Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
সরকার প্রকৃত দানশীলও ধনাট্য ব্যাক্তিদের কাছ থেকে জায়গা নেয়ার সিদ্বান্ত গ্রহন করেছে

নাসিরনগরে জায়গা দানকারীদের নামে কমিউনিটি ক্লিনিক হচ্ছে

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৬০জন দেখেছেন
Image

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ-

সরকার স্বাস্থ্যসেবার মান সাধারণ মানুষের দুরগোড়ায় পৌছে দিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নের যে সমস্ত ইউনিয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক সংকট রয়েছে সে সমস্ত ইউনিয়নে পুনরায় কমিউনিটি ক্লিনিক চালুর সিদ্বান্ত নিয়েছে সরকার।


উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নে ৩৯ টি ক্লিনিক থাকার কথা থাকলেও ২২ টি ক্লিনিক চলমান রয়েছে।বাকী আরো নতুন ১৭ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালুর সিদ্বান্ত নিয়েছে সরকার।সেই হিসেবে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মানে সরকার এবার নতুন পদ্বতি অবলম্বন করতে চলেছে।


সরকার প্রকৃত দানশীলও ধনাট্য ব্যাক্তিদের কাছ থেকে জায়গা নেয়ার সিদ্বান্ত গ্রহন করেছে।রাস্তার পাশে ও সহজে  যানবাহন  যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে এমন জায়গা থেকে যদি কোন দয়ালু,ধনাট্য ও দানশীল ব্যাক্তি কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য মাত্র( ৮) আট  শতাংশ জায়গা দান করেন তাহলে ওই দানশীল ব্যাক্তির নামে কমিউনিটি ক্লিনিকটির নামকরন করা হবে এবং যাহা সারা জীবণ তার নামেই চলবে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় সুত্রে জানানো হয়েছে।


নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অফিস সুত্রে এ তথ্য জানা গেছে।আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ অভিজিৎ রায়ের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।


আরও খবর



চট্টগ্রামে পোশাককর্মীর শ্লীলতাহানি, দুই যুবক গ্রেফতার

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রাম নগরের আকবর শাহ থানার কাট্টলী এলাকায় পোশাককর্মী তরুণীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩ জুন) সকালে তাদের চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (২ জুন) তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন- আকবর শাহ থানার লতিফপুর এলাকার সতীশ দাশের ছেলে জয় দাশ(২১) ও একই এলাকার সুমন দাশের ছেলে অপু দাশ (২১)।

আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ওয়ালী উদ্দিন বলেন, ওই তরুণী নগরের পাহাড়তলী থানার অলংকার মোড়ে একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। কয়েকমাস আগে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন। পরে সৎ মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে বৃহস্পতিবার সকালে আবার চাকরি করতে চট্টগ্রামে আসেন। ওই দিন গার্মেন্টসে গেলে
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় দারোয়ান তাকে ঢুকতে দেয়নি। এরপর বাড়িতে যাওয়ার টাকা না থাকায় নিরুপায় হয়ে তিনি হাঁটতে হাঁটতে আকবর শাহ থানার বেড়িবাঁধ এলাকায় চলে যান।

তিনি আরও বলেন, ওই তরুণীকে একা পেয়ে চাকরি দেওয়া কথা বলে দুই যুবকে কাট্টলী টোল রোডের কেএমএল ব্রিকফিল্ডের ভেতরে নিয়ে যায়। ওই সময় তারা ওই পোশাককর্মীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। পরে তরুণী চিৎকার করে দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে স্থানীদের বিষয়টি জানান। পরে স্থানীয়রা দুই যুবককে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

ওসি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে যুবকরা ঘটনায় জড়িত বলে স্বীকার করেছেন। পরে ভিকটিমের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুই আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দম আইনে মামলা করা হয়েছে।

গ্রেফতার জয় দাশের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা আছে বলে জানান তিনি।


আরও খবর



এবার জাপানে কম বিদ্যুৎ ব্যবহারের আহ্বান

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

এবার কম বিদ্যুৎ ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে জাপান সরকার। রাজধানী টোকিও এবং এর আশেপাশের এলাকার লোকজনকে অপ্রয়োজনে বিদ্যুৎ খরচ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। খবর বিবিসির।

স্থানীয় সময় সোমবার এই ঘোষণা দেওয়া হয়। দেশটিতে তাপপ্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহে চাপ বাড়তে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

দেশটির অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়তে পারে। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রয়োজন না হলে লাইট বন্ধ রাখা উচিত। এতে বিদ্যুত সাশ্রয় হবে। তবে হিটস্ট্রোক এড়াতে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করা যাবে বলে জানানো হয়।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই রাজধানী ও এর আশেপাশের এলাকায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। কর্মকর্তারা এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন যে, এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের সংকট দেখা দিতে পারে।

টোকিওতে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে রেকর্ড করা হয়েছে। অপরদিকে রাজধানীর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইসেসাকি শহরে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জুন মাসে রেকর্ড করা এটাই জাপানের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। দিনে তিন ঘণ্টা অপ্রয়োজনে লাইট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কয়েকদিন আগেই অস্ট্রেলিয়াও একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলায় দেশটির নিউ সাউথ ওয়েলস প্রদেশের অধিবাসীদের ঘরের লাইট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন দেশটির জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস বোয়েন। সে সময় তিনি জানান, যাদের সুযোগ রয়েছে প্রতি সন্ধ্যায় তাদের দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ ব্যবহার থেকে বিরত থাকা উচিত। এতে বিদ্যুৎ ঘাটতি এড়ানো যাবে।

বিশ্বের অন্যতম কয়লা ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিকারক দেশ অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু গত মাস থেকে দেশটি ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছে। সেখানকার তিন-চতুর্থাংশ বিদ্যুৎ এখনও কয়লা ব্যবহার করে উৎপাদিত হয়। কিন্তু দেশটি পুনঃনির্মাণে বিনিয়োগ করে নির্গমন কমাতে যথেষ্ট কাজ করেনি বলে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ রয়েছে।

গত কয়েক সপ্তাহে কয়লা সরবরাহে ব্যাঘাত, বেশ কয়েকটি কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিভ্রাট এবং বৈশ্বিক জ্বালানি শক্তির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবের কারণে দেশটি বেশ সংকটে পড়েছে।


আরও খবর



জ্বালানি সংকটে ধুঁকছে ইউরোপের অর্থনীতি

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
Image

ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, সাইপ্রাস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া এবং স্পেন এই ১৯টি দেশ নিয়ে গঠিত ইউরো জোন। এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন সুদের হার এবং নিম্ন মুদ্রাস্ফীতির কারণে ভালো অর্থনৈতিক অবস্থানে ছিলেন ইউরো জোনের মানুষরা। কিন্তু বর্তমানে ভোক্তা মূল্য সূচক বার্ষিক ৮ শতাংশ ছাড়িয়ে যাচ্ছে, যেখানে ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংকের (ইসিবি) লক্ষ্যমাত্রা ২ শতাংশ। ব্যাংকের গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যরা সুদের হার বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে এবং আগামী ৯ জুন অর্থনৈতিক পলিসি সংক্রান্ত বৈঠকে সেটি নিশ্চিত হতে পারে। কিন্তু ইসিবি নিজেই এখন একটি জটিল অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমনটি চলতে থাকলে শুধু দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়া নয়, প্রবৃদ্ধি অর্জনেও জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

এ দুটি বিষয়কে জটিল করে তুুলেছে জ্বালানির তীব্র সংকট। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের আগে থেকেই তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বাড়তে থাকে ইউরো জোনে, যুদ্ধের কারণে আরও কয়েক দফা দাম বেড়েছে। এই ক্রমবর্ধমান পণ্যের দাম আমেরিকার তুলনায় ইউরোপে ভোক্তা-মূল্যের মুদ্রাস্ফীতি বাড়াতে অনেক বড় ভূমিকা পালন করেছে। মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংকিং সংস্থা গোল্ডম্যান স্যাকসের তথ্য বলছে, ইউরো অঞ্চলে জ্বালানির দাম-যা মে মাসে বার্ষিক ৩৯ শতাংশ হারে বেড়েছে। এটি আমেরিকার দুই পয়েন্টের তুলনায় মুদ্রাস্ফীতিতে প্রায় চার পয়েন্টের বেশি দাঁড়িয়েছে।

অন্যান্য ভোক্তা মূল্য সূচককেও প্রভাবিত করে এই মুদ্রাস্ফীতি। গত মে মাসে ইউরো জোনে অর্থনীতিবিদদের ধারণাকে ছাড়িয়ে গেছে মুদ্রাস্ফীতি। গত বছরের তুলনায় এপ্রিল মাসে জার্মানিতে উৎপাদন খরচ ৩৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে গেছে। শুধু তেল, গ্যাস নয়, ধাতব দ্রব্য কংক্রিট ও রাসায়নিকের মতো পণ্যেরও দাম বেড়েছে। এসব কারণে ব্যবসার খরচ এবং পরিবারের ক্রয় ক্ষমতার ওপর একটি বড় আঘাত এসেছে। এটা ইউরো অঞ্চলের অর্থনীতিকে কতটা বিপদের মধ্যে ফেলে সেটাই দেখার বিষয়।

জ্বালানি সংকটে ধুঁকছে ইউরোপের অর্থনীতি

এরই মধ্যে জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম বিপদে ফেলেছে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে। মজুরি ইউরো জোন জুড়ে বাড়ানো হয়েছে, তবে এখনও মুদ্রাস্ফীতির কারণে স্থিতিশীল অবস্থার মধ্যে রয়েছে। কিছু নিয়োগকর্তা কর্মীদের একদফা অর্থ প্রদান করেছেন, দাম ও খরচের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে। তারপরেও নেদারল্যান্ডসে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, ব্যবসায়িক মনোভাব চাঙা এবং কঠোর শ্রমবাজার থাকা সত্ত্বেও গত মে মাসে মাত্র ২ দশমিক ৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এক অর্থে, এটি ইসিবির জন্য সুসংবাদ, কারণ এটি মজুরি-মূল্য সর্পিল হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

অবকাঠামোগত খাত এরই মধ্যে অসুবিধায় পড়েছে। চীনের সাম্প্রতিক লকডাউন জারি এবং জ্বালানির উচ্চমূল্যের ফলে নতুন করে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে যা ব্যবসায় ধস এনেছে। জার্মানি পূর্ব ইউরোপে শিল্প মন্দার জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত মে মাসে ইউরো জোনের ম্যানুফেকচারিং কোম্পানিগুলোর ২০২০ সালের জুনের পর নতুন অর্ডার প্রথমবারের মতো কমেছে, যা দুর্বল চাহিদার নির্দেশক। রপ্তানি আদেশ দুই বছরের মধ্যে দ্রুত গতিতে হ্রাস পেয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা তাই বছরের বাকি অংশে ধীরগতিতে প্রবৃদ্ধির দিকে নজর দিচ্ছেন। তবে এখনই মন্দার আশঙ্কা করছেন না তারা। কারণ অর্থনীতির কিছু অংশ দুর্বলতার পরিবর্তে শক্ত অবস্থান থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে। করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের কারণে লকডাউন শেষ হওয়ার পর অনেক সেবা প্রতিষ্ঠান চালু হয়েছে। পর্যটনের ওপর নির্ভরশীলতার কারণে দক্ষিণের দেশগুলো সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছে। গত এপ্রিলে স্পেনে পর্যটকদের আনাগোনা করোনা মহামারির পূর্বের মতো বেড়ে গেছে। সামগ্রিকভাবে, সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাঙাভাব বিরাজ করছে।

চাকরির বাজার এখনও অপর্যাপ্ত। ২০২২ সালের প্রথম তিন মাসে একশ চাকরির বিপরীতে তিনটি পদ ফাঁকা ছিল, ইতিহাসে যেটি সর্বোচ্চ। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সামান্য দুর্বল হলেও ব্যবসার নিয়োগের প্রত্যাশা দৃঢ় হচ্ছে। ইউরোপের চারটি ব্যবসার মধ্যে একটিতে লোকবলের অভাবে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

জ্বালানি সংকটে ধুঁকছে ইউরোপের অর্থনীতি

লকডাউন চলাকালীন সঞ্চয় ভোক্তাদেরকে কিছুটা সুরক্ষা দিচ্ছে। পরিসংখ্যানের ডেটা বলছে, ফ্রান্স ও জার্মানিতে এ ধরনের ‘অতিরিক্ত’ সঞ্চয়ের পরিমাণ ছিল ২০২২ সালের প্রথম প্রান্তিকে পরিবারের নিষ্পত্তিযোগ্য আয়ের প্রায় দশমাংশ।

এই সঞ্চয় কিছুটা কাজে দেবে কিন্তু এটি সম্পূর্ণভাবে সমস্যা সমাধান করবে না। অতিরিক্ত সঞ্চয় সমানভাবে কাজে লাগেনা। ধনী দেশগুলোতে দরিদ্র মানুষ এবং দরিদ্র দেশগুলোর বেশিরভাগ পরিবারের কাছে মূল্যবান সঞ্চয়ের সামান্য অবশিষ্ট থাকে। উদাহরণস্বরূপ, স্লোভাকিয়ায়, মহামারি চলাকালীন সঞ্চয়ের হার কখনই খুব বেশি বৃদ্ধি পায়নি এবং এখন এটি দীর্ঘমেয়াদী গড় আয় থেকে অনেক কম। ব্যবহারের কমে যাওয়া নিম্ন-আয়ের পরিবার থেকে আসবে, মরগান স্ট্যানলির জেনস আইজেনশমিড বলেছেন, প্রকৃতপক্ষে খুচরা বিক্রয় কয়েক মাস ধরে ধীরগতিতে চলছে।

অনেক দেশের সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে পরিবারগুলোকে রক্ষা করার জন্য প্রচুর ব্যয়ের কর্মসূচি নির্ধারণ করেছে। বেলজিয়ামের ব্রাসেলসভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ব্রুগেলের তথ্য অনুযায়ী, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি এবং অন্যান্যরা জিডিপির এক থেকে দুই শতাংশ ব্যয় করে। এসব আর্থিক প্রণোদনাকে ভালো লক্ষণ ধরা হয়না। এর বেশির ভাগই যায় স্বচ্ছল পরিবারে যা তাদের প্রয়োজন নেই।

যদি ইউরো অঞ্চল একটি মন্দা থেকে রক্ষা পায়, তবুও জ্বালানির সংকট অর্থনীতিতে আরও বিপর্যয় আনবে। খাদ্য ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে ইউরোপের অর্থনীতি।

সূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট


আরও খবর



পদ্মা সেতু: ১৩ রুটের বাসভাড়া নির্ধারণ

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

আগামী ২৫ জুন উদ্বোধনের পরদিন যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হবে পদ্মা সেতু। এ সেতুর ওপর দিয়ে চলাচল করবে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পরিবহনগুলো। এরই মধ্যে সেতু হয়ে চলাচলকারী যানবাহনের জন্য টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার সেই টোলসহ ১৩ রুটের বাসের ভাড়া নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ঢাকা-ভাঙ্গা-মাদারীপুর-বরিশাল রুটে চলাচলকারী বাসে একজন যাত্রীর ভাড়া হবে ৪১২ টাকা ৩২ পয়সা। ঢাকা-রাজৈর-গোপালগঞ্জ রুটের বাসে চলাচলকারী ভাড়া দাঁড়াবে ৫০৪ টাকা ২১ পয়সা। একইভাবে ঢাকা-গোপালগঞ্জ-খুলনা রুটের বাসে যাত্রী প্রতি ভাড়া ৬৪৯ টাকা ৩৬ পয়সা, ঢাকা-জাজিরা-শরীয়তপুর রুটের বাসে ভাড়া ২১৮ টাকা ৫৩ পয়সা, ঢাকা-বরিশাল-পিরোজপুর রুটের বাসে ভাড়া ৫৩৪ টাকা ২০ পয়সা, ঢাকা-গোপালগঞ্জ-পিরোজপুর-বাগেরহাট রুটের ভাড়া ৬২৮ টাকা ২৫ পয়সা, ঢাকা-বরিশাল-পটুয়াখালী রুটের ভাড়া ৫০১ টাকা ৫২ পয়সা, ঢাকা-ভাঙ্গা-মাদারীপুর রুটের ভাড়া ৩২৭ টাকা ৫০ পয়সা, ঢাকা-গোপালগঞ্জ-খুলনা-সাতক্ষীরা রুটের ভাড়া ৬৩৩ টাকা ৫ পয়সা, ঢাকা-ভাঙ্গা-ফরিদপুর রুটের ভাড়া ২৮৮ টাকা ৩৯ পয়সা, ঢাকা-মাদারীপুর-বরিশাল-ভোলা-চর ফ্যাশন রুটের ভাড়া ৬৫৩ টাকা ৮৬ পয়সা, ঢাকা-বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতু-শরীয়তপুরের ভাড়া ২১৯ টাকা ৮৮ পয়সা এবং ঢাকা-মাদারীপুর-বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা রুটে যাত্রীপতি বাস ভাড়া দিতে হবে ৬৯৪ টাকা ২৯ পয়সা।

বিআরটিএর পরিচালক (প্রকৌশল) শীতাংশু শেখর বিশ্বাসের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বাসগুলোর ঢাকার স্টেশন ধরা হয়েছে সায়েদাবাদ। অর্থাৎ এখান থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসগুলোর ক্ষেত্রে এ ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের জন্য সরকার নতুন করে টোল আরোপ করলে বাস ভাড়া আবার বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আরও খবর



শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে অটল ডিআইএ, সংকট জনবলের

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নানান অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। এতে রোধ হচ্ছে সরকারের মোটা অংকের টাকা অপচয়। কোনো শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পেলেই সোচ্চার হয় সংস্থাটি। কিছু বিষয়ে অটোমেশন চালু করায় অনেক সমস্যা মিটলেও এখনো রয়েছে লোকবল সংকট। জনবল বাড়ানো ও কর্মকর্তাদের সময়পোযোগী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে কাজের গতি আরও বাড়বে বলে মনে করেন সংস্থাটির পরিচালক অধ্যাপক অলিউল্লাহ মো. আজমতগীর।

জানা যায়, জালিয়াতি করে চাকরির মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাৎ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক অনিয়ম, জমি বেহাত হওয়া চিহ্নিতকরণ, ভুয়া শিক্ষক-ছাত্র শনাক্ত, আয়-ব্যয়ের হিসাব ও অর্থ আত্মসাতের তথ্য-প্রমাণ চিহ্নিতকরণ, এক শিক্ষকের একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ আদায় চিহ্নিতকরণ, নির্ধারিত সময়ের আগে উচ্চতর স্কেল গ্রহণ বন্ধসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা ধরনের অনিময়-দুর্নীতি বন্ধে কাজ করছে ডিআইএ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ডিআইএ থেকে এ পর্যন্ত ১১শ ৫৬ জন শিক্ষকের ভুয়া সনদ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব শিক্ষক অবৈধভাবে নিয়েছেন সাড়ে ৪০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০ শতাংশ শিক্ষকের কাছ থেকে সে অর্থ আদায় করা সম্ভব হয়েছে। কেউ কেউ সাধারণ ক্ষমায় পার পেয়েছেন। বাকিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ডিআইএ’র যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকার জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একমাত্র প্রতিষ্ঠান ডিআইএ। এ প্রতিষ্ঠানকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘চোখ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ডিআইএর তদন্তের মাধ্যমে সব ধরনের স্কুল-কলেজের অনিয়ম প্রকাশ পাচ্ছে।

‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায় যারা বিধিবর্হিভূত কাজ করছে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে তথ্য-প্রমাণসহ ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করছি। এর মাধ্যমে সরকারি তহবিলের অর্থ অপচয় রোধ হচ্ছে।’

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আইন শাখার উপ-পরিচালক মোহম্মদ লিয়াকত আলী জাগো নিউজকে বলেন, নিয়ম অনুযায়ী অপরাধীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হয়। সেজন্য ডিআইএ থেকে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ পাঠালে সেটি একজন অতিরিক্ত সচিবের সমন্বয়ে শুনানি করা হয়। সেখানে কেউ নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারলে তাকে সাধারণ ক্ষমা করা হয়। এ পদ্ধতির ব্যত্যয় ঘটালে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে মামলা করতে পারেন।

জানা যায়, সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাকে পাঁচ-ছয় বছর আগে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহির আওতায় আনতে পরিদর্শন কাজ ডিজিটালাইজ করা হয়। এতে তদন্ত কাজে বাড়ে গতি। তবে উদ্যোগ নিয়েও তহবিলের অভাবে জোড়া পরিদর্শন (পেয়ার ইন্সপেকশন) চালু করতে পারেনি। এটি চালু করা গেলে প্রতিবছর সব প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা সম্ভব হতো।

বর্তমানে সংস্থাটির জনবলের অভাব আছে। চার দশক আগে মাত্র সাড়ে সাত হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের জন্য এ সংস্থায় যে জনবল ছিল, বর্তমানে ৪০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যও সেই একই সংখ্যক জনবল আছে। এ কারণে সংস্থাটি বছরে গড়ে দেড় থেকে দুই হাজার প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করতে পারছে। ফলে একটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে আসার পর দ্বিতীয়বার যেতে সময় লেগে যাচ্ছে অন্তত ১০ বছর।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ২০১২ সালে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এ সংস্থাটি পরিদর্শন করেছিল। ১০ বছর পর আবার সেখানে এ সংস্থার একটি টিম তদন্ত কাজ চালাচ্ছে। গত ১০ বছরে এ সংস্থার বিরুদ্ধে অবৈধ ভর্তি, জাল সনদে পদোন্নতিসহ বিস্তর অভিযোগ উঠেছে।

বিভাগভিত্তিক ভুয়া সনদ ও অর্থ আদায়ের সুপারিশ
ডিআইএর অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০১৩ সাল থেকে ২০২২ সালের মে মাস পর্যন্ত সারাদেশে মোট ১ হাজার ১৫৬ জন শিক্ষকের জাল সনদ চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতায় ঢাকা বিভাগের ২৫৬ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ৪৪ জন, রাজশাহীতে ৩২৩ জন ও খুলনার রয়েছেন ১৯৪ জন।

মাদরাসা ও কারিগরি বিভাগের আওতায় ঢাকা বিভাগে ১১০ জন, চট্টগ্রামে ৫২ জন, রাজশাহীতে ১২০ জন, খুলনায় ৫৭ জনসহ মোট ৩৩৯ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিমাসে মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার (এমপিও) বাবদ গ্রহণ করা ৪০ কোটি ৬৯ লাখ ৭৬ হাজার ৩৬২ টাকা আদায় করতে সুপারিশ করা হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। এসব শিক্ষকের মধ্যে একাডেমিক, এনটিআরসিএ, কম্পিউটার, কৃষি, বিশেষায়িতসহ বিভিন্ন ধরনের সনদ জাল প্রমাণিত হয়েছে বলে জানা যায়।

ডিআইএ পরিচালক অধ্যাপক অলিউল্লাহ মো. আজমতগীর জাগো নিউজকে বলেন, শুরুতে দেশের সাড়ে ৭ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ডিআইএ প্রতিষ্ঠা হলেও বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার প্রতিষ্ঠান নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান বাড়লেও সে অনুযায়ী জনবল বাড়ানো হয়নি। অবকাঠোমো সমস্যার কারণে জরুরি ফাইল রাখারও জায়গা হচ্ছে না। এতে তদন্ত তৈরি হয়েছে কাজে ধীরগতি।

‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বহুমাত্রিক অনিয়ম রোধে আমাদের পরিদর্শকরা কীভাবে কাজ করবেন সে বিষয়ে ভালো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই। অন্যান্য দেশে কীভাবে পরিদর্শন-তদন্ত করা হচ্ছে সেটি দেখা সম্ভব হলে পরিদর্শকরা আরও অভিজ্ঞ হয়ে উঠবেন। আমাদের কাজের গতি বাড়াতে একটি অটোমেশন সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছে। এটি পুরোদমে কার্যকর হলে পরিদর্শকরা কাউকে ছাড় দেওয়া বা অবহেলা করার সুযোগ পাবেন না। শিক্ষা প্রশাসনের সবাই ডিআইএর কাজ যে কোনো স্থান থেকে মনিটরিং করতে পারবেন।’

পরিচালক আরও বলেন, বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ হয়। এসব শিক্ষকদের সুপারিশ করার আগে তাদের সনদ যাচাই-বাছাই করলে জাল করার সুযোগ থাকবে না। সেক্ষেত্রে ডিআইএ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও একাডেমিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখবে। কাজের গতি অনেক বাড়বে। জাল সনদ চিহ্নিত কারণে কর্মকর্তাদের বেশি সময় নষ্ট হচ্ছে।


আরও খবর