ্ববর্তী মাধবপুর থানায় রয়েছে একাদিক ডাকাতি,মারামারী,মাদক ও খুনের মামলা।


হরিপুর গ্রামের  তিতন ফকির জানান ভয়ংকর কাপ্তানের ভয়ে তিনি ও তার পরিবারের লোকজন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন।হরিপুরের টেকপাড়ার আওয়াল মিয়া অভিযোগ করে জানায়,কাপ্তান একটি সরকারী জায়গা থেকে মাটি কেটে ট্রাক বোঝাই করে সরকারী ও জনগনের হাটাচলাফেরা করার রাস্তা ভেঙ্গে গর্তে পরিনত করে ব্রিক ফিল্ডে মাটি বিক্রি করার সময় তারা বাধা দেয়।তাতে কাপ্তান ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন কেউ বাঁধা দিলে তাকে ট্রাকের চাকার নীচে ফেলে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসেন।


তিনি জানান কাপ্তানের যেই কথা সেই কাজ।পরদিন কাপ্তানের ট্রাক মাটি বোঝাই  করে সেই রাস্তা দিয়ে আসার সময় আমার তৃতীয় শ্রেণী পড়ুয়া ছেলে রাসেল রাস্তায় গেলে তাকে ট্রাকের চাকার নীচে পেলে মেরে ফেলে।এ সব ছাড়াও আরো অনেক অভিযোগ রয়েছে কাপ্তানের বিরোদ্বে।হরিপুরের নিরীহ ও শান্তিপ্রিয় লোকজন এই জগন্য,ভয়ংকর কাপ্তানের অত্যাচার থেকে মুক্তি চায়।কাপ্তানের গ্রেপ্তারী পরোয়ানার বিষয়ে জানতে চাইলে হরিপুরের বিট অফিসার এস আই রূপন নাথ জানান,কাপ্তানের বিরোদ্বে তার হাতে দুটি গ্রেপ্তারী ফরোয়ানা রয়েছে।পুলিশ কাপ্তানকে গ্রেপ্তারের জন্য হন্যে হয়ে খুঁজছে।



আরও খবর