Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

কালীকচ্ছ পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ ঘোষণা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৩০৯জন দেখেছেন

Image

রুবেল মিয়া,সরাইল:ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের  ঐতিহ্যবাহী  স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান "কালীকচ্ছ পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয়" এর ম্যানেজিং কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী না থাকায়, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় স্কুল কমিটির ৪ জন অভিভাবক সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

এ উপলক্ষ্যে  বৃহস্পতিবার দুপুরে  বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সদ্য নির্বাচিত সদস্যদের কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান  সাবেক সংসদ সদস্য ও কালিকচ্ছ পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এড. জিয়াউল হক মৃধা, এ সময় স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম মানিক, স্কুলের  সদস্য মো. ফয়সাল আমহেদ দুলাল, স্কুলের অভিভাবক ও শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচিত হলেন যারা- অহিদুজ্জামান লস্কর (অপু), কামরুজ্জামান সজল, দূলাল চন্দ্র সুত্রধর, মো. মোশাররফ এছাড়াও বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় স্কুলের দাতা পদে সদস্য মো.আইয়ুব খান, সাধারণ শিক্ষক সদস্য জসিম উদ্দিন খান, শেখ মো. ইব্রাহিম, সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস্য দিপু দেব, সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি নাজনীন আক্তার নির্বাচিত হয়েছেন। 

সাবেক সাংসদ ও পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি এড. জিয়াউল হক  মৃধা বলেন,  বিদ্যালয়ের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে নব নির্বাচিত অভিভাবক সদস্যরা কাজ করবে। 

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা  ও প্রিজাইডিং অফিসার মো. মাসুদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, স্কুল কমিটির নির্বাচনে পদ ও প্রার্থীর সংখ্যা সমান থাকায়, তাদের কে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত ঘোষনা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময় ছিল ২৮ এপ্রিল  থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ।মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন - সাধারণ অভিভাবক সদস্য পদে ৫ জন, দাতা সদস্য পদে ১ জন ও সাধারণ শিক্ষক সদস্য পদে ২ জন। পরে ৫ই মে অভিভাবক সদস্য পদ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন মো. মামুন মিয়া ।

   -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



কুড়িগ্রামে স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত এড. আব্রাহাম লিংকনকে নাগরিক সংবর্ধনা

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১০৬জন দেখেছেন

Image
কুড়িগ্রাম ব্যুরো চিফ :স্বাধীনতা পদক পুরস্কারে ভূষিত কুড়িগ্রামের কৃতি সন্তান এডভোকেট এস.এম আব্রাহাম লিংকনকে কুড়িগ্রাম জেলাবাসীর পক্ষ থেকে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। আজ ১৮ মে শনিবার বিকেলে শহরের শেখ রাসেল অডিটোরিয়ামে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি।

অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. হামিদুল হক খন্দকারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, কুড়িগ্রাম-১ আসনের এমপি এ.কে.এম মোস্তাফিজার রহমান, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের এমপি এড. বিপ্লব হাসান পলাশ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ, পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মো.আফজাল। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. মশিউর রহমান। এরপর মাননীয় মন্ত্রী ডা۔ দীপু মনি এমপি কুড়িগ্রাম এর সরকারি শিশু পরিবার পরিদর্শন করে সন্ধ্যায় রংপুরের উদ্দেশ্যে কুড়িগ্রাম ত্যাগ করেন।

এর আগে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনি- এমপি নতুন শহরে অবস্থিত উত্তরবঙ্গ যাদুঘর পরিদর্শন করেন। সেখানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এই মুহুর্তে সামাজিক বেষ্টনির আওতায় বিভিন্ন ভাতাভোগীর ভাতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। তবে আমরা বাজেট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারি, কোন ভাতাভোগীর জন্য এটাই যে তার একমাত্র অবলম্বন, এটা কিন্ত নয়। ভাতা দেয়ার অনেক গুলো কারণ রয়েছে। এরমধ্যে নিজেকে তিনি যেন অসহায় না মনে করেন, রাষ্ট্র তার পাশে আছে। পরিবারে যেন তার সম্মান বাড়ে, সেজন্যই ভাতা প্রদান করা হয়।

আরও খবর



শৃংখলা ফিরছে সড়কে পাল্টে গেছে যাত্রাবাড়ীর চিত্র

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৩৩৫জন দেখেছেন

Image

শফিক আহমেদ চৌধুরীঃরাজধানীর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তার যানজটের চিত্র পাল্টে দিয়েছেন ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ। গত দুই মাসের ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সার্বিক প্রচেষ্টায় সড়কে ফিরে এসেছে শৃংখলা৷ ফুটপাথ উচ্ছেদ,রাস্তা দখল করে বাজার, শহীদ ফারুক সড়কের দুইপাশে হকার, মোড়ে ফলপট্টি এখন আর কোন কিছুই নাই৷ এর ফলে যাত্রাবাড়ীর চিরচেনা যানজট যেখানে ঘন্টার পর ঘন্টা জ্যামে বসে থাকতে সেখানে অনায়াসেই রাজধানীতে ঢুকছে প্রায় ৪৮ জেলার বাস।

গত মে মাসের প্রথম দিকে ডিএমপি পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান যাত্রা্বাড়ীর সড়ক ফুটপাথ পরিদর্শন করে তিনি বলেছিলেন, ফুটপাথ থাকবে উন্মূক্ত, রাস্তায় কোন বাজার হাট বসবে না৷ পুলিশ কমিশনারের এমন নির্দেশানর পর যাত্রাবাড়ী, জুরাইন,ষ্টাফ কোয়ার্টার দয়াগঞ্জ মোড় সহ ওয়ারী বিভাগের সড়কে শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে ট্রাফিক ডিসি আশরাফ ইমাম, এসি যাত্রাবাড়ী, এসি ডেমরা সহ সকল ট্রাফিক ইন্সপেক্টর গন মাঠে কাজ শুরু করেন।

এই বিষয়ে ওয়ারী বিভাগের ট্রাফিক ডিসি বলেন, আমি গত দুই মাসে আমার ষ্টাফদের নিয়ে মাঠে কাজ করে সড়কে শৃখলা ফিরিয়ে এনেছি এবং এটা ধরে রাখতে যা যা করনীয় সকল পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।তিনি আরো বলেন, ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ সব সময় জনগনের সেবায় পাশে থাকবে।তীব্র তাপদাহে খাবার স্যালাইন ও খাবার পানি বিতরন। বিশ্ব মা দিবসে দু:স্থ মাদের মধ্যে খাবার বিতরন করা হয়৷

     -খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




বিএনপি সব কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১৩২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত আমরা সরকারে ছিলাম না। ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে সব কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমাদের দেশের মানুষ প্রাথমিক যে স্বাস্থ্য সেবা পাবে সেই সুযোগটা বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে আমাদের জনসংখ্যা এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় স্থবিরতা নেমে আসে।

বুধবার (১৫ মে) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘আইসিপিডি থার্টি গ্লোব্যাল ডায়ালগ অন ডেমোগ্রাফিক ডাইভার্সিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভলডমেন্ট’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে দীর্ঘ সংগ্রামের পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর জাতির পিতার নেওয়া পদক্ষেপ অনুসরণ করে সকলের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে নতুন জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন করি। বিশেষ করে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য, তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছানোর জন্য সারা দেশে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন কাজ শুরু করি। সেই সময় জাতীয় পুষ্টি কর্মসূচি গ্রহণ করি। নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে আমরা বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করি। নারী শিক্ষা বিস্তার এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে ছিল আমাদের আন্তরিক প্রয়াস।

তিনি বলেন, জাতির পিতার নিদের্শে ’৭৩-৭৮ সাল পর্যন্ত প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করা হয়। তিনি একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ন্যাশনাল কাউন্সিল কমিশন গঠন করেন। জাতির পিতাকে হত্যা করার পরে এদেশে অগণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসে। এরপর সমস্ত অর্জনগুলো একে একে নষ্ট করে দেওয়া হয়। ২০০৯ সালে জনগণের বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে পুনরায় সরকার পরিচালনার দায়িত্বে আসার পর আমরা আইসিপিডি প্রোগ্রাম অব অ্যাকশনের ১৫টি মূলনীতি বাস্তবায়নে জাতীয় জনসংখ্যা নীতি ২০১২ প্রণয়ন করি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মাতৃ মৃত্যু ও নবজাতক মৃত্যুহার হ্রাস, মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা, শিশু ও কিশোর-কিশোরী প্রজনন স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদানে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প আবারও চালু করি। বর্তমানে সারাদেশে সাড়ে ১৪ হাজারেরও বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু আছে। এগুলোর মাধ্যমে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবাসহ ৩০টি অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় তিন হাজার ক্লিনিকে স্কিলড বার্থ অ্যাটেনডেন্স সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীন ৩ হাজার ২৯০টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র বা পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক হতে মা, শিশু ও বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এর মধ্যে ২ হাজার ২০০টি কেন্দ্র থেকে সার্বক্ষণিক স্বাভাবিক প্রসব সেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রসূতি সেবা প্রদানের জন্য এসব কেন্দ্রে ৪ জন করে ধাত্রী নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ২০১০ সালে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আমি ৩০ হাজার ধাত্রী নিয়োগের অঙ্গীকার করেছিলাম। এর ধারাবাহিকতায় আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ২০ হাজার ধাত্রী নিয়োগ করা সম্ভব হবে বলে আমি আশা করি। মাতৃ স্বাস্থ্য সেবায় জরুরি প্রসূতি সেবা নিশ্চিত করতে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করা হয়েছে। ‘মা টেলিহেলথ সার্ভিস’-এর মাধ্যমে প্রসূতি মায়ের গর্ভকালীন ও প্রসব পরবর্তী সেবা প্রদানের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মা ও শিশুর পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশের জন্য ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ১৩ লাখ উপকারভোগীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




মাগুরার শ্রীপুরে নবী করিম সাঃ সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে জনগনের বিক্ষোভ অভিযোগকারী আটক

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:শ্রীপুরে হযরত মোহাম্মদ সাঃ সম্পর্কে কুরুচিপুর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষুদ্ধ জনগন কতৃক পুলিশের পিকআপ ঘেরাও  করে অভিযুক্ত ব্যাক্তির ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। এ ব্যাপরে অভিযুক্ত জয়ন্ত নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার দুপুরে এ ঘটনায় বিক্ষুদ্ধ জনতা সংঘবদ্ধ হয়ে উপজেলার আম্বলসার ইউনিয়নের কোদলা গ্রামে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। বিপুল সংখ্যক জনগনের বিক্ষোভ নিরসন করতে পুলিশকে হীমসীম খেতে হয়। এ সময় শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ মহল,   অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ কলিমুল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সার্কেল দেবাশীষ কর্মকার শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ তাসমীম আলম, উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান শরিয়ত উল্লাহ রাজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে জনগনকে শান্ত করার চেষ্টা করে। তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা মম্ভব হয়নি। আটক জয়ন্ত একই ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গামের বাসিন্দা। সে হযরত মোহাম্মদ সাঃ এর সম্পর্কে কুটিক্তি করে  মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করেছে বলে বিক্ষোভকারীরা জানান। 


আরও খবর



৫শত টাকায় কোরবানির পশু নিয়ে ইসলামপুর থেকে ঢাকায় স্পেশাল ক্যাটল ট্রেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image

লিয়াকত হোসাইন লায়ন,ইসলামপুর(জামালপুর) প্রতিনিধি:জামালপুরের ইসলামপুর থেকে ঢাকায় ৫শত টাকায় কোরবানির পশু নিয়ে ক্যাটল ট্রেন চালু হয়েছে।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকার উদ্দেশ্যে ৩টি ক্যাটল ট্রেন চালু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। প্রতি বগিতে ১৬টি করে গরু নিতে খরচ হবে ৮ হাজার টাকা। গরু প্রতি গুণতে হয় ৫শত টাকা। বুধবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় প্রথম ট্রেন ও দুই ঘণ্টা পর দ্বিতীয় ট্রেন ও বৃহস্পতিবার তৃতীয় ট্রেন ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। তিনটি ট্রেনে ৫৮টি করে ওয়াগন প্রত্যেকটিতে ১৬টি করে ৯৮৮টি গরু নিয়ে যায়। প্রতিটি ওয়াগনের ভাড়া ৮ হাজার টাকা করে বুকিং করেন গরু ব্যবসায়ীরা। 

গরু ব্যবসায়ী আব্দুল আলিম বলেন- আগে ট্রাকে করে গরু নিয়ে গেলে অনেক সমস্যায় পড়তে হতো। বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা দেওয়া লাগতো। গরুও অসুস্থ হয়ে পড়ে। ট্রেনে গেলে কোনো ঝাকি লাগে না। আরামেই পৌছাবো।

জয়নাল মিয়া বলেন- ট্রেনে গেলে আমাদের খরচ অর্ধেক লাগে। যেখানে ট্রাকে গেলে বেশি খরচ ও ঝুকি বেশি থাকে। সেজন্য এসব এলাকার গরু ব্যবসায়ীরা ট্রাকের বদলে এই ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনকেই বেশি পছন্দ করছে।

ইসলামপুর রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার শাহীন মিয়া বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনের আরও ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। এমন পরিবহন ব্যবস্থা চালু রাখার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে।


আরও খবর