Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

নবীনগরের বিদ্যাকুট প্রাইমারির শিক্ষিকা ফ্রান্স থেকেও শিক্ষকতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৫৪৫জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মাদ হেদায়েতুল্লাহ্ ,নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সানজিদা আক্তার থাকেন প্রবাসে।তথ্য সূত্রে জানা যায়,উপজেলার বিদ্যাকুট পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৫৫ জন ছাত্র/ছাত্রীর জন্য ২ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলা শিক্ষক সহ মোট শিক্ষক রয়েছে ৭ জন। তাদের মধ্যে ২৯ জানুয়ারি ২০১২ সালে অত্র বিদ্যালয়ে যোগদান করা সহকারী শিক্ষিকা সানজিদা আক্তার নিজের প্রভাব দেখিয়ে বছরের বেশির ভাগ সময়ে স্বামীর সাথে থাকেন ফান্সে।

তিনি ২০২৩ সালের পহেলা জানুয়ারি ব্যক্তিগত বিশেষ অসুবিধার কারণ দেখিয়ে ৫ দিনের ছুটি নেয়ার পর পূনরায় একই মাসের ৮ তারিখ বহিঃ বাংলাদেশ ভ্রমণের ছুটি নিয়ে ৩০ দিনের জন্য ফ্রান্স চলে যায়। উল্লেখিত ছুটি শেষ হলে ফ্রান্স থেকে পূনরায় দূতাবাসের মাধ্যমে ৭ মে পর্যন্ত ৩ মাসের ছুটি বর্ধিত করে কিন্তু ৮ মে ঐ বিদ্যালয়ে গিয়ে তাকে অনুপস্থিত দেখা যায় ।এছাড়া ঐ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হাজিরা খাতায় ২০২১ সালে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার ছুটি কৌশলে মঞ্জুর করে নিয়েছে জানা যায়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অবসরে চলে যাওয়ায় ও সহকারী শিক্ষিকা সানজিদা আক্তার প্রবাসে থাকায় ছাত্র/ছাত্রীদের নিয়মিত পাঠ্যদানে ব্যঘাত ঘটছে এবং এতে করে শিক্ষার মান নষ্ট হচ্ছে ঐ বিদ্যালয়ের।এবিষয়ে বিদ্যাকুট পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেবব্রত ভট্টাচার্য জানান,শিক্ষক স্বল্পতায় বিদ্যালয়ে ছাত্র/ছাত্রীদের পাঠ্যদানে হিমশিম খেতে হচ্ছে,যদিও ছুটি সকলের অধিকার কিন্তু প্রধান শিক্ষক অবসরে চলে যাওয়ায় এমনিতেই শিক্ষকের ঘাটতি তার উপর সহকারী শিক্ষিকার দীর্ঘদিন অনুপস্থিতিতে বিদ্যালয় সামলাতে কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

এবিষয়ে নবীনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বুলবুল জানান, প্রথমে সে ১মাসের ছুটি নিয়ে প্রবাসে গিয়ে পূনরায় ৩ মাসের ছুটি নিয়েছে ৭ মে পর্যন্ত, এরপর তার কোন বৈধ ছুটি কিম্বা লিখিত ছুটির আবেদন চাওয়ার মত আর সুযোগ নেই। এমনকি তার কোন জমা ছুটিও নেই,এখন থেকে সে একদিন অনুপস্থিত থাকলেও যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবগত করার মাধ্যমে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফরম নিলেন যেসব তারকা

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১৭০জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক:দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এবার এমপি হওয়ার দৌঁড়ে নেমেছেন দেশের একঝাঁক তারকা অভিনেত্রী।

আছেন সুবর্ণা মুস্তাফা, অপু বিশ্বাস, তারিন জাহান, নিপুণ আক্তার, সৈয়দা কামরুন নাহার শাহনূর, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, সোহানা সাবা, তানভিন সুইটি, রোকেয়া প্রাচীসহ বেশ কয়েকজন। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রোকেয়া প্রাচী, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, তারিন জাহানসহ বেশ কজন।

পরিচালক ও অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী মনোনয়ন ফরম কেনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ফেনীর জন্য মনোনয়ন ফরম তুলেছি। নেত্রী যদি মনে করেন, আমাকে নারী আসনে এমপি বানাবেন। আমি দলের জন্য অনেক দিন ধরে কাজ করছি।

অভিনেত্রী সোহানা সাবা সকাল সোয়া ১০টার দিকে নিজে এসে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। সোহানা সাবা গণমাধ্যমকে বলেন, মনোনয়ন ফরম তুলে এরই মধ্যে জমাও দিয়েছি। আমি ঢাকার মেয়ে। আমার পরিবারের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সুসম্পর্ক এবং একই আদর্শের। দলের জন্য কাজ করতে চাই। এ কারণে আমি আশাবাদী।

মনোনয়ন ফরম কেনার পর অভিনেত্রী সৈয়দা কামরুন নাহার শাহনূর বলেন, ‘আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত। বিরোধী দলের আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেও সক্রিয়ভাবে মাঠে ছিলাম। আমি নিজেও সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনীত করলে আমি তার কথা অনুসারে কাজ করতে চাই। এ ছাড়া নারীদের জন্য কাজ করতে চান বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) সকালের দিকে মনোনয়ন ফরম কেনেন অভিনেত্রী ঊর্মিলা কর। তিনি বলেন, ‘আমি টাঙ্গাইল থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছি। অনেক দিন ধরেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। বলতে পারেন বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। দলের জন্য কাজ করছি। এমনকি দলের একটা পদেও রয়েছি। সুযোগ পেলে মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।

সকাল ১১টার দিকে মনোনয়ন ফরম নিতে আসেন অভিনেত্রী নিপুণ আক্তার। জানা গেছে, নিপুণ আক্তার চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করছেন।

দুপুর সাড়ে ১২টার মনোনয়ন ফরম কিনেছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। তিনি বলেন, বগুড়া ৬ আসনের হয়ে মনোনয়ন ফরম তুলেছি। এখন জমা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চাইলে আমি সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে চাই। মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, আমি এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। সেই ২০১৭ সাল থেকে মানুষের জন্য, দলের জন্য কাজ করছি। এখন অবধি আছি। ২০১৯ সালেও সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন ফরম তুলেছিলাম। সে সময় ভাগ্য সহায় হয়নি। তবে আমি মনে করি, মানুষের জন্য কাজ করার আমি যোগ্য মানুষ।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা পর্যন্ত আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে বলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে। এর আগে রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির তারিখ জানায় আওয়ামী লীগ।


আরও খবর



রাজধানী ঢাকা আজ বায়ুদূষণে দ্বিতীয়

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আজ বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। অপরদিকে, রাজধানী ঢাকা রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে।

শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) সকালের দিকে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এসব তথ্য।

তালিকায় শীর্ষে থাকা দিল্লির দূষণমাত্রার স্কোর ৩৩৪ অর্থাৎ সেখানকার বাতাস বিপজ্জনক পর্যায়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ঢাকার দূষণ স্কোর ২৯৮ অর্থাৎ এখানকার বাতাস খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের আরেক শহর কলকাতা। এই শহরটির বায়ুর মানও খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়।


আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে এমপি মঈনউদ্দিন মঈন কে গণ সংবর্ধনা প্রদান

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩০৮জন দেখেছেন

Image

মো. রুবেল মিয়া:- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণ মানুষের নেতা আলহাজ্ব  মঈন উদ্দিন মঈন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়ন আ'লীগের পক্ষ থেকে গণ সংবর্ধান প্রদান করা হয়েছে।অনুষ্ঠানের শুরুতে  কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন মাওঃ আবুল কাশেম। 

 

এ উপলক্ষ্যে শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে পাকশিমুল ইউনিয়ন আ'লীগ উদ্যোগে পাকশিমুল হাজী শিশু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক  আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এ সময় পাকশিমুল ইউনিয়ন আ'লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন সামাজিক সাংগঠনের পক্ষ  থেকে নবনির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব মঈনউদ্দীন মঈন ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়া হয়। 

পাকশিমুল ইউনিয়ন আ'লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান  মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ আসনের নবনির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব মঈনউদ্দীন মঈন।  


উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য মো. নাজিম উদ্দিন ভাষানী, জেলা পরিষদের সদস্য ও যুবলীগ নেতা পায়েল হোসেন মৃধা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবু হানিফ, অরুয়াইল ইউনিয়ন আ'লীগের সভাপতি হাজি আবু তালেব ও সাধারন সম্পাদক এড. গাজী শফিকুল ইসলাম, চুন্টা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হবিবুর রহমান, শাহবাজপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান রাজিব আহমেদ (রাজ্জি), উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মো. আমিন খান, যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. হোসেন মিয়া, সাদ্দাম হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গাজী কাপ্তান, যুবলীগ নেতা গাজী বোরহান উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পাকশিমুল ইউনিয়ন আ'লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সভাপতি আতাউর রহমান পাঠান।  

এছাড়াও সভায়  স্থানীয় এলাকার পাকশিমুল ইউনিয়ন আ'লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব 


আরও খবর



মাটিরাঙ্গায় নিবন্ধনকৃত দরিদ্র জেলেদের মাঝে ছাগল বিতরণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:মৎস্য অধিদপ্তরাধীণ পার্বত্য চট্রগ্রাম অঞ্চলে মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের দরিদ্র জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান (পারিবারিক পর্যায়ে সহায়তা প্রদান) কার্যত্রুমের অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গায় নিবন্ধনকৃত দরিদ্র জেলেদের মাঝে ছাগল বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৪জানুয়ারি)সকাল ১০টার দিকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সামনে উপজেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে বিকল্প কর্মসংস্থান এর জন্য মাটিরাঙ্গায় নিবন্ধনকৃত ৫ দরিদ্র জেলের মাঝে প্রতিজনকে ৪টিকরে মোট ২০টি  ছাগল বিতরণ করা হয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদৃষ্টি চাকমা এর সঞ্চালনায় মৎস্য উপকরণ বিতরণ অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চত্রুবর্তী।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.রফিকুল ইসলাম।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড.মো.আরিফ হোসেন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সুবাস চাকমা,মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুকুল কান্তি চাকমা প্রমুখ।

আরও খবর



রৌমারী-রাজিবপুরে ফসল উৎপাদন করে স্বাবলম্বী চরাঞ্চলের কৃষকরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃকুড়িগ্রামের রৌমারী- চর রাজিবপুরের চরাঞ্চলে ১২ মিশালী ফসল উৎপাদনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। রৌমারী সাধারণত নদ-নদী খাল বিল হাওর বাওরে পরিপুর্ণ। উপজেলার পশ্চিম অংশে বন্দবেড় ইউনিয়ন ও যাদুরচর ইউনিয়নের ব্র্ধসঢ়;ক্ষপুত্র নদের ভাঙ্গনের তান্ডবে একূল ভেঙ্গে ওকুল গড়া চরে কৃষক মেতেছে নানা জাতের ফসল চাষে। প্রতি বছর বন্যায় নদীর বুকে জেগে উঠা চর কোথাও বালির স্তুপ, আবার কোথাও জেগে উঠা চরে পলি মাটির স্থর কৃষককে হাত ছানি দেয় ফসল ফলাতে।

চরের বুকে বসবাসরত কৃষক বেচেঁ থাকার তাগিদে রবিশস্য উৎপাদনে মনোনিবেশ করেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, চরের বুক জুড়ে স্থরে স্থরে সরিষা, ভূট্রা, গম, বাদাম, তিষি, মিষ্টি আলু, মশুর ডাল, মুগডাল, মাসকলাই, খেসারী কলাই, পিয়াজ, রসুন, মরিচ, ধনিয়া, বেগুনসহ নানা ধরনের ফসল চাষ করছে। এঅঞ্চলের মানুষের তরকারীর চাহিদা অনেকটা চরের মানুষের উৎপাদিত ফসল থেকে চাহিদা পূরণ হয়ে থাকে। সময়ের সাথে সাথে ফসল উৎপাদনে অনেকটা পরিবর্তণ দেখা দিয়েছে।

একসময় রৌমারীর গোটা এলাকা জুড়ে একই ধরনের ফসল উৎপাদন হতো। কিন্ত আধুনিকতার ছোওয়ায় বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নত জাতের স্বল্প সময়ে উচ্চ ফলনশীল জাতের নানা জাতের নানা নামীয় ইড়ি-বোর ধানের চাষ শুরু হয়েছে। যারফলে মাটির প্রকার ভেদে কাদা ও দোআশঁ মাটিতে ইড়ি-বোর ও চরাঞ্চলীয় বালি মাটিতে রবিশশ্য চাষ হচ্ছে।

এবিষয়ে রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল কায়ুম চৌধুরী বলেন, রৌমারী’র চরাঞ্চলের জমি এখন আর পতিত নেই। জেগে উঠা চরে কৃষক সময় উপযোগী ফসল চাষ করে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনছে।

তবে এঅঞ্চলের মানুষের প্রধান সমস্যা ব্রক্ষপুত্র নদীর ভাঙ্গন। চরের কৃষককে বাচাতে নদী ভাঙ্গন রোধ অত্যান্ত জরুরী। এনিয়ে ওই অঞ্চলের কৃষকের সাথে কথা বললে তারা আক্ষেপ করে বলেন , আমরাতো সরকারের আওতাভূক্ত নই , কারণ যুগযুগ ধরে আমরা নদী ভাঙ্গনের শিকার জমিজিরাত বসত ভিটা হারিয়ে নিঃষ হয়ে পড়েছি কেই আমাদের খোজ রাখেনি। মরা চরের বুক জুড়ে যুদ্ধ করে বেচে আছি নানা জাতের ফসল উৎপাদন করে।

এবিষয় রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাইয়ুম চৌধরী জানায় চরাঞ্চলের কৃষকদের সবসময়ই সহযোগিতা করা হচ্ছে। এবংকি চরাঞ্চলে এখন আর চর নেই সবধরনের ফসল ফলিয়ে স্বাবলম্বী চরের কৃষকরা।


আরও খবর