Logo
আজঃ Monday ০৩ October ২০২২
শিরোনাম
সাফ ফুটবলে বাংলাদেশের মেয়েরা প্রথম চ্যাম্পিয়ন

নেপালকে হারিয়ে সাফ ফুটবলে বাংলাদেশের মেয়েদের ঐতিহাসিক জয়

প্রকাশিত:Monday ১৯ September ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৩ October ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
Image

আজাদ হোসেনঃ 

সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রথমবারের মত সাফ ফুটবলের ফাইনালে বাংলাদেশ নারী  দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ফাইনালে দুর্দান্ত খেলছে বাংলাদেশ নারী দল। বৃষ্টিভেজা কর্দমাক্ত মাঠে 


অসামান্য ক্রীড়া নৈপূণ্য দেখিয়ে  শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলে জয়লাভ করে বাংলাদেশ নারী দল।



স্বপ্নকে জয় করতে লড়াইয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশের মেয়েরা।নেপালের কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল সোয়া ৫টায় শুরু হয় ফাইনালের শিরোপা লড়াই। প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল সাবিনা খাতুনরা। দ্বিতীয়ার্ধে এসে প্রথমে একটি গোল হজম করে তারা। ম্যাচ পরিণত হয় ২-১ এ। এর কিছুক্ষণ পর আবারও গোল করে বাংলাদেশ এবং শিরোপা জয় নিশ্চিত করে নেয়।




শুরুতেই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র এবং কৃষ্ণা রানী সরকারের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। পরে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করে স্বাগতিক নেপাল। যার ধারাবাহিকতায় ৭০ মিনিটে একটি গোল পক্ষের জালে জড়িয়ে দেয় নেপাল। আনিতার দারুণ এক শট জড়িয়ে যায় বাংলাদেশের জালে।


তবে, ২-১ গোলকে নিরাপদ মনে করেননি বাংলাদেশের মেয়েরা। যে কারণে আরও একটি গোল আদায়ের লক্ষ্যে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলতে থাকে তারা। খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ৭৭তম মিনিটেই গোল আদায় করে নেয় বাংলাদেশ। কৃষ্ণা রানী সরকারের দ্বিতীয় গোলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ৩-১ গোলের ব্যবধানে।


প্রচুর বৃষ্টিতে দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামের মাঠ কাদায় ছুপছুপ। যে মাঠে ভালো ফুটবল খেলা কঠিন। এই প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশের মেয়েরা দারুণ ফুটবল খেলে বিজয়ের দিকে এগিয়ে যায়।


১৪ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার করেন প্রথম গোল। ব্যাথা পেয়ে ১০ মিনিটে সিরাত জাহান স্বপ্না মাঠের বাইরে চলে গেলে তার পরিবর্তে কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন মাঠে নামান শামসুন্নাহারকে।




২গোল হজমের পর নেপাল ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠে। কিছু সময় তারা বাংলাদেশের ওপর প্রভাব বিস্তারও করে। দুইবার ভালো দুটি সুযোগও আদায় করে নিয়েছিল স্বাগতিকরা।


৩৫ মিনিটে আনিতার ফ্রি-কিক গোলরক্ষক রূপনা চাকমা ডান দিকে ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে দলকে রক্ষা করেন। ওই কর্নার থেকেই গোলমুখে জটলা হলে গোল প্রায় হজমই করে ফেলেছিল বাংলাদেশ; কিন্তু গোললাইন থেকে বল ক্লিয়ার করে দলকে বাঁচান মাসুরা পারভীন।


৪১ মিনিটে বাংলাদেশ ব্যবধান দ্বিগুণ করে কৃষ্ণা রানী সরকারের গোলে। নেপালের একটি ভুল পাস থেকে বলে পেয়েছিলেন সাবিনা। তিনি একটু ফাঁকায় দাঁড়ানো কৃষ্ণাকে পাস দিলে কোন ভুল করেননি তিনি। নেপালের জালে বল পাঠিয়ে আনন্দ ছড়িয়ে দেন ডাগআউটে।


বাংলাদেশ একাদশ


রূপনা চাকমা, সাবিনা খাতুন, শিউলি আজিম, শামসুন্নাহার, আঁখি খাতুন, মাসুরা পারভীন, মনিকা চাকমা, সানজিদা আক্তার, মারিয়া মান্ডা, কৃষ্ণা রানী সরকার ও সিরাত জাহান স্বপ্না (শামসুন্নাহার


আরও খবর