Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৪২৭জন দেখেছেন
Image

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ-নাসিরনগর,(ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরে পুকুর পাড়ের মালিকানার অংশ নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে  মারপিটের ঘটনা ঘটেছে ।ঘটনায় মহিলাসহ অন্তত  ৪ জন আহত হয়েছে। আহতদের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট নাসিরনগর উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্সে  ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়নের কোয়রপুর পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।স্থানীয়রা জানায় গ্রামের মঙ্গলানন্দের  ছেলে শ্যামলাল সরকার গং রা একটি পুকুর পাড়ের জায়গার  মালিকানা দাবি করে ।


এতে প্রতিপক্ষ  গ্রামের নিবারন সরকার  দখল না দিলে গত ২৩ জুন ২০২২রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭ ঘটিকার   সময় প্রথম দফায়  সংঘর্ষ বাধে।সংঘর্ষে ২জন আহত হয়।পরে বিষয়টি  গ্রামের সালিশ সরদার সাহেবগণকে জানাইলে তারা স্থানীয়ভাবে সালীশের মাধ্যমে সমাধান করার আশ্বাস দিয়ে আহতদের নাসিরনগর হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে নিয়ে আসে।


পরবর্তীতে ২৪ জুন ২০২২ রোজ শুক্রবার রাত অনুমান ১ ঘটিকার সময় দ্বিতীয় দফায়আবারো শ্যামলাল সরকার গংরা সংঘবদ্ধ হয়ে  প্রতিপক্ষের উপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে  হামলা চালায়। 


এ সময় নিবারন সরকার ,তার স্ত্রী হেলন সরকার,নিবারন সরকারের  ছেলে অরুন সরকার(২৫), রুমা সরকার ও অমৃত সরকারের ছেলে ইন্দ্রজিত সরকার (২১)আহত হয়। আহতদের নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মাঝে দু জনের  অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে। 


 আহত  অরুন সরকার জানায়  আমরা গ্রামের সর্দার মাতব্বরের মাধ্যমে বিষয়টিরর নিষ্পত্তি চেয়েছিলাম, কিন্তু শ্যামল সরকার গংরা সেটা  না মেনে শক্তি প্রয়োগ করে আমাদের উপর হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর করে টাকা পয়সা সহ বিভিন্ন জিনিসপত্র লুটপাট করেছে। তারা জোর করে আমাদের পুকুরের অংশের মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় বাঁধা দিতে যাওয়ায় আমার ও আমার পরিবারের  উপর ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে দুই দফা হামলা করেছে।আমরা নিরিহ তাই শ্যামলাল  তার লোকজন নিয়ে আমাদের উপর হামলা করে মারপিট করেছে।


জানতে চাইলে নাসিরনগর থানার ওসি মো: হাবিবুল্লাহ সরকার বলেন,মারপিটের খবর পেয়ে সাথে সাথে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল।তিনি আরো বলেন এ ঘটনায় কোন পক্ষ এখনো থানায় কোন অভিযোগ  করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।পরে জানা গেছে ওই ঘটনায় সুজন সরকার  বাদী হয়ে  ৬ জনকে আসামী করে নাসিরনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।


আরও খবর



আ’লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই বাংলাদেশ এখনো সচল: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Saturday ২৩ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই বাংলাদেশ এখনো সচল রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে উন্নত দেশ হিমশিম খাচ্ছে। ডলারের দাম বাড়ছে, কমছে। জ্বালানির দাম বাড়ছে। উন্নত দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রত্যেকটি জিনিসের দাম বাড়ছে। এমন দুর্যোগের সময়ও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই বাংলাদেশ এখনো সচল রয়েছে।’

শনিবার (২৩ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের যৌথসভার শুরুতে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এ সভায় গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় ডিসিপ্লিন এসে থাকলে, সেটা আওয়ামী লীগের হাত ধরে এসেছে দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটের অধিকারে বিশ্বাসী। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত হয়, মানুষ ভালো থাকে। দুর্যোগ-দুর্বিপাকে আওয়ামী লীগ মানুষের পাশে আছে।’

তিনি বলেন, জাতির পিতা স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন, তার আদর্শ আমাদের চলার পথের পাথেয়। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণে আজ আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জনে সক্ষম হয়েছি। ১৯৭৫ সালের পর যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা দেশে সন্ত্রাস-দুর্নীতি করেছে। জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। একমাত্র আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে জনগণকে সেবা দিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকলেই দেশে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মানি লন্ডারিং চলে। যারা এসব কাজে ব্যস্ত থাকেন, তারা তো দেশের জন্য কাজ করবেন না। বিএনপি যখন ছিল তখন বাংলাদেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে দেশের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে এনেছে।

দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ভূমিহীনদের ঘর দেওয়ার কাজ বঙ্গবন্ধু শুরু করেছিলেন। আজ সারাদেশে ঘর করে দিচ্ছি। যার কিছু ছিল না, আজ তাদের জীবন পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। কেউ বাদ যাবে না, সবাইকে ঘর করে দেবো।

যৌথসভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ড. আব্দুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ড. হাছান মাহমুদ, বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মির্জা আজম সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



জেএসডির সঙ্গে বিএনপির সংলাপ বিকেলে

প্রকাশিত:Sunday ২৪ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের রূপরেখা প্রণয়নে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের অংশ হিসেবে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সঙ্গে সংলাপে বসবে বিএনপি।

রোববার (২৪ জুলাই) বিকেল ৪টায় রাজধানীর উত্তরায় জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রবের বাসভবনে এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (২৩ জুলাই) রাতে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রবের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে স্থায়ী কমিটি সদস্য ও ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান সংলাপে অংশ নেবেন।

বন্যার কারণে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ স্থগিত করে বিএনপি। এরপর ২১ জুলাই রাতে প্রথমে বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল এবং পরে বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক লীগের সঙ্গে সংলাপ করে দরটি।

গত ২৪ মে থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে বিএনপি। প্রথম দিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল নাগরিক ঐক্যের কার্যালয়ে গিয়ে সংলাপ করে।

এরপর ২৭ মে বাংলাদেশ লেবার পার্টির সঙ্গে, ৩১ মে গণসংহতি আন্দোলনের সঙ্গে, ১ জুন বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, ২ জুন কল্যাণ পার্টি, ৭ জুন বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ৮ জুন জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), ৯ জুন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), ১২ জুন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ভাসানী (ন্যাপ ভাসানী), ১৬ জুন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি, ১৮ জুন বাংলাদেশ জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের একাংশ এবং ১৯ জুন ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এনপিপির একাংশের সঙ্গে সংলাপে বসে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ প্রতিনিধিদল।

বিএনপি সূত্র জানায়, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে সরকারবিরোধী ডান-বাম ঘরানার দলগুলোকে এক সূত্রে গেঁথে একটি বৃহত্তর ঐক্য গড়ার চেষ্টা করছে বিএনপি। যে ঐক্যের মাধ্যমে নির্বাচনকালীন একটি নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে রাজপথে যুগপৎ আন্দোলন গড়তে চায় দলটি।


আরও খবর



দেশের ৮২ শতাংশ রেলক্রসিং অরক্ষিত, দায় আছে নাগরিকেরও

প্রকাশিত:Saturday ৩০ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

বিশ্বের প্রায় সব দেশে রেলকে সবচেয়ে নিরাপদ বাহন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাংলাদেশেও রেলপথে যাতায়াতে যাত্রী চাহিদা ক্রমে বাড়ছে। কিন্তু রেলক্রসিংয়ের কারণে পুরোপুরি নিরাপদ হচ্ছে না রেলপথ। রেলক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা পরিণত হয়েছে নিয়মিত ঘটনায়। কখনো যানবাহন পিষে যাচ্ছে কখনো আবার কাটা পড়ছেন পথচারীরা। এসব দুর্ঘটনা এড়াতে বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভিন্ন প্রকল্প নিলেও তার দৃশ্যমান কোনো প্রভাব নেই। অপরদিকে পথচারীদেরও রয়েছে সচেতনতার ঘাটতি।

সূত্রমতে, এখন দেশের ৮২ শতাংশ রেলক্রসিং অরক্ষিত। এসব রেলক্রসিংয়ে ট্রেন চলাচলের সময় যানবাহন আটকানোর জন্য কোনো পাহারাদার বা প্রতিবন্ধক নেই। বাকি ১৮ শতাংশ ক্রসিংয়ে পাহারাদার ও প্রতিবন্ধক থাকলেও দায়িত্ব অবহেলার কারণে অনেক সময় ঘটছে দুর্ঘটনা।

jagonews24

সবশেষ শুক্রবার (২৯ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের বড়তাকিয়া রেলস্টেশন এলাকায় পর্যটকবাহী একটি মাইক্রোবাসকে ধাক্কা দিয়ে ঠেলে নিয়ে যায় চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেস। এতে মাইক্রোবাসে থাকা ১১ জন যাত্রী নিহত হন। এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার কারণে রেলক্রসিংয়ের গেটম্যানকে আটক করে পুলিশ। পরে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে রেলওয়ে পুলিশ।

এসব দুর্ঘটনার জন্য সব সময় দায় শুধু গেটম্যানের নয়, দেশের নাগরিকেরাও সবাই সচেতন নন। সরেজমিনে রাজধানীর মগবাজার রেলক্রসিংয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে দেখা যায়, গেটম্যান প্রতিবন্ধক ফেলার পরও পথচারীরা বারবার ঝুঁকি নিয়ে রেলক্রসিং পার হচ্ছেন। ট্রেন একেবারে সন্নিকটে দেখেও কেউ কেউ কয়েক সেকেন্ড ধৈর্য ধরতে পারছেন না। বেশ কিছু যানবাহনকে দেখা গেছে সিগন্যাল পড়ার পরও প্রতিবন্ধক ঠেলে রেড জোনে প্রবেশ করতে।

jagonews24

প্রতি বছর রেলপথে দুর্ঘটনায় যত প্রাণহানি হয়, এর ৮৫ শতাংশই রেলক্রসিংয়ে মারা যান বলে জানিয়েছেন রেলওয়ের সংশ্লিষ্টরা। বাকি ১৫ শতাংশ মৃত্যু রেললাইনে কাটা পড়ে হয়। এই মৃত্যুর হিসাব রাখে না রেল কর্তৃপক্ষ। কারণ, রেলপথে প্রাণহানির দায়ে ট্রেন চালক বা সংশ্লিষ্টদের শাস্তির বিধান নেই। উল্টো যানবাহনের চালককে দায়ী করে রেল কর্তৃপক্ষ। তাই ক্রসিংয়ে পাহারাদার থাক বা না থাক নিজ দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহন চালক ও যাত্রীদের সচেতন থাকতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, রেলক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা কমাতে ২০১৫ সালে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল (চট্টগ্রাম) ও রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে (রাজশাহী) আলাদা দুটি প্রকল্প নেয় রেলওয়ে। এই দুটি প্রকল্পের আওতায় ৭০২টি স্থানে রেলক্রসিং প্রতিবন্ধক, পাহারাদার ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ১৯৬ কোটি টাকা। এছাড়া এসব রেলক্রসিংয়ে এক হাজার ৫৩২ জন পাহারাদার নিয়োগ দিয়েছে সংস্থাটি। তারপরও রেলক্রসিং নিরাপদ হয়নি। ২০১৪ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত রেলে দুর্ঘটনায় মারা গেছেন প্রায় ২২১ জন। এর মধ্যে ১৮৭ জনই প্রাণ হারিয়েছেন রেলক্রসিংয়ে।

jagonews24

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রেলওয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এখন রেলপথে দুই হাজার ৫৬১টি রেলক্রসিং রয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ৩২১টির অনুমোদন নেই। সব মিলিয়ে দেশের ৮২ শতাংশ রেলক্রসিংই অরক্ষিত। যেগুলোতে যানবাহন আটকাতে প্রতিবন্ধকতা, পাহারাদার নেই। ফলে কিছুদিন পরপরই ঘটছে দুর্ঘটনা। আর বিধান না থাকায় এসব ঘটনার বিচারও হচ্ছে না।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, রেলপথ বা রেলক্রসিংয়ে দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে সবই জানেন রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। কিন্তু তারা বড় বড় প্রকল্প, রেলওয়ের কেনাকাটা নিয়ে ব্যস্ত। তারা আন্তরিক হলে এই দুর্ঘটনা ঘটতো না।

jagonews24

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব ও রেলওয়ের অংশীজন মোজাম্মেল হক চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, রেলপথকে আরও নিরাপদ করতে প্রতিটি অংশীজন সভায় রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বলা হচ্ছে। কিন্তু রেলওয়ের টনক নড়ছে না। গতকাল মিরসরাইয়ের ঘটনায় রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা ও পাহারাদারই দায়ী। যদিও দুই-চারদিন পর এই দুর্ঘটনার খবর সবাই ভুলে যাবে।

তিনি বলেন, মিরসরাইয়ের যে স্থানে দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেখানে প্রতিবন্ধক ও পাহারাদারও নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তারপরও সেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু যে এক হাজার ৩২১টি ক্রসিংয়ে প্রতিবন্ধক ও পাহারাদার নেই, সেখানে কী ঘটছে তার হিসাব কে রাখে না। এসব দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে গুরুত্বপূর্ণ রেললাইন ক্রসিংয়ের ওপর দিয়ে উড়ালপথ নির্মাণ করতে হবে। অরক্ষিত ক্রসিংয়ে প্রতিবন্ধক বসানো এবং পর্যাপ্ত পাহারাদার নিয়োগ দেওয়া সময়ের দাবি।

jagonews24

অরক্ষিত রেলক্রসিংয়ে প্রতিবন্ধক স্থাপনের বিষয়ে জানতে শনিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) মো. কামরুল আহসান, রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার ও রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের মুঠোফোনে একাধিকবার কলে দিলেও তারা রিসিভ করেননি। পরে এ বিষয়ে অবগত নন বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার শরিফুল আলম।


আরও খবর



বুলবুলের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে: শাবিপ্রবি ভিসি

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

ছুরিকাঘাতে নিহত ছাত্র বুলবুলের পরিবারকে আগামী সপ্তাহের মধ্যে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, পরবর্তীতে কোনো সাহায্য লাগলে আমাদের সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করে যাবো। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সবসময় তাদের পাশে থাকবে।

বুধবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১টায় উপাচার্যের নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন ফরিদ বলেন, বুলবুল হত্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন দাবি দাওয়া উত্থাপন করেছেন। আমরা তাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করছি। আমরা চেষ্টা করছি তাদের দাবিগুলো পূরণ করার। এরই মধ্যে বুলবুল হত্যায় জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতে আমরা কাজ করে যাবো।

নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় আমরা পুরো ক্যাম্পাসে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেছি এবং কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছি। আমরা চাই শিক্ষার্থীদের যাতে শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বন্যায় ক্যাম্পাস তলিয়ে যাওয়ায় অনেকগুলো সিসিটিভি ক্যামেরা নষ্ট হয়ে গেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এগুলো মেরামতের চেষ্টা করছি।

উপাচার্যের দাবি, আগে অনেক সমস্যা ছিল। আমি আসার পর একটার পর একটা সমস্যা সমাধান করেছি। ক্যাম্পাসে আগে মাদকের ছড়াছড়ি ছিল, র‌্যাগিংয়ের বড় ধরনের সমস্যা ছিল। আমরাই প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভর্তির ব্যবস্থা করেছি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম, ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক আমিনা পারভীন, প্রক্টর ইশরাত ইবনে ইসমাইল প্রমুখ।


আরও খবর



ঢাবিতে বঙ্গমাতাকে নিয়ে সম্মেলন, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছাকে নিয়ে ‘বঙ্গমাতা: এ প্যারাগন অব উইমেন লিডারশিপ অ্যান্ড ন্যাশন-বিল্ডিং ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক দু’দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হবে।

সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের উদ্যোগে রবিবার (৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। তবে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি নাকি অনলাইনে যুক্ত হবেন এ বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খ্যাতিমান কথা সাহিত্যিক ও বাংলা একাডেমির সভাপতি মিসেস সেলিনা হোসেন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. তানিয়া হক।


আরও খবর