Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে: শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের হার দিয়ে সুপার এইট শুরু গোদাগাড়ীতে রাসেল ভাইপারের চিকিৎসার দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি রূপগঞ্জে জমে উঠেছে কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার বাবা মাকে কুপিয়ে হত্যা যানজট নিরসনে সংসদ সদস্যগণের সাথে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সমন্বয়সভা ভোলায় ফের দেখা মিলল রাসেল ভাইপার, জনমনে আতঙ্ক বাজেট পাস হয়নি,অনেক কিছু পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব: অর্থমন্ত্রী দেশের সব মহৎ অর্জন আ. লীগের মাধ্যমেই হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের শপথ ২৬ সেপ্টেম্বর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৩৫১জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া বিচারপতি ওবায়দুল হাসান আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর শপথ গ্রহণ করবেন। ওই দিন সকাল ১১ টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। 

বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার মুহাম্মদ মামুনুল হক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন। এই নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ১৯৫৯ সালের  ১১ জানুয়ারি তারিখে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম ডা. আখলাকুল হোসাইন আহমেদ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। তিনি গণপরিষদ সদস্য হিসাবে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সংবিধান রচনায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং সংবিধান রচনার পর তাতে স্বাক্ষর প্রদান করেন। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে অর্থনীতি বিষয়ে এম.এস.এস. ডিগ্রি লাভ করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় হতে তিনি এলএল.বি. ডিগ্রী অর্জন করেন।

তিনি ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে এবং ২০০৫ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ১৯৯১ সালে বিচারপতি হাসান নিয়মিত আইনজীবী হিসেবে হংকং-এ অনুষ্ঠিত 'ইন্টারন্যাশনাল ল'ইয়ারস কনফারেন্স'-এ অংশগ্রহণ করেন। গণচীনের প্রকিউরেটর জেনারেলের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেলের সফরসঙ্গী হিসেবে যান।

১৯৯৭ সালে চীনের বেইজিংসহ বেশ কিছু নগরী ভ্রমণ করেন। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে ৫ (পাঁচ) বছর দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগে অনেক সাংবিধানিক মোকদ্দমা পরিচালনা করেন।

বিচারপতি হিসেবে যোগদানের আগে তিনি দেওয়ানি, ফৌজদারি এবং সাংবিধানিক বিষয়াদি সম্পর্কিত মোকদ্দমার একজন দক্ষ আইনজীবী হিসেবে ব্যাপক পরিচিত লাভ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধানমণ্ডি ল' কলেজের একজন খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ২০০৯ সালের ৩০ জুন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১১ সালের ৬ জুন একই বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। তিনি ২০১২ সালের ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর একজন সদস্য হিসেবে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে ২০১২ সালের ১৩ ডিসেম্বর থেকে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিচারপতি হাসান অনেক দেশ ভ্রমণ করেছেন। যার মধ্যে অন্যতম-পাকিস্তান, নেপাল, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং, চীন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, বেলিজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড সৌদি আরব। 

তার একমাত্র ছেলে আহমেদ শাফকাত হাসান আইন বিষয়ক একজন গবেষক। তিনি যুক্তরাজ্যের ইনার টেম্পল থেকে বার-এট-ল করার পর ইউনির্ভার্সিটি অব ডারহাম থেকে আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে এলএল.এম.ডিগ্রী অর্জন করেন। বর্তমানে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত। তার স্ত্রী নাফিসা বানু বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের নির্বাহী বোর্ডের সদস্য (অর্থ) হিসেবে কর্মরত আছেন।


আরও খবর



গভীর রাত পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় মনিটরিং করেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১১৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর রাত পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় রিমালের ক্ষয়ক্ষতি কমানো ও উপকূলীয় এলাকার মানুষকে নিরাপত্তা নিশ্চিতে মনিটরিং করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (২৮ মে) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ঘূর্ণিঝড় নিয়ে আলোচনা হয়। পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুস সালাম ও পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব সত্যজিত কর্মকার সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরেন।

এসময় সচিব বলেন, রাত ২টা পর্যন্ত পরিস্থিতি মনিটরিং করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ল্যান্ডফোনে নিজেই কথা বলেছেন। আমরা ফোন ব্যবহার করি। কিন্তু ল্যান্ডফোন বিপদে অনেক কাজে লাগে, এ বিষয়ে সচেতন থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

সত্যজিত কর্মকার বলেন, সব সরকারি কর্মকর্তাকে দুর্গতদের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন সরকারপ্রধান। ঘূর্ণিঝড়ে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা নিরূপণ করে দুর্যোগ মন্ত্রণালয়কে রোববারের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন তিনি।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ঝড়ে অনেক বাঁধ নষ্ট হয়েছে। এগুলো দ্রুত সংস্কার করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।


আরও খবর



বোদায় ভূমি সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন ও জন-সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৭৪জন দেখেছেন

Image

কুয়েল ইসলাম সিহাত,বোদা (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃস্মার্ট ভূমিসেবা, স্মার্ট নাগরিক এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশব্যাপী ভূমিসেবা সপ্তাহ ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা ভূমি অফিসের উদ্যোগে সপ্তাহ ব্যাপী ভূমি সেবা সপ্তাহের শুভ উদ্বোধনী ও জন-সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই উপলক্ষে  বোদা ভূমি অফিস চত্বরে গতকাল শনিবার (৮ জুন) সকাল ১০টায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভূমি সেবা সপ্তাহের শুভ উদ্বোধন ও বক্তব্য রাখেন, বোদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহরিয়ার নজীর।

সভাপতিত্ব করেন বোদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম ফুয়াদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বোদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব মো. আজাহার আলী, বোদা সাব-রেজিস্ট্রার শিরিনা আক্তার ও বোদা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি প্রবীর চন্দ প্রমুখ।এ সময় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধি, ভূমি মালিকসহ গণমাধ্যম কর্মী ও ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।  


আরও খবর



গোমস্তাপুরে বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ ও শিক্ষা সপ্তাহের পুরস্কার বিতরণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image

শহিদুল ইসলাম গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ ও জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার উপজেলা সভাকক্ষে এই পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন বিদ্যুৎ,জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রাণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মু.জিয়াউর রহমান এমপি। পরে একই স্থানে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিশাত আনজুম অনন্যা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন রেজা। উপজেলা একাডেমি সুপারভাইজার আসমা খাতুনের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুসহাক আলি, রহনপুর আহম্মদি বেগম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোর্শেদ, আলিনগর স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল আওয়াল, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুল ইসলাম আজম, জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী নওশিন তাসফিয়াহ।

উল্লেখ্য জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ী ৬২ জনকে এবং বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ ১৪ জনের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

আরও খবর



স্ত্রী-সন্তানসহ বেনজীরকে দুদকে তলব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৫৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্ত্রী ও দুই মেয়েসহ তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২৮ মে) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো এক নোটিশে বেনজীর আহমেদকে আগামী ৬ জুন দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পৃথক একটি নোটিশে বেনজীরের স্ত্রী ও সন্তানদেরও আগামী ৯ জুন হাজির হতে বলেছে দুদক।

এর আগে মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জিশান মির্জা ও ছোট মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে থাকা শেয়ার বাজারের সব বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট বা বিও হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করে রাখার নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সে অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সেগুলো ফ্রিজ করেন।

গত ২৩ ও ২৬ মে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত বেনজীর আহমেদ এবং তার স্ত্রী জিশান মির্জা, বড় মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও ছোট মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে বিভিন্ন সম্পত্তির দলিল, ঢাকায় ফ্ল্যাট ও কোম্পানির শেয়ার জব্দের নির্দেশ দেন।

আদলত থেকে বেনজীর আহমেদ এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন সম্পত্তির দলিল, ঢাকায় ফ্ল্যাট ও কোম্পানির শেয়ার জব্দের (ক্রোক) নির্দেশ দেওয়ার পর এ পদক্ষেপ নিলো পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।


আরও খবর



মালয়েশিয়ায় ১২৩ বাংলাদেশীসহ ২১৪ অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৮২জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :মালয়েশিয়ার পুলিশ জোহর প্রদেশ ইমিগ্রেশন বিভাগের পৃথক অভিযানে শ্রমিকদের বসতি থেকে ২১৪ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে । আটককৃতদের মধ্যে ১২৩ জন বাংলাদেশী অভিবাসী শ্রমিক রয়েছে।

ইমিগ্রেশনের ডেপুটি ডিরেক্টর-জেনারেল (অপারেশনস) জাফরি এমবোক ত্বহা বলেন, শনিবার (৮ জুন) বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে ১৪০ জন কর্মকর্তা-কর্মী এ অভিযান চালান।

তিনি বলেন, কাগজপত্রবিহীন অভিবাসীদের আশ্রয় দেয়ার জন্য স্থানীয় মালয়েশিয়ান দুই ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মোট ২৫২ জনের বৈধতা চেক করা হয়েছিল এবং তাদের মধ্যে ৯২ জনকে বিভিন্ন অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রথম অভিযানে আটকদের মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছে ৫৩ জন, চীনের ৩০ জন, ভারতের চারজন, ইন্দোনেশিয়ার চারজন এবং পাকিস্তানের একজন পুরুষ রয়েছে।

জাফরি বলেন, দ্বিতীয় অভিযানটি ভোর ৩টা ২০ মিনিটে ডাঙ্গা সিটি মলের কাছে শ্রমিকদের বসতিতে চালানো হয়। এই অভিযানে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক জড়িত। মোট ৭২৫ জনকে চেক করার পর এর মধ্যে থেকে ১২২ জনকে বিভিন্ন অভিবাসন অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযানে বাংলাদেশের ৭০ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৩১ জন, মিয়ানমার থেকে ২০ জন এবং পাকিস্তানের একজন নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে এক বাংলাদেশী ইউএনএইচসিআরের কার্ড শো করে নিজেকে রোহিঙ্গা শরণার্থী দাবি করে। পরে জানা যায় সে রোহিঙ্গা নয় সে বাংলাদেশী।

গ্রেপ্তার সবাইকে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য জোহর বারুর সেতিয়া ট্রপিকার বিভাগের সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বৈধ ভ্রমণ নথিপত্র ছাড়া দেশে প্রবেশ করা এবং অতিরিক্ত অবস্থানের জন্য ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইনের ধারা ৬(গ) এবং ধারা ১৫(১)(গ) এর অধীনে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে।


আরও খবর