Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

নবীনগর ব্রাহ্মণহাতা গ্রামে মৌখিক অভিযোগের তদন্তে এসে পুলিশের হয়রানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৩৯৪জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ  নবীনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধিঃ-

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার কাইতলা উত্তর ইউনিয়ন নারুই (ব্রাহ্মণহাতা) গ্রামে মৌখিক অভিযোগের তদন্ত করতে মো. সাব্বির ও সজিব মিয়ার বাড়িতে এসে অকথ্য ভাষায় গালাগালিসহ অর্থ লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে নবীনগর থানার ওসি তদন্ত সজল কান্তি দাসসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে।সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, নারুই ব্রাহ্মণহাতা গ্রামের মো. অলি মুন্সী মিথ্যা মৌখিক অভিযোগ করেন শিল্পপতি রিপন মুন্সীসহ সাব্বির ও সজিব এর বিরুদ্ধে।


মঙ্গলবার সকালে সেই মৌখিক অভিযোগের তদন্ত করতে আসেন নবীনগর থানার ওসি তদন্ত সজল কান্তি দাসসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য। ঐই সময় সাব্বির মিয়ার বাড়িতে গিয়ে বাড়ির গেইট ভেঙ্গে প্রবেশ করে সাব্বির কে বাড়িতে না পেয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালিসহ ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে অর্থ লুটপাট করেন এবং সজিব মিয়ার বাড়িতে গিয়েও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন।সাব্বির মিয়ার ভাই মো. শাহিন মিয়া বলেন, আমি সকালে ঘুমিয়ে ছিলাম। এমন সময় ৬ জন পুলিশ বাড়ির গেইট ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে আমার ভাইকে খোঁজাখুঁজি করেন৷


তাকে না পেয়ে আমার ভাইকে নিয়ে অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করেন এবং ঘরে থাকা ৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।সজিবের আম্মা বলেন, সকালে নাস্তা করার সময় ২ জন পুলিশ ঘরে প্রবেশ করে আমার ছেলে সজিব কে খুঁজেন। তাকে না পেয়ে আমার ছেলেকে নিয়ে অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করেন। আমার পরিবার পুলিশের এ কথা বলার পরও তারা আমাকে ও আমার মৃত স্বামীকে নিয়ে অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করেন। আমরা কোন অপরাধ না করার পরও পুলিশ বাড়িতে এসে কেন হয়রানি করলো এর সঠিক বিচার চাই।


দোকানদারের ছেলে বাইজিদ বলেন, আমার বাবা দোকানে ছিল না, ঐ সময় ৬ জন পুলিশ আমাদের দোকানে ঢুকে ৬ প্যাকেট বেন্সন সিগারেট ও ৬ টি স্পিড কেন নিলে আমি টাকা চাওয়াতে তারা আমার বাবাকে হাত পা ভাঙ্গার হুমকি প্রধান করেন।গ্রাম পুলিশ একরামুল বলেন, সকালে নবীনগর থানা থেকে ৬ জন পুলিশ এসে আমাকে ফোন করলে আমি সাব্বির মিয়ার বাড়ির সামনে আসি। আমাকে নিয়ে সাব্বির ও সজিব মিয়ার বাড়িতে যায়। তাদের কে না পেয়ে পুলিশ সদস্যরা অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করেছে, কেন করেছে তা আমি জানি না।


সাব্বির ও সজিব বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়ছে তা মিথ্যে বানুয়াট। আমরা কেন তাদের কোরবানি দিতে বাধা দিব। এই মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ আমাদের বাড়িতে এসে সকলকে গালাগালিসহ ও লুটপাট করেছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।অভিযোগকারী অলি মুন্সী বলেন, আমার ভাগ্নে মোরশেদ আমার সাথে কোরবানি দিতে চাইলে তাকে বাঁধা প্রদান করেন সজিব ও সাব্বির।


তাই আমি থানায় মৌখিক অভিযোগ করেছি, তবে লিখিত কোন অভিযোগ করি নাই। তবে মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে কোরবানি দিয়েছি।নবীনগর থানার ওসি তদন্ত সজল কান্তি দাস বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ গুলো আনা হয়ছে সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা বানুয়াট। যারা এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করেছে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৫৭জন দেখেছেন

Image
হাবিবুর রহমান,কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃকুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলায় তিন দিনে তিনজন খুন হয়েছে। জমিজমা ও পারিবারিক দ্বন্দে পৃথক ভাবে আক্কাস আলী, আনারুল ইসলাম ও রিয়াজ উদ্দিন নামে তিনজন খুন হয়। গত সোমবার সাবেক স্ত্রীর স্বামীর চাচার ঘুসির আঘাতে নিহত হয়েছে উপজেলার বানিয়াপাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আনারুল ইসলাম। সাবেক ইউপি সদস্য আনারুল ইসলামকে রোববার রাতে বানিয়াপাড়া সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মুক্তার হোসেন, শাহিন, মারুফ, তজিমউদ্দিন ও আবু বক্কার হামলা করে। আহত আনারুলকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আনারুলের স্ত্রী পাপিয়া খাতুন প্রেমের সম্পর্কে শাহিনের সাথে পালিয়ে বিয়ে করেন, সেই থেকে ইউপি সদস্যর সাথে শাহিনের পরিবারের দ্বন্দ চলছিলো বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী। এদিকে গত শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের শানপুকুরিয়া গ্রামে জমিজমা বিরোধের জেরে চাচাতো ভাই রিয়াজ উদ্দিন (৪৭) নামের এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করে চাচাতো ভাই। জানা যায়, নিহত রিয়াজের সাথে তার চাচাতো ভাই হারুনের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিলো। এনিয়ে শনিবার সকালে কাঁঠাল পাড়াকে কেন্দ্র করে রিয়াজের সাথে হারুনের বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে হারুন ও তার লোকজন রিয়াজের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। এসময় কুপিয়ে আহত করে তারা। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সাড়ে ১২টার দিকে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। অন্যদিকে দরবেশপুর গ্রামের বাসিন্দা আক্কাস তার বড় ভাই আজাদ প্রামানিকের ধানের বীজতলা থেকে বৃষ্টির অতিরিক্ত পানি সরকারি কালভার্ট দিয়ে বের করতে যান। এসময় জমির আইল কাটা নিয়ে ওই এলাকার বাসিন্দা আলাই ও তার চার ভাইসহ কয়েকজনের সাথে কথা কাটাকাটিতে লিপ্ত হওয়ার এক পর্যায়ে আক্কাসকে ধাক্কা মারপিট করে এবং জমির ভিতরে পানিতে ফেলে দিয়ে কাদার মধ্যে ধরে রাখে তারা। পরে অন্যরা উদ্ধার করে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে গেলে সাড়ে ৫টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক আক্কাস আলীকে(৫০) মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়গুলি নিয়ে কুষ্টিয়া কুমারখালীতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং সবাই উদ্বিগ্ন। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আকিবুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় কয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ওয়ার্ড সদস্য মারা গেছেন। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তিন খুনের ঘটনায় তিনটি পৃথক পৃথক মামলা হয়েছে। তদন্ত করে আসামীদের গ্রেফতারসহ আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত  দ্রুত কাজ করছে আইনশৃংখলা বাহিনী ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



খুলনায় পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্সের বীমাদাবীর ২ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৪১জন দেখেছেন

Image

এস এম শফিকুল ইসলাম, জয়পুরহাট:পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের খুলনা  অঞ্চলের বীমা গ্রাহকের ২ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকার বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর ও অর্ধ বার্ষিক ব্যবসা ক্লোজিং  সভা  অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৩জুলাই )  খুলনায় পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের নিজস্ব ভবন মিলনায়তনে  এ  বীমা দাবীর চেক হস্তান্তর ও অর্ধ বার্ষিক ব্যবসা ক্লোজিং  সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের  আল আমিন বীমা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও জেলা সমন্বয়কারী সৈয়দ সাইফুল ইসলাম রুবেলের  সভাপতিত্বে বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর ও অর্ধ বার্ষিক ব্যবসা ক্লোজিং  সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের  ভারপ্রাপ্ত  ব্যবস্থাপনা পরিচালক  বি এম  শওকত আলী। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন  পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের উর্ধ্বতন  উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (আইটি) ফিরোজ ইফতেখার, জনপ্রিয় বীমা প্রকল্পের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল হোসেন মহসিন,  ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক খলিলুর রহমান সিকদার। 

এ সময়ে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন  পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পপানী লিমিটেডের ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার কামরুজ্জামান,  আল আমিন বীমা প্রকল্পের প্রকল্প ইনচার্জ ডাক্তার পারভেজ , জনপ্রিয় বীমা প্রকল্পের প্রকল্প ইনচার্জ আব্দুর রহমান , একক বীমা প্রকল্পের প্রকল্প ইনচার্জ আরিফুর রহমান বিপ্লব, জনপ্রিয় বীমা প্রকল্পের প্রকল্প ইনচার্জ শরিফুল ইসলাম ও পপুলার ডিপিএস প্রকল্পের সাতক্ষীরা সার্ভিস সেল ইনচার্জ কবিরুল ইসলাম  প্রমুখ।

অর্ধ বার্ষিকী ব্যবসা ক্লোজিং সভা শেষে মেয়াদ উত্তীর্ণ বীমা গ্রাহকের হাতে ২ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকার  বীমাদাবীর  চেক হস্তান্তর করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কোম্পানীর ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলী।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



ডোমারে কৃষক/কৃষাণী ও উদ্যোক্তাদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১০২জন দেখেছেন

Image

মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফামারীর ডোমারে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রোগ্রাম এগ্রিকালচার এ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরাশিপ এ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) এর আওতায় দিনব্যাপী “কৃষক জিএপি সার্টিফিকেশন” বিষয়ক কৃষক/কৃষাণী ও উদ্যোক্তাদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্ত আয়োজিত রোববার সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ হলরুমে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শষ্য) জাকির হোসেন। 

প্রধান প্রশিক্ষক হিসাবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম। এসময় উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফরহাদুল হক, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাজিয়া সুলতানা প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। 

উক্ত প্রশিক্ষণে এলাকার ৫০জন কৃষক ও কৃষাণী অংশগ্রহন করেন। প্রশিক্ষণ শেষে কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। স্মার্ট কৃষক হিসাবে নিজেকে গড়ে তুলতে সরকারের প্রণোদনা সহ কৃষি বিষয়ে সব ধরণের পরামর্শ ও সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম। 


আরও খবর



বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির এলাকায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image

আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের চৌহাটি বাজারে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কয়লা উত্তোলনের কারণে চৌহাটি এলাকায় প্রায় ১ হাজার বাসাবাড়ি কম্পনে ফেটে যাওয়ায় জীবন ও বসত ভিটা রক্ষা কমিটির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় পার্বতীপুর উপজেলার চৌহাটি বাজারে জীবন ও বসত ভিটা রক্ষা কমিটির সভাপতি মোঃ মতিয়ার রহমানের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পাতিগ্রাম ও পাঁচঘরিয়ার প্রায় ৪ হাজার নারী পুরুষ ও স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন শেষে দুপুর ১২টায় চৌহাটি বাজারে সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে জীবন ও বসত ভিটা রক্ষা কমিটির সভাপতি মতিয়ার রহমান বলেন, আমরা ৮ দফা মেনে নেওয়ার জন্য খনি কর্তৃপক্ষকে বারবার তাগাদা দিয়েছি। কিন্তু আমাদের কোন কথা কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দিচ্ছেনা। ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের মধ্যে রয়েছে; ফাটা বাড়ির ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, বসবাসের পুন:নিশ্চয়তা দিবে হবে, সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ঘর ঘর চাকুরী দিতে হবে, বিশুদ্ধ পানির সু-ব্যবস্থা করে দিতে হবে, আবাদি জমিতে পানি থাকছে না যার ফলে ফসলের ক্ষতি হচ্ছে তার সুব্যবস্থা করে দিতে হবে, কয়লাখনির গেইট হতে চৌহাটি গ্রামের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার করে দিতে হবে, মসজিদ-মন্দির, ঈদগাহ মাঠ এবং কবরস্থান গুলির উন্নয়নের ব্যবস্থা করে দিতে হবে, অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বা বসবারের অযোগ্য বসতবাড়ি ও স্থাপনা স্থায়ী সমাধান করে দিতে হবে।  

আমাদের ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নে খনি কর্তৃপক্ষ ও পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সংসদ সদস্যকে অবগত করলেও আজ পর্যন্ত কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছেনা। আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে আর কতদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই গ্রামে বসবাস করব? এই এলাকার ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা তোলার কারণে প্রতিনিয়ত দেবে যাচ্ছে। 

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কর্মকর্তা কর্মচারীরা লাভবান হলেও এলাকার গ্রাম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আমরা অতি দ্রুত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি আমাদেরকে বাঁচান, তা না হলে এই যন্ত্রণা থেকে মৃত্যু অনেক ভালো। সমাবেশে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেন স্কুল কলেজ মাদ্রাসা কবরস্থান রাস্তাঘাট সবই ধ্বংস হয়ে গেছে। বাকি কিছু নেই। কিন্তু আমরা এখান থেকে অসুস্থ রোগীকে নিয়ে হাসপাতালে যাব, রাস্তার বেহাল অবস্থা থাকায় অ্যাম্বুলেন্স্ও এই গ্রাম আসতে চায় না। তাহলে আপনারা বোঝেন আমরা কিভাবে জীবনযাপন করছি? একাধিক ব্যক্তি জানান, নলকুপে পানি উঠছে না, এ এলাকায় তাপমাত্রা বেড়ে গেছে, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে, স্কুল কলেজ মাদ্রাসাগুলিতে যাওয়ার রাস্তা থাকলেও বর্ষাকালে চলাচল করা সম্ভব হয়না। আমরা এর প্রতিকার চাই ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জীবন ও বসত ভিটা রক্ষা কমিটি চৌহাটির সংগঠনের উপদেষ্টা শাহ্ এনামুল মাস্টার, প্রফেসর শাহ্ ইনতেজামুল হক, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান আতাউর রহমান, সাইদুর রহমান প্রমুখ। চৌহাটি গ্রামের আনছার ফকির, হরিদাস, কালু মন্ডল জানান উত্তর দিকে নতুন করে কয়লা তোলা হলে এলাকা ধ্বংস হয়ে যাবে। মানববন্ধনে যারা আজ অংশগ্রহণ করেছেন তাদের ৮ দফা দাবি মেনে নেওয়া উচিত খনি কর্তৃপক্ষকে।   

এই বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে মোবাইল গ্রহণ করেননি। চৌহাটি গ্রামের প্রায় ৫ হাজার নারী-পুরুষ স্কুল কলেজ মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রী স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মানবন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। পরিশেষে সভাপতি বলেন, আমাদের আজকের এই সমাবেশে ৮দফা দাবী মেনে না নিলে আগামীতে কঠোর থেকে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। ঘেরাও করা হবে কয়লা খনি।


আরও খবর



বরগুনায় সেতু ধসে ১০ বরযাত্রী নিহত, আহত অনেক

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২০জন দেখেছেন

Image

বরগুনা প্রতিনিধি:সেতু ধসে ১০ বরযাত্রী নিহত হয়েছেন বরগুনার আমতলীতে। এতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

শনিবার (২২ জুন) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, দুপুরে হলদিয়া ইউনিয়নের ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে একটি মাইক্রোবাস ও অটোরিকশা পার হওয়ার সময় ব্রিজ ভেঙে খালে পড়ে যায়। এ সময় অটোরিকশার যাত্রীরা বের হয়ে এলেও মাইক্রোবাসের যাত্রীরা বের হতে পারেনি। স্থানীয় লোকজন ও পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্মীরা ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করে আমতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়েছেন।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাখাওয়াত হোসেন তপু জানান, হলদিয়া এলাকায় বৌভাতে যাওয়ার সময় একটি ব্রিজ ভেঙে মাইক্রোবাস খালে পড়ে যায়। এ সময় স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। এখন পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। এখন পর্যন্ত নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।


আরও খবর