Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
কি কারণে হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে তা এখোনো পরিষ্কার নয়

নরসিংদীতে মা ও ছেলে-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১২০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলায়  বাবলা গ্রামে বসতঘর থেকে মা ও ছেলে-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  


রোববার (২২ মে) সকালে উপজেলার পাটুলী ইউনিয়নের বাবলা গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।ধারণা করা হচ্ছে, শনিবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় তাদের ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।


নিহতরা হলেন- উপজেলার পাটুলী ইউনিয়নের বাবলা গ্রামের গিয়াস উদ্দিন শেখের স্ত্রী রাহিমা বেগম (৩৫), তার ছেলে রাব্বি শেখ (১২) এবং মেয়ে রাকিবা আক্তার (৭)। রাহিমা বেগম পেশায় একজন দর্জি ছিলেন।


পুলিশ জানায়, নিহত রহিমার স্বামী পেশায় রং মিস্ত্রি। তিনি কাজের সুবাদে শনিবার (২১ মে) গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার আড়ালিয়া গ্রামে যান। সকালে বাড়িতে এসে দেখেন ঘরে স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ পড়ে আছে। পরে তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধারের কাজ শুরু করেন।


নরসিংদী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান  বলেন, কি কারণে হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে তা এখোনো পরিষ্কার নয়। তবে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে।


আরও খবর



বিমানবাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৯৪জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ৮০তম বাফা কোর্স ও ডিরেক্ট এন্ট্রি ২০২২ কোর্সের কমিশন প্রাপ্তি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ (গ্রীষ্মকালীন) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) যশোরে অবস্থিত বিমান বাহিনী একাডেমি প্যারেড গ্রাউন্ডে এ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান প্রধান অতিথি হিসেবে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন। কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ শেষে তিনি গ্রাজুয়েটিং অফিসারদের মধ্যে ট্রফি এবং ফ্লাইং ব্যাজ বিতরণ করেন।

এর আগে প্রধান অতিথি প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ‘বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান’ ঘাঁটির অধিনায়ক প্রধান অতিথিকে স্বাগত জানান।

আইএসপিআর জানায়, অফিসার ক্যাডেট মো. জহির উদ্দিন বাবর ৮০তম বাফা কোর্সে সেরা চৌকস কৃতিত্বের জন্য ‘সোর্ড অব অনার’, উড্ডয়ন প্রশিক্ষণে সেরা কৃতিত্বের জন্য ‘বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ট্রফি’ এবং জেনারেল সার্ভিস প্রশিক্ষণে সেরা কৃতিত্বের জন্য ‘কমান্ড্যান্টস্ ট্রফি’ লাভ করেন।

বিমানবাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ

৮০তম বাফা কোর্সে (গ্রাউন্ড ব্রাঞ্চ) সেরা কৃতিত্বের জন্য অফিসার ক্যাডেট পারমিতা শারমিন ‘বিমান বাহিনী প্রধানের ট্রফি’ লাভ করেন। এছাড়া ১ নম্বর স্কোয়াড্রন চ্যাম্পিয়ন বিবেচিত হয়ে একাডেমি পতাকা লাভের গৌরব অর্জন করেন।

ট্রফি দেওয়া শেষে বিমানবাহিনী প্রধান প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারী অফিসার ক্যাডেটদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করে তিনি বলেন, জাতির জনক একটি আধুনিক বিমানবাহিনীর স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনী পরিচালন ও কৌশলগত দিক থেকে বর্তমানে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী হয়ে গড়ে উঠছে।

তিনি সদ্য কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাফল্যমণ্ডিত কর্মজীবন কামনা করেন এবং কর্মক্ষেত্রে নিষ্ঠা ও পেশাদারি মনোভাবের মাধ্যমে মাতৃভূমির প্রতি দায়িত্ব পালনের জন্য তাদের আহ্বান জানান।

বিমানবাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ

এ কুচকাওয়াজের মাধ্যমে নয়জন নারী অফিসার ক্যাডেটসহ মোট ৩০ জন অফিসার ক্যাডেট কমিশন লাভ করেন। অফিসার ক্যাডেট একাডেমি আন্ডার অফিসার মো. জহির উদ্দিন বাবর আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব দেন। কুচকাওয়াজ শেষে বিমানবাহিনী একাডেমির বিভিন্ন প্রকার বিমানের সমন্বয়ে একটি আকর্ষণীয় ফ্লাইপাস্ট অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলমসহ উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং সদ্য কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



চুয়াডাঙ্গায় দেশের সবচেয়ে বড় মাল্টা বাগান, দাবি মালিকের

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
Image

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার নতিপোতা ইউনিয়নের হোগলডাঙ্গা গ্রামে গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল মাল্টা বাগান হয়েছে। এ গ্রামের মরাগাঁঙ বিলের পাশ ঘেঁষে ৪০ বিঘা জমিতে এ মাল্টা বাগান করেছেন ভগিরথপুর গ্রামের পুরাতন পাড়ার আব্দুর রহমানের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন বাবলু।

সাখাওয়াত হোসেন দাবি করেন, শুধু খুলনা বিভাগে নয়, দেশের সবচেয়ে বড় মাল্টার বাগান এটি। চুয়াডাঙ্গাসহ পার্শ্ববর্তী জেলার চাহিদা মিটিয়ে এই বাগানের মাল্টা এখন ঢাকায় যাচ্ছে।

মাল্টা পাকা শুরু হলে প্রায় প্রতিদিনই ঢাকা থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা এসে সাখাওয়াত হোসেনের বাগান থেকে মাল্টা কিনে নিয়ে যাবেন। সাখাওয়াত হোসেনের সাফল্য দেখে গ্রামের অনেক যুবক এখন মাল্টা চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

jagonews24

এ ছাড়া অন্য কৃষকরাও মাল্টা চাষে ঝুঁকছেন। সাখাওয়াত হোসেনের কাছ থেকে মাল্টা চাষের ব্যাপারে বিভিন্ন পরামর্শও নিচ্ছেন নতুন উদ্যোক্তারা। এবছর চুয়াডাঙ্গার ১২৭ হেক্টর জমির শতাধিক মাল্টা বাগান থেকে প্রায় ১১৯২ মেট্রিক টন ফল পাওয়া যাবে।

শৈশব থেকেই বৃক্ষ রোপণের নেশা ছিল শাখাওয়াত হোসেনের। নতুন কোনো ফল বা ঔষধি গাছের সন্ধান পেলেই তার চারা সংগ্রহ করে পরিত্যক্ত জমিতে অথবা রাস্তার দুপাশে সেটি রোপণ করতেন তিনি। বৃক্ষ রোপণের নেশা তার পিছু ছাড়েনি। নতুন কোনো ফলের সন্ধান পেলে এখনো ছুটে যান এবং চারা সংগ্রহ করে সেটি রোপণ করেন তিনি।

পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মচারী শাখাওয়াত হোসেন খুলনায় পরমাণু চিকিৎসা কেন্দ্রে চাকরি করার সময় কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে বেড়াতে যান। সেখানে মাল্টার বাগান দেখে মুগ্ধ হন তিনি।

jagonews24

সাখাওয়াত হোসেন বাবলু জানান, শুরুটা ২০১৩ সালের প্রথম দিকে। তখন খুলনার দৌলতপুর কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে দুই হাজার টাকা দিয়ে ২০টি বারি মাল্টা-১ জাতের চারা কিনে আনি। এরপর ১৪ কাঠা জমিতে চারাগুলো রোপণ করি। ২০১৫ সালে সবকটি গাছে ফল ধরলে তা দেখতে আশপাশের লোকজন ভিড় করতে থাকেন। পরে এসব গাছ থেকে কলম তৈরির পর পরিকল্পিতভাবে মাল্টা চাষ শুরু করি। প্রথমেই অন্যের ২০ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে মাল্টার বাগান তৈরি করি। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে ৪০ বিঘা জমিতে মাল্টা বাগান করেছি।

তিনি জানান, প্রায় দুবছর আগে আরও দুবিঘা জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে বাও-৩ জাতের মাল্টা বাগান করেছি। ময়মনসিংহ থেকে এ জাতের চারা সংগ্রহ করেছি। গাছ রোপণের ৯ মাস পরই ফুল ধরতে শুরু করে। ফুল আসার অল্প দিনেই মাল্টা ফলে পরিণত হয়।

এ জাতের মাল্টা চাষে প্রথম বছরেই সফলতা পেয়েছি। বাও-৩ জাতের মাল্টা চাষে সফলতা পাওয়ায় এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ শুরু করতে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এ জন্য জমি প্রস্তুতসহ চারা উৎপাদন এবং বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এ জাতের মাল্টা চাষে খরচ তুলনামূলক কম। পরিচর্চা, সার ও কীটনাশক ব্যবহার করতে হয় অল্প পরিমাণে। বছরে ৩-৪ বার ফল সংগ্রহ করা যায়। প্রতিটি গাছ থেকে ১৫ কেজি হতে ১৮ কেজি পর্যন্ত ফল পাওয়া যায়।

jagonews24

তিনি জানান, তার বাগানের মাল্টা চুয়াডাঙ্গাসহ আশপাশের জেলার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকায় চলে যায়। বাগানে প্রতিদিন ৫০-৬০ জন শ্রমিক কাজ করছেন। চলতি মৌসুমে ৪০ বিঘা জমি থেকে প্রায় কোটি টাকার মাল্টা বিক্রি হবে। আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে বাগানের মাল্টা বিক্রি শুরু হবে। তার সফলতা দেখে জেলার অনেকেই মাল্টা চাষে উদ্যোগী হচ্ছেন বলে জানান তিনি।

সরেজমিনে সাখাওয়াত হোসেনের মাল্টা বাগানে গিয়ে দেখা গেছে, বাগানের প্রতিটি গাছে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন আকৃতির কাঁচা মাল্টা। কাঁচা ফলে ভরে গেছে পুরো বাগান। গাছের ডালে থোকায় থোকায় ঝুলছে মাল্টা। সবুজ পাতার আড়ালে প্রতিটি ডালে ঝুলে আছে নজরকাড়া মাল্টা। চুয়াডাঙ্গাসহ আশপাশের জেলা থেকে বাগান দেখতে ছুটে এসেছেন অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক।

মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর এলাকার যুবক রফিকুল ইসলাম জানান, আমি মাল্টা বাগান দেখতে এসেছি। গাছে যে পরিমাণে মাল্টা ঝুলছে তা দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি। বাস্তবে না দেখলে বিশ্বাস করতাম না। আমি নিজে এখান থেকে চারা নিয়ে ২ বিঘা জমিতে বাগান করব।

jagonews24

বাগানের শ্রমিক হায়দার আলী জানান, বাবলু ভাইয়ের মাল্টা বাগান আমরা বেশ কয়েকজন মিলে দেখাশোনা করি। আমাদের গ্রামের অধিকাংশ মানুষ কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িত। মাল্টা বাগান হওয়াতে অনেকেই এখন কাজের সুযোগ পেয়েছেন। এখান থেকে উপার্জিত টাকায় জীবিকা নির্বাহ করছেন তারা।

চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জানান, দামুড়হুদা উপজেলায় ৪০ বিঘা জমিতে মাল্টা চাষ হয়েছে। এবার ফলও হয়েছে বেশ ভালো। বারি মাল্টা-১ এর সম্প্রসারণ যদি আমরা করতে পারি এবং বাজারে এ মাল্টার যে চাহিদা রেয়েছে তাতে করে কৃষকরা বারি মাল্টা-১ চাষ করে লাভবান হবেন।

তিনি আরও বলেন, চুয়াডাঙ্গা বন্যামুক্ত এলাকা। বছরের মে মাস থেকে জুলাই মাসে মাল্টা গাছ রোপণের সময়। সেপ্টেম্বর মাস থেকে ডিসেম্বরে গাছ থেকে ফল সংগ্রহ করা হয়। এই অঞ্চলের মাটি মাল্টা চাষের জন্য উপযোগী। মাল্টা চাষের ব্যাপারে আমরা তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছি।


আরও খবর



বাড়ছে মোবাইল ফোনের দাম

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

এবারের বাজেটে মোবাইল টেলিফোন সেটের ব্যবসায়ী পর্যায়ে বিদ্যমান ৫ শতাংশ মূসক অব্যাহতি প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে বাড়তে পারে মোবাইল হ্যান্ডসেটের দাম।

এছাড়া সেলুলার ফোনের ব্যাটারি-চার্জার আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশের প্রস্তাব করায় মোবাইল ফোনের দাম বাড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় এ কথা জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, মোবাইল টেলিফোন সেটের ব্যবসায়ী পর্যায়ে বিদ্যমান ৫ শতাংশ মূসক অব্যাহতি প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশীয় উৎপাদিত সেলুলার ফোন উৎপাদনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে আরও বিকশিত করার লক্ষ্যে সেলুলার ফোন, ব্যাটারি ও চার্জারের আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এসবের ফলে মোবাইল ফোনের দাম আরেকদফা বাড়েছে।

করোনাভাইরাসের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার হচ্ছে ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। এবারের বাজেটের আকার যেমন বড়, তেমনি এ বাজেটে ঘাটতিও ধরা হয়েছে বড়।

অনুদান বাদে এই বাজেটের ঘাটতি দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির সাড়ে ৫ শতাংশের সমান। অনুদানসহ বাজেট ঘাটতির পরিমাণ দুই লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ৪০ শতাংশের সমান।

এটি বর্তমান সরকারের ২৩তম এবং বাংলাদেশের ৫১তম ও বর্তমান অর্থমন্ত্রীর চতুর্থ বাজেট। বাজেটে সঙ্গত কারণেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কৃষিখাত, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাসহ বেশকিছু খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



ডেসটিনির ৪৫ জনের সাজা: দুদক ও হারুনের আপিল শুনানি হবে একসঙ্গে

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় চার বছরের সাজাপ্রাপ্ত ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদসহ ৪৫ জনকে বিচারিক আদালতের দেওয়া সাজা বাড়ানোর জন্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা আপিল শুনানির জন্যে গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া নিম্ন আদালতের দেওয়া কারাদণ্ড এড়াতে সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদের করা আবেদন শুনানির জন্য গত ৯ জুন গ্রহণ করেছিলেন হাইকোর্ট।

এখন পৃথক দুই আবেদন একসঙ্গে শুনানির আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিষয়টি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার (১২ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ দুদকের আপিলের পক্ষে শুনানি করেন দুদকের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

দুদকের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান বলেন, কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনকে দেওয়া হয়েছে ১২ বছরের দণ্ড। বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে কম দণ্ড দেওয়া হয়েছে। অথচ এটা হলো অর্গানাইজড ক্রাইম। এখানে কম বেশি দেওয়ার সুযোগ নেই। তাই রফিকুল আমীন ছাড়া বাকি ৪৫ কজনের দণ্ড বাড়ানোর জন্যে আপিল আবেদন করা হয়েছিল হাইকোর্টে। হারুন অর-রশিদের চার বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে করা আপিল ও আমাদের পক্ষ থেকে ৪৫ জনের দণ্ড বাড়ানোর (দুদকের করা আপিল) ওই আবেদন শুনানি নিয়ে দুটি আপিল একত্রে শুনানির জন্যে রেখেছেন আদালত।

এর আগে আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের মামলায় চার বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন হারুন-অর-রশিদ। গত বৃহস্পতিবার (৯ জুন) হারুন-অর-রশীদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে আদেশ দেন হাইকোর্ট। তবে তার জামিন চেয়ে করা আবেদন খারিজ করেছেন উচ্চ আদালত।

এর পরে গত ১২ জুন ৪৫ জনকে বিচারিক আদালতের দেওয়া সাজা বাড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গত ১২ মে বিচারিক আদালতে এ মামলার রায় হয়। তাতে ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনসহ ৪৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও তাদের মোট ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে হারুন-অর-রশীদকে দেওয়া হয় চার বছরের কারাদণ্ড ও সাড়ে ৩ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে ছয় মাস কারাদণ্ড। এ রায়ের বিরুদ্ধে ও জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেছেন তিনি। বাকিদের আপিলের খবর পাওয়া যায়নি।

২০১২ সালের ৩১ জুলাই দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম রাজধানীর কলাবাগান থানায় ডেসিটিনির কর্তব্যরত অন্যদের বিরুদ্ধে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি এবং ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন প্রজেক্টের অর্থ আত্মসাতের দুটি মামলা করেন।

তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ৫ মে দুদক আদালতে উভয় মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এর মধ্যে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন এবং ডেসটিনি ট্রি প্ল্যানটেশন লিমিটেডে দুর্নীতির মামলার ১৯ জনকে আসামি করা হয়। হারুন-অর-রশিদ ও রফিকুল আমিন দুই মামলাতেই আসামি।

বিচারিক আদালতের দেওয়া রায়ে রফিকুল আমিনকে ১২ বছর কারাদণ্ড এবং ২০০ কোটি টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। ৪৬ আসামির মধ্যে ৩৯ জন আসামি পলাতক। পলাতকদের বিষয়ে গত ৯ জুন গ্রেফতারি পরোয়ানা ও রেড অ্যালার্ট জারির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।


আরও খবর



শিক্ষক-ইমামের বিরুদ্ধে নৌকার প্রচারে অংশ নেওয়ার অভিযোগ সাক্কুর

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও মসজিদের ইমামদের আরফানুল হক রিফাতের (নৌকা) পক্ষে প্রচারণা চালানোর নির্দেশের অভিযোগ এনে এমপি বাহারের বিরুদ্ধে রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু (টেবিল ঘড়ি)।

শনিবার (১১ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরী বরাবর এ অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, কুমিল্লা-৬ সদর আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহার নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মসজিদের ইমামদের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাতের পক্ষে প্রচারণা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। নির্দেশনার পর থেকে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে তারা নৌকার পক্ষে কাজ করছেন, যা সিটি করপোরেশন নির্বাচন আইনে সুস্পষ্ট আচরণবিধি লঙ্ঘন।

বিষয়টি যাচাইপূর্বক বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন মনিরুল হক সাক্কু।

অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, আনিত অভিযোগের সত্যতা পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আগামী ১৫ জুন সিটি করপোরেশনের ১০৫ কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবার মেয়র পদে পাঁচজন, কাউন্সিলর পদে ১০৮ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৩৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।


আরও খবর