Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

নাসিরনগরে প্রতারক লিটনের বিরোদ্ধে নুরপুরের সন্তোস বিশ্বাসের ৩ লক্ষ টাকা আত্মসাতের মামলা

প্রকাশিত:Monday ২৪ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ২১৭জন দেখেছেন
Image


পর্ব-৫

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ

ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা সদরের আব্দুল গাফ্ফারের ছেলে Rab এর হাতে গ্রেপ্তার হওয়া প্রতারক মোঃ লিটন মিয়া(৩৫) এর বিরোদ্ধে এবার ৩ লক্ষ টাকা আত্মসাতের বিষয়ে গোর্কণ ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের গ্রামের নলিন বিশ্বাসের ছেলে সন্তোষ বিশ্বাস বাদি হয়ে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতে এন,আই  এ্যাক্টের ১৩৮ বিধান মতে আরো একটি চেক জালিয়াতির মামলা  দায়ের করেছে যাহার মামলা নং সি,আর ৪২৪/১৯ দায়রা ৫৫৪/২০। 


মামলার আর্জি সুত্রে জানা গেছে বাদী সন্তোষ বিশ্বাস ও আসামী লিটন মিয়া পরস্পর পরিচিত।আসামী লিটন মিয়া একজন ঠিকাদার।ঠিকাদারী কাজের কথা বলে আসামী লিটন মিয়া বাদী সন্তোষ বিশ্বাসের নিকট থেকে গত ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর নাসিরনগর সোনালী ব্যাংকের ১২১৩০ নম্ভর সঞ্চয়ী হিসাবের ৪২০৪৭৯৪ নম্ভরের একটি চেক প্রদান করে ৩ লক্ষ টাকা গ্রহন করে।ওই তারিখে বাদী  সন্তোষ বিশ্বাস নাসিরসগর সোনালী ব্যাংকে গিয়ে চেকটি নগদায়নের চেষ্টা করে।


কিন্তু লিটনের হিসাব নাম্ভারে কোন টাকা না থাকায় চেকটি ডিজনার হয়ে আসে।পরবর্তীতে বাদী সন্তোষ বিশ্বাস আসামী প্রতারক লিটনের কাছ থেকে তার পাওনা টাকা আদায় করতে না পেরে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করে।বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলে সন্তোষ বিশ্বাস জানান।


-খবর প্রতিদিন/ সি.বা 

আরও খবর



পিছন থেকে ট্রাকটি এসে ধাক্কা দেয়

রাজধানীর জুরাইনে ট্রাক চাপায় শ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

রাজধানীর জুরাইন কমিশনার রোড এলাকায় ট্রাকের চাপায় রাসেল (৩২) নামে এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে।


শুক্রবার (২০ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


রাসেলের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায়। বাবার নাম আবুল হোসেন।


তিনি শ্যামপুরের আলী বহর এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন বলে জানা গেছে।


ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা রাত দেড়টার দিকে রাসেলকে মৃত ঘোষণা করেন।


কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইমরুল হাসান জানান, রাসেল ট্রাকের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। শুক্রবার রাতে কমিশনার রোড চেয়ারম্যান বাড়ি মোডে রাস্তার পাশে ট্রাক থেকে বালু ফেলার কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক।


এ সময় ট্রাকের পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। তখন চালক ট্রাকটি পেছনের দিকে নিতে গেলে রাস্তার পাশে বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ট্রাকের মধ্যে চাপা পড়েন রাসেল। পরে তাকে উদ্ধার করে সহকর্মীরাই হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে মারা যান তিনি।


এসআই মো. ইমরুল হাসান জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



আরও খবর



তিস্তার বাঁধ ধসে হুমকির মুখে হাজারও বসতঘর

প্রকাশিত:Tuesday ১০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
Image

লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ

সরকারী উদ্যোগে  গত বছর সংস্কার করা বাঁধ চলতি বছর বন্যার আগেই ধসে গিয়ে হুমকির মুখে পড়েছে লালমনিরহাটের ভূমি অফিসসহ তিস্তাপাড়ের হাজারও বসতবাড়ি।


জানা গেছে, ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর নীলফামারীর কালীগঞ্জ সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ঐতিহাসিক তিস্তা নদী।


যা লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী বন্দর হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে মিশে যায়। দৈর্ঘ্য প্রায় ৩১৫ কিলোমিটার হলেও বাংলাদেশ অংশে রয়েছে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার।  

ভারতের গজলডোবায় বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে ভারত সরকার একতরফা তিস্তার পানি নিয়ন্ত্রণ করায় শীতের আগেই বাংলাদেশ অংশে তিস্তা মরুভূমিতে পরিণত হয়। বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি প্রবাহের ফলে বাংলাদেশ অংশে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্ট হয়। বন্যায় সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তিস্তার বাম তীরের জেলা লালমনিরহাট।


তিস্তা নদী জন্মলগ্ন থেকে খনন না করায় পলি পড়ে ভরাট হয়েছে নদীর তলদেশ। ফলে পানি প্রবাহের পথ না পেয়ে বর্ষাকালে উজানের ঢেউয়ে লালমনিরহাটসহ পাঁচটি জেলায় ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে। এ সময় নদী ভাঙনও বেড়ে যায় কয়েকগুণ। প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে নদীর বুকে চর জেগে উঠে। আর বর্ষায় লোকালয় ভেঙ্গে তিস্তার পানি প্রবাহিত হয়। ফলে বসতভিটা ও স্থাপনাসহ ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলিন হচ্ছে। নিঃস্ব হচ্ছে তিস্তাপাড়ের মানুষ।


পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) লালমনিরহাট প্রতি বছর বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারের নামে বরাদ্দ দিলেও কাজ শুরু করেন বর্ষাকালে। যা সামান্যতে পানির স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে। বর্ষার অথৈ পানিতে জরুরি কাজের নামে বরাদ্দ দেওয়া এসব সরকারি অর্থ কোনো কাজে আসছে না নদীপাড়ের মানুষের।


গত বছর বন্যার সময় লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ গ্রামে নির্মিত বাঁধ সংস্কার করতে জিও ব্যাগ (বালি ভতি বিশেষ ব্যাগ) ডাম্পিং করে পাউবো। যা গত বন্যা পরবর্তীকালে কাজটি সমাপ্ত করা হয়। চলতি বছর বন্যা আসার আগেই গত ০৬ মে মধ্য রাতে ৩০ মিটার বাঁধ ধসে যায়। পরে স্থানীয়রা বালুর বস্তা ফেলে কোনো রকম রক্ষা করে।


স্থানীয়রা জানান, গত বছর বন্যার শেষ দিকে পাঁচ হাজার জিও ব্যাগ প্রস্তুত করলেও তাড়াহুড়ো করে মাত্র চার হাজার জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে। বাকিসব জিও ব্যাগ তিস্তার চরাঞ্চলেই বালুচাপা পড়ে রয়েছে। রাতে আঁধারে জরুরি কাজের অজুহাতে নামমাত্র কাজ করে চলে যায় পাউবো। ফলে এ বছর বন্যা না আসতেই বাঁধটি প্রায় ৩০-৪০ মিটার এলাকা ধসে যায়। 


আরও খবর



চির প্রেমের কবি কাজী নজরুল ইসলাম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম বার্ষিকী আজ

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 

জতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (১৮৯৯ সালের ২৫ মে) অবিভক্ত বাংলার (বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ) বর্ধমান জেলার আসানসোলের জামুরিয়া থানার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। 


তার ডাক নাম ‘দুখু মিয়া’। বাবা কাজী ফকির আহমেদ ও মাতা জাহেদা খাতুন।


প্রেমের, বিরহ-বেদনা ও সাম্যের কবি নজরুল বাংলা সাহিত্য-সংগীত তথা সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান পুরুষ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে তার লেখনী ধূমকেতুর মতো আঘাত হেনে ভারতবাসীকে জাগিয়ে দিয়েছিল। 


তিনি পরিণত হন বিদ্রোহী কবিতে। সাম্রাজ্যবাদ, ফ্যাসিবাদ, নিপীড়ন, অনাচার, বৈষম্য, শোষণ ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে অগ্নিকণ্ঠে সোচ্চার হয়ে কবি লিখে গেছেন অসংখ্য কবিতা, গল্প, উপন্যাস, গান।



চির প্রেমের কবি নজরুল। তিনি যৌবনের দূত। তিনি প্রেম নিয়েছিলেন, প্রেম চেয়েছিলেন। মূলত তিনি বিদ্রোহী, কিন্তু তার প্রেমিক রুপটিও প্রবাদপ্রতিম। তাই তিনি অনায়াসে বলে গেছেন, ‘আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন খুঁজি তারে আমি আপনায়।’


কাজী নজরুলের আবির্ভাবকালে এ দেশের সমাজমানস একটা সমূহ উত্তরণের জন্য উদগ্রীব হয়েছিল, যা নানাভাবে অসহযোগসহ এ উপমহাদেশে স্বাধিকার অর্জনের নানা আন্দোলন কর্মসূচির রূপ পরিগ্রহ করে। তিনিই প্রথম বাঙালি কবি যিনি পূর্ণাঙ্গভাবে ভারতের স্বাধীনতা চেয়েছিলেন। এ বিষয়ে তার কণ্ঠের দৃঢ়তা ও চেতনায় বলিষ্ঠতা প্রকাশিত হয়েছে সর্বত্র।



বিশের দশকে ২০ বছরের যুবকের মনের ভেতরকার সেই যে বিদ্রোহ, শোষণ, বঞ্চনা, পরাধীনতা, গ্লানি, ক্ষোভ, দ্রোহ তারই বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছিল ‘বিদ্রোহী’ কবিতায়, যা তখনকার ক্ষুব্ধ প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে প্রজ্বলিত মশাল হিসেবে দাউ দাউ করে জ্বলে উঠেছিল। পরবর্তীকালে স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রেরণা হিসেবে দেখা দেয়।


বাংলা একাডেমির সভাপতি ও নজরুল গবেষক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম লিখেছেন, নজরুল ইতিহাস ও সময় সচেতন মানুষ ছিলেন যার প্রভাব তার লেখায় স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়। তুরস্কে কামাল পাশার নেতৃত্বে প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা, রাশিয়ায় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব আর ভারতবর্ষে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের তরঙ্গকে নজরুল তার সাহিত্যে বিপুলভাবে ধারণ করেছেন।



শত প্রতিকূলতা, শত বিরোধিতা, শত সমালোচনা, নিরুৎসাহ, ভর্ৎসনা, প্রতিবন্ধকতা কোনো কিছুতেই নজরুলের প্রতিভাকে ঠেকিয়ে রাখা যায়নি। বিশেষ করে হিন্দু কুলীন ঘরের কন্যা প্রমীলাকে বিয়ের পর তৎকালীন কবি-সাহিত্যিকরা (সবাই হিন্দু সম্প্রদায়ের) নজরুলকে সমাজচ্যুত করা থেকে শুরু করে তার দারিদ্র্য, তার শিক্ষা, তার পরিবার, তার ভাষাজ্ঞান, তার চর্চা, কাব্যে তার বিষয় নির্বাচনসহ এমন কিছু ছিল না, যার কঠোর ভাষায় নিন্দা করে টেনে ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়নি। 


কিন্তু কিছুতেই কিছু হয়নি। এ অবস্থায় নজরুলের বিস্ময়কর প্রতিভার টের পেয়েছিলেন ওই সময় প্রথম বাঙালি নোবেল বিজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাই তো আশীর্বাণী দিয়ে কবিকে বলেছিলেন, ‘আয় চলে আয় রে ধূমকেতু... আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু’।


কবি নজরুল তার ৭৭ বছরের জীবনকালের ৩৪ বছরই ছিলেন নির্বাক (১৯৪২-১৯৭৬)। বেঁচে থাকার জীবন সংগ্রাম, অভাব-অনটন, নানা প্রতিকূলতা, জেলজুলুম ও হুলিয়ার মধ্যেই তার সাহিত্যচর্চার সময় ছিল মাত্র ২৪ বছর (১৯১৯-১৯৪২)।


এ ২৪ বছরে নজরুল সৃষ্টি করে গেছেন ২২টি কাব্যগ্রন্থ, সাড়ে ৩ হাজার, মতান্তরে ৭ হাজার গানসহ ১৪টি সংগীত গ্রন্থ, ৩টি কাব্যানুবাদ ও ৩টি উপন্যাস গ্রন্থ, ৩টি নাটক, ৩টি গল্পগ্রন্থ, ৫টি প্রবন্ধ, ২টি কিশোর নাটিকা, ২টি কিশোর কাব্য, ৭টি চলচ্চিত্র কাহিনীসহ অসংখ্য কালজয়ী রচনা। তাই তো একাধারে তিনি কবি, গল্পকার, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, শিশু সাহিত্যিক, অনুবাদক, প্রাবন্ধিক, সম্পাদক, সাংবাদিক, গীতিকার, সুরকার, স্বরলিপিকার, গীতিনাট্যকার, গীতালেখ্য রচয়িতা, চলচ্চিত্র কাহিনীকার, চলচ্চিত্র পরিচালক, সঙ্গীত পরিচালক, গায়ক, বাদক, সঙ্গীতজ্ঞ ও অভিনেতা।


১৯৪১ সালের শেষের দিকে কবি যখন নন্দিনী চলচ্চিত্রের সংগীত রচনা ও সুরারোপ নিয়ে ব্যস্ত, তখন হঠাৎ তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। লুম্বিনী পার্ক ও রাচি মেন্টাল হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলে এক বছরেরও বেশি সময়। ১৯৫৩ সালে কবিকে পাঠানো হয় ইংল্যান্ড ও জার্মানিতে। কিন্তু ততদিনে সবই শেষ। বাকশক্তি একেবারেই হারিয়ে ফেলেন তিনি। সেই ১৯৫৩ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত নির্বাক ও অসুস্থ অবস্থায় কলকাতায় অনেকটা অনাদরে নীরবে-নিভৃতেই কাটে কবি নজরুলের জীবন।


স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবির জন্মদিনে তাকে ঢাকায় নিয়ে এসে জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করেন। তার কবিতা ‘চল্ চল্ চল্- ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল’কে তিনি সামরিক সংগীত হিসেবে নির্বাচিত করে কবিকে সম্মানিত করেন। 


১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তৎকালীন পিজি (বর্তমানে বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কাজী নজরুল ইসলাম। তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। সেখানেই চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন তিনি।



আরও খবর



পিচ ঢালাইয়ের কাজ শেষ

সব ধরনের যান চলাচলের জন্য প্রস্তুত পদ্মা সেতু

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

সোহরাওয়ার্দীঃ

সকল জল্পনা কল্পনা শেষে সব ধরনের যান চলাচলের জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠেছে পদ্মা সেতু।পদ্মা সেতুর মূল অংশের পিচ ঢালাই শেষে বাকি ছিল দুই পাড়ের সংযোগ সড়কের পিচ ঢালাই। কর্মযজ্ঞের ধারাবাহিকতায় শেষ হয়েছে দুই পাড়ের সংযোগ সড়কের পিচ ঢালাই।


সোমবার (২৩ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সর্বশেষ জাজিরা অংশের সংযোগ সড়কের (সাউথ ভায়াডাক্ট) পিচ ঢালাইয়ের কাজ শেষ করেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও নির্মাণশ্রমিকরা।


পুরো সেতুর পিচ ঢালাই শেষ হওয়ায় এখন যানচলাচলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সড়কপথ।পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, যান চলাচল উপযোগী করে তুলতে সেতুতে পিচ ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়েছিল গত বছরের ১০ নভেম্বর। পাঁচ মাস ১৯ দিনের মাথায় গত ২৯ এপ্রিল মূল সেতুর ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার অংশে সে কাজ শেষ হয়। এরপরই সমানতালে শুরু হয় দুই পাড়ের সংযোগ সড়কের পিচ ঢালাই।



বৃহস্পতিবার (১৯ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের সংযোগ সড়কের পিচ ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়। সর্বশেষ জাজিরা প্রান্তের সংযোগ সড়কের পিচ ঢালাই শেষ হলো আজ।


এদিকে সেতুর অবশিষ্ট কাজের মধ্যে রোড মার্কিং ও সেতুকে আলোকিত করতে বসানো ৪১৫টি ল্যাম্পপোস্টে বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ চলছে পুরোদমে। শুরু হয়েছে রেলিং বসানোর কাজ।



সূত্র জানায়, চলতি মাসের মধ্যেই শেষ হবে রোড মার্কিংয়ের কাজ। বিদ্যুৎ সংযোগের কাজও চলছে। পরিকল্পনা মতো কাজ এগুলোই নির্ধারিত সময় ১ জুনে জ্বলে উঠবে বাতিগুলো।



আরও খবর



খিলক্ষেতে শশী আক্তার শাহীনার উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন

প্রকাশিত:Sunday ০১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৯৬জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

ঢাকা মহানগর উত্তর খিলক্ষেত থানা মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী শশী আক্তার শাহীনার উদ্যোগে গরীব অসহায় ওদুস্থ মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।রাজধানীর কুর্মিটোলা হাই স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে ১ মে ২০২২ রবিবার  ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৬০০ পরিবারের মধ্যে এসব শাড়ি,লুঙ্গি বিতরন করা হয়েছে।


ঢাকা-১৮ আসনের এমপি আলহাজ মো. হাবিব হাসান এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।


দুস্থ ও অসহায় মানুষকে ঈদ সামগ্রী প্রদান করে যেকোনো দুঃসময়ে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন ঢাকা-১৮ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য।তিনি তার এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ড ও থানার জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার দুস্থ ও অসহায়দের মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছেন গত কয়েক দিন যাবৎ এবং এ ধারা অব্যাহত থাকবে আগামী দিনগুলোতেও।


শশী আক্তার শাহীনা বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শের ধারক একজন নারী নেত্রী।খিলক্ষেত থানা মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বকে গতিশীল করতে তিনি নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন।তার নেতৃত্বে ঢাকামহানগর উত্তর খিলক্ষেত থানা মহিলা আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত হয়েছে।ঢাকা-১৮ আসনের এমপি আলহাজ মো. হাবিব হাসানের একজন অনুগত কর্মী হিসেবে সব সময় অসহায় দুস্থ মানুষের পাশে থেকে কাজ করেন শশী আক্তার শাহীনা।


আরও খবর