Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

নাসিরনগরে জোরপূর্বক প্রতিবেশীর জায়গা দখলের অভিযোগে আদালতে মামলা

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৬৮জন দেখেছেন
Image

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের ফেদিয়ারকান্দি গ্রামে জোরপূর্বক প্রতিবেশীর জায়গা দখলের অভিযোগে ৬ জনের বিরোদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের  করা হয়েছে।


 ১৯ মে ২০২২ তারিখে ফেদিয়ার কান্দি গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে মোঃ মাহির ভূঞা বাদী হয়ে প্রতিবেশী আব্দুল কাদিরের ছেলে সৈয়দ মিয়া,সিরাজ মিয়া,রেহমান মিয়া, রেহমানের দুই ছেলে  বিল্লাল মিয়া,খায়ের মিয়া ও ফজলুল হকের ছেলে সফর উদ্দিন এই ৬ জনের বিরোদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পি - ৪৪৩ মামলা দায়ের করে।


মামলা সুত্রে জানা গেছে সকল বিবাদীরা জোটবদ্ধ হয়ে ১৭ মে ২০২২ তারিখ  বিকেল ৪ ঘটিকার সময় দেশীয় প্রাণঘাতি অস্ত্র নিয়ে বাদীর দখলীয় জয়নগর মৌজার ১ দাগের ৪ শতাংশ জায়গা অনধিকার প্রবেশ করে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালায়।এ সময় স্বাক্ষীদের সহায়তা বাদী তাদের হাত থেকে নিভৃত পায়।পরে বিবাদীরা জায়গা দখলে ব্যর্থ হয়ে বাদী ও তার পরিবারের লোকজনকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।


আদালত মামলাটি ফৌজদারী কার্য বিধির ১৪৫ ধারায় আমলে নিয়ে দ্বীতিয় পক্ষকে কারন দর্শানোর ও ওসি নাসিরনগরকে উভয় পক্ষের মাঝে শান্তি শৃংখলা বাজায় রেখে আগামী ১৮ জুলাই ২০২২ তারিখের  মধ্যে সরেজমিন পরিদর্শন পূর্বক দখল বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।


আরও খবর



বাড়ছে সংক্রমণ, আরও ১২৮ জনের করোনা শনাক্ত

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
Image

দেশে ফের বাড়তে শুরু করেছে করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১২৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর আগে রোববার ১০৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

সংক্রমণ বাড়লেও এসময় করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। ফলে দেশে মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ১৩১ জনই রয়েছে। করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫৪ হাজার ২৪৩ জনে।

সোমবার (১৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৭১ জন। এ পর্যন্ত ১৯ লাখ ৫ হাজার ৩৩৭ জন সুস্থ হয়েছেন।

এছাড়া একই সময়ে ৬ হাজার ৬৮৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৬ হাজার ৬৮৮টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ৯১ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ।


আরও খবর



সকেটে আঙুল ঢুকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, প্রাণ গেলো মাছ ব্যবসায়ীর

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
Image

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আবু সাঈদ (৫১) নামের এক মাছ ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (৬ জুন) সকালে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ ধলডাঙ্গা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আবু সাঈদ ওই গ্রামের মুনছের আলীর ছেলে।

শিলখুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার সকালে ঘরে টিভির লাইন চেক করতে যান আবু সাঈদ। এ সময় অসাবধানতাবশত সকেটের ভেতরে হাতের আঙুল ঢুকে পড়লে তিনি বিদ্যুতায়িত হন। পরে পরিবারের লোকজন আবু সাঈদকে উদ্ধার করে ভুরুঙ্গামারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভুরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



পদ্মার বুক চিরে বাংলাদেশের ‘সাহস’

প্রকাশিত:Friday ২৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

‘সাবাস, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী/অবাক তাকিয়ে রয়ঃ/জ্বলে-পুড়ে মরে ছারখার/তবু মাথা নোয়াবার নয়’-কবি সুকান্ত বোধহয় আজ বড্ড বেশি প্রাসঙ্গিক। কোটি বাঙালির প্রাণের আবেগ, দ্রোহ, শক্তি, সাহসের প্রতীক চরণগুলি। খরস্রোতা পদ্মার বুকে দ্রোহের সেতু আজ দেশ-বিদেশের সব আলোচনা-সমালোচনা, ষড়যন্ত্র-কূটমন্ত্রের জবাব। বাংলাদেশের সাহস। বিশ্বের বিস্ময়। পৃথিবী সত্যি অবাক তাকিয়ে রয়!

স্বপ্ন-সাধ-আর বিশ্বাসের গাঁথুনিতে অসাধ্যকে সাধন করার এক দুর্বার সফলতা পদ্মা সেতু। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুর্বার, দুর্বিনীত শক্তি-সংগ্রামের নাম পদ্মা সেতু।
মানুষে ভরসা রেখে পথ চললে স্বপ্ন জয় হয়। স্বপ্নজয়ের হাজারো গল্পের বুনন দিয়ে আজ ঠাঁয় দাঁড়িয়ে ‘স্বপ্নের পদ্মা সেতু’। পদ্মার বুক চিরে জেগে ওঠা বাংলাদেশের এক অপার বিস্ময়, স্বনির্ভর সাহস।

একটিমাত্র সৃষ্টিকর্ম দিয়েই জাতিসত্তা মেলে ধরা যায়, আত্মমর্যাদা প্রকাশ পায়-তারই নিদর্শন যেন এখন পদ্মা সেতু। যে সৃষ্টিকর্মের প্রতিটি কণায় বাঙালির আবেগ, অনুভূতি, নেতৃত্বের সাহসিকতা মিশে আছে। মিশে আছে বৈশ্বিক-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইতিহাস-দুঃখগাথাও। পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ আর ষড়যন্ত্র দলিত করে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার নাম পদ্মা সেতু।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম নেতা আমির হোসেন আমু জাগো নিউজকে বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের জন্য কখনই বিলাসী ভাবনা ছিল না। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। এই সেতু নির্মাণের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আমি মনে করি, পদ্মা সেতু বিশ্বের বুকে একটি নিদর্শন তৈরি করেছে। পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া ব্রিজ নিয়ে নানা গল্প আছে। এমন গল্প এখন পদ্মা সেতু নিয়েও তৈরি হচ্ছে।’

আরও পড়ুন: পদ্মা সেতুর আদ্যোপান্ত

বর্ষিয়ান এই রাজনীতিক বলেন, ‘গল্পের শুরুটা ঠিক সহজ ছিল না। দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ তুলে শুরুতেই পথ আগলে দাঁড়ায় দেশি-বিদেশি নানা মহল। অর্থায়ন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় বিশ্বব্যাংক। মুখ ফিরিয়ে নেয় জাইকা, এডিবিসহ অন্যান্য দাতাসংস্থাগুলোও। বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয় দেশের এই বৃহৎ প্রকল্প নিয়ে। বিপর্যয় কাটিয়ে ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষাণা করেন নিজস্ব অর্থেই পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে। এক দশকের ব্যবধান। আজ পদ্মা সেতু খুলে দেওয়া হচ্ছে মানুষের চলাচলের জন্য’।

jagonews24

২০০৮ সাল। ক্ষমতার গ্রহণের পরপরই আওয়ামী লীগ পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পদ্মা সেতুর জন্য ডিজাইন কনসালট্যান্ট নিয়োগ হয়। কনসালট্যান্ট ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সম্পন্ন করেন এবং সেতু বিভাগ প্রিকোয়ালিফিকেশন দরপত্র আহ্বান করা হয়। ২০১১ সালে সরকার বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ঋণ চুক্তিবদ্ধ হয়। এর পরের বছর ২০১২ সালে বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি বাতিল করে। ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে অন্যান্য দাতা সংস্থাগুলোও ঋণের সিদ্ধান্ত বাতিল করে।

বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের ভিত্তিতে তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। যোগাযোগ সচিব মোশাররফ হোসেন ভূইয়াকে জেলে পাঠানো হয়। পরবর্তীসময়ে দুর্নীতির অভিযোগটি মিথ্যা প্রমাণিত হয় এবং কানাডার আদালত দুর্নীতির অভিযোগের মামলাটি বাতিল করেন। এরপর প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

এই সেতুর মাধ্যমে মুন্সিগঞ্জের সঙ্গে শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলা যুক্ত হয়েছে। এটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।

আরো পড়ুন: বাংলাদেশকে ভারতের অভিনন্দন

দুই স্তর বিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিটে নির্মিত ট্রাসের এই সেতুর উপরের স্তরে চার লেনের সড়কপথ এবং নিচের স্তরে একক রেলপথ। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য সেতুটি নির্মাণের মোট ব্যয় ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা।

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাসদ্দিন প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, ‘আজকের এই দিন আমার কাছে অবশ্যই মাহেন্দ্রক্ষণ ও অবস্মরণীয়। পৃথিবীর বুকে বাঙালির মান-মর্যাদা ও প্রত্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে। পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জিডিপিতে ১ দশমিক ৫ শতাংশ যোগ হবে। দারিদ্র কমবে দশমিক ৭৫ শতাংশ। আমাদের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির যে প্রচণ্ড গতি, তা আরও বাড়িয়ে দেবে। এই গতি যে বস্তুভিত্তিক পরিবর্তনই আনবে তা নয়, মনস্তাত্ত্বিকভাবেও উপরে ওঠার ক্ষেত্রে বিশেষ ধাক্কা যা আমাদের মনোবল আরাও চাঙা করবে।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক যখন দুর্নীতির ভুয়া অভিযোগ তুলে পদ্মা সেতু থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলো, তখন আমাদের অনেক অর্থনীতিবিদ, বিশিষ্টজন, বৃদ্ধিজীবী লজ্জা প্রকাশ করলেন। তারা হতাশা প্রকাশ করে বললেন, ‘নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন করা সম্ভব না। বিশ্বব্যাংক চলে গেছে, অন্যরাও চলে যাবে। এটি বড় অপমানের।’

‘সমালোচনাকারীদের উপযুক্ত জবাব শেখ হাসিনা দিতে পেরেছেন পদ্মা সেতু নির্মাণ করে। এই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য জাতি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। বিশ্ববাসীকেও জানিয়ে দেওয়ার অপেক্ষা ছিল। সক্ষমতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে নিজেদের চ্যালেঞ্জ বাড়লো বলেও মনে করছি।’

আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা আমির হোসেন আমু বলেন, ‘দক্ষিাঞ্চল এক সময় অবহেলিত ছিল। সত্য কথা বলতে কী, এক সময় এ অঞ্চলে অবকাঠামোগত উন্নয়নই ছিল না। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোর রাস্তা-ঘাট, সেতু ছিল না বললেই চলে। এই প্রকল্পের কারণে গোটা দেশ অর্থনৈতিকভাবে অনেক এগিয়ে যাবে। পদ্মা সেতু আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের প্রতীক বলে মনে করি। আরও সহজ কথায় যদি বলি, এই সেতু দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক হাব হবে। এখানে মানুষ এখন বিনিয়োগ করতে আসবে। এটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত কল্যাণকর একটি অবকাঠামো।’

একই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন সরকারের নৌ-পরিবন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু্ শুধুই একটি সেতু না। এটি একটি মর্যাদার নাম। এর মধ্য দিয়ে বাঙালির গর্ব ও অহংকার প্রকাশ পাচ্ছে।

jagonews24

‘পদ্মা সেতু ঘিরে যে অপরাজনীতি, ষড়যন্ত্র হয়েছে তা সবার জানা। এই ঘৃণিত রাজনীতি করা হয়েছে একটি দেশের মর্যাদাকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার জন্য। এমন অন্ধকারের কূপ থেকে জাতিকে তুলে এনেছেন বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তারাধিকারী জননেত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গন্ধুর কন্যা বলেই সেই ঘৃণিত রাজনীতি, ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পেরেছেন।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু যেমন বলেছিলেন, ‘আমাদের কেউ দাবায়া রাখতে পারবে না।’ তার কথার প্রতিফলন ঘটিয়েছে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সাহস ও প্রত্যয় থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘পদ্মা সেতু নিজেদের টাকায় করবো।’ আজ শেষ লগ্নে এসে বলতে পারছি, জননেত্রী শেখ হাসিনা তার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।’

‘পদ্মা সেতু হচ্ছে আমাদের কাছে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ। পদ্মা সেতু হচ্ছে আমাদের জাতিসত্তার বিজয়, মর্যাদা-অহংকারের নাম।’

‘এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে গোটা দুনিয়াকে আমরা জানান দিয়ে সক্ষম হয়েছি, আমরাও পারি। এর মধ্যে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব নেতৃত্বের চূড়ায় অবস্থান করছেন।’


আরও খবর



কীভাবে সেদিন মেসিকে থামানোর পরিকল্পনা করেছিল ব্রাজিল!

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

ইতিহাসে হাতে গোনা মাত্র কয়েকজন ফুটবলার রয়েছেন, যারা প্রতিপক্ষের মনে সব সময়ই ভয় সৃষ্টি করে থাকেন। যাদের অন্যতম হলেন আর্জেন্টাইন ক্ষুদে ফুটবল জাদুকর, লিওনেল মেসি।

শারীরিকভাবে দেখলে হয়তো খুব একটা শক্তিশালী মনে হবে না মেসিকে। ৫ ফুট ৭ ইঞ্চির মাঝারি মানের হালকা গড়নের ফুটবলার তিনি। যাকে প্রথম দেখায় কারো মনে ভয় জাগারই কথা নয়।

কিন্তু মাঠে অপ্রতিরোধ্য। বল পায়ে তিনি যা করেন, তাতেই সারা বিশ্বের ডিফেন্ডাররা প্রচণ্ড ভয়ে থাকেন, কখন কী ঘটে যায়! কখন গোল হয়ে যায় কিংবা গোলের জন্য সহজ একটি বল তৈরি করে দেন তিনি! যার ফলে প্রতিপক্ষ খুব সহজেই পিছিয়ে পড়ে। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এ দৃশ্যটাই দেখে আসছে ফুটবল বিশ্ব।

তর্কাতীতভাবেই ফুটবলের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা যে ক’জন ড্রিবলার রয়েছেন, মেসি তাদের মধ্যে শীর্ষেই থাকবেন। ফুটবল পায়ে তার মধ্যাকর্ষণ কেন্দ্র এতটাই কম যে, তাকে প্রতিপক্ষের ধারণ করা তথা থামিয়ে দেয়া এক কথায় অসম্ভব।

Messi

শুধু তাই নয়, সাতবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবরার হলেন সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ফিনিশার, অসাধারণ প্লে-মেকার এবং তর্কাতীতভাবেই ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে নান্দনিক ফুটবলার।

ফুটবল মাঠে মেসির উপস্থিতি এবং তার মহত্ব এতটাই বেশি যে, মাঠে নামার আগে প্রতিপক্ষ দল তাদের প্রস্তুতিতে সমস্ত মনযোগই নিয়োগ করে তাকে নিয়ে। প্রতিপক্ষের চূড়ান্ত প্রস্তুতি থাকে, কিভাবে মেসিকে থামানো যাবে। কিভাবে মাঠে তার প্রভাব কমিয়ে রাখা যাবে- এসব নিয়ে।

ঠিক এ বিষয়টাই ঘটেছিল ২০১৯ সালের কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে ব্রাজিল ফুটবল দলের ক্ষেত্রে। ওই ম্যাচটির জন্য ব্রাজিল যে প্রস্তুতি নিয়েছিল, যে ম্যাচটি ছিল বলতে গেলে পুরোপুরি মেসিময়, সেই প্রস্তুতির পুরো চিত্র উঠে এসেছে অ্যামাজন প্রাইমের একটি ভিডিও ডকুমেন্টারিতে। যেটার নাম দেয়া হয়েছে, ‘অল অর নাথিং: ব্রাজিল ন্যাশনাল টিম।’

এক ফুটবল ভক্ত সেই ডকুমেন্টারি থেকে বেশ কিছু ক্লিপ আবার কাটছাঁট করে নিয়েছেন এবং কম্পাইল করে নাম দিয়েছেন, ‘ক্ল্যাশ অব রাইভালস।’ সেই ভিডিও এপিসোডটা আবার তিনি পোস্ট করেছেন টুইটারে। যেটা দেখতে দর্শকদের কাছে সত্যিই খুবই আকর্ষণীয়।

Tite

ব্রাজিল কোচ তিতে সত্যিই আর্জেন্টিনা দলে মেসির উপস্থিতি নিয়ে ছিলেন খুবই চিন্তিত এবং সতর্ক। তিনি জানতেন, মেসিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি তার সমস্ত পরিকল্পনা, সমস্ত স্বপ্ন ধুলায় মিশিয়ে দিতে পারেন এবং একই সঙ্গে ঘরের মাঠ থেকে লাতিন আমেরিকার সেরার ট্রফিটি জয়ের লক্ষ্য ভেস্তে দিতে পারেন।

এমনকি একটি সাক্ষাৎকারে তিতে একবার স্বীকারও করে নিয়েছিলেন যে, বর্তমান পিএসজি’র এই স্ট্রাইকার হলেন বিশ্বের সবচেয়ে সেরা ফুটবলার।

সেই সেমিফাইনালের আগে টিম মিটিংয়ে তিতের আলোচনার বিষয়ই ছিল, কিভাবে মেসিকে থামানো যাবে। এমনকি অনুশীলনের সময় তিনি পুরো দল নিয়ে মেসির সেই বিখ্যাত ট্রেড-মার্ক ফ্রি-কিক নিয়েও কাজ করেছিলেন। যে ফ্রি-কিক দিয়ে ওই ম্যাচের মাত্র কিছুদিন আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে লিভারপুলের জালে বার্সার হয়ে বল জড়িয়েছিলেন মেসি এবং ওই ম্যাচে লিভারপুলের গোলরক্ষক ছিলেন ব্রাজিলেরই অ্যালিসন বেকার।

অ্যামাজনের ডকুমেন্টারি থেকে সেই ভিডিওটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা দেখতে সত্যিই অসাধারণ।

মেসিকে কেন্দ্র করে ব্রাজিলের সেই প্রস্তুতির ফল কী হয়েছিল?

কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালের আগে মেসিকে কেন্দ্র করে নেয়া প্রস্তুতির পুরো ফল ঘরে তুলেছিল ব্রাজিল। বেলো হরাইজন্তের এস্টাডিও মিনেইরোয় সেই ম্যাচটি ছিল পুরোপুরি মেসিময়। অসাধারণ খেলেছিলেন মেসি। কিন্তু তাকে গোল করতে দেয়নি ব্রাজিল, গোল করাতেও দেয়নি।

প্রস্তুতিটা যেভাবে নিয়েছিল, সেটাকেই যেন পুরোপুরি কপিবুক পেস্ট করে দিয়েছিল ম্যাচের মধ্যে। মেসির ফ্রি-কিক কিভাবে ফেরাতে হয়, তার প্রস্তুতি যেভাবে নিয়েছিল সেভাবেই ম্যাচে ফিরিয়েছিল সেলেসাওরা। মেসিকে যেভাবে বক্সের মধ্যে আটকানোর প্রস্তুতি নিয়েছিল, ম্যাচেও সেভাবে আটকে দিয়েছিল তারা।

উল্টো, ম্যাচের ১৯তম মিনিটে গ্যাব্রিয়েল হেসুস প্রথম এগিয়ে দেয় ব্রাজিলকে এবং ৭১ মিনিটে রবার্তে ফিরমিনো দ্বিতীয় গোল করে বসেন। ম্যাচ শেষ হয় ব্রাজিলের ২-০ গোলে জয়ের মধ্য দিয়ে। ফাইনালে মারাকানা স্টেডিয়ামে পেরুকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয় করে ব্রাজিল।


আরও খবর



মিরসরাইয়ে আগুনে পুড়ে গেছে দুই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অগ্নিকাণ্ডে দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুন) দিনগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার ৬ নম্বর ইছাখালী ইউনিয়নের চরশরত বাংলাবাজারে এ ঘটনা ঘটেছে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন- মো. রহিম উল্লাহ ও আব্দুল মান্নান। রহিম উল্লাহর মুদি ও মান্নানের কুলিং কর্নার ছিলো। এতে অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত দুই ব্যবসায়ীর।

মিরসরাইয়ে আগুনে পুড়ে গেছে দুই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান

এলাকার বাসিন্দা সালাউদ্দিন ও শাহজালাল জানান, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তে রহিম উল্লাহ ও আব্দুল মান্নানের দোকান পুড়ে যায়। ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসার আগেই নগদ টাকা, পণ্য সামগ্রী, আসবাবপত্র পুড়ে যায়।

মিরসরাই ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা ইমাম হোসেন পাটোয়ারী জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে আমাদের অফিস অনেক দূর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই দুটি দোকান পুড়ে গেছে।


আরও খবর