Logo
আজঃ Friday ০২ December 2০২2
শিরোনাম

নাসিরনগরে গোয়াল নগরে দুই গোষ্টিরটেটা যুদ্ধে প্রায় ৪০ জন আহত

প্রকাশিত:Wednesday ১৬ November ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০২ December 2০২2 | ১১২জন দেখেছেন
Image

মোঃ আব্দুল হান্নান নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ-

ব্রাহ্মণবড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের গোয়াল নগর গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে টেটা যুদ্ধে দুই পক্ষের অন্তত  ৪০ জন আহত  হয়েছে। আহতদেরকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ও চিকিৎসা করানো হয়েছে।


আহদের মাঝে   কয়েকজনকে  আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। জানা গেছে, উপজেলার গোয়ালনগর  গ্রামের  মাসুক মেম্বারেরগোষ্ঠী ও রফিক মাঝির  গোষ্টির লোকদের মাঝেে ফেসবুকে পাল্টা পাল্টি লেখা লেখি - তর্ক- বিতর্ক এক সময় চরম পর্যায়ে পৌছে।এই নিয়ে কয়েকদিন ধরে দুই গোষ্টির মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিলো।


স্থানীয় চেয়ারম্যান ও সর্দারগণের হস্তক্ষেপেও এর কোন সুরাহা হয়নি।সোমবার সকালে উভয় গোষ্ঠির  লোকজন লাঠি, বল্লম, টেটা নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৪০ জন হতাহত হয়। এ সময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

ঘটনাস্থলে নাসিরনগর চাতলপাড় তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ উপস্থিত হয়ে তিন ঘন্টা ব্যাপী টেটা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। 


সংর্ঘষের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য মোঃ মাসুক মিয়া জানায়, রফিক মিয়া ও মোঃ পুরুক মিয়া আমার সাথে  নির্বাচনের লড়ে ফেল করে এর পর  থেকেই তারা আমাদের সাথে ঝগড়া করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। মোঃ মাসুক মিয়া জানান,তাদের মাঝে আহত রিপন, মোতাকাব্বির এমরান,মতিন কে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ও মোতাকাব্বিরকে ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। 


রফিক মাঝির লোকজনের সাথে একাদিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গোয়াল নগর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আজহার উদ্দিন এ প্রতিনিধিকে বলেন,উভয় পক্ষের মাঝে পূর্ব থেকেই বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমা চলে আসছিল।মামলা মোকদ্দমার জের ধরে তাদের দুই গ্রুপের মাঝে মনোমালিন্য ও চলছিল।তাছাড়া ও এক পক্ষের লোক অন্য পক্ষের লোকের বিরোদ্ধে ফেসবুকে লেখালেখিও করছিল।


তাছাড়াও ঘটনার দুই দিন আগে রফিক মাঝির লোকজনে মাসুক মেম্ভারের ভাই  মোঃ সমসু মিয়াকে রাস্তা দিয়ে আসার সময় তার উপরে হামলা চালিয়ে একটি হাত ভেঙ্গে দেয়।এ সমস্ত কারনে পরে দুই পক্ষের মাঝে সংর্ঘষ বাধে।


নাসিরনগর থানার পুলিশ পরিদর্ষক তদন্ত আ,স,ম আতিকুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি বলেন ওই এখনো কোন মামলা হয়নি।

তবে আমারা পক্ষদের সাথে যোগাযোগ করেছি।তারা বলেছেন সন্ধ্যার পর তারা এজাহার নিয়ে থানায় আসবে।তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে কয়েকজনকে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর