Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

নীতি দুর্নীতি--এ দায়ভার কার,নেতা- নেত্রীর না জনতার?

প্রকাশিত:Tuesday ১৮ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৩৪৫জন দেখেছেন
Image


মোঃ আব্দুল হান্নানঃ

নির্বাচন আসে,নির্বাচন চলে যায়।সাধারণ জনগণ তাদের মুল্যবান ভোটও সুচিন্তিত মতামত দিয়ে তাদের পছন্দের নেতানেত্রী বা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করে। তেমনি সারা দেশের ন্যায় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অনুষ্টিত হয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।নির্বাচনে চেয়ারম্যান,মেম্ভার ও সংরক্ষিত মহিলা মেম্ভার পদে অনেকেই প্রতিদ্বন্ধিতা করে, কেউ বিজয়ী আবার কেউ পরাজিত হয়েছে।নির্বাচনে জনগণ তাদের অনেক মুল্যবান ভোট ও সুচিন্তিত মতামত দিয়ে বিভিন্ন ইউনিয়নে  ভাল মানুষকে আবার কোন কোন ইউনিয়নে  বির্তকিত মাদক ব্যবসায়ী আর অযোগ্য লোককেও  মনোনীত করেছেন। আবার কোন কোন ইউনিয়নে ভাল মানুষকে ও রায় না দিয়ে বাড়িতে পাটিয়ে দিয়েছেন।সবই জনগণের ইচ্ছা। 


তারই বাস্তব উদাহরণ স্বরুপ যেমন বিগত নির্বাচনে ফান্দাউক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন ফান্দাউক গ্রামের কুখ্যাত মাদক ও ইয়াবা ব্যবসায়ী মৃত আরব আলীর ছেলে মোঃ জাকারিয়া জাকির।যার ভয়াল মাদক ব্যবসার ছোবলে ধ্বংস হচ্ছে এলাকার যুব সমাজ।যার ভয়ে মুখ খোলে কেউ কথা বলার সাহস পায়না।২০১৮ সালের ২২ মার্চে যার বাড়িতে জধন এর লোকজন অভিযান চালিয়ে প্রচুর পরিমান ইয়াবা,ফেনসিডিল,ল্যাপটপ,সিসি ক্যামেরা,বিদেশী টর্চলাইট,কয়েকটি পাসর্পোট সহ আরো বিভিন্ন দ্রব্য ও মাদক ব্যবসার প্রায় নগদ ৩ লক্ষ টাকা উদ্বার করে।এসময় জধন এর উপস্থিতি বুঝতে পেরে জাকির সুকৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।পরে জধন -৯ ইসলামপুর সিলেটের এস আই আল ইমরান বাদি হয়ে জাকারিয়া জাকিরকে আসামী করে নাসিরনগর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে  থানার মামলা নং ২৫ তারিখ ২২/৩/২০১৮ রুজু করে।মামলার পর থেকে পালিয়ে যায় জাকির।অনেক দিন পালিয়ে থাকার পর আদালতে হাজিরা দিতে গেলে আদালত জাকিরের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন।বেশ কিছু দিন জেলবাস শেষে জামিনে মুক্তি নিয়ে এলাকায় এসে ব্যবসা য়ীক ধরন পাল্টিয়ে সম্পুর্ন নতুন নিয়মে আবারো শুরু করে দেন। বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করলে ফান্দাউক ইউনিয়নের বুদ্বিবান  সচেতন সাধারণ জনগণ  জাকিরকে তাদের মুল্যবান ভোট ও সুচিন্তিত রায় দিয়ে ইউপি সদস্য নির্বাচিত করে তাদের পক্ষে কথা বলতে ও কাজ করতে ইউনিয়ন পরিষদে পাটিয়ে দেয়।

অপরদিকে জনগনের অনুরোধে বুড়িশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ১,২,৩ মহিলা আসন থেকে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন আশুরাইর গ্রামের সিনিয়র সাংবাদিক পত্নী শিক্ষিত, নম্র, ভদ্র সেলিনা বেগম।
সেলিনা দীর্ঘদিন যাবৎ তার নিজ এলাকার নিরক্ষর বয়স্ক ও শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়ি যাচ্ছেন।

মানুষের বিপদে আপদে সব সময় পাশে রয়েছেন।সেলিনার স্বামী একজন স্বনামধন্য সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী।সে সারা জীবণ মানুষের বিপদে আপদে পাশে থেকে মানুষকে নানা ভাবে সহযোগিতা করে আসছেন।যেমন অন্ধকারাচ্ছন্ন রাস্তায় স্ট্রিট লাইটের মাধ্যমে বিদ্যুতায়িত করা,রাস্তাঘাট সংস্কার করা,মসজিদে অনুধান প্রদান, রোগীর চিকিৎসা সেবা এগিয়ে যাওয়া,বিভিন্ন দুর্যোগে খাবার নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাড়ানো,সমাজের অবহেলিত বঞ্চিত,দুস্থ দরিদ্র অসহায মানুষের মাঝে বিধবা ভাতা,বয়স্কভাতা,প্রতিবন্ধীভাতা গর্ভবতীভাতা, শীতে অসহায় মানুষের পাশে কম্বল নিয়ে হাজির হওয়া সহ আরো নানা ধরনের কাজে সহযোগিতা করা যার কাজ। সেই সাংবাদিক পত্নী সেলিনা বেগম নির্বচনে প্রতিদন্ধীতা করলে জনগণ সেলিনাকে তাদের মহামুল্যবান ভোট ও সুচিন্তিত মতামত  দিয়ে পরিষদে না পাটিয়ে একদম সোঁজা ফেল করিয়ে বাড়িতে পাটিয়ে দিয়েছে।

তেমনি ভাবে শুধু ফান্দাউক আর বুড়িশ্বর নয় অনেক ইউনিয়ন পরিষদেই জাকিরের মত লোকজনকে জনগণ ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করে পরিষদে পাঠিয়েছেন,আবার অনেক পরিষদেই লোকজন সেলিনার মত প্রার্থীকে তাদের মহামুল্যবান ভোট ও মতামত না দিয়ে বাড়িতে ফেল করিয়ে বাড়িতে পাটিয়ে দিয়েছেন।তাহলে এবাব আপনারাই বলেন,নেতা নেত্রী বা জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে এ দায়ভার কার? জনতার উপর দিলাম এ বিচারের ভার।


আরও খবর



বাকেরগঞ্জে শাশুড়িকে খুন

বরিশালের বাকেরগঞ্জে সন্তানের দুধ কিনতে টাকা না দেওয়ায় শাশুড়িকে খুন

প্রকাশিত:Friday ১৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ২১৪জন দেখেছেন
Image

বরিশাল প্রতিনিধিঃ


সন্তানের দুধ কেনার জন্য গচ্ছিত দুই হাজার টাকা রাখা ছিল আলমারিতে। চাবি না দেওয়ায় পুত্রবধূ শাশুড়ির সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির শুরু করেন। এ সময় শাশুড়ি নাজনীন বেগম পুত্রবধূকে হত্যার জন্য ছুরি বের করেন। পরে পুত্রবধূ সুমাইয়া আক্তার লাবণ্য ছুরি কেড়ে নিয়ে শাশুড়িকে উপর্যুপরি কুপিয়ে ফেলে রেখে যান।


বৃহস্পতিবার (১২ মে) বরিশালের বাকেরগঞ্জ আমলি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে এসব কথা বলেন অভিযুক্ত পুত্রবধূ সুমাইয়া আক্তার লাবণ্য।


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাকেরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সত্যরঞ্জন খাসকেল। তিনি জানান, অভিযুক্তর দুগ্ধপোষ্য ছয় মাস বয়সী এক ছেলে রয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাকেও মায়ের সঙ্গে থাকার অনুমতি দিয়েছে।


হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিতভাবে করেছেন বলে ধারণা করে পরিদর্শক বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে প্রাথমিকভাবে আর কারও সম্পৃক্ততা না পাওয়া গেলেও স্বামীর অব্যাহত অবহেলা ও শাশুড়ির অত্যাচারে এমন ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেছেন লাবণ্য।


 অভিযানিক দল যখন লাবণ্যকে গ্রেফতারে যায়, তখন তিনি জায়নামাজে বসা ছিলেন। তিনি প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেন। আদালতেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।


আদালতের বরাত দিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, নিহত শাশুড়ি নাজনীন বেগমের স্বামী হানিফ হাওলাদার গত বছরের শেষ দিকে মারা যান। তার আগে থেকেই লাবণ্যর বাবা খলিল হাওলাদারের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল তার শাশুড়ির। 



আবার লাবণ্যর স্বামী উজ্জল হাওলাদার ঢাকায় একটি চশমার দোকানে কারিগর হিসেবে কাজ করেন। তিনিও সেখানে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। দুটি বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। গত ঈদুল ফিতরের ছুটিতে উজ্জল বাড়িতে আসেন। তখন এসব বিষয় নিয়ে কথা উঠলে ৮ মে লাবণ্যকে বাড়ি থেকে বের করে দেন স্বামী ও শাশুড়ি। ১০ মে আবার ঢাকায় চলে যান উজ্জল।


এরপর প্রতিদিন উজ্জলকে ফোন করতেন লাবণ্য। শাশুড়ির কাছেও জানাতেন তার ছয় মাস বয়সী সন্তান মুজাহিদুল ইসলামের দুধ কেনার টাকা নেই। কিন্তু স্বামী ও শাশুড়ি এতে কোনো গুরুত্ব দেননি।



 বুধবার (১১ মে) সন্ধ্যায় শাশুড়ির কাছে আসেন লাবণ্য। আলমারির চাবি চান। শাশুড়িকে জানান, আলমারিতে দুই হাজার টাকা আছে তা নিয়ে ছেলের জন্য দুধ কিনবেন। কিন্তু শাশুড়ি চাবি দিতে রাজি হননি। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হলে শাশুড়ি পুত্রবধূকে হত্যার জন্য ছুরি নেন। সেই ছুরি কেড়ে নিয়ে শাশুড়িকে উপর্যুপরি কুপিয়ে চলে যান লাবণ্য।


শাশুড়ির গলায় দুটি ও বুকে তিনটি ছুরির কোপ ছিল। ছুরির আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় বলে মনে করেন এই পুলিশ পরিদর্শক।


তবে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পুরো ঘটনা অনুসন্ধানে মনে হয়েছে হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত। কারণ, অভিযুক্ত নারী যখন শাশুড়ির কাছে আসেন, তখন তার সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আসেননি। এমনকি সঙ্গে মোবাইলও আনেননি। সঙ্গে ছুরি নিয়ে এসেছিলেন। বোরকা পরে এসে শাশুড়িকে কুপিয়ে বাসায় গিয়ে সন্তানকে দুধ খাইয়ে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ পড়তে বসেন। লাবণ্য ভারতীয় সিরিয়াল সিআইডি দেখে হত্যার পরিকল্পনা করেন এবং সে অনুসারে হত্যাকাণ্ড ঘটান।


প্রসঙ্গত, বুধবার (১১ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের কাঁঠালিয়া গ্রামে রক্তাক্ত নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে উজ্জল বাদী হয়ে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন|


আরও খবর



নাসিরনগরে ইউপি চেয়ারম্যানকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

প্রকাশিত:Monday ০২ May 2০২2 | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৩১৩জন দেখেছেন
Image


নিজস্ব প্রতিনিধিঃ-

৩০ এপ্রিল ২০২২ রোজ শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও শ্রীঘর গ্রামের সরদার গোষ্ঠীর মহরম আলীর ছেলে আনু মিয়া (৩৩) বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল চৌধুরীকে নিয়ে কটুক্তি করলে একই গ্রামের মাঝিবাড়ি গোষ্ঠীর ইদ্দিস আলী সরদারের ছেলে  রফিক মিয়া প্রতিবাদ করলে দুইজনের মাঝে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।


 পরে এ নিয়ে দুপুর অনুমানিক আড়াই ঘটিকা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ ঘটিকা পর্যন্ত শ্রীঘর গ্রামের বইলার বাড়ি সংলগ্ন পুকুর পাড়ে সরদার গোষ্ঠী ও মাঝিবাড়ির লোকজনের মাঝে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষে মাঝিবাড়ি গোষ্ঠীর ১৫/২০ জন ও সরদার গোষ্ঠীর প্রায় ৬০/৭০ জন লোক আহত হয়,আহতদেন মাঝে ২/৩ জনের অবস্থা আশংকাজনক। 


সংঘর্ষের খবর পেয়ে নাসিরনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে।


আহতদের কিছু অংশ পার্শ্ববর্তী হবিগঞ্জ জেলা সরকারি হাসপাতালে এবং কিছু অংশ নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।


নাসিরনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ সরকার জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।


আরও খবর



সরকার প্রকৃত দানশীলও ধনাট্য ব্যাক্তিদের কাছ থেকে জায়গা নেয়ার সিদ্বান্ত গ্রহন করেছে

নাসিরনগরে জায়গা দানকারীদের নামে কমিউনিটি ক্লিনিক হচ্ছে

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৯৬জন দেখেছেন
Image

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ-

সরকার স্বাস্থ্যসেবার মান সাধারণ মানুষের দুরগোড়ায় পৌছে দিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নের যে সমস্ত ইউনিয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক সংকট রয়েছে সে সমস্ত ইউনিয়নে পুনরায় কমিউনিটি ক্লিনিক চালুর সিদ্বান্ত নিয়েছে সরকার।


উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নে ৩৯ টি ক্লিনিক থাকার কথা থাকলেও ২২ টি ক্লিনিক চলমান রয়েছে।বাকী আরো নতুন ১৭ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালুর সিদ্বান্ত নিয়েছে সরকার।সেই হিসেবে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মানে সরকার এবার নতুন পদ্বতি অবলম্বন করতে চলেছে।


সরকার প্রকৃত দানশীলও ধনাট্য ব্যাক্তিদের কাছ থেকে জায়গা নেয়ার সিদ্বান্ত গ্রহন করেছে।রাস্তার পাশে ও সহজে  যানবাহন  যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে এমন জায়গা থেকে যদি কোন দয়ালু,ধনাট্য ও দানশীল ব্যাক্তি কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য মাত্র( ৮) আট  শতাংশ জায়গা দান করেন তাহলে ওই দানশীল ব্যাক্তির নামে কমিউনিটি ক্লিনিকটির নামকরন করা হবে এবং যাহা সারা জীবণ তার নামেই চলবে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় সুত্রে জানানো হয়েছে।


নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অফিস সুত্রে এ তথ্য জানা গেছে।আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ অভিজিৎ রায়ের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।


আরও খবর



কর্মজীবী মানুষের ঢাকা ফেরাও স্বাচ্ছন্দ্যে হবে-নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:Thursday ০৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ৬৮জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক।।


ঈদের ছুটি শেষে কর্মজীবী মানুষের ঢাকা ফেরাও স্বাচ্ছন্দ্যে হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।


বৃহস্পতিবার (৫ মে) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ে সচিবসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।



তিনি বলেন, এবারের ঈদযাত্রা খুব ভালোভাবেই করতে পেরেছি। আল্লাহর রহমতে সারাদেশের মানুষ আনন্দের সঙ্গে ঈদ করতে পেরেছে।


স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদের সময়ে মানুষ বাড়ি যেতে পেরেছে। সারাদেশে আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছে। ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে যারা চেয়েছিল, তারা সফল হতে পারেনি। আল্লাহর রহমতে এবং সরকারের পদক্ষেপের কারণে মানুষ ভালোমত ঈদ করতে পেরেছে।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ও আমার পক্ষ থেকে সবাইকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। মানুষ সচেতন হচ্ছে। আইনশৃংখলা বাহিনীসহ দায়িত্বরত অন্যান্যরা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে। নৌপথে ঢাকামুখী ফেরাটাও স্বাচ্ছন্দ্যে হবে বলে আশা করি। 


আরও খবর



সার্ভেয়ার কে আটক করে সাদা স্টাম্প ও চেক বইয়ে স্বাক্ষর নিয়েছে সন্ত্রাসীরা

শরীয়তপুর ডিসি অফিসে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাদা স্ট্যাম্প ও চেকের পাতায় স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৯৭জন দেখেছেন
Image

সোহরাওয়ার্দীঃ

শরীয়তপুর জেলাপ্রশাসকের কার্যালয়ে এল.এ শাখার পাশের একটি রুমে জোড় করে ধরে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেনের কাছ থেকে  ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের ব্ল্যাঙ্ক পেজে এবং চেকের পাতায় স্বাক্ষর করে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।গত ৯ মে ২০২২ সোমবার শরীয়তপুরের কিছু দালাল চক্র ঘটনাটি ঘটিয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে মামলা ও সাধারন ডায়রী করেছেন। দালল চক্রের সদস্য সন্ত্রাসী শাকিল মুন্সী,মোঃ বাহাদুর,মোঃ আতিক,মোঃ খলিল,খোকন বাঙ্গী,তাইজুল,দাদন ঢালী,মোঃ হারুন সহ ১৫/২০ জনের নাম সাধারন ডায়েরীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জানাগেছে সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেন গত ১২ জুলাই ২০২১ সালে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল.এ শাখায় সার্ভেয়ার হিসেবে যোগদান করেন।

তিনি জানান,"আমার যোগদানের কিছু দিনের মধ্যেই দেখতে পাই দালাল চক্রটি সহকর্মী বাদলের কাছে বিভিন্ন প্রকল্পে সরকারের অধিগ্রহনকৃত জমির অবকাঠামো বিল/ক্ষতিপুরনেরটাকা উত্তোলনের জন্য তদবীর করতে যাওয়া আসা করছে,সার্ভেয়ার বাদল ঐসব দালালদের সাথে হাত মিলিয়ে কমিশন নেয়ার বিনিময়ে চুক্তি করে নিয়ম বহিঃর্ভুতভাবে বিল দেয়া শুরুকরে।

তার এসব অপকর্মের সাথে আমি নিজেকে মানিয়ে নিতে পারছিলাম না,বাদলের এহেন অপকর্মের কারনে সরকারী টাকা গচ্চা দিয়ে দালালদের মোটা অংকের টাকা পাইয়ে দিতে সাহায্য করে এবং এল.এ শাখার কতিপয় কর্মকর্তা/কর্মচারীরা কমিশন বাবদ কোটি কোটি টাকা নিজেদের পকেটস্থ করে।

আমাকে এই অনিয়মের সাথে সম্পৃক্ত করতে সার্ভেয়ার বাদল,কানুনগো এবং এডিসি মিলে বিলে স্বাক্ষর করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে।আমি তাদের অন্যায় প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় তারা আমাকে চাকরীচ্যুত করা সহ নানা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অনিয়ম ও দুর্নীতিগ্রস্ত ফাইলগুলোতে স্বাক্ষর করতেবাধ্য করে।আমিহলফ করেবলতে পারি চাকুরী জীবনেকোনদিন আমি কাউকে ঘুষ দেইনি এবং নিজেও কোন দিন ঘুষ নেইনি।সব সময় অনিয়ম দুর্নীতি এড়িয়ে চলেছি।

তারা আমাকে ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে গত ২৮ এপ্রিল ২০২২ তারিখে গাজীপুর জেলায় বদলী করায়।গত ৮ মে শরীয়তপুর জেলার এ.ডি.সি রাজস্ব আসমাউল হুসনা লিজা মোবাইলে ফোন করে আমাকে একটিবিলের বিষয়ে জরুরী কথা আছে বলে তার সাথে দেখা করতে বলেন।আমি সরল বিশ্বাসে পরদিন ৯ মে সোমবার তার সাথে দেখা করতে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাই।

তার সাথে দেখা করেরুম থেকে বেড় হওয়া মাত্র সন্ত্রাসীরা আমাকে ধরে জোড়পুর্বক এল.এ শাখার একটি রুমে আটক করে মারধোর করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ননজুডিশিয়াল স্ট্যম্পের ব্ল্যাঙ্ক পেইজে এবং চেক বইয়ের পাতায় স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।এসময় সন্ত্রাসীদের সাথে সার্ভেয়ার বাদল উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তীতে আমি সেখান থেকে বেড়িয়ে এসে আইনজীবিদের সাথে শলা-পরামর্শ করে বিষয়টি আইনেরআশ্রয় নিতে সন্ত্রাসী ওপ্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় সাধারন ডায়রী করেছি।পরবর্তীতে এ বিষয়ে আমি আদালতে মামলা করার প্রস্ততি গ্রহন করি।"


ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেনকে ৮ মে তারিখে অবমুক্ত করে জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান পত্রে স্বাক্ষর করলেও বর্ণিত আসমাউল হুসনা লিজা উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে উক্ত অবমুক্তির কাগজ গায়েব করে ৯ মে তার নিজস্ব দালালদের দ্বারা সৃষ্ট চেক ও স্ট্যাম্পের বিষয়ে উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসানকে ভুল বুঝিয়ে ১০ মে পত্র লিখে, যে পত্রের বর্ণনার সাথে বাস্তবতা এবং সরকারী চাকুরী বিধি-বিধানের কোন সম্পর্ক নেই। কেবলমাত্র অধিনস্থ একজন কর্মচারীর কে দিয়ে এ.ডি.সি তার অসৎ উদ্দ্যেশ্য চরিতার্থ করতেনা পেরে এমন কাজ করেছেন।ম্যাজিকের মতো ৮ মের অবমুক্তির কাগজ ১০ মে হয়ে যায়।তদন্ত সাপেক্ষে বিষয়টির সুষ্ঠ বিচার প্রার্থনা করেছেন ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেন।

উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত সার্ভেয়ার বাদলের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলে ও সে ফোন রিসিভ করেনি।


আরও খবর