Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

নাসিরনগরে নিজের আইডি দিয়ে বন্ধুকে সিম তুলে দিয়ে এখন বিপাকে বন্ধু

প্রকাশিত:Friday ১১ February ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৪১৬জন দেখেছেন
Image


মোঃ আব্দুল হান্নানঃ

ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরে বায়জিদ মোল্লা নামে এক বন্ধুর মন রক্ষা করতে গিয়ে নিজের নামের জাতীয় পরিচয় পত্রদিয়ে সিম তুলে দিয়ে এখন বিপাকে পড়েছে বন্ধু জনি।


ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ধরমন্ডল ও শ্রীঘরের মাঝে। ঘটনার বিবরণে জানা গেছে ধরমন্ডল গ্রামের মোল্লাবাড়ির হারুন মোল্লার বড় ছেলেকে বিয়ে করায় বুড়িশ্বর ইউনিয়নের শ্রীঘর গ্রামের চৌকিদার বাড়ির মজনু মিয়ার মেয়েকে। বড় ভাইয়ের শ্বশুর বাড়ির সুবাদে বায়জিদ মোল্লা শ্রীঘরে আসা যাওয়া শুরু করে।পরিচয় হয় ভাইয়ের শ্বশুর বাড়ির পাশের ঘরের মৃত ইদন মিয়ার ছেলে জনির সাথে।সম্পর্কে দু জন বিয়াই।


সেই আসা যাওয়ার সুত্রধরে দু জনের মাঝে তৈরী হয় ঘনিষ্ট সম্পর্ক।কিছুদিন পর দু জনে মিলে চাকুরী নেয় ঢাকার একটি হোটেলে।বায়জিদ মোল্লার নিজের নামে এখনো জাতীয় পরিচয় পত্র হয়নি।তাই একটি মোবাইলের জন্য সিম কিনতে বন্ধু জনিকে অনুরোধ করে জনির নিজের নামের জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি দিয়ে একটি সিম তুলে দিতে।সহজ সরল জনি তার বন্ধুর আবদার ফেলে দিতে পারেনি।বন্ধুর আবদারে সরল মনে জনি তাে নিজের পরিচয় পত্র ব্যবহার করে একটি সিম তুলে দেয়।


পরবর্তীতে বায়জিদ মোল্লা ওই সিমটি একটি চোরাই মোবাইলে ব্যবহার করতে থাকে।কিন্তু জনি তা কিছুতেই জানে না।


থানার সাধারণ ডায়েরী সুত্রে জানা গেছে গত ৩০ ডিসেম্ভর ২০২১ তারিখে পাবনা জেলার সাথিয়া থানার, হাড়িঁয়া গ্রামের মোহাম্মদ হোসেন টিক্কার ছেলে মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের (২০) রিয়েলমি ৮- ৫ জি ব্র্যান্ডের একটি মোবাইল সেট হারিয়ে যায়।ওই ঘটনায় মোস্তাফিজুর রহমান বাদি হয়ে সাথিয়া থানার সাধারণ ডায়েরী নং ১২ তারিখ ১ লা জানুয়ারী ২০২২ রুজু করে।


পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অনুসন্ধান চালিয়ে উক্ত মোবাইলে  জনির নামের তোলা সিমটি ব্যবহার হচ্ছে এবং মোবাইলটি প্রথমে বায়জিদ মোল্লার ভাইয়ের শ্বশুর বাড়ি শ্রীঘরে ও পরবর্তীতে ধরমন্ড টাওয়ারে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে পুলিশের এ এস মোঃ মাহফুজুর রহমান জানিয়েছে।


এবিষয়ে বায়জিদ মোল্লার বড় ভাই মোঃ সেলিম মোল্লাকে জানানো হলে তিনি তার ভাই বায়জিদ মোল্লাকে দুই দিনের ভেতর এনে মোবাইল উদ্ধার করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তার ডাকে সাড়া দেয়নি বায়জিদ মোল্লা।পরে ধরমন্ডলের স্থানীয় চেয়ারম্যান মোঃ সফিকুল ইসলাম,মেম্ভার সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গদের জানানোর পরে ও স্থানীয়রা জানায়,বায়জিদ মোল্লা চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ট লোক হওয়া এ ব্যপারে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেননি চেয়ারম্যান,মেম্ভার ও গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গরা।উল্লেখ্য যে,দেশবাসী অনেকেই অবগত রয়েছেন যে,ধরমন্ডলের প্রায় দুই শতাদিক মহিলারা দেশের বিভিন্ন স্থান  মোবাইল ও স্বর্ণের চেইন চুরি করে থাকে।তাদের নামে দেশের বিভিন্ন থানায় একাদিক মামলা মোকদ্দমাও রয়েছে।জানা গেছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার প্রভাবশালীরা তাদের এ ধরনের কাজে সহযোগিতা করে আসছে।


আরও খবর



ডেমরায় অটো রিক্সা চুরির দায়ে গ্রেফতার -১

প্রকাশিত:Tuesday ১০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১০৪জন দেখেছেন
Image

বজলুর রহমানঃ

রাজধানীর ডেমরা থানা এলাকায় ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চুরির ঘটনা ঘটেছে।



অটোরিকশা চুরির দায়ে মিরাজ জমাদার (২৮) নামে এক চোরকে গ্রেফতার করেছে ডেমরা থানা পুলিশ। 


এ সময় আল-আমিন (২৫) নামে সহযোগী আরেক চোর পালিয়ে যায়।



রবিবার দুপুরে মিরাজ সরদারকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। শনিবার ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে পালানোর সময় টহলরত পুলিশ পূর্ব ডগাইর মদিনাবাগ কোদালদোয়া এলাকা থেকে মিরাজ সরদারকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে।


সে পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার চরখালি গ্রামের মৃত হোসেন জমাদারের ছেলে।


 এ বিষয়ে শনিবার রাতে ডেমরা থানায় উক্ত দুই চোরের বিরুদ্ধে মামলা করেন অটোরিকশার মালিক মো. মিজানুর রহমান (৫২)।



বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেমরা থানার ওসি অপারেশন সুব্রত কুমার পোদ্দার বলেন, গত ১ বছর ধরে মিজানুর রহমান ওই রিকশাটি কিনে নিজেই চালাতেন। গত ৭ মে শনিবার ভোরে গ্যারেজ থেকে রিকশাটি চুরি করে পালাচ্ছিল মিরাজ ও ফার্মের মোড় এলাকায় বসবাসরত পলাতক চোর আল আমিন। 


এ সময় টহলরত পুলিশ তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা কোন সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। তখন দৌড়ে পালিয়ে যায় আল আমিন।



আরও খবর



মোবাইল ফোন সেট জব্দ

মিরপুর থেকে অনুমোদনবিহীন ২১৩ টি মোবাইল ফোন সেট জব্দ

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৯১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাজধানীর মিরপুর-২ এলাকার মিরপুর শপিং কমপ্লেক্সের সাতটি দোকান থেকে অনুমোদনবিহীন ২১৩টি মোবাইল সেট জব্দসহ ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।


বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) এনফোর্সমেন্ট অ্যান্ড ইন্সপেকশন টিম ও রাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৪) যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।



মঙ্গলবার (১৮ মে) এই অভিযান চালানো হয়।



অভিযান চালানো দোকানগুলোর মধ্যে মোবাইল ল্যাব থেকে ৩৪টি, মোবাইল অ্যান্ড গেজেট থেকে ৩১টি, টেক ফ্যাক্টরি থেকে নয়টি, গ্যাজেট ভিলা-৬৩৯ থেকে ৩৩টি, গ্যাজেট ভিলা-৬৬২ থেকে ৩১টি, গ্যাজেট ভিলা-৬৭১ থেকে ৩৩টি ও কোরাস থেকে ৪২টি বিভিন্ন মডেলের মোবাইল সেট জব্দ করা হয়।



বিটিআরসি ও র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আটকরা দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনবিহীন মোবাইল সেটের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন- ২০০১, (সংশোধিত-২০১০) অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



আরও খবর



নাসিরনগর হরিপুরের এক ত্রাসের নাম ভয়ংকর কাপ্তান

প্রকাশিত:Monday ০৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২২ May 20২২ | ৮৫জন দেখেছেন
Image


নাসিরনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের মন্দির ভাংঙ্গা, মাদক,ডাকাতি,খুন ও মারামারী সহ একাদিক মামলার গ্রেপ্তারী ফরোয়ানা ভুক্ত আসামী ও হরিপুরের এক  ভয়ংকর ত্রাসের নাম কাপ্তান।


কাপ্তানের ভয়ে গ্রামের তিতন ফকির সহ অনেকেই আতংকে  দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।জানা গেছে ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবরে নাসিরনগরে হিন্দুদের বাড়িঘর ও মন্দির ভাঙ্গার অন্যতম আসামী কাপ্তান।তাছাড়াও কাপ্তানের বিরোদ্বে  নাসিরনগর ও পার্শ্ববর্তী মাধবপুর থানায় রয়েছে একাদিক ডাকাতি,মারামারী,মাদক ও খুনের মামলা।


হরিপুর গ্রামের  তিতন ফকির জানান ভয়ংকর কাপ্তানের ভয়ে তিনি ও তার পরিবারের লোকজন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন।হরিপুরের টেকপাড়ার আওয়াল মিয়া অভিযোগ করে জানায়,কাপ্তান একটি সরকারী জায়গা থেকে মাটি কেটে ট্রাক বোঝাই করে সরকারী ও জনগনের হাটাচলাফেরা করার রাস্তা ভেঙ্গে গর্তে পরিনত করে ব্রিক ফিল্ডে মাটি বিক্রি করার সময় তারা বাধা দেয়।তাতে কাপ্তান ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন কেউ বাঁধা দিলে তাকে ট্রাকের চাকার নীচে ফেলে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসেন।


তিনি জানান কাপ্তানের যেই কথা সেই কাজ।পরদিন কাপ্তানের ট্রাক মাটি বোঝাই  করে সেই রাস্তা দিয়ে আসার সময় আমার তৃতীয় শ্রেণী পড়ুয়া ছেলে রাসেল রাস্তায় গেলে তাকে ট্রাকের চাকার নীচে পেলে মেরে ফেলে।এ সব ছাড়াও আরো অনেক অভিযোগ রয়েছে কাপ্তানের বিরোদ্বে।হরিপুরের নিরীহ ও শান্তিপ্রিয় লোকজন এই জগন্য,ভয়ংকর কাপ্তানের অত্যাচার থেকে মুক্তি চায়।কাপ্তানের গ্রেপ্তারী পরোয়ানার বিষয়ে জানতে চাইলে হরিপুরের বিট অফিসার এস আই রূপন নাথ জানান,কাপ্তানের বিরোদ্বে তার হাতে দুটি গ্রেপ্তারী ফরোয়ানা রয়েছে।পুলিশ কাপ্তানকে গ্রেপ্তারের জন্য হন্যে হয়ে খুঁজছে।



আরও খবর



সমুদ্রে মৎস্য আহরণকারী ১০ হাজার নৌযানে নতুন প্রযুক্তি সংযোজন হচ্ছে

প্রকাশিত:Wednesday ১১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১০৯জন দেখেছেন
Image

ঢাকা, ১১ মে ২০২২ (বুধবার)

সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে নতুন যন্ত্র ও প্রযুক্তি সংযোজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (১১ মে) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম ২০২২ বাস্তবায়ন বিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে শিগগিরই নতুন যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হচ্ছে। মৎস্য অধিদপ্ত কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের আওতায় বাণিজ্যিক মৎস্য ট্রলারে ভেসেল মনিটরিং সিস্টেম (ভিএমএস) এবং আর্টিসানাল ও যান্ত্রিক মৎস্য নৌযানে যথাক্রমে অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) ও গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (জিএসএম) ব্যবস্থা সংযোজনের কাজ চলমান রয়েছে।


এর মাধ্যমে অনুমতিপ্রাপ্ত সমুদ্রগামী নৌযানসমূহের অবস্থান জানা যাবে এবং এদের সহজেই মনিটর করা যাবে। এ নৌযানসমূহ আইনের ব্যত্যয় করলে লাইসেন্স বাতিল করাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরো যোগ করেন, আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করা যাবে না। আইন অমান্য করলে সম্প্রতিক সামুদ্রিক মৎস্য আইন ও মোবাইল কোর্টের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। তবে অসহায় জেলেরা যেন অহেতুক হয়রানি না হয় সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা মানে দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি করা, রাষ্ট্রের জন্য কাজ করা। এক্ষেত্রে মৎস্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মৎস্যজীবী সমিতির সদস্যদের সরকারের নীতি বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে হবে।


মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ করা গেলে মৎস্যজীবীদেরই লাভ হবে। সরকার শুধু মৎস্যজীবী ও দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থকে নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। এজন্য অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে নিবেদিতভাবে কাজ করতে হবে।

মাঠ পর্যায়ে মৎস্যজীবীদের তালিকা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে হালনাগাদ করা হবে বলে এ সময় জানান মন্ত্রী। প্রকৃত মৎস্যজীবী ছাড়া সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে সমুদ্রগামী জেলেদের এ বছর পর্যাপ্ত ভিজিএফ দেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।


সুন্দরবনের মৎস্যসম্পদ ও জেলেদের বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তর ও বনবিভাগ সমন্বিত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনা খুব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, অনেক সময় আইন প্রয়োগে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়।। এ ধরনের পরিস্থিতি সাধারণ জেলেরা করে না। এখানে কিছু দুর্বৃত্ত এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। 


নিষিদ্ধকালে মাছ সংরক্ষণ ও বিপণনের কোন সুযোগ দেওয়া যাবে না। মোবাইল কোর্ট ও অন্যান্য অভিযানে সম্পৃক্তদের এটা নিশ্চিত করতে হবে। সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের বিস্তার ঘটছে।  একদিকে যেমন মাছ নিয়ে গবেষণা বাড়ছে তেমনি মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের যেভাবে, যত কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার সবটুকু করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ হেমায়েত হুসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক ও নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজি শফিকুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, র‌্যাব এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ, মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে গত ২৪ এপ্রিল সামুদ্রিক মৎস্য আইন ২০২০ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। উপকূলীয় বিভাগ চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনার ১৪ টি জেলার ৬৭ টি উপজেলা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নিষিদ্ধকাল বাস্তবায়নকালে সমুদ্রগামী হালনাগাদকৃত ও নিবন্ধিত জেলেদের ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকার উপকরণ সহযোগিতা প্রদান করবে।


আরও খবর



দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে প্রায় ২৫ কোটি

বিশ্বজুড়ে খাদ্য ঘাটতি দেখা যাবে-জাতিসংঘের মহাসচিব

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

খবর প্রতিদিন ডেস্কঃ

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস সামনের দিনগুলোতে বিশ্বজুড়ে খাদ্য ঘাটতি দেখা যাবে বলে সতর্ক করেছেন।বৈশ্বিক খাদ্য ব্যবস্থা দুর্বল হয় করোনা মহামারিতে।এর প্রধান কারণ দেশে দেশে ধারাবাহিকভাবে কঠোর বিধিনিষেধ। বিশ্ব যখন অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে ব্যস্ত তখনই শুরু হয় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ। যা খাদ্য সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। এরই মধ্যে দেশে দেশে দেখা দিয়েছে রেকর্ড মূল্যস্ফীতি। বেড়ে গেছে জীবনযাত্রার ব্যয়।


জানা গেছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পশ্চিমাদের কঠোর বিধিনিষেধের মুখে পড়েছে রাশিয়া। অন্যদিকে বন্ধ হয়ে গেছে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানি। ইউক্রেন ও রাশিয়া বিশ্বব্যাপী খাদ্যের ১০ ভাগের এক ভাগ সরবরাহ করে। তারা বিশ্বের গম রপ্তানির ৩০ শতাংশের পাশাপাশি সূর্যমুখী তেলের ৬০ শতাংশ উৎপাদন করে। কমপক্ষে ২৬টি দেশ তাদের অর্ধেকেরও বেশি খাদ্যশস্যের জন্য রাশিয়া ও ইউক্রেনের ওপর নির্ভরশীল।


চলতি সপ্তাহের শুরুতে ২০২২ সালের পর গমের দাম বেড়েছে ৫৩ শতাংশ। আও ছয় শতাংশ বেড়ে যায় ভারতের গম রপ্তানি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তের পর।


গত বছরের জুলাইতে শুরু হওয়া ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে রাশিয়া বিশ্ব চাহিদার ১৬ শতাংশ গম রপ্তানি করে। এ ক্ষেত্রে ইউক্রেনের অবদান ছিল ১০ শতাংশ। কিন্তু সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় দেশ দুইটি শস্য রপ্তানি নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়।


ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়নের (ইএইইউ) বাইরে গম, রাই, যব ও ভুট্টা রপ্তানি ৩০ জুন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ করে। এদিকে ইউক্রেন ওডেসাতে একমাত্র অবশিষ্ট বন্দর বন্ধ করে দিয়েছে।


তাছাড়া কাজাখস্তানসহ কয়েকটি প্রধান শস্য সরবরাহকারী দেশ যখন রপ্তানি বন্ধ করে দেয় তখন পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। মূলত অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতেই দেশগুলো এমন সিদ্ধান্ত নেয়।


এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারে না এমন মানুষের সংখ্যা বেড়েছে একশ ৬০ কোটি। দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে প্রায় ২৫ কোটি। পাশাপাশি আরও কয়েক কোটি মানুষ দারিদ্র্যতার মধ্যে পড়তে পারে।


আরও খবর