Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

নাসিরনগরে মিথ্যা খুনের মামলা দিয়ে সাংবাদিক ও তার পরিবারের লোকজনকে হয়রানী

প্রকাশিত:Friday ২৯ April ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ২০৮জন দেখেছেন
Image

নাসিরনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)সংবাদদাতাঃ-

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরে এশিয়ান টেলিভিশন ও দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার নাসিরনগর উপজেলা প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের নাসিরনগর উপজেলার সভাপতি মোঃ আব্দুল হান্নান ও তার পরিবারকে মিথ্যা খুনের মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে।


জানা গেছে গত ২৬ এপ্রিল ২০২২ রোজ মঙ্গলবার বেলা অনুমান আড়াই ঘটিকার সময় লঙ্গন নদীর পাড় আশুরাইল পশ্চিম পাড়ের মৃত রাজু মিয়ার ছেলে মোঃ সারাজ মিয়ার কাটা ধান বাড়িতে নিয়ে দেয়ার জন্য শ্রীঘর গ্রামের চাচুয়ার পাড়ের তাজুল ইসলামের ছেলে জুনাইদ মিয়ার সাথে ভাড়া করে।


জুনাইদ প্রতি ট্রাকের ভাড়া বাবদ ৬ শত টাকা আর সারাজ মিয়া ৫ শত টাকা করে দিবে নদীর পাড় থেকে সারাজ মিয়ার বাড়িতে নিয়ে দেয়ার কথা বলে দরকষাকষির এক পর্যায়ে দু জনেন মাঝে কথা কাটাকাটি শুরু হলে পাশে তাকা আশুরাইল গ্রামের মৃত ইউনুছ মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া দৌড়ে এসে সারাজ মিয়ার পক্ষ নেয়।এই নিয়ে ৩ জনের মাঝের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে এই নিয়ে নদীর পাড়ে থাকা আশুরাইল  উভয় গ্রামের  লোকজনের মাঝে সংর্ঘষ বাধে। প্রায় আধা ঘন্টা ব্যপী সংর্ঘষে দুই গ্রামের প্রায় ২০ জন আহত হয়।


নদীর পাড়ে দুই গ্রামের সংর্ঘষ  চলাকালে সাংবাদিক মোঃ আব্দুল হান্নান নাসিরনগর সদরে থানার সামনে রাজিব কম্পিউারে বসে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর ঈদ উপলক্ষে গরীবদের মাঝে ঘর বিতরণের সংবাদ লিখায় ব্যস্ত থাকা অবস্থায় মোবাইলে দুইগ্রামের লোকজনের মাঝে ঝগড়ার খবর আসে।


সাংবাদিক আব্দুল হান্নান সাথে সাথে মোবাইল ফোনে ঝগরার বিষয়টি নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিবুল্লাহ সরকারকে জানালে তিনি পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।এ সময় সাংবাদিক মোঃ আব্দুল হান্নান ঘটনাস্থলে গিয়ে তার নিজের মোবাইল থেকে ঝগড়ার লাইভ দেন।


সংঘর্ষে চলাকালীন সময়ে শ্রীঘর গ্রামের জুনাইদের চাচা মৃত সানু মিয়ার ছেলে নায়েব উল্লাহ (৪৫)তার গ্রামের বাড়ি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২ কিঃমিঃ দুর থেকে প্রচন্ড গরমের মধ্যে দিয়ে দৌড়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মারামারি করার জন্য ঘটনাস্থলে আসা মাত্রই হার্টএ্যাটাক করে মৃত্যু বরণ করে।পরে নায়েব উল্লাকে নাসিরনগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত  চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।


খবর পেয়ে সরাইল নাসিরনগর,আশুগঞ্জ সার্কেল সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আনিছুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে আসেন।এ সময় এ সময় ওসি,সার্কেল,ডাক্তার মিলে সাংবাদিক আব্দুল হান্নানকে সাথে নিয়ে নিহতের শরীরর বিভিন্নভাবে পরীকা নিরিক্ষা করেন এবং অডিও ভিডিও ধারন করেন।নিহত নায়েবুল্লার শরীরের কোথাও কোনরূপ আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।


নায়েবুল্লার নিহতের বিষয়ে জানতে চাইলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোঃ আশিক মর্তুজা সীমান্ত বলেন প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে নায়েব উল্লাহ হার্ট‌ এ্যাটাক করে মারা গেছে। প্রয়োজনীয় পরিক্ষা নিরিক্ষা ও ময়না তদন্তের  জন্য লাশ ব্রাক্ষণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।


পরে ওই ঘটনায় ৪৯ জন অজ্ঞাত নামা আরো বেশ কয়েক জনকে আসামী করে নিহত নায়েববুল্লার ভাই বাদী হয়ে নাসিরনগর থানায় একটি  হত্যা মামলা দায়ের করে।ওই মামলায় সাংবাদিক মোঃ আব্দুল হান্নানকে ৫ নান্বার আসামী করা হয়েছে।সাংবাদিক ছাড়াও তার পরিবারের বড় ভাই মোঃ ফরিদ মিয়াকে ৬ নাম্বার আসামী সহ তার ছোটভাই সাফু মিয়াকেও আসামী করা হয়েছে।


বিষয়টি নিয়ে নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিবুল্লাহ সরকার বলেন,"প্রথমিক ভাবে নিহতের পরিবারের দেয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি রুজ্জু হয়েছে,তবে এতে কেহ হয়রানীর শিকার হবে না,পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার সঠিক রিপোর্ট আদালতে পাঠাবে"।


আরও খবর



কাশিমপুর কারাগারে বন্দীর সাথে বাদির বিয়ে

কারাগারে বন্দি আসামির সাথে মামলার বাদীর বিয়ে

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৯৪জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

কারাগারে থাকা অবস্থায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলায় কাশিমপুর কারাগারের আসামির সঙ্গে ওই মামলার বাদীর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।


উচ্চ আদালতের আদেশে শুক্রবার (২০ মে) বিকেলে বাদী ও আসামিপক্ষের স্বজন এবং আইনজীবীদের উপস্থিতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়।



গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এ ওই বিয়ে সম্পন্ন হয়। বরের নাম নাঈম মিয়া (২৩)। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায়। কনের (১৯) বাড়িও একই জেলায়।


কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর জেলার রীতীশ চাকমা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



তিনি জানান, শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে কারাগারের অফিস রুমে উভয় পরিবারের স্বজন ও আইনজীবীদের উপস্থিতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর বরের স্বজনদের সঙ্গে কনে শ্বশুরবাড়ি চলে যান।


জেলার আরও জানান, রাজধানীর মিরপুর থানায় করা মামলায় গ্রেফতারের পর নাঈমকে ২০২০ সালে ঢাকা থেকে কাশিমপুর কারাগারে আনা হয়।


আরও খবর



ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলেক কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা

ফরিদপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলেক ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা

প্রকাশিত:Wednesday ১৮ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৯৫জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিজান বয়াতির বাড়িতে ঢুকে ১০ বছরের ছেলে রাফসানকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ হামলায় তার স্ত্রী দিলজান বেগম ওরফে রত্না গুরুতর আহত হয়েছেন। তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে।


বুধবার (১৮ মে) বিকেলে ইউপি চেয়ারম্যানের উপজেলা সদরের বাসায় এ ঘটনা ঘটে।



অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) ফাহিমা কাদের চৌধুরী বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


ঢেউখালী ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. শহীদ সরদার বলেন, চেয়ারম্যানের গ্রামের বাড়ি চর ডুবাল গ্রামে। তিনি পরিবার নিয়ে সদরপুর উপজেলা সদরের বাসায় থাকেন। যতটুকু জেনেছি পূর্বশত্রুতার জেরে ঢেউখালী গ্রামের মো. ছানু মোল্লার ছেলে এরশাদ মোল্লা (৩৫) এ ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনার পর ক্ষোভে উত্তেজিত জনতা ছানু মোল্লার বাড়িতে আগুন দেয়। ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।



আরও খবর



পিরোজপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি;গ্রেফতার -১

প্রকাশিত:Saturday ০৭ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১০৩জন দেখেছেন
Image

বজলুর রহমান ঃঃ

পিরোজপুরের কাউখালীতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি করায় মো. জুয়েল রানা (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।


 শনিবার (০৭ মে) তাকে কাউখালীর বেকুটিয়া ফেরীঘাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


গ্রেফতারকৃত যুবক জেলার সদর উপজেলার কুমিরমারা গ্রামের সিদ্দিক ফকিরের ছেলে।



 তার বিরুদ্ধে এলাকায় বিভিন্ন সময় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি করার অভিযোগ রয়েছে। 




কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  (ওসি) মো. বনি আমিন জানায়, জুয়েল কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া ফেরিঘাট এলাকায় গাড়ির সিরিয়াল ব্রেক করে গাড়ি প্রতি ৮০০ থেকে ২৫০০ টাকা চাঁদা নিয়ে গাড়ি ফেরীতে ওঠার সুযোগ করে দেন। 



বিষয়টি স্থানীয় ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট রফিকুল ইসলামের দৃষ্টিগত হলে তাকে চ্যালেঞ্জ করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় সে নিজেকে প্রথমে ডিবি পুলিশ পরিচয় দেয় এবং পরে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে একটি কার্ড দেখান। 



এ বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউখালী থানায় গ্রেফতারকৃত জুয়েল রানাকে আসামী করে একটি প্রতারনা মামলা দায়ের করেন।


প্রসঙ্গত পিরোজপুরে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে কখনও সাংবাদিক,কখনও ডিবি পুলিশ পরিচয়ে প্রতারনা ও চাঁদাবাজি করে আসছে।



 বিষয়টি স্হানীয় প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ ও পেশাদার সাংবাদিকরা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইদুর রহমানকে অবহিত করেন। পুলিশ সুপার এ বিষয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন।


আরও খবর



কিডনি বেচা-কেনার দায়ে সাতজন গ্রেফতার

মানুষের কিডনি বেচা-কেনার দায়ে সাতজন গ্রেফতার

প্রকাশিত:Sunday ১৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৮১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাটের কালাই ও পাঁচবিবি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে কিডনি বেচাকেনা চক্রের সঙ্গে জড়িত ৭ দালালকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশ।  


শনিবার (১৪ মে) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানিয়েছেন জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা।


 গ্রেফতার দালাল চক্রের সদস্যরা হলেন- কালাই উপজেলার থল গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে সাহারুল ইসলাম (৩৮), একই উপজেলার উলিপুর গ্রামের ফরিদুল ইসলামের ছেলে ফরহাদ হোসেন ওরফে চপল (৩১), জয়পুর বহুতি গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মোশারফ হোসেন (৫৪), ভেরেন্ডি গ্রামের জাহান আলীর ছেলে শাহারুল ইসলাম (৩৫), জয়পুর বহুতি গ্রামের মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে মোকাররম হোসেন (৫৩), দূর্গাপুর গ্রামের মৃত বছির উদ্দিন ফকিরের ছেলে সাইদুল ইসলাম ফকির (৪৫) ও পাঁচবিবি উপজেলার গোড়না আবাসনের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৪০)।  

  

পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার রাতে জয়পুরহাটের কালাই ও পাঁচবিবি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।


 


তিনি বলেন, দালালরা দীর্ঘদিন ধরে জয়পুরহাটের মাত্রাই ও উদয়পুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকার নিরীহ, ঋণগ্রস্ত ও হতদরিদ্র মানুষদের ফুসলিয়ে টাকার লোভ এবং অল্প সময়ে বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে নারী এবং পুরুষদের কিডনি বিক্রি করাতেন। এসব নিরীহ মানুষরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দালালদের খপ্পরে পরে প্রথমে ৪-৫ লাখ টাকার চুক্তিতে তাদের মূল্যবান কিডনি বিক্রি করে দেন।


পরে ভারত ও দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে গিয়ে তাদের কিডনি দিয়ে নামমাত্র চিকিৎসা নিয়ে যখন দেশে ফেরেন, তখন দালালরা বিমান বন্দরেই তাদের হাতে ১-২ লাখ টাকা ধরিয়ে দিয়ে সেখান থেকে বিদায় করেন।


পরবর্তীকালে কিডনি দাতারা নিজের অঙ্গ বিক্রি করে ঝুঁকি নিয়ে জীবন অতিবাহিত করলেও লাভবান হচ্ছেন এসব দালালরা।


আবার নিজের কিডনি বিক্রি করে প্রতারিত হয়ে নতুন করে দালাল বনে যাচ্ছেন কোনো কোনো কিডনি দাতারা।  


তিনি আরও জানান, গ্রেফতার দালালরা কিডনি বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবদে স্বীকার করেছেন। কিডনি বেচাকেনা প্রতিরোধে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।  


সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারজানা হোসেন, সদর সার্কেল মোসফেকুর রহমান, পাঁচবিবি সার্কেল ইশতিয়াক আলমসহ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।


জানা যায়, বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৫শ জনেরও বেশি অভাবী মানুষ তাদের শরীরের একটি করে কিডনি বিক্রি করেছেন। আর এসব ঘটনায় ১৫টি মামলায় এ পর্যন্ত ১২১ জনকে আসামি করা হলেও গ্রেফতার হয়েছে মাত্র ৪৭ জন।   



আরও খবর



মাগুরায় সড়ক দুর্ঘটনা

মাগুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় সেনা সদস্যের মৃত্যু

প্রকাশিত:Sunday ১৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

মাগুরায় যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে মো. আবু হানিফ (৬০) নামে অবসরপ্রাপ্ত এক সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ছয় জন।


রোববার (১৫ মে) সকালে মাগুরা-যশোর সড়কের শেখপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবু হানিফ যশোর জেলার পৌর এলাকার মোহাম্মদ আবদুল গনির ছেলে।


আহতদের উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের বাড়ি যশোর ও সাতক্ষীরা জেলায়।


ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা থেকে যশোরগামী একটি যাত্রীবাহী পরিবহনের সঙ্গে মাগুরা মুখী একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ঘটনাস্থলেই ওই সেনা সদস্য নিহত হন।


এছাড়া ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতাল নেওয়া হয়।


মাগুরা হাইওয়ে পুলিশের এসআই সেলিম জানান, দুর্ঘটনার পর বাস ও ট্রাকের ড্রাইভার-হেলপারদের পাওয়া যায়নি। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


আর নিহতের মানি ব্যাগে থাকা পরিচয়পত্রের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর