Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া ভোটে যাবে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Tuesday ১০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১২৪জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আগামীতে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ছাড়া কোনো নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অংশ নেবে না বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ও চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম।


রেজাউল করিম বলেন, ‘নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের অধীনে ছাড়া কোনো তামাশার নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অংশ নেবে না।’


মঙ্গলবার (১০ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে চরমোনাই পীর এ কথা জানিয়েছেন।


মুফতি রেজাউল করিম বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, কোনো দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। বিগত কয়েকটি জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে এটা বারবার প্রমাণিত হয়েছে।’


ইভিএমে ভোটগ্রহণ প্রসঙ্গে চরমোনাই পির বলেন, ‘ইভিএম আন্তর্জাতিকভাবে প্রত্যাখ্যাত। ইভিএমের মাধ্যমে সারাদেশে ভোট হবে, এ কথা প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেওয়ার এখতিয়ার রাখেন না। নির্বাচন কোন প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে, তা নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন।


আরও খবর



১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ৯৩ টাকা

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির প্রতিটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৯৩ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে এক হাজার ৩৩৫ টাকা থেকে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম দাঁড়ালো এক হাজার ২৪২ টাকায়।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) বিকাল পৌনে ৫টার দিকে এ ঘোষণা দেন বিইআরসির চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকেই এ দাম কার্যকর হবে।

দাম ঘোষণার সময় তিনি বলেন, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে (ভোক্তা পর্যায়ে) মূসক ব্যতীত মূল্য প্রতি কেজি ৯৭ টাকা ৩ পয়সা এবং মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১০৩ টাকা ৫০ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে। সে অনুযায়ী রিটেইলার পয়েন্টে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির মূসকসহ মূল্য এক হাজার ২৪২ টাকায় সমন্বয় করা হয়েছে।

বিইআরসির চেয়ারম্যান আরও বলেন, বুধবার রাতে সৌদি আরামকো কোম্পানি তাদের দাম ঘোষণা করেছে। আমরা সারা রাত সদস্যরা বসে দাম সমন্বয় করেছি।

সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসির চেয়ারম্যান ও বার্কের সচিব মো. খলিলুর রহমাসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



পদ্মা সেতু উদ্বোধন: টেলিযোগাযোগ সেবা নিশ্চিতে কাজ করছে বিটিআরসি

প্রকাশিত:Friday ২৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
Image

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে সেতু ও তদসংলগ্ন এলাকায় মানসম্মত মোবাইল নেটওয়ার্ক নিশ্চিতে মোবাইল অপারেটরদের গৃহীত পদক্ষেপ ও নেটওয়ার্কের মান যাচাইয়ের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার।

শুক্রবার (২৫ জুন) তিনি ওই এলাকা পরিদর্শন করেন বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির কর্মকর্তারা।

এ সময় শ্যাম সুন্দর সিকদার মাওয়া প্রান্তের সার্ভিস এরিয়া-১ এর কাছে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্থাপিত একটি স্থায়ী সাইট এবং মাওয়া প্রান্তে গ্রামীণফোন ও টেলিটক কর্তৃক স্থাপিত অস্থায়ী সাইট তথা সেল অন হুইল (সিওডব্লিউ) পরিদর্শন করেন।

পরবর্তীতে সেতুর ওপরে ও জাজিরা প্রান্তের নেটওয়ার্কের মান যাচাই করে বিটিআরসির পরিদর্শক দল। এ সময় অপারেটররা বিটিআরসি চেয়ারম্যানের কাছে তাদের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরেন।

তারা জানান, মাওয়া ও জাজিরা উভয়প্রান্তে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আগত সবার মানসম্মত নেটওয়ার্ক নিশ্চিতে বিদ্যমান সাইট ও অস্থায়ী সাইটে বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তি, সর্বোচ্চ পরিমাণে তরঙ্গ, দুটি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন অ্যান্টেনা, ছয়টি চতুর্থ জেনারেশন সেল ইত্যাদি সংযোজন এবং ২জি, ৩জি ও ৪জি প্রযুক্তির সক্ষমতা ও ট্রান্সমিশন সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে সংশ্লিষ্ট অপারেটররা।

পদ্মা সেতু ও তদসংলগ্ন এলাকার নেটওয়ার্কের পাশাপাশি বাবুবাজার-ভাঙ্গা হাইওয়ে সংলগ্ন এলাকার মহাসড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য মানসম্মত টেলিযোগাযোগ সেবা নিশ্চিতে মোবাইল অপারেটররা তাদের সাইটের ট্রান্সমিশন সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে।

বাবুবাজার-ভাঙ্গা হাইওয়ে সংলগ্ন এলাকায় গ্রামীণফোনের ৫০টি সাইটের ট্রান্সমিশন ব্যান্ডউইথ বাড়ানো হয়েছে।

এছাড়াও টেলিটক ন্যাশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) অপারেটরের নিকট হতে ট্রান্সমিশনের উদ্দেশ্যে আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ নিয়েছে। পদ্মা সেতু ও সংলগ্ন এলাকায় নেটওয়ার্কের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য সব মোবাইল অপারেটর কর্তৃক বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে।

এ নিয়ে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট ভিত্তিক অ্যাপ ‘মাইজিপি অ্যাপ’ ব্যবহার করে গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিনামূল্যে যেকোনো স্থান হতে সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন।


আরও খবর



স্বাভাবিক জীবনে ফিরলো বাঁকা পায়ের ৩০ হাজার শিশু

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৮৭জন দেখেছেন
Image

বাঁকা পা নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুদের চিকিৎসা দিচ্ছে ‘ওয়াক ফর লাইফ’ নামে একটি বেসরকারি সংস্থা। ২০০৯ সাল থেকে দেশের ৩১ শাখায় অন্তত ৩০ হাজার শিশু চিকিৎসা পেয়ে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে।

সোমবার (৬ জুন) সকালে গাজীপুর প্রকৌশল ভবনের ডায়াবেটিস সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পনসেটি চিকিৎসক ডা. মো. জামিল হাসান এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, দি গ্ল্যানকো ফাউন্ডেশনের পরিচালনায় অস্ট্রেলিয়ান এইডের সহযোগিতায় সোমবার গাজীপুরে র‌্যালি, দরিদ্র ক্লাব ফুট শিশুদের ১২টি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা সামগ্রী বিতরণ এবং যাতায়াত বাবদ ৪০০ টাকা করে প্রদান করা হয়।

jagonews24

তিনি আরও জানান, শূন্য থেকে ৩ বছর বয়স পর্যন্ত যেসব শিশু বাঁকা পা নিয়ে জন্ম নেয় তাদের শিশুদের পাঁচ বছর পর্যন্ত চিকিৎসা দেওয়া হয়। এতে শিশুরা অল্প সময়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও দরিদ্র রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।

জামিল হোসেন জানান, কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে এবং বাঁকা পা ছোট বেলায় চিকিৎসাতে যে ভাল হয়, সে বিষয়ে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী ক্লাব ফুট দিবস পালিত হয়।

এসময় হেলথ কেয়ার ফার্মাসিটিক্যালসের কর্মকর্তা আবুল হাসনাত ও ব্যবসায়ী সাধন সরকার উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ: বাইডেন

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

শুক্রবার (২৪ জুন) হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলামের সঙ্গে এক বৈঠকে এ অভিমত ব্যক্ত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এ সময় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রদূত।

বাইডেন বলেন, বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করতে পেরে সম্মানিত বোধ করছেন তিনি।

বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্পর্ক জোরদার করতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র এ বছর একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে।


আরও খবর



‘নারীর প্রতি সহিংসতা রোধের আন্দোলনে সবাই শামিল হোন’

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধের আন্দোলনে সবাইকে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক নারীকে নিপীড়নের প্রতিবাদে ও নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এই আহ্বান জানানো হয়।

রোববার (১২ জুন) বিকেলে সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘আসুন নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলি’ স্লোগানে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

গত বুধবার (৮ জুন) দিবাগত রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীলক্ষেত এলাকায় এক নারী নিপীড়নের শিকার হয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। ওই ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি মামলাও করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করে সংগঠনটি।

এসময় বক্তারা নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সবাইকে নির্বিকার মনোভাব পরিহার করে সোচ্চার হতে বলেন। সহিংসতার ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীকে চিহ্নিত করে তাকে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ সব জায়গায় নিরাপদে ও স্বাধীনভাবে নারীর চলাচল নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। পাশাপাশি যৌন হয়রানি, নিপীড়নসহ নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনা অনুসারে পৃথক আইন প্রণয়নের দাবি জানান বক্তারা।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, করোনাকালীন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও নারীর প্রতি সহিংসতা থেকে আমরা কোনোভাবেই মুক্ত হতে পারছি না। নারীদের প্রতি যারা ক্রমাগত অশোভন আচরণ করছে, তাদের সমাজের কাছে লজ্জিত হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, সব পুরুষ নারীকে অসম্মানের চোখে দেখে বিষয়টি এমন নয়। গুটিকয়েক পুরুষ যারা নারীকে অধঃস্তন ভেবে সহিংসতা, যৌন হয়রানি ও হেনস্তা করছে তাদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধের আন্দোলনে সবাইকে শামিল হওয়ার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর নারীর জন্য নিরাপদ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তিনি।

ডা. ফওজিয়া মোসলমের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড লবি পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অ্যাড. দীপ্তি সিকদার সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদা রেহানা বেগম, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড সম্পাদক রেখা সাহা, আন্দোলন সম্পাদক রাবেয়া খাতুন শান্তি, ঢাকা মহানগর কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মঞ্জু ধর, কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদের সদস্য ডা. নাহিদ নবী লেনা, সিনিয়র আইনজীবি অ্যাডভোকেট রাম লাল রাহা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী রিদিয়া রাকা, ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী নির্জনা ভূঁইয়া।

এসময় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, জাতীয় পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং সংগঠনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে ১১টি দাবি তুলে ধরেন অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড লবি পরিচালক জনা গোস্বামী। দাবিগুলো হলো-

১. এই সমাবেশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানায় এবং অবিলম্বে নির্যাতকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।

২. নারী ও কন্যার প্রতি যৌন নিপীড়নসহ সব ধরনের সহিংসতা ও নির্যাতন বন্ধ করতে হবে।

৩. নারীদের উত্ত্যক্তকররণ, যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন, ধর্ষণ, গণধর্ষণ, হত্যা, অ্যাসিড নিক্ষেপের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

৪. নারীর স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা দিতে হবে।

৫. নারী-পুরুষ নির্বিশেষে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অপরাধ ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ সমাজ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে।

৬. নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে পারিবারিক মূল্যবোধ গড়ে তোলা এবং ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার নারীকে দায়ী করার মানসিকতা পরিহার করতে হবে।

৭. উত্ত্যক্তকরণ, যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন রোধে মহামান্য হাইকোর্টের রায়ের আলোকে পৃথক আইন প্রণয়ন করতে হবে।

৮. ধর্ষণসহ নারীর প্রতি যৌন সহিংসতা বন্ধে সরকারের ঘোষিত নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের বাস্তবায়ন দৃশ্যমান করতে হবে।

৯. কর্মক্ষেত্র ও রাস্তাঘাট, গণপরিবহনসহ ঘরে-বাইরে সবখানে নারী ও কন্যার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

১০. নারীর প্রতি প্রচলিত নৈতিবাচক প্রথা ও রীতিনীতি অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিরবিচ্ছিন্ন প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে।

১১. সমাবেশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব বিশ্ববিদ্যালয় সিসি ক্যামেরার আওতায় এনে নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে।


আরও খবর