Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

নাসিরনগরে পৌষসংক্রান্তির মেলায়,গায়ে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে মারামারি পুলিশসহ আহত অর্ধশত।

প্রকাশিত:Saturday ১৫ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৪১৭জন দেখেছেন
Image


মোঃ আব্দুল হান্নানঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের কুন্ডা স্কুল মাঠে প্রসাশনের বাঁধা উপেক্ষা করে পৌষসংক্রান্তির মেলা বসিয়ে দুই পক্ষের মারামারির ঘটনা ঘটেছে। 


ওই ঘটনায় পুলিশসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।আহতদের কয়েকজনকে হাসপাতালে বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।


জানাযায়, প্রতিবছর ১৩ জানুয়ারি পৌষসংক্রান্তির দিনে  কুন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই মেলা অনুষ্টিত হয়। এবারের মেলায় স্থানীয় কোনাপাড়ার আজিজুল মিয়া ও পশ্চিমপাড়ার জয়নালের মধ্যে শরীরে ধাক্কা লাগার জেরে উভয় পক্ষের লোকজন মাইকে ঘোষনা দিয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।


সংঘর্ষেরর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে এ  সময় হামলাকারীদের হাতে পুলিশসহ উভয় পক্ষের প্রায় অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন,পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত আ,স,ম আতিকুর রহমান,এস আই আরিফুর রহমান সরকার,সারোয়ার আলম,জাকির হোসেন,কনষ্টেবল ফিরোজ হায়দার। মারামারির সময় কুন্ডা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকটি কক্ষে ভাংচুর চালানো হয় বলেও জানা গেছে।


নাসিরনগর থানা পুলিশ পরিদর্শক আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়েছে।


সরাইল সার্কেলের অতিরিক্তি পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান জানায়, মেলায় কোনাপাড়া ও পশ্চিমপাড়ার দুই যুবকের মধ্যে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে তা দু'পক্ষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ৫জন আহত হন। আহতদের মাঝে এস আই আরিফ গুরুতর আহত হয়েছেন। তার মাথায় তিনটি সেলাই দিতে হয়েছে।ওই ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে ১২৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে।পুলিশ ৮ জনকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।


-খবর প্রতিদিন/ সি.বা



আরও খবর



নাসিরনগরে বিড়ির গোডাউনের তালা ভেঙ্গে দুধর্ষ চুরি

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৯৮জন দেখেছেন
Image

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ

 ১৯ মে ২০২২ রোজ বৃহস্পতিবার গভীর রাতে-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা সদরে অবস্থিত খেলার মাঠের কোনায় দেওয়ান মঞ্জিলে মা বাবার দোয়া নামক আঁকিজ বিড়ির গোডাউনে ১৮ তালা ভেঙ্গে দুধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়েছে বলে জানা গেছে।


আকিজের ডিলার মোঃ নেওয়াজ শরীফ জানায় চোরেরা রাতের অন্ধকারে গোডাউনের ১৮ টি তালা ভেঙ্গে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে ঘরে থাকা ৯০ কার্টন বা ৯ লক্ষ শলাকা আকিজ বিড়ি নিয়ে যায় যার বর্তমান বাজার মুল্য প্রায় ৬ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকা।


তাছাড়াও একই রাতে অলি মেম্ভারের সুমন এন্টার প্রাইজ নামক একটি দোকানের,অগ্রণী ব্যাংকের তালা ভেঙ্গে পেলেছে, রহিম আফরোজ নামক একটি সোলার কোম্পানীর তালা ভেঙ্গে আই,পি,এসের একটি ব্যাটারী নিয়ে গেছে,তাছাড়াও সাইদুর রহমান খসরুর হক ট্রেডার্স নামক দোকানের দরজা ভেঙ্গে ফেলেছে।


 এ বিষয়ে মুঠোফোনে নাসিরনগর সদরের বিট অফিসার নাসিরনগর থানার এস আই সৈয়দ সারোয়ারের সাথে যোগাযোগ করে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন,"আমি ওসি স্যার সহ ঘটনাস্থলে আছি।আমরা বিষয়টির খোঁজ খবর নিচ্ছি"।


পরে ওই ঘটনায় আকিজের ডিস্ট্রিভিউটর মোঃ নেওয়াজ শরীফ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরোদ্ধে নাসিরনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।এখনো পুলিশ ওই চুরির ঘটনার  সাথে জড়িত সন্দেহে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।


আরও খবর



মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী আনার কলি বেপরোয়া

আশুগঞ্জে মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী আনার কলির বিরুদ্ধে থানায় জিডি

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১১০জন দেখেছেন
Image
আশুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দিন দিন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছেন মহিলা আওয়ামীলীগের নেত্রী আনার কলি। 

সম্প্রতি  তার দখল বাণিজ্যের তথ্য অনুসন্ধ্যান করতে গিয়ে ওই নেত্রীর হুমকি-ধামকিসহ তোপের মুখে পড়েছেন উপজেলা সহকারি (ভূমি) ও গনমাধ্যম কর্মীরা। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন ও গণমাধ্যম কর্মীরা ওই নেত্রীর বিরুদ্ধে আশুগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন।


মহিলা আওয়ামীলীগের নেত্রীর বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন এবং সাংবাদিকের জিডি করার বিষয়টি টক অব দ্যা আশুগঞ্জে পরিণত হয়েছে।
অনুসন্ধ্যানে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের অর্থ সম্পাদক  ও আশুগঞ্জের প্রভাবশালী নেত্রী আনার কলি স্থানীয় রওশন আরা জলিল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন রেলওয়ের ১১৮৮ বর্গফুট জায়গা লীজ নেন মৎস্য, কৃষি ও নার্সারী করার শর্তে ।


ওই জায়গা লীজ নিয়ে আনার কলি লীজের শর্ত ভঙ্গ করে সেখানে মার্কেট করার জন্য জলাশয় ভরাট করতে থাকেন। খবর পেয়ে  গত ৩০ এপ্রিল আশুগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধ মাটি ভরাটে বাঁধা দেন। এ সময় সেখানে থাকা আনার কলি ও তার সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জন সহকারি কমিশনার (ভূমি) কে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান করেন।
 এ ঘটনায় সহকারি কমিশনারে পক্ষে নাজির মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে গত ৩০ এপ্রিলই  আশুগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেন। জিডি নং-২৭৩৬।


এদিকে মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী আনার কলির জলাশয় ভরাট করে অবৈধভাবে সেখানে মার্কেট নির্মান করার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক লেখালেখি শুরু হলে সময় টেলিভিশনের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যুরো প্রধান উজ্জ্বল চক্রবর্তী তার ক্যামেরাপারসন মোঃ জুয়েলুর রহমানকে সাথে নিয়ে গত বুধবার দুপুর  সোয়া ১২ টার দিকে আশুগঞ্জে ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকলে খবর পেয়ে মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী আনার কলি ঘটনাস্থলে এসে চিৎকার করে বলতে থাকেন ‘আপনারা ভুয়া সাংবাদিক, আমার কাছ থেকে টাকা নিতে এসেছেন।’ 

এ সময় আনার কলি তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি এবং নারী নির্যাতনের মামলা করার হুমকি দেন। এ সময় আনার কলি মোবাইলে সাংবাদিক উজ্জল  ও তার ক্যামেরাপারসন জুয়েলুর রহমানের ভিডিও ধারণ করেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়ারও হুমকি দেন। এ সময় আনার কলি সাংবাদিক উজ্জ্বল চক্রবর্তী দেখে নেয়ার হুমকি দেন।
এ ঘটনায় সাংবাদিক উজ্জ্বল চক্রবর্তী বুধবার দুপুরে আশুগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডি নং-১০৪৬।


স্থানীয়রা জানান, আনার কলি রেলওয়ে থেকে এগারশ আটাশি বর্গফুট জায়গা লীজ নিয়ে জলাশয় ভরাট করে কয়েকগুণ বেশি জায়গা জুড়ে মার্কেটের কাঠামো নির্মাণ করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা, নূর উল্লাহ সরকার সাংবাদিকদের বলেন, ওই নেত্রী লীজ নেয়া জায়গায় অবৈধভাবে দোকান নির্মান করেছেন। অথচ এলাকায় কোন সিএনজিচালিত অটোরিকসা স্ট্যান্ড করার মতো কোন জায়গা নেই। প্রতিদিন এখানে যানজট লেগে থাকে। ওই নেত্রীকে কেউ কিছু বলতে পারে না। যে তার বিরুদ্ধে কথা বলেন, তাকে চাঁদাবাজি ও নারী নির্যাতন মামলা দেয়ার ভয় দেখায়। 

মোঃ সালমান নামে আরেক বাসিন্দা মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী আনারকলি  রেলওয়ের কাছ থেকে এই জায়গা মাছ চাষ করার কথা বলে লীজ নিয়েছেন বলে শুনেছি। মাছ চাষ করার কথা বলে ওই জায়গা লীজ এনে তিনি জলাশয় ভরাট করে দোকানপাট  নির্মান করেছেন। তার ভয়ে কেউ তাকে কিছু বলতে সাহস পায়না।

মার্কেটে দোকান ভাড়া নেয়া মোঃ আল-আমিন বলেন, আমি আনার কলির কাছ থেকে মাসিক ৪ হাজার টাকা ভাড়ায় একটি দোকান ভাড়া নিয়েছি। সিকিউরিটি বাবদ দিয়েছি ৬০ হাজার টাকা।
এ ব্যাপারে সাংবাদিক উজ্জ্বল চক্রবর্তীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী আনার কলি আমাদের সাথে আপত্তিজনক আচরণসহ চাঁদাবাজি নারী নির্যাতন করার হুমকি দেন এবং মোবাইলে আমাদের ভিডিও ধারণ করেন অসৎ উদ্দেশ্যে ।

এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরবিন্দু বিশ্বাসের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লীজের শর্ত ভঙ্গ করে আনার কলি অবৈধভাবে জলাশয় ভরাট করছে খবর পেয়ে এসিল্যান্ড বাঁধা প্রদান করলে আনার কলি তার সাথে অশোভন ও আপত্তিকর আচরণ করেন। আমরা বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। এ ঘটনায় এসিল্যান্ড আশুগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। আমরা বিষয়টি রেলের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাবো। 

এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হানিফ মুন্সী সাংবাদিকদেরকে বলেন, উপজেলা পরিষদের আসার পথে আমি এই জায়গাটি দেখেছি। বালু দিয়ে ভরাটের সময় সময় আমি স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারি জায়গাটি আনারকলি ভরাট করছেন। পরে আনার কলির সাথে কথা বললে তিনি জানান, এই জায়গা তিনি রেলওয়ের কাছ থেকে লীজ এনেছেন। তবে এখানকার অটোরিক্সা চালকদের দাবি ছিল এখানে একটি সিএনজি স্ট্যান্ড করার জন্য । 

কিন্তু রেলওয়ের জায়গা হওয়ার কারণে আমরা সেখানে হস্তক্ষেপ করতে পারিনি। জলাশয় ভরাটের বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি এবং এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এ ব্যাপারে রেলওয়ের ভূ-সম্পদ কর্মকর্তা শহীদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, লীজের শর্ত ভঙ্গ করলে এবং অবৈধভাবে জলাশয় ভরাট করলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও খবর



বাড়ি-ঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন কৃষক

সিলেটে বন্যার পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে গুদামে রাখা ধান-চাল

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৭১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণে ডুবেছে সিলেট নগরের প্রায় অর্ধেক এলাকা। বানবাসী হয়েছেন ১৩ উপজেলার মধ্যে ১০টির শতাধিক ইউনিয়নের লোকজন। বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন অনেকে। সে ক্ষতি অংকের হিসেবে পোষাবার নয়! গ্রীষ্মে ভয়ঙ্কর বন্যা ২০০৪ সালের বন্যাকেও ছাড়িয়েছে।


গত ১১ মে থেকে অতিবৃষ্টি আর ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি বুকে ঠাঁই দিতে পারেনি সুরমা। ফলে পানি উপচে প্লাবিত হয়েছে গ্রাম-নগর সব প্লাবিত হয়েছে। কৃষিজীবী থেকে ব্যবসায়ী, সব শ্রেণির মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।


বানবাসী হয়েছেন অন্তত ১০ লক্ষাধিক মানুষ। বাড়ি-ঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন কৃষকরাও। সম্প্রতি ঘরে তোলা বোরো ফলসও বানের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অবারিত বর্ষণে ঘরে রাখা ধানে চারা গজিয়েছে।গুদামে রাখা সারি সারি ধান-চালের বস্তা ভিজে নষ্ট হয়েছে বন্যার পানিতে। তা দেখে ব্যবসায়ীদের চোখে ছল ছল করছে জল। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর জনপ্রতিনিধি কিংবা প্রশাসন খোঁজ না নেওয়ায় অনেকে বোবা কান্নায় ক্ষোভ ঝাড়লেন।


শনিবার (২১ মে) থেকে নদ-নদীর পানি খানিকটা স্থিতিশীল হওয়াতে নগর থেকে পানি নেমে যায়। চারিদিকে মানুষ যখন খাবার সংকটে, তখন বন্যা পরবর্তী ক্ষতির দিকটা ফুটে উঠছে ক্রমশ।  দেখা গেছে, বন্যার পানি কমতে শুরু করে। গুদামের সাটার খুলতেই বেরিয়ে আসছে ধান-চাল পচা দুর্গন্ধ। মজুতকৃত ৫০ কেজির হাজার হাজার বস্তা চাল এবং ২ মন ওজনের ধানের বস্তার স্তূপ ভিজে পচন ধরেছে। কেউ স্যালো মেশিন লাগিয়ে সেচ দিয়ে গুদাম থেকে পানি সরাচ্ছেন। প্রতিটি গুদামে ঢুকেছে বন্যার পানি। হু হু করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাখার অভাবে আড়ৎদাররা ধান-চালের বস্তা সরানোর সময় পাননি।


ধান-চালের পচা দুর্গন্ধে এলাকার বাতাসও দুষিত হয়ে গেছে। যেগুলো এখন গো-খাদ্যেও ব্যবহার করার অনুপযুক্ত। ব্যবসায়ীদের এ ক্ষতি যেন চোখে দেখে সহ্য করার মতো নয়।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নগরের কাজিরবাজার মোস্তাক এন্ড ব্রাদার্সের ৫টি গুদামের এক একটিতে অন্তত সহস্রাধিক বস্তা করে চাল রাখা ছিল। যেগুলো বন্যার পানিতে পচে নষ্ট হয়ে গেছে। কোনোমতে কিছু চাল সরাতে পারলেও বেশিরভাগ বন্যার পানিতে ভিজে নষ্ট হয়েছে। একইভাবে এম এস অটো রাইস মিল, মতিন ব্রাদার্স, হাসান ব্রাদার্স, ফাইয়ান ও পদ্মা রাইস মিল, দয়া ও জামান মিল, রঙ্গেশ অটো রাইস মিলের হাজার হাজার বস্তা ধান-চাল রাখা ছিল। যেগুলো পচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়েছে।


এছাড়া আরো অনেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে শত শত বস্তা চাল ও ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। ভিজে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা গুদাম থেকে সেগুলো সরাতে পারেননি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে।ব্যবসায়ীরা বলেন, বন্যা ঠিকই চলে গেছে। তবে কোটি কোটি টাকার পণ্য নষ্ট করে দিয়ে গেল। এদিকে, গ্রামীণ জনপদে বন্যা ও বৃষ্টির কারণে বোরো ধান শুকাতে না পারায় অনেকের ধানে চারা গজিয়েছে।ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, অতি বৃষ্টিতে ধান শুকানোর সুযোগ না পাওয়ায় বস্তার মধ্যে ধানের চারা গজিয়েছে।



বন্যা কবলিত এলাকার কৃষকরা বলেন, এমনিতে বন্যায় প্রাণ বাঁচানো দায়, খাবার সংকট। তার ওপর ঘরে পানি উঠে প্রতিটি বাড়িতে রাখা ধান চারা গজিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। বন্যার কারণে আয় রোজগার নেই, ত্রাণ যা মিলছে, তা দিয়ে হয়তো ২/৩ বেলা চলে, এরপর আর যাওয়ার জায়গা নেই। না খেয়ে মরা ছাড়া উপায় নেই।


আরও খবর



রাঙ্গাবালী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের বিচারের নামে প্রহসনের অভিযোগ

প্রকাশিত:Thursday ১২ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১০৯জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ


পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলায় রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদে একটি ধর্ষণের ঘটনায় মীমাংসার নামে শালিস বৈঠক থেকে ধর্ষক আবুল বাশার ওরফে ছ্যানা বশার (৩৫) কে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


যদিও পরে রাঙ্গাবালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে স্থানীয় জনতার সহায়তায় ধর্ষক আবুল বাশারকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।


স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ ধর্ষণের মত ঘটনার বিচার করতে পারেনা। কিন্তু এমন দুঃসাহসিক কাজ করে ধর্ষকের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান মামুনের বিরুদ্ধে।


বুধবার, ১১’মে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান মামুনের নির্দেশে ইউনিয়ন পরিষদের তিন সদস্য আব্দুল মান্নান, আমিন ও ছাইদুর রহমানসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ শালিস বৈঠকের আয়োজন করে ঘটনার ধামাচাপা দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। এতে স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।


গত ২০ এপ্রিল রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের চর কাসেম ৫নং ওয়ার্ডের সামুদাবাদ গ্রামের ১৩ বছর বয়সী কিশোরী মেয়েকে তার অন্য ভাই বোনদের হত্যার হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে স্থানীয় নামকরা সন্ত্রাসী আবুল বাশার ওরফে ছ্যানা বাশার।


এই বিষয়ে ২৪ এপ্রিল রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা স্থানীয় ভাবে মীমাংসা করার নামে কালক্ষেপন করে আসছিলো। একপর্যায়ে গত ১১’মে বুধবার বিকেলে চেয়ারম্যান উপস্থিত না থেকে ইউনিয়ন পরিষদের তিন জন ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে শালিসের নাম করে ধর্ষককে পালাতে সহযোগিতা করেছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।


রাঙ্গাবালী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক এনায়েতুর রহমান জানান, ওসি স্যারের নির্দেশে আসামি পালানোর এক ঘন্টার মধ্যে ইউনিয়নের কাছিয়াবুনিয়া ইউসুফ মৃধার বাড়ি থেকে ইউনিয়ন পরিষদের প্রহরী আরিফ তাকে ধরতে সক্ষম হয় পরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।


তবে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে ঘটনার বিষয়ে জানতে একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।


এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাশফাকুর রহমান বলেন, ধর্ষণের মত ঘটনার বিচার বা শালিস করার কোন ইখতিয়ার ইউনিয়ন পরিষদের নেই। তবে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদ এরকম কোন ঘটনা ঘটিয়ে থাকলে, তারা আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়েছে বলে আমি মনে করি।


আরও খবর



দেশবাসী কে ঈদের শুভেচ্ছা জানান আওয়ামী লীগের ৭৩ নং ওয়ার্ড নেতা

প্রকাশিত:Sunday ০১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
Image

বজলুর রহমানঃ

দেশের মানুষকে  ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের ৭৩ নং ওয়ার্ড নেতা,ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ব বিদ্যিলয় শাখার সাবেক নেতা, ডেমরা ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ সাইদুর রহমান বাবুল।




রবিবার (১ মে) প্রচার পত্র ও পোষ্টারের মাধ্যমে ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের ৭৩ নং ওয়ার্ড নেতা সাইদুর রহমান বাবুল এ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।




ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের ৭৩ নং ওয়ার্ড নেতা সাইদুর রহমান বাবুল বলেন, ‘এলাকার ও দেশের সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। একমাস সিয়াম সাধনার পর আবার এসেছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ মানেই আনন্দ। আসুন, ঈদের আনন্দ সবাই ভাগাভাগি করে নেই। যে যার অবস্থান থেকে ঈদুল ফিতরের মহিমায় উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি। সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন। ঈদ মোবারক।’


আরও খবর