Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

নাসিরনগরে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রার্থীকে ভোট না দেয়া শিক্ষকদের থাকার রুমে তালা

প্রকাশিত:Wednesday ০৫ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ২৯২জন দেখেছেন
Image


মোঃ আব্দুল হান্নানঃ

স্কুল কমিটির সভাপতি প্রার্থীকে স্কুলের শিক্ষক প্রতিনিধিরা ভোট না দেয়া তিন শিক্ষকের রুমে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে ওই প্রার্থীর লোকেরা।ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গোয়াল নগর ইউনিয়নের গোয়ালনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে।


জানা গেছে গত ২ রা জানুয়ারী ২০২২ রোজ রবিবার সকাল ১১ ঘটিকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার অন্তর্গত গোয়ালনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে নাসিরনগর মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় স্কুল কমিটির সভাপতি  নির্বাচন। 


নির্বাচনে সভাপতি পদে বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ আজহারুল হক চৌধুরী ও সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ কিরণ মিয়া প্রতিদ্বন্ধিতা করেন।


নির্বাচনে  গোয়ালনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪  জন  নির্বাচিত অভিভাবক প্রতিনিধি,১ জন নির্বাচিত সংরক্ষিত নারী প্রতিনিধি,১ জন দাতা সদস্য, ১ জন বিদ্যোৎসাহী ও ৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।


মোট ১০টি ভোটের মাঝে ৭ ভোট পেয়ে  গোয়ালনগর ইউনিয়ন অাওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ কিরণ মিয়া সভাপতি নির্বাচিত হন। অপরদিকে প্রতিদ্ধন্দ্বী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ অাজহারুল হক চৌধুরী  ৩ ভোট পেয়ে পরাজয় বরণ করেন। 


কিন্তু আজহারুল হক পরাজয়ের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে তাকে ভোট ও সর্মতন  না করার কারনে এলাকায় গিয়ে ২জন শিক্ষক প্রতিনিধি মোঃ মলাই মিয়া,মোঃ আমান উল্লাহ ও ১ জন অফিস সহকারী অরবিন্দ থাকার রুমে তালাবদ্ধ করে দেন।এখনো ওই রুমে  তাদের দেয়া তালা ঝুলছে বলে জানা কিরণ মিয়া ও শিক্ষকরা। ফলে এলাকায় দেখা দিয়েছে চরম উত্তেজনা।


গোয়াল নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ মলাই মিয়া মোবাইল ফোনে এ প্রতিনিধিকে জানান,নির্বাচনের আগে বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ আজহারুল হক চৌধুরী আমাদের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে নিয়ে তাকে ভোট দেয়ার জন্য আমাদের অনেক চাপ প্রয়োগ করে ও প্রশাসেনর ভয় দেখিয়ে হুমকি দেয়।তিনি বলেন আমরা তার কথামত তাকে ভােট না দেয়া এমন করেছে।আমরা তার হুমকিকে উপেক্ষা করে একজন সৎ ও ভাল মানুষকে নির্বাচিত করে আমাদের আর্দশেকে অটুট রেখেছি।


এ বিষয়ে  মুঠুফোনে আজহারুল হকের সাথে কথা বলে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি পাজলামি এবং অযথা বলে দাবী করে উড়িয়ে দেন,তিনি বলেন আমিতো সভাপতি তারাতো এখনো পর্যন্ত আমাকে কিছু জানায়নি।


এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হাবিবুর রহমানের সাথে মুঠুফোনে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি বলেন,রুমে তালা ঝুলিয়ে রাখার কারনে তারা লেপতোষক, টাকা পয়সা ও প্রযোজনীয় কাপড় চোপড় বের করতে না পারায় এই তীব্রশীতের মাঝে তিনদিন যাবৎ আমার শিক্ষকরা খুষ্ট কষ্ট ভোগ করছে।প্রধান শিক্ষক বলেন আমি নিজে তিন দিন আগে বিষয়টি চেয়ারম্যানকর অবগত করলেও তিনি কোন কর্নপাত করেননি ও ব্যবস্থা নেননি।


 এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আজহারুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেননি বলে জানান।


আরও খবর



ফুলবাড়ীর নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে সবুজায়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি লক্ষ্যে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি পালিত

প্রকাশিত:Sunday ০৮ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
Image
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
 কুড়িগ্রাম: দেশে সবুজায়ন বৃদ্ধি করতে কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বর্ষা মৌসুমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে আসছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।


মুজিববর্ষ উপলক্ষে গত বছর ও এ বছর মিলিয়ে সারা দেশে তিন কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


এর মধ্যে গত বছর প্রায় এক কোটি চারা রোপণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। 

বজ্রপাত একটি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেও সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক প্রাণহানি বিশেষজ্ঞদের ভাবাচ্ছে। সরকারি পর্যায়ে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার হিসাব বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত পাঁচ বছরে সারা দেশে বজ্রপাতে প্রায় তিন হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। 

২০১১ সালের পর থেকে বজ্রপাতের পরিমাণও বেড়েছে উদ্বেগজনক হারে। বজ্রপাতে ২০১৫ সালে ৯৯ জন, ২০১৬ সালে ৩৫১ জন ও ২০১৭ সালে ২৬২ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। ২০২১ সালের মে পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু ও চার শতাধিক আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। 

তাই এরই ধারাবাহিকতায় দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ রবিবার সকাল ১০ ঘটিকায় ১নং নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে গাছ রোপণ করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ হাছেন আলী।

এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ শফিকুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ রফিকুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হিমু ও যুবলীগ নেতা মোঃ বুলবুল হোসেন। 

এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হাছেন আলী বলেন, ‘বাংলাদেশের যুবসমাজ এই কর্মসূচির দ্বারা অনুপ্রাণিত হবে। শুধু গাছ লাগালেই চলবে না, গাছের সঠিক পরিচর্যাও করতে হবে।’


আরও খবর



ডেমরায় দশ লক্ষ টাকা চাঁদার দাবীতে ব্যাবসায়ীকে গুম করার হুমকি

প্রকাশিত:Sunday ০১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৩৪৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাজধানীর ডেমরা থানা পুর্ব হাজী নগর এলাকার ব্যাবসায়ী নুর আলমের কাছ থেকে সাড়ে চার লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে দশ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী সহ ভুক্তভোগীকে মেরে গুম করার হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে।এ ঘটনায় ব্যাবসায়ী নুরআলম-৪২ বাদী হয়ে বিঞ্জ সিএমএম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।মামলাটি তদন্তের জন্য বিঞ্জ সিএমএম আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ফারাহ দিবা ছন্দা পিবিআই কে নির্দেশ প্রদান করেছেন।আদালতে দায়েরকৃত সিআর মামলা নং-১০২/২০২২(ডেমরা আমলী)।


মামলার আসামীরা হলেন,১।ফরিদ দেওয়ান-৪২ পিতাঃকাশেম মাষ্টার সাং- বকুল তলা সারুলিয়া ডেমরা ঢাকা,২।মোঃ জামাল-৪০ পিতাঃ আঃ খালেক মিয়া সাং-পুঙ্খু মিয়া মসজিদের সামনে সারুলিয়া ডেমরা ঢাকা ।


বাদীর আদালতে দাখিল করা পিটিশনের বর্ননা মতে জানাগেছে,মামলার ১ এবং ২ নং আসামীরা নুর আলমের ব্যাবসা প্রতিষ্টান এম আর রহমান ট্রেডার্স এ কর্মচারী ছিলেন।বিভিন্ন সময়ে বাদী তাদেরকে দিয়ে ব্যাবসা প্রতিষ্টানের লেনদেনের টাকা লোকজনের নিকট পাঠাত।তারা যোগসাযোশ করে ব্যাবসা প্রতিষ্টানের সাত লক্ষ টাকা সুচতুর ভাবে আত্মসাৎ করেন।ব্যাবসায়ী নুর আলম আসামীদের কাছে সাড়েচার লক্ষ টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা কোন সদুত্তর দিতে পারেনি।উল্টো বাদীকে হুমকি ধামকি ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং ব্যাবসা প্রতিষ্টান থেকে বিতাড়িত করতে সন্ত্রাসী দ্বারা হুমকি প্রদান করে।


আসামীরা বাদীকে সুকৌশলে অন্য জায়গায় নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে নেশা জাতীয় দ্রব্য দ্রব্য খাইয়ে আপত্তিকর ছবিতুলে তার মান সম্মান নষ্ট করতে আত্মীয় স্বজনের কাছে সেই ছবি পাঠান।


আসামীরা নুর আলমের ব্যাবসা প্রতিষ্টান এম আর রহমান ট্রেডার্সে এসে গত ২৪ মার্চ ২০২২ তারিখে তার নিকট দশ লক্ষ টাকা চাঁদাদাবী করে।তাদের দাবীকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাকে কিল ঘুষি,চর-থাপ্পর মারেনএবং জোড় করে ব্যাবসা প্রতিষ্টানের মেমো বই ভাউচার ছিনিয়ে নিয়ে যান।ঐদিন বিকেলে পুনরায় আসামীরা ব্যাবসা প্রতিষ্টানে এসে নুরআলম কে না পেয়ে তার বাসায় গিয়ে স্ত্রী ওপরিবারের অন্য সদস্যদের গালিগালাজ করেন।তারা  তার স্ত্রীকে বলেন দশ লক্ষ টাকা না দিলে তারা নুরআলমকে জীবনে মেরে ফেলে গুম করবেন।



স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে,এলাকার অনেক লোক বিষয়টি দেখেছেন সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের ভয়ে তারা মুখ খুলতে চায় না।বিষয়টি নিয়ে ব্যাবসায়ী নুরআলম ডেমরা থানায় মামলা করতে গেলে আসামীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে পুলিশ তার মামলা নেয়নি।বাদী নিরুপায় হয়ে আদালতে আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।



    


আরও খবর



রাঙ্গাবালী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের বিচারের নামে প্রহসনের অভিযোগ

প্রকাশিত:Thursday ১২ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১০৮জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ


পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলায় রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদে একটি ধর্ষণের ঘটনায় মীমাংসার নামে শালিস বৈঠক থেকে ধর্ষক আবুল বাশার ওরফে ছ্যানা বশার (৩৫) কে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


যদিও পরে রাঙ্গাবালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে স্থানীয় জনতার সহায়তায় ধর্ষক আবুল বাশারকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।


স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ ধর্ষণের মত ঘটনার বিচার করতে পারেনা। কিন্তু এমন দুঃসাহসিক কাজ করে ধর্ষকের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান মামুনের বিরুদ্ধে।


বুধবার, ১১’মে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান মামুনের নির্দেশে ইউনিয়ন পরিষদের তিন সদস্য আব্দুল মান্নান, আমিন ও ছাইদুর রহমানসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ শালিস বৈঠকের আয়োজন করে ঘটনার ধামাচাপা দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। এতে স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।


গত ২০ এপ্রিল রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের চর কাসেম ৫নং ওয়ার্ডের সামুদাবাদ গ্রামের ১৩ বছর বয়সী কিশোরী মেয়েকে তার অন্য ভাই বোনদের হত্যার হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে স্থানীয় নামকরা সন্ত্রাসী আবুল বাশার ওরফে ছ্যানা বাশার।


এই বিষয়ে ২৪ এপ্রিল রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা স্থানীয় ভাবে মীমাংসা করার নামে কালক্ষেপন করে আসছিলো। একপর্যায়ে গত ১১’মে বুধবার বিকেলে চেয়ারম্যান উপস্থিত না থেকে ইউনিয়ন পরিষদের তিন জন ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে শালিসের নাম করে ধর্ষককে পালাতে সহযোগিতা করেছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।


রাঙ্গাবালী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক এনায়েতুর রহমান জানান, ওসি স্যারের নির্দেশে আসামি পালানোর এক ঘন্টার মধ্যে ইউনিয়নের কাছিয়াবুনিয়া ইউসুফ মৃধার বাড়ি থেকে ইউনিয়ন পরিষদের প্রহরী আরিফ তাকে ধরতে সক্ষম হয় পরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।


তবে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে ঘটনার বিষয়ে জানতে একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।


এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাশফাকুর রহমান বলেন, ধর্ষণের মত ঘটনার বিচার বা শালিস করার কোন ইখতিয়ার ইউনিয়ন পরিষদের নেই। তবে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদ এরকম কোন ঘটনা ঘটিয়ে থাকলে, তারা আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়েছে বলে আমি মনে করি।


আরও খবর



মোবাইল ফোন সেট জব্দ

মিরপুর থেকে অনুমোদনবিহীন ২১৩ টি মোবাইল ফোন সেট জব্দ

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৯১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাজধানীর মিরপুর-২ এলাকার মিরপুর শপিং কমপ্লেক্সের সাতটি দোকান থেকে অনুমোদনবিহীন ২১৩টি মোবাইল সেট জব্দসহ ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।


বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) এনফোর্সমেন্ট অ্যান্ড ইন্সপেকশন টিম ও রাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৪) যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।



মঙ্গলবার (১৮ মে) এই অভিযান চালানো হয়।



অভিযান চালানো দোকানগুলোর মধ্যে মোবাইল ল্যাব থেকে ৩৪টি, মোবাইল অ্যান্ড গেজেট থেকে ৩১টি, টেক ফ্যাক্টরি থেকে নয়টি, গ্যাজেট ভিলা-৬৩৯ থেকে ৩৩টি, গ্যাজেট ভিলা-৬৬২ থেকে ৩১টি, গ্যাজেট ভিলা-৬৭১ থেকে ৩৩টি ও কোরাস থেকে ৪২টি বিভিন্ন মডেলের মোবাইল সেট জব্দ করা হয়।



বিটিআরসি ও র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আটকরা দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনবিহীন মোবাইল সেটের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন- ২০০১, (সংশোধিত-২০১০) অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



আরও খবর



বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে

প্রকাশিত:Saturday ১৪ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৮১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন হয়েছে। এ সময়ে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় চার শতাংশ কমেছে। ফলে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৭০ ডলারেরও বেশি কমে বর্তমানে ১৮৫০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। সেই সঙ্গে কমেছে রুপা ও প্লাটিনামের দাম।


বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমায় এরই মধ্যে দেশের বাজারেও এর দাম কমানো হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) গত ১১ মে (বুধবার) থেকে দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে।



নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মান বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৬ হাজার ৫১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ১৭ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬২ হাজার ৬৩৬ টাকা করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮৭৬ টাকা কমিয়ে করা হয়েছে ৫২ হাজার ১৯৬ টাকা।



বাজুস দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দেওয়ার সময় বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ১ হাজার ৮৬০ ডলারের ওপরে। এরপর বিশ্ববাজারে লেনদেন হওয়া প্রতি কার্যদিবসেই স্বর্ণের দাম কমেছে। এতে গত চার সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে এসেছে।


গত এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৩ দশমিক ৮১ শতাংশ বা ৭১ দশমিক ৭৪ ডলার কমেছে। এর মধ্যে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসেই কমেছে ১০ দশমিক ৪৪ ডলার বা দশমিক ৫৭ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮১১ ডলার। আর মাসের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমেছে ৮ দশমিক ২২ শতাংশ।




স্বর্ণের পাশাপাশি গত এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে রূপা ও প্লাটিনামের দামেও বড় পতন হয়েছে। এ সময়ে ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স রূপার দাম দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক শূন্য ৯ ডলারে। মাসের ব্যবধানে এই ধাতুটির দাম কমেছে ১৭ দশমিক ৭০ শতাংশ।


আরেক দামি ধাতু প্লাটিনামের দাম গত সপ্তাহজুড়ে কমেছে ২ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম দাঁড়িয়েছে ৯৩৮ দশমিক ৫০ ডলারে। মাসের ব্যবধানে দামি এই ধাতুটির দাম কমেছে ৫ দশমিক ২১ শতাংশ।


এদিকে, রাশিয়া ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করার পর থেকেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গেছে। হুট করে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান, এরপর আবার বড় দরপতনের ঘটনা ঘটছে গত তিন মাস ধরেই।


গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু করে রাশিয়া। হামলা শুরুর পর প্রথম সপ্তাহেই বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ বা ৮২ দশমিক ৪৮ ডলার বেড়ে যায়। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯৭০ দশমিক শূন্য ৭ ডলারে উঠে যায়।


এরই প্রেক্ষিতে গত ৩ মার্চ বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। সে সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৫ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৭৮ হাজার ২৬৫ হাজার টাকা।


এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ৯১ টাকা বাড়িয়ে ৭৪ হাজার ৭৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ১৫২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ৫৩ হাজার ৪২১ টাকা করা হয়।


দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর পর এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়ে দুই হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায়। ফলে ৯ মার্চ দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয় স্বর্ণের দাম। এ দফায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৭৯ হাজার ৩১৫ টাকা।


এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার ৬৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৮১৬ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৯৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬৪২ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৫৪ হাজার ৬২ টাকা।


অবশ্য এরপর বিশ্ববাজারে টানা দরপতনের মধ্যে পড়ে স্বর্ণ। ফলে ১৬ মার্চ ও ২২ মার্চ দুই দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। এর মধ্যে ২২ মার্চ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে করা হয় ৭৭ হাজার ৯৯ টাকা।


এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ৬০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৩ হাজার ১০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ৫২ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।


এরপর রোজা শুরু হলে দেশের বাজারে ঈদকেন্দ্রিক স্বর্ণালঙ্কারের বিক্রি কিছুটা বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে দামেও। বিশ্ববাজারে খুব একটা দাম না বাড়লেও ১২ এপ্রিল ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৮৪৯ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস।


এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৪৯ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার ৩৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৫৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২২৪ টাকা বাড়িয়ে ৫৩ হাজার ৮২৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়।


তবে বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রবণতা দেখা দিলে ২৬ এপ্রিল আবারও দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। সে সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৫৮ টাকা কমানো হয়। আর ঈদের পর এক সপ্তাহ না যেতেই ১১ মে আরেক দফা স্বর্ণের দাম কমানো হয়।



আরও খবর