Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

নির্বাচন ছাড়া বিএনপির রক্ষা পাওয়ার উপায় নেই: নানক

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৪০৫জন দেখেছেন

Image

মারুফ সরকার ,স্টাফ রিপোর্টার:নির্বাচন ছাড়া বিএনপির রক্ষা পাওয়ার আর কোনো উপায় নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) মোহাম্মদপুরে পুড়ে যাওয়া কৃষি মার্কেট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নানক বলেন, আওয়ামী লীগ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে বলে যে কোনো মার্চ তারা (বিএনপি) করতে পারে।

আমি দোয়া করি, যেন এ রোডমার্চ শান্তিপূর্ণ থাকে।   তিনি বলেন, এই রোডমার্চ করতে করতে যেন বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন করে ফেলে। তারা শান্তিপূর্ণভাবে রোডমার্চ করুক। ভুল পথচারী বিএনপি নির্বাচনের পথে এলে আমরা অভিনন্দন জানাব।

নির্বাচন ছাড়া বিএনপির রক্ষা পাওয়ার বা নিজেকে রক্ষা করার আর কোনো উপায় নেই। এ সময় নানক কৃষি মার্কেটে আগুন লাগার কারণ জানতে মার্কেট কমিটির পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কীভাবে আগুন লেগেছে তা বের করতে সরকারের তদন্ত কমিটির পাশাপাশি আপনারা একটি ছোট তদন্ত কমিটি করবেন। কী দুর্বলতা ছিল, কী দুর্বল দিকগুলো ছিল, সেগুলো বের করা দরকার। যার যেখানে দোকান ছিল, সেখানেই তাকে বরাদ্দ দিতে হবে।  

তিনি আরও বলেন, এখানে আমরা আকাশ কুসুম কল্পনা করতে চাই না। ছয় তলা, নয় তলা, ১৪ তলা মার্কেট কবে হবে, এই ভরসার জোরে এই মানুষগুলো অনিশ্চয়তায় থাকতে পারেন না। দোকান মালিক, দোকানদাররা যা চাইবেন, তাই হবে। এর বাইরে কিছু হবে না। আমরা এর বাইরে কিছু করতে দেব না। মার্কেটটি হলো নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের মার্কেট। সেই প্রাণের মার্কেটটি পুড়ে গিয়েছে, আমাদের হৃদয় পুড়ে গিয়েছে।

নানক বলেন, এখানে কেউ বঞ্চিত হবেন না। অসাধু চিন্তা বাস্তবায়নের কোনো সুযোগ নেই। আমি মেয়রের সঙ্গে আলাপ করব। সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তদারকি করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আজ নিউইয়র্কে গেছেন। তিনি দেশে ফিরলে তার সঙ্গে আমি এ বিষয়ে কথা বলব।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর স্থানীয় কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নুর ইসলাম রাষ্টন, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ সরকার, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদসহ মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের নেতারা ।


আরও খবর

হাসপাতালে ভর্তি শামীম ওসমান

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪




বাংলাদেশের রাজনৈতিক বন্ধু ভারত, চীন উন্নয়নের: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১০৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:শনিবার (৬ জুলাই) রাজধানীর বেইলি রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য ও গবেষণা কেন্দ্রে সাত দিনব্যাপী পাহাড়ি ফলমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন ভারত বাংলাদেশের রাজনৈতিক বন্ধু, চীন উন্নয়নের। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো বলেই তাদের কাছ থেকে অনেক সুবিধা নিতে পেরেছি। অন্যদিকে আমাদের দেশে বহু উন্নয়নে চীনের অবদান রয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো ছিল বলেই আমরা বাংলাদেশের সমান আরেকটি সমুদ্র পেয়েছি। সম্পর্ক সিটমহল সমস্যার সমাধান করেছি। গঙ্গাচুক্তিসহ বহুবিধ সুবিধা ভারত থেকে নিতে পেরেছেন শেখ হাসিনা। সম্পর্ক ভালো থাকলে আলাপ-আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা যায়।

চীনের সঙ্গে আমাদের পার্টনারশিপ রয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ দেশে বহু উন্নয়নে চীনের অবদান আছে। সাহায্য পেলে আমরা সাহায্য কেনো নেব না? আমার দেশের উন্নয়নের জন্য যেখানে সাহায্য দরকার আমরা সেখান থেকে সাহায্য নেব। মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, এক্সপ্রেসওয়ে এসব নিয়ে অনেকের জ্বলে, যাদের জ্বলে তাদের মন্তব্যের কোনো জবাব আমরা দেব না।

গত ১৬ বছরে বাংলাদেশ বদলে গেছে। সেই বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পার্বত্য অঞ্চলও বদলেছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সড়ক যোগাযোগে এখন পার্বত্য তিন জেলা অনেক উন্নত, একসাথে ৪২টি ব্রিজ উদ্বোধন হয়েছে খাগড়াছড়িতে। এখন সীমান্ত সড়ক তৈরি হচ্ছে। শেখ হাসিনা থাকলে সব সমস্যার সমাধান হবে।


আরও খবর



আছাদুজ্জামান মিয়ার ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করায় বরখাস্ত গাজীপুরের এডিসি জিসানুল হক

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৪৪জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃ 

ডিএমপির সাবেক পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার জাতীয় পরিচয়পত্রসহ স্পর্শকাতর তথ্য সরবরাহের অভিযোগে গাজীপুরের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জিসানুল হককে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।সোমবার (২৪ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ জারি করা হয়। এর আগে সাবেক ডিএম‌পির কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়ার ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইন ও সাংবাদিকদের কাছে যাওয়া নি‌য়ে তদন্ত শুরু হয়।

এ ঘটনায় ওই অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনারসহ একজন এসআই ও এএসআইসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়। পরে ওই অতিরিক্ত উপকমিশনারকে সাময়িক বরখাস্ত করে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করার জন্য পুলিশ সদর দপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ প্রেক্ষিতেই তা‌কে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হ‌য়ে‌ছে।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জিসানুল হক (বিপি-৮৫১৪১৬৬৩৩১), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, সিটিএসবি অ্যান্ড প্রটেকশন বিভাগ, জিএমপি, গাজীপুর-এর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৯(১) এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ১২(১) অনুযায়ী অভিযুক্তকে সরকারি চাকরি হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা সমীচীন মর্মে বিবেচিত হওয়ায় তাকে সরকারি সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।


এতে আরও বলা হয়েছে, তিনি বাংলাদেশ সার্ভিস রুল (বি.এস.আর) পার্ট-১, বিধি-৭১ মোতাবেক খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন; এবং ০৩। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।


এর আগে, ১৯ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে জিসানুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করার সুপারিশ করে একটি চিঠি দেয় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স। এতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।


আরও খবর



দুই হাজার গ্রাহকের তিন কোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা এনজিও

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১০৭জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:জামালপুর দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নে,ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এন্টারপ্রাইজ (আইডিই) এনজিওর লোকজন ঘর ও শিশু কার্ড দেয়ার কথা বলে দুই হাজার ভুক্তবোগীকে প্রতারনার ফাঁদে ফেলে প্রায় তিন কোটি টাকা হাতিয়ে  নিয়ে লাপাত্তার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনেক কষ্টে ঘরের নামে টাকা জমা দেয়া ভুক্তভোগীরা চেয়ারম্যান ও স্থানীয়দের মৌখিক অভিযোগ করেছেন। 

জানা যায়, উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের নিমাইমারী গ্রামে সাজেদুল ইসলামের বাড়িতে দুটি রুম সাত মাস আগে ভাড়া নেয় এবং ঘরের দেয়ালে এনজিওর সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এতে ফিল্ড অফিসার রেজাউল করিম রেজা, একাউন্টস অফিসার সাজু আহমেদ, ম্যানেজার রনি আহমেদ ও অডিট ম্যানেজার হিসেবে কামরুজ্জামান বন্ধন অফিসটি পরিচালনা করতেন। পরে ইউনিয়নের মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন গ্রাম থেকে ১৩ জন কর্মী নিয়োগ দিয়ে সদস্য সংগ্রহ করেন। ঘর ও শিশু কার্ড দেয়ার প্রলোভনে প্রত্যেক সদস্যের কাছে থ্রি কোয়ার্টার ঘরের জন্য ৪৫/৫০ হাজার টাকা ও শিশু কার্ডের নামে ৭৭৫ টাকা করে নেয়া হয়। এতে চর আমখাওয়া ও ডাংধরা ইউনিয়ন এর বিভিন্ন গ্রামের সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে এখন লাপাত্তা ভুয়া এনজিওটি। এতে দিশেহারা ভুক্তভোগীরা। 

ভুক্তভোগী মালা খাতুন  বলেন, আমি ভিক্ষা করে খাই। ঋণ, ধারদেনা করে সেই অফিসের কর্মী পারভীন এর কথা শুনে অনেক কষ্ট করে ৪৫ হাজার টাকা দিয়েছি। আমি অফিসে গিয়ে দেখি ঘরের দরজা তালা বদ্ধ। পরে লোক মুখে শুনি পালাইয়া গেছে। এখন আমি কি করবো, আমার সব শেষ। আমি কি ভাবে ঋণ ধারদেনা পরিশোধ করবো। 

অন্য ভুক্তভোগী আলামিন বলেন, অলিখিত পরিচালনা দায়িত্বে স্থানীয় মেম্বার বখতিয়ার (বক্তো) এর কথা শুনে ২৫ হাজার টাকা দিয়েছি পনেরো হাত ঘরের জন্য। আমায় শুধু খুটি দিছে, পরে শুনি এনজিও পালাইয়া গেছে। তবে এই অফিসের প্রায় সব কাজ অলিখিতভাবে পরিচালনা করতো মেম্বার বখতিয়ার (বক্তো)। 

ওই অফিসে কর্মরত আসমাউল হুসনা নামে এক কর্মী বলেন, বিভিন্ন গ্রাম থেকে আমাদের ১৩ জন কর্মীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সাত হাজার থেকে আট হাজার টাকার মধ্যেই আমাদের বেতন নির্ধারণ করা হয়েছিল। আমাদের মূল কাজ ছিল, গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষকে ঘর ও শিশু ভাতার কার্ডের  নাম দেওয়ার কথা  বলে টাকা নিয়ে অফিসে জমা দেওয়া। বিশ হাত ঘরের জন্য অফিস নির্ধারিত  ৪৫/৫০ হাজার টাকা ও শিশু ভাতার জন্য ৭৭৫ টাকা করে অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে। হুসনা আরো বলেন, অফিসের নির্ধারিত টাকার চেয়েও অনেক কর্মীরা মানুষের কাছ থেকে বেশি টাকা নিয়েছে।

এ বিষয়ে মেম্বার বখতিয়ারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার দুই মেয়ে ওই অফিসের কর্মী হিসেবে কাজ করতো। ডাংধরা  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান ও চর আমখাওয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম জিয়া, এই অফিসের একটি কাগজে সহি করে দিয়েছে। যেটা আমরা দেখে বিষয়টিকে আরো সত্যি ভেবে মানুষের কাছ থেকে টাকা এনে অফিসে জমা দিয়েছি । তিনি আরো বলেন, চেয়ারম্যানরা যেহেতু বিষয়টি জানে তাই কোন সমস্যা হবে না এটাই ভেবেছি আমরা।

এই বিষয়ে ডাংধরা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুর রহমান বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে আমার কাছে কিছু মানুষ অভিযোগ করেন। ঘর দেওয়ার নামে ৪৫/৫০ হাজার টাকা নিচ্ছে। আমি এনজিও পরিচালকদের ডেকেছিলাম। তাদের কাজ সঠিক আছে কিনা জানার জন্য। পরে আমি ও চর আমখাওয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম জিয়া মিলে তাদের কাছে জানতে পারি হতদরিদ্রদেরকে ২০ হাত করে ঘর দেবে। দরিদ্রদেরকে দিয়ে উপকারের জন্য তাদের কাগজে সহি করে দেই। পরে শুনতে পাই ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে এনজিও পালিয়ে গিয়েছে।

এ ব্যাপারে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান প্রিন্স বলেন, এই এনজিও টাকা নিয়ে লাপাত্তার বিষয়ে আমার কাছে অভিযোগ এসেছে। ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করা হয়েছে তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী আইনগত  ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর



পুঠিয়ায় হেরোইন জব্দ,ভ্রাম্যমান আদালতে ৩ মাদকসেবীর জেল ও জরিমানা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image
সাজেদুর রহমান,পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি:রাজশাহীর পুঠিয়া  উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম নূর হোসেন নির্ঝর এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খ সার্কেল রাজশাহীর যৌথ উদ্যোগে পুঠিয়া উপজেলায় মাদক বিরোধী একটি অভিযান পরিচালনা করে।  আজ ২৭ জুন বৃহস্পতিবার অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলার ঝলমলিয়া কলাহাটা এবং বারইপাড়া হতে মাদক সেবনরত অবস্থায় চার জনকে আটক করা হয়।

আটকৃতরা হলো পশ্চিম কানাইপাড়া গ্রামের শ্রী অসিত কুমার অশান্ত (৩২) এবং জিউপাড়া গ্রামের মোঃ শফিকুল থান্দার (৪৪) কে হেরোইন সেবনের দায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায় আরো সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। বারইপাড়া গ্রামের শাকিল খান (২৪) কে গাঁজা সেবনের দায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং একশত টাকা অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায় আরো ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত তাৎক্ষণিকভাবে অর্থদণ্ড আদায় করে এবং কারাদণ্ড ভোগের জন্য আসামিদেরকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।দোষ শিকারপূর্বক নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করলে অপরাধ আমলে নিয়ে বিজ্ঞ ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হয়।

বারইপাড়া গ্রাম হতে আটকৃত অপর আসামি শাকিব ইসলাম (৩৪) এর নিকট হতে পাঁচ গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়। উক্ত পরিমাণ হেরোইন ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিচার করা সম্ভব না হয় আসামিকে হেরোইনসহ পুঠিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খ সার্কেল রাজশাহীর পরিদর্শক মোঃ সাইফুল আলম বলেন, আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং সংবাদ পেলেই আমরা তাদেরকে আটক করে বিচারের আওতায় আনবো। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট একেএম নূর হোসেন নির্ঝর বলেন, মাদকবিরোধী এ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদকজনিত অপরাধের জন্য কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ প্রতিপালনের অংশ হিসেবে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং মাদকমুক্ত পুঠিয়া গড়ে তুলতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।  

আরও খবর



মহিলা দলের নেত্রী অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৫৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:গ্রেপ্তার হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী মহিলা দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা রুনা। সোমবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাত ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঢাকার মোহাম্মদপুরস্থ নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।তিনি বলেন, কাফরুল থানার দায়েরকৃত একটি মামলায় তাকে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ সোমবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

রুনা লায়লার স্বামী মিন্টু সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ এসে ভবনের সব সিসি ক্যামেরা ডিভাইস নিয়ে গেছে। পুলিশ বলেছে যে উপরের অর্ডার এসেছে, তাকে নিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাসায় সাদা পোশাকের পুলিশসহ ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় প্রথমে বাসার ভেতর এসে কথা বলেন পুলিশ সদস্যরা। কিছুক্ষণের জন্য বাইরে গেয়ে তারপর ১০ মিনিট পর আবারও বাসার ভেতর এসে তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর