Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

নাসিরনগরে ফসলী জমি থেকে গৃহবধুর রক্তাক্ত লাশ উদ্বার

প্রকাশিত:শনিবার ২০ জানুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩০৯জন দেখেছেন

Image

মোঃ আব্দুল হান্নান:-

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরে জমি থেকে শান্তা আক্তার (২৩)নামের এক গৃহবধূর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শান্তার পরিবারের দাবি, শান্তাকে তাঁর স্বামী হত্যা করেছে। শুক্রবার বিকেল অনুমান ৩ ঘটিকার সময় উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাসিরপুর গ্রামের ফসলি জমি থেকে শান্তার মরহেদ উদ্ধার করা হয়।শান্তা পূর্বভাগ ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের মিনহাজ মিয়ার স্ত্রী ও  দাতমণ্ডল গ্রামের শিরু মিয়ার মেয়ে। তবে শান্তার স্বামী মিনহাজের দাবি, সে এ বিষয়ে কিছুই জানে না।


তবে শান্তার পরিবারের দাবি, শান্তাকে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করেছে তার স্বামী মিনহাজ।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছয় বছর আগে মিনহাজের সাথে শান্তার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের ঘরে দুটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই মিনহাজ যৌতুকের জন্য শান্তাকে মারধর করতেন। বিভিন্ন সময় পরিবারের কাছে যৌতুকের টাকাও দাবি করতেন। টাকা না দিলে শান্তাকে মানষিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। এ নিয়ে আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মিনহাজের বিরুদ্ধে মামলাও করেন শান্তা।


সম্প্রতি আদালত শান্তার পক্ষে রায় দেন এবং ৭ লাখ টাকা জরিমানাও করেন মিনহাজকে। এ নিয়ে মিনহাজ শান্তার প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন।জানা গেছে, বুধবার শান্তার চাচি মারা যান। এ সময় শান্তাদের বাড়িতে আসেন মিনহাজ। তিনি শান্তাকে মামলা তুলে নিতে বলেন এবং তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করবেন বলে শান্তা ও তার পরিবারকে আশ্বস্ত করেন। পরদিন বৃহস্পতিবার স্বামীর বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ঘর থেকে বের হন মিনহাজ ও শান্তা। পর দিনই শান্তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।


শান্তার মা নাসিমা বেগম বলেন, ‘আমার মেয়েরে যৌতুকের টাকার জন্য মেরে ফেলেছে। আমরা না করছিলাম স্বামী মিনহাজকে যেন বিশ্বাস না করে। আমি আমার মেয়ে হত্যা বিচার চাই।’নাসিরনগর থানার ওসি সোহাগ রানা জানান লাশের মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়েছে। গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল। তার বুকের ওপর পায়ের ছাপ দেখতে পাওয়া গেছে। দেখে মনে হচ্ছে এটি হত্যা। তদন্তের প্রয়োজনে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রূপগঞ্জে বিয়ে বাড়ির কনেকে উঠিয়ে নিতে প্রেমিকের স্বসস্ত্র হামলা,আহত-৮

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৮জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিয়ের আসর থেকে কনেকে উঠিয়ে নিতে প্রাক্তন প্রেমিক কাউসার তার বাহিনী নিয়ে বিয়ের আসরে স্বসস্ত্র হামলা ভাংচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় কাউসারসহ তার লোকজন বরপক্ষের গাড়ি ভাংচুৃর করে তাদেরকে মারধর করে কনের বাড়ি থেকে বের দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।এসময় হামলায় বরপক্ষ ও কনেপক্ষের হামলায় অন্তত ৮ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবার বিকেলে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের বলাইখা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বর্তমানে কনের পরিবার চরম  নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে।কনের বাবা মহিউদ্দিন হাজী জানান, ভুলতা ভায়েলা এলাকার কাউসার নামে এক যুবক তার মেয়ে সাদিয়া আক্তারকে (১৮) দীর্ঘদিন উত্তক্ত করে আসছিল। কাউসার ভুলতা এলাকায় ফুটপাত থেকে চাঁদাবাজি করে বেড়ায়। কাউসারের যন্ত্রনায় অতিষ্ট হয়ে মহিউদ্দিন তার মেয়ে সাদিয়াকে বিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত নেন।বুধবার দুপুরে মহিউদ্দিনের বাড়িতে ঘরোয়াভাবে বিয়ের আয়োজন করা হয়। সাদিয়ার বিয়ের খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে কাউসার ও তার লোকজন পিস্তলসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালিয়ে সাদিয়াকে জোর পূর্বক উঠিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়।

পরে পরিবারের লোকজন তাদেরকে বাঁধা প্রদান করলে তারা হুমকি ধামকি দিয়ে চলে যায়। বুধবার বিকেলে বরযাত্রী কনের বাড়িতে এসে বিয়ের কার্যক্রম শুরু করতে থাকেন। এসময় কাউসার ও তার বাহিনীর লোকজন পিস্তল ও রামদা, ছেনদাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বরযাত্রীর উপর অতকির্ত হামলা চালিয়ে তাদের মারধর করতে থাকে। বরপক্ষকে বাচাঁতে কনের বাড়ির লোকজন এগিয়ে আসলে কাউসার বাহিনী হামলায় পনির, নিপা আক্তার, বৃষ্টিসহ মোট ৮ জন আহত হয়।পরে হামলাকারীরা বরপক্ষের লোকজনকে মারধর করে কনের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

এসময় হামলাকারীরা বিয়ের বাড়িতে রান্না করা খাবার ফেলে দেন ও ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। বর্তমানে মহিউদ্দিন তার মেয়ে ও তার পরিবার নিয়ে চরমা নিরাপত্তাহীনতায় বসবাস করছে। বুধবার রাতে মহিউদ্দিন রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিতে যেতে চাইলে কাউসার ও তার লোকজন তাদের হুমকি ধামকি প্রদান করেন।স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর আগে সাদিয়ার সঙ্গে কাউসারের প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও এখন নেই। সম্পর্ক না রাখার কারণে কাউসার সাদিয়াকে বিভিন্নভাবে উত্তক্ত করে আসছিল। কাউসার ভুলতা এলাকায় গাউছিয়া মার্কেটের সামনে ফুটপাত থেকে চাঁদাবাজি করেন।

কাউসার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলামিন হোসেনের শেল্টারে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কাউসার যুবলীগ নেতা আলামিনের নিয়ন্ত্রণে থাকা ফুটপাতের চাঁদাবাজির টাকা উঠানোর কাজ করেন বলে স্থানীয়রা জানান।এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কাউসার বলেন, সাদিয়ার সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে বরযাত্রীদের উপর হামলা ঘটনা মিথ্যা।

এ ব্যাপারে আমার জানা নেই।এ ব্যাপারে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলামিন হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেস্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।এ ব্যাপারে ভুলতা ফাড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ধরনের ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মেয়ের পরিবারের লোকজন লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নির্বাচনে জনগণ ও গণতন্ত্রের জয় হয়েছে: সংসদে রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আয়োজনকে যুগান্তকারী ঘটনা।

তিনি বলেন, জনগণের রায় মেনে নিয়ে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের গণতন্ত্রের জন্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন অত্যন্ত যুগান্তকারী ঘটনা, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় হয়েছে দেশের জনগণের, জয় হয়েছে গণতন্ত্রের।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণের শুরুতে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। এসময় তিনি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, নির্বাচন ঘিরে একটি মহল সহিংসতা ও সংঘাত সৃষ্টি করে গণতন্ত্রের শান্ত-স্নিগ্ধ যাত্রাপথে বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছিল। তাদের গণতন্ত্র বিরোধী ও সহিংস কর্মকাণ্ড সাময়িকভাবে জনগণকে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে রাখলেও ভোটারদের ভোটদান থেকে বিরত রাখতে পারেনি। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ও সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্যই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সব পদক্ষেপ সার্থক হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন বর্জনকারী দলগুলো সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করেছে। আমি আশা করি, ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো সহিংসতা ও নৈরাজ্যের পথ পরিহার করে সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণ ও গণতন্ত্রের কল্যাণে অহিংস পন্থায় গঠনমূলক কর্মসূচি পালন করবে। সরকারও এক্ষেত্রে সংযত আচরণ করবে- এটাই সবার প্রত্যাশা।

২০০১ সালের নির্বাচন পরবর্তী দেশে যে নৃশংস সহিংসতা হয়েছিল তাকে ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়’ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে আমাদের হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছিল। কিন্তু ২০০৮ সালের নির্বাচনসহ পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত সকল নির্বাচনে সহিংসতার পুনরাবৃত্তি থেকে মুক্তি পেয়েছি।

এ সময় রাষ্ট্রপতি ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্টের বর্বর হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায় উল্লেখ করে নিহত বঙ্গবন্ধু পরিবারের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেন।


আরও খবর



হাজারীবাগে বন্ধুর বাসায় প্রেমিকার রহস্যজনক মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪০জন দেখেছেন

Image

শফিক চৌধুরীঃরাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় বন্ধুর বাসায় প্রেমিকার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ওই তরুণীর নাম রোকসানা আক্তার রুহি (১৯)। তিনি পার্লার ও বিভিন্ন ক্লাবে কাজ করতেন। 

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় মো. রিফাত নামে বর্তমান ও সাবেক প্রেমিক শাওনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

রিফাত বলেন, রুহি বিউটি পার্লার ও বিভিন্ন ক্লাবে কাজ করতো।

বাসার মালিক আরমান বলেন, রাত এগারোটার দিকে আমার বাসায় মাতাল অবস্থায় রুহিকে নিয়ে আসে রিফাত। পরে সকালে অচেতন অবস্থায় আমিসহ রিফাত ও রুহির সাবেক প্রেমিক শাওন মিলে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, নিহতের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানা এলাকায়। বর্তমানে তিনি ধানমন্ডি ১৫ নম্বর রোডের ৩০৭/এ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলায় থাকতেন।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে। 

তিনি বলেন, আমাদের ধারণা অতিরিক্ত মধ্যপান ও উত্তেজনাক‌র কিছু খেয়ে ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় রিফাত আরমান ও শাওনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে হাজারীবাগ থানা হস্তান্তর করা হয়েছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পুনম পাণ্ডে মারা গেছেন!

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক:ভারতীয় অভিনেত্রী পুনম পাণ্ডে মারা গেছেন। তার ইনস্টাগ্রামে খবরটি নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, জরায়ু ক্যানসারে মৃত্যু হয় অভিনেত্রীর।

ইনস্টাগ্রামে লেখা হয়েছে, ‘আজ সকালটা আমাদের জন্য কঠিন। আপনাদের গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমরা আমাদের প্রিয় পুনমকে সার্ভিকাল ক্যানসারে হারিয়েছি। দুঃখের এই সময়ে, আমরা আপনাদের কাছে সবরকম গোপনীয়তার জন্য অনুরোধ করব। আমরা স্নেহের সঙ্গে ওকে স্মরণ করব।’

কখন-কোথায় মারা গেছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি ওই লেখায়। তবে হঠাৎ এমন খবরে বিস্মিত নেটিজেনরা। এর সত্যতা নিয়েও সন্দিহান তারা। ধারণা করা হচ্ছে, অভনেত্রী ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে।

বর্ণময় জীবন পুনমের। বরাবরই গোপন উন্মাদনা তাকে নিয়ে। পোশাক থেকে অঙ্গভঙ্গি বিভিন্ন কারণে বার বার তিনি উঠে এসেছেন শিরোনামে। সাহসী পোশাকে লাইভে আসা, কিংবা মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে স্বামীর নামে নির্যাতনের অভিযোগ আনায়, সবসময় চর্চায় ছিলেন পুনম। এবার অভিনেত্রীর মৃত্যু খবরেও তোলপাড় নেটদুনিয়া।

কয়েক সপ্তাহ আগে, পুনম পাণ্ডে হঠাৎ করে মালদ্বীপের একটি শুটিং বাতিল করে শিরোনামে এসেছিলেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট শেয়ার করেছিলেন, যেখানে তিনি দেশটির প্রতি নিজের ভালোবাসা জাহির করেছিলেন। সঙ্গে জানান, সেখানে আর শুটিং করতে যেতে চান না তিনি। বরং যেতে চান লাক্ষাদ্বীপে, দেশের প্রতি নিজের ভালোবাসার কারণে।

২০১৩ সালে ‘নাশা’ দিয়ে বলিউডে পা রেখেছিলেন পুনম পাণ্ডে। তবে সাহসী, খোলামেলা অভিনয়ের কারণে কিছুদিনের মধ্যেই তার গায়ে সেঁটে যায় ‘অ্যাডাল্ট স্টার’র তকমা।


আরও খবর

ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ৭ম বর্ষপূর্তি

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




সাবেক সংসদ সদস্য শামসুল হক ভূঁইয়া আর নেই

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়, চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ড. মুহাম্মদ শামসুল হক ভূঁইয়া মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।

তিনি স্ত্রী বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. আনোয়ারা হক, এক ছেলে ও একমেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন এবং রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।

ড. মুহাম্মদ শামসুল হক ভূঁইয়া ১৯৪৮ সালের ১ জুলাই চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের কাউনিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পড়াশোনা শেষে তিনি প্রকৌশলী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি ২০০৫ সালে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোনীত হয়ে এক যুগ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু সমাজকল্যাণ পরিষদের প্রতিষ্ঠিাতা ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সময়ে তিনি আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ২০১৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চাঁদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে চাঁদপুর-৩ এবং চাঁদপুর-৪ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে দেশব্যাপী ব্যাপকভাবে আলোচিত হন শামসুল হক ভূঁইয়া।

ড. মুহাম্মদ শামসুল হক ভূঁইয়া স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান কাউনিয়া শহীদ হাবিব উল্যা উচ্চ বিদ্যালয় এবং উপজেলার একমাত্র অনার্স কলেজ গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রতিষ্ঠাতা।


আরও খবর