Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

নেপালের রাজধানীতে নিষিদ্ধ হলো ফুচকা, কিন্তু কেন?

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার ফুচকা, বিশেষ করে মেয়েদের কাছে। কিন্তু সেই ফুচকার ওপর হঠাৎ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নেপাল কর্তৃপক্ষ। দেশটির রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে এখন ফুচকা বিক্রি বন্ধ। কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত?

জানা গেছে, প্রতিবেশী দেশটিতে সম্প্রতি হু হু করে বাড়ছে কলেরা সংক্রমণ। আর ফুচকার পানিতে পাওয়া গেছে এ রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া। সেজন্যই সতকর্তাস্বরূপ আপাতত ফুচকা বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে নগর কর্তৃপক্ষ।

নেপালে এরই মধ্যে অন্তত ১২ জন কলেরায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে কাঠমাণ্ডুতেই রয়েছেন কমপক্ষে সাতজন। এ পরিস্থিতিতে ললিতপুর মেট্রোপলিটন সিটির (এলএমসি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফুচকায় ব্যবহৃত পানিতে কলেরা ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান পাওয়ায় এই খাবার বিক্রি ও বিতরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বর্ষাকালে এ অঞ্চলে পানিবাহিত নানা ধরনের রোগ ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে কলেরা ও ডায়রিয়া অন্যতম। এ কারণে কাঠমাণ্ডু প্রশাসন মনে করছে, ফুচকা বিক্রি বন্ধ না করলে তা থেকে সংক্রমণ আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই শহরাঞ্চলের পাশাপাশি শহরতলী বা অন্যত্রও যেন আপাতত ফুচকা বিক্রি না হয়, তা নিশ্চিত করতে নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: এনডিটিভি, সংবাদ প্রতিদিন


আরও খবর



সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে, ধারণা বনবিভাগের

প্রকাশিত:Friday ২৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০১ August ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

বিশ্বের ১৩টি দেশে নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে বিশ্ব বাঘ দিবস। বাঘের অন্যতম আবাসস্থল সুন্দরবন উপকূলের বিভিন্ন এলাকায়ও দিবসটি পালন করছে বনবিভাগসহ নানা সংগঠন। তবে বিশ্ব বাঘ দিবসে বাঘপ্রেমীদের আশার আলো দেখাচ্ছে বনবিভাগ।

বনবিভাগের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ বলছে, সুন্দরবনে এবারের গণনায় বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। ২০১৮ সালের সর্বশেষ জরিপ/গণনায় বাঘের সংখ্যা ছিল ১১৪টি। চলতি বছরের অক্টোবরে নতুন করে আবারও শুরু হবে বাঘ গণনার কাজ।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (বাগেরহাট) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, ২০০১ থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৪৬টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে স্বাভাবিক (বয়স্কজনিত রোগ) মৃত্যু হয়েছে ৮টি বাঘের। চোরা শিকারি ও দুষ্কৃতকারীদের হাতে ১৩টি ও লোকালয়ে এসে মানুষের আক্রমণ মৃত্যু হয়েছে পাঁচটি বাঘের। ২০০৯ সালে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় সিডরে মৃত্যু হয়েছে একটি বাঘের। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে দুষ্কৃতকারীসহ ১৯টি বাঘের চামড়া উদ্ধার করেছে বনবিভাগ।

বনবিভাগের হিসাব অনুযায়ী সর্বশেষ ২০১৮ সালের জরিপের পরে অন্তত আটটি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। তখন বাঘের সংখ্যা ছিল ১১৪টি। কিন্তু কী পরিমাণ বাঘের সংখ্যা বেড়েছে তার সঠিক তথ্য নেই বনবিভাগের কাছে।

jagonews24

বর্তমানে সুন্দরবনে ১০৬টি বাঘ রয়েছে। তারপরও বনবিভাগ, বাঘ সংরক্ষণ ও সুন্দরবন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আগের তুলনায় বনে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে।

চলতি বছরের ১২ মার্চ পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ছিটা-ককটা খালে একসঙ্গে চারটি বাঘের দেখা পেয়েছিলেন পর্যটকরা। এর কয়েকদিন আগে ককটা খালে একসঙ্গে আরও তিনটি বাঘ দেখেতে পান দর্শনার্থী ও বনবিভাগ।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বনবিভাগ দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের বাঘ রক্ষায় কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে আমরা সুন্দরবনে টহল জোরদার করেছি। ফলে আগের তুলনায় সুন্দরবনে চোরা শিকারিদের অপতৎপরতা অনেকাংশেই কমে গেছে। পাশাপাশি করোনা মহামারিতে দীর্ঘদিন সুন্দরবনে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ ছিল। সেইসঙ্গে মাছের প্রজনন মৌসুম চলায় বনে বর্তমানে জেলে ও পর্যটক প্রবেশ বন্ধ রয়েছে। ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ প্রজনন মৌসুম চলবে। ফলে সুন্দরবনের প্রাণ-প্রকৃতি নিজেদের মতো করে বেড়ে উঠেছে। নীরবতার এ সময়ে বাঘসহ অন্যান্য প্রাণীর বিচরণ ও প্রজনন নির্বিঘ্ন হচ্ছে।

তিনি বলেন, করোনা মহামারি ও প্রজনন মৌসুমের দীর্ঘসময় বনে নীরবতা থাকায় সুন্দরবনের বিভিন্ন জায়গায় বাঘ ও বাঘের বাচ্চা দেখেছেন বনরক্ষী, স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা। এসব কারণে আমরা মনে করছি সুন্দরবনে এবারের গণনায় বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। আর সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি বছরের অক্টোবরে বাঘ গণনার কাজ শুরু হবে।


আরও খবর



রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে অবস্থান নেওয়া ছাত্রদের কালোবাজারিদের হুমকি

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ০৪ August ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভাগের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে ঢাবি শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে দ্বিতীয় দিনের মতো জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চারজন শিক্ষার্থী।

তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কর্মসূচি বন্ধ করতে টিকিট কালোবাজারিদের পক্ষ থেকে তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভাগের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে সোমবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকেই জামালপুর রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা। বিষয়টি যাত্রী সাধারণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। যাত্রীরা এ যৌক্তিক দাবিতে সম্মতি জানান। কিন্তু মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সকালে এখানে অবস্থান নেওয়ায় কালোবাজারিরা তাদের হুমকি দেন। কয়েকজন এসে তাদের এখান থেকে চলে যেতে বলেন। এরপর থেকে তারা আতংকে রয়েছেন। তবে রনির ছয় দফা দাবি পূরণ হলেই কেবল ঘরে ফেরার কথা জানিয়েছেন তারা।

এরআগে, সোমবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকে জামালপুর টাউন রেলওয়ে জংশন স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। বিকেল ৫টা পর্যন্ত তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে চলে যান।

স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন খিলগাঁও মডেল কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ ভূইয়া হৃদয় (২৫), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান ও পুলিশ তত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান রুবেল (২৩), একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী রুকনুজ্জামান সীমান্ত (২৪) ও সরকারি ইসলামপুর কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী হৃদয় বোস (২২)।

জামালপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলজার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ছাত্ররা সকালে বিষয়টি আমাদের জানিয়েছেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

রনির ৬ দফা দাবিগুলো হলো

টিকিট কেনার ক্ষেত্রে সহজ ডটকম কর্তৃক যাত্রী হয়রানি অবিলম্বে বন্ধ করা ও হয়রানির ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া। যথোপযুক্ত পদক্ষেপের মাধ্যমে টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধ। অনলাইনে কোটায় টিকিট ব্লক করা বা বুক করা বন্ধ করা ও অনলাইন-অফলাইনে টিকিট কেনার ক্ষেত্রে সবার জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা। যাত্রীচাহিদার সঙ্গে সংগতি রেখে ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ রেলের অবকাঠামো উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া। ট্রেনের টিকিট পরীক্ষক-তত্ত্বাবধায়কসহ অন্য দায়িত্বশীলদের কর্মকাণ্ড সার্বক্ষণিক নজরদারি ও শক্তিশালী তথ্য সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে রেলসেবার মান বাড়ানো। ট্রেনে ন্যায্য দামে খাবার বিক্রি, বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

গত ১৩ জুন রেলের টিকিট কিনতে গিয়ে হয়রানির শিকার হন রনি। এরপর ঈদুল আজহার আগে ৭ জুলাই থেকে কমলাপুর রেলস্টেশনের টিকিট কাউন্টারের সামনে অনশন শুরু করেন তিনি। ১০ জুলাই ঈদের দিনেও তিনি সেখানে অবস্থান নিয়েছিলেন।


আরও খবর



অসুস্থতার কারণে কর্মসূচি বাতিল করলেন ফখরুল

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ০৪ August ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

অনিয়মের কাউন্সিলে কোনো ধরনের সহায়তা না দেওয়া এবং অংশ না নেওয়ার দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার দিনগত রাতে নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়েছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উত্তরার বাসভবনের সামনে।

বুধবার (২৭ জুলাই) হঠাৎ জানা গেলো অসুস্থতার কারণে বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির কাউন্সিল সভায় যোগ দিতে যেতে পারছেন না মির্জা ফখরুল। এ নিয়ে দলের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। কেউ কেউ বলছেন, নেতাকমীদের দাবি পূরণে ইচ্ছা করেই ‘অসুস্থতার অজুহাত’ দেখিয়ে কর্মসূচি বাতিল করেছেন তিনি।

মিজা ফখরুলের অসুস্থতার বিষয়ে জানতে চাইলে তার একান্ত সহকারী ইউনুস আলী জাগো নিউজকে বলেন, স্যারের শরীর কদিন ধরেই বেশ খারাপ যাচ্ছে। করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর কিছু জটিলতা আছে এখনো। আজ সকালে হঠাৎ প্রেসার অনেক নেমে গেছে। বাইরে বের হওয়ার অবস্থাও নেই। আপাতত বাসাতেই বিশ্রাম নিচ্ছেন তিনি।

মঙ্গলবার রাতে বিএনপি মহাসচিবের রাজধানীর উত্তরার বাসভবনের সামনে ডেমড়ার পাঁচটি ওয়ার্ডের দলের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন।

বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা গণমাধ্যমকে জানান, ডেমড়ার পাঁচটি ওয়ার্ডের ত্যাগীদের বাদ দিয়ে বহিরাগত ও সুবিধাবাদীদের নেতৃত্বে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। বহিরাগতদের ডেমড়ায় কোনো অবস্থান না থাকায় পাশের থানা যাত্রাবাড়ীতে কাউন্সিল করায় উদ্যোগ নিয়েছে মহানগর দক্ষিণ কমিটি। মহাসচিবকে বিষয়টি অবহিত করার জন্যই তারা এ অবস্থান নিয়েছেন।


আরও খবর



হাইকোর্টের ১১ বিচারপতির শপথ বিকেলে

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া ১১ বিচারপতির শপথ অনুষ্ঠান শুরু হবে রোববার বিকেল সাড়ে চারটায়। সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে নবনিযুক্ত বিচারপতিদের শপথ পড়াবেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

এর আগে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ১১ জন ব্যক্তিকে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেন। রোববার (৩১ জুলাই) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, সংবিধানের ৯৮ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১১ জন ব্যক্তিকে অনধিক দুই বছরের জন্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। শপথ নেওয়ার তারিখ থেকে এ নিয়োগ কার্যকর হবে।

নতুন নিয়োগ পাওয়া ১১ জন অতিরিক্ত বিচারপতি হলেন, পিআরএলে (পোস্ট রিটায়ারমেন্ট লিভ বা অবসরোত্তর ছুটি) থাকা জেলা ও দায়রা জজ মো. শওকত আলী চৌধুরী, কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ মো. আতাবুল্লাহ, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আলী রেজা, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. বজলুর রহমান, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ, টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ ফাহমিদা কাদের, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. বশির উল্লাহ, সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট এস এম মাসুদ হোসেন দোলন ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট এ কে এম রবিউল হাসান।


আরও খবর



বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:Monday ০৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব কেবল জাতির পিতার সহধর্মিণীই ছিলেন না, বাঙালির মুক্তিসংগ্রামেও তিনি ছিলেন অন্যতম অগ্রদূত। দেশের স্বার্থে বঙ্গবন্ধুকে অসংখ্যবার কারাবরণ করতে হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব সেই কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল।

সোমবার (৮ আগস্ট) বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে একথা বলেন তিনি।

আবদুল হামিদ বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আমি এই মহীয়সী নারীর চিরঅম্লান স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা। বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক ২০২২ প্রদান একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমি পদকপ্রাপ্তদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। বঙ্গমাতার এবারের জন্মবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য ‘মহীয়সী বঙ্গমাতার চেতনা, অদম্য বাংলাদেশের প্রেরণা’ অত্যন্ত বস্তুনিষ্ঠ ও সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটোবেলা থেকেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত নম্র, শান্ত ও অসীম ধৈর্য্যের প্রতিমূর্তি। তিনি বুদ্ধিমত্তা, ধৈৰ্য্য ও সাহস নিয়ে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতেন। তিনি আমৃত্যু স্বামীর পাশে থেকে একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে দেশ ও জাতি গঠনে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের নেপথ্যেও ছিলেন তিনি। তারই পরামর্শে বঙ্গবন্ধু হৃদয় থেকে উৎসারিত অলিখিত এ ভাষণ প্রদান করেন।

তিনি বলেন, বঙ্গমাতা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পত্নী হয়েও সবসময় সাদামাটা জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিলেন। নির্লোভ, পরোপকারী ও নিরহংকার মুজিবপত্নীর মাঝে বাঙালি মায়ের চিরন্তন প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাওয়া যায়। ক্ষমতার চূঁড়ায় থেকেও তিনি অমায়িক ও আন্তরিক ব্যবহারে সবাইকে আপন করে নিয়েছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে নিজ জীবনে লালন ও ধারণ করে তার সন্তানদেরও একই আদর্শে গড়ে তোলেন। তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও একই শিক্ষা, আদর্শ ও চেতনাকে অবলম্বন করে বাংলাদেশকে আজ বিশ্বের বিস্ময়, উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলেছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে স্বামী-পুত্র-পুত্রবধূসহ নিকট আত্মীয়ের সঙ্গে তিনি ধানমন্ডির নিজ বাসভবনে স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে নির্মমভাবে শহীদ হন। জাতির ইতিহাসে যা এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। বঙ্গমাতা আমাদের মাঝে না থাকলেও তার রেখে যাওয়া আদর্শকে ধারণ করে তরুণ প্রজন্ম দেশমাতৃকার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত রাখবেন- এ প্রত্যাশা করি। আমি বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীতে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।


আরও খবর