Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

নাসিরনগরে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী সহ ৮ আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

প্রকাশিত:Friday ২৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৫৯৪জন দেখেছেন
Image


মোঃ আব্দুল হান্নানঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর থানা পুলিশ ২৮ জুলাই ২০২২ তারিখ রাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মাদক মামলার ১০ বছরের সাজা প্রাপ্ত পলাতক আসামী সহ ৮ গ্রেপ্তারী পরোয়ানাভুক্ত আসামীকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন।


গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন,জেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের  জিলু মেম্ভারের ছেলে আরজান মিয়া।তার বিরোদ্ধে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার জি,আর ৯০/১৮ মাদক মামলার ১০ বছরের সাজা রয়েছে।


আরজান এতদিন পলাতক ছিলেন।তাছাড়াও বুড়িশ্বর ইউনিয়নের প্যাচা বাড়ির মৃত ফালান ফকিরের ছেলে সিআর-৮১/২২ মামলার আসামী লিয়াকত আলী, ও সাদ্দাম মিয়া, সিআর২৩৯/২২ মামলার আসামী হালিমা বেগম, স্বামী-মইন উদ্দিন, সাং-ধরমন্ডল, সিআর-৬৫/২২ মামলার আসামী মোশারফ হোসেন, পিতা-মৃত রইছ আলী, মাসুক মিয়া, পিতা-মৃত রমজ আলী,হুসনা বেগম, স্বামী-মর্তুজ আলী, মগবুলপুর,ও সিআর ৩২২/২০ মামলার আসামী নাসিমা বেগম, স্বামী-রাজিব মিয়া, সাং-নুরপুরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে নাসিরনগর থানা পুলিশ।


আরও খবর



উচ্চতায় বুর্জ খলিফাকে হার মানাবে ‘স্কাই মাইল টাওয়ার’

প্রকাশিত:Friday ২২ July 20২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

যদি বলা হয়, বিশ্বের উচ্চতম স্থাপনা কী? চোখ বুঝেই বলা যায়, দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা অথবা চীনের সাংহাই টাওয়ার। তবে এবার মনে হয়, সেই দিন ফুরাতে চলেছে। কারণ জাপান এমন একটি টাওয়ার নির্মাণ করতে যাচ্ছে যা হবে বিশ্বের সবচেয়ে উচ্চতম ভবন।

এই টাওয়ারের নাম করা হয়েছে ‘স্কাই মাইল টাওয়ার’। এর উচ্চতা ১ হাজার ৭০০ মিটার (৫ পাঁচ হাজার ৫৭৭ ফুট)। উচ্চতার নিরিখে বুর্জ খলিফাকেও পার করবে স্কাই মাইল। কারণ বুর্জ খলিফার উচ্চতা ২ হাজার ৭১৭ ফুট।

Sky-Mile-Tower

এই টাওয়ার নির্মাণ হবে জাপানের রাজধানী টোকিওতে। বিশ্বের অন্যতম স্থাপত্য নির্মাণ সংস্থা কোহন পেডেরসেন ফক্স অ্যাসোসিয়েটস এই টাওয়ার তৈরি করবে।

টাওয়ারের ইঞ্জিনিয়ার লেসলি ই রবার্টসন। এর আগেও বহু বিখ্যাত ইমারত নির্মাণের সঙ্গে তার নাম রয়েছে। হংকংয়ের ব্যাঙ্ক অব চায়না টাওয়ার থেকে শুরু করে সাংহাই ওয়ার্ল্ড ফিন্যান্সিয়াল সেন্টার, কুয়ালালামপুরের পিএনবি ১১৮ এগুলো রবার্টসনের পরিকল্পনায় হয়েছে।

তবে এই টাওয়ার নির্মাণের জন্য কোনো জমি খুঁজে পাওয়া যায়নি টোকিওতে। তাই দেশটির সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সমুদ্রে কৃত্রিম দ্বীপপুঞ্জ তৈরি করে তার ঠিক মাঝখানে এই টাওয়ারটি বানানো হবে।

Sky-Mile-Tower

এই দ্বীপপুঞ্জে পাঁচ লাখ মানুষ থাকতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। আর টাওয়ারে রেস্তরাঁ থেকে শুরু করে জিম, শপিং মল, হাসপাতাল, হোটেল, লাইব্রেরির ব্যবস্থাও থাকবে।

তবে সমুদ্রের মাঝে এত উঁচু টাওয়ার তৈরি করতে অনেক সমস্যার মুখে পড়তে হবে। আর সে সব সমস্যা মোকাবিলায় পরিকল্পনাও করা হয়েছে।

উচ্চতা বেশি হওয়ায় ঝোড়ো হাওয়ার হাত থেকে বাঁচতে টাওয়ারটি বানানো হবে ষড়ভুজ আকারে।

Sky-Mile-Tower

তবে বড় সমস্যা যেটা, সেটা হলো এতো ওপরে পানি পৌঁছনো। এজন্য টাওয়ারের ভেতরে পানি রাখার বিশেষ ব্যবস্থা করে রেখেছেন রবার্টসন।

পরিকল্পনা মাফিক ২০৩০ সাল থেকে শুরু হবে এর নির্মাণকার্য। ২০৪৫ সালের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে সে পর্যন্ত বুর্জ খলিফাই বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন হিসেবে থেকে যাবে।


আরও খবর



সরকারের কাছে মানিলন্ডারিংয়ের তথ্য নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
Image

তারা (বিদেশিরা) মানিলন্ডারিং এবং সুইস ব্যাংকে টাকা পাচার করার কথা বলে। আমরা বললাম, কারা পাচার করেছে? কিন্তু তারা তথ্য দিলো না। তারা বলে, প্রাইভেট সেক্টরের তথ্য দেওয়া যাবে না। তারা আসলে মানিলন্ডারদের সাপোর্ট করে।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে ‘আমাদের টাকায় আমাদের পদ্মা সেতু’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

মন্ত্রী বলেন, বিদেশিরা কিছু বললেই লাফালাফি করার সুযোগ নেই। যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন, মামলা খেয়েছেন, দুর্নামের ভাগিদার হয়েছেন তাদের পুরস্কৃত করা উচিত। তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত। যারা অভিযোগ তুলেছিলেন, তাদেরই এই ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতু কেবল দুই পাড়কে এক করার সেতু নয়, এটা দেশের আত্মবিশ্বাস ও সক্ষমতা গড়ার সেতু। এটি নির্মাণের শুরুতে দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু তা কানাডার আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। করাপশন (দুর্নীতি) সম্পর্কে ঢালাই অভিযোগ আসলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না- এটি আজ প্রমাণিত।

মোমেন বলেন, পদ্মা সেতু আমাদের গর্ব, আত্মপ্রত্যয়ের প্রতীক। তাই বিদেশিরা কিছু বললেই লাফালাফির কিছু নেই। বিদেশিদের সব পরামর্শ গ্রহণ করার প্রয়োজনও নেই। এই শিক্ষা আমরা পদ্মা সেতু থেকে শিখেছি। এটি সারা বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়িয়ে চলছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, এই সেতু তৈরি করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন, তা অজানাই রয়েছে। এজন্য জাতীয় সংসদে এ নিয়ে আলোচনা হয়। জাতীয় সংসদ ও বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানানো হয়।

স্পিকার বলেন, বড় উদ্যোগে এ ধরনের প্রকাশনা সবসময় প্রয়োজন আছে। পদ্মা সেতু নির্মাণের পেছনের গল্পগুলো সবারই জানা উচিত। কী কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এগিয়েছেন, এগুলো জানতে হবে।

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বিশ্বব্যাংক নিজেরাই অভিযোগ তুলে তা তদন্ত করতে চেয়েছিলো। আমি তা নাকচ করে বলি, এটি একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন দেশ। এখানকার নিজস্ব আইন ও বিচারব্যবস্থা আছে। এরপর তারা তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করতে চাইলো। আমি সেটাও নাকচ করি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেন, পদ্মা সেতুতে রাজনীতি এত বেশি প্রবল ছিল যে, টেকনিক্যাল জটিলতার কথা কেউ দেখার প্রয়োজন বোধ করেননি। দেশি বিশেষজ্ঞরা সবকিছু সামলেছেন। এই সেতু নিয়ে এই আলোচনা বহুদিন জারি থাকবে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সবার সম্মিলিত চেষ্টায় সবচেয়ে দুরূহ কাজটি সম্পাদন করা সম্ভব হয়েছে। সে সময় একজন লোকও ছিলো না, যারা পদ্মা সেতুকে লাভজনক বলেছে। তারা সঠিক ছিলো না। সবাই বুঝে বিরোধিতা করেনি, শুধু এগিয়েছে ধারণার ওপর।

বিশেষজ্ঞ বক্তব্যে অধ্যাপক শামসুল হক বলেন, ধার করা অর্থে টেকসই উন্নয়ন হয় না। নিজস্ব অর্থায়নে, নিজেদের জ্ঞান ও বুদ্ধির বদৌলতে এ দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।

চন্দ্রাবতী একাডেমি প্রকাশিত এ বইটিতে শিক্ষাবিদ, সংবাদকর্মী, প্রকৌশলী বিশেষজ্ঞ ও নির্মাণসংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট লেখকদের ৬৭টি লেখা, গুরুত্বপূর্ণ ছবি ও তথ্য-উপাত্ত স্থান পেয়েছে। বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে পদ্মা সেতুর স্বপ্নদ্রষ্টা ও মূল রূপকার বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্পাদিত বইটির প্রচ্ছদ, শিল্পী ও নাম ঠিক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই।


আরও খবর



জাতীয় পরিষদের সাংবিধানিক রূপ দেওয়ার দাবি মুক্তিজোটের

প্রকাশিত:Monday ১৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

জাতীয় পরিষদের সাংবিধানিক রূপ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট। দলটির দাবি এই পদ্ধতির মাধ্যমে পরমত সহিষ্ণুতার গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ফিরে পেতে পারে।

সোমবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের সঙ্গে সংলাপ শেষে এ কথা জানান মুক্তিজোট পরিচালনা বোর্ড প্রধান মো. শাহজামাল আমিরুল।

তিনি বলেন, জাতীয় পরিষদের সাংবিধানিক রূপ দেওয়ার মধ্য দিয়ে কেবল এদেশ গৃহযুদ্ধের শঙ্কা থেকে মুক্ত হতে পারে। স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ হয়ে উঠতে পারে গণতান্ত্রিক বিশ্বের পথিকৃৎ। দুটো দল না থাকলে বিরাজনীতিকরণ কিংবা একটি দল না থাকলে অপর দলটির জন্য এক দলীয় শাসন; সব অর্থেই রাজনীতিহীনতার প্রতিরোধে জাতীয় পরিষদ পাস করার মধ্য দিয়ে অনবদ্য বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা কী শ্রেয় নয়?

লিখিত বক্তব্যে মো. শাহজামাল আমিরুল আরও বলেন, পরমত সহিষ্ণুতা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি হিসেবে নির্দিষ্ট হলেও গণতন্ত্র বা বহুদলীয় ব্যবস্থা স্থিতিশীলতা লাভ করে কেবল প্রাতিষ্ঠানিকতার মধ্যে দিয়ে। যেখানে এই প্রাতিষ্ঠানিকতার দিকটি গড়ে ওঠে না সেখানেই গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা অস্থিতিশীল হয়ে থাকে এবং যথারীতি পরমত সহিষ্ণুতা তথা রাজনৈতিক দলসমূহের পারস্পরিক বিশ্বাস-আস্থার দিকটা এগুতে পারে না।


আরও খবর



৪ লাখ ট্যাব ব্যবহারে দ্রুত সময়ে জনশুমারি প্রকাশ: এমএ মান্নান

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, চার লাখ ট্যাব ব্যবহার করে চার লাখ তরুণ-তরুণী সারাদেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্ভুলভাবে জনশুমারির ফল প্রকাশ করতে পেরেছি।

বুধবার (২৭ জুলাই) নগরীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় বিবিএস-এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত প্রথম ‘ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২’ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এ তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

এম এ মান্নান বলেন, সারাদেশ থেকে তথ্য সংগ্রহে চার লাখ ট্যাব ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৬৪টি ট্যাব নষ্ট হয়েছে। স্থানীয় শিক্ষিত তরুণ-তরুণীরা এ কাজ করেছেন। মাত্র এক সপ্তাহে এ ট্যাবের মাধ্যমে তথ্যসংগ্রহ করেছেন তারা।

বলেছিলাম এক মাসের মধ্যে এ তথ্য প্রকাশ করতে চাই। আমাদের পাঁচদিন বেশি সময় লেগেছে। আরেকটি কথা দিয়েছিলাম তথ্য গোপন রাখবো। এটা শুধু সরকারের কাছে থাকবে অন্য কোথাও প্রকাশ করা হবে না।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আপনারা যাদের ভাসমান মনে করছেন, তারা অনেকেই ভাসমান নয়। কমলাপুর রেলস্টেশন কিংবা বিভিন্ন জায়গায় যারা থাকেন— তারা একটি বাড়ি কিংবা নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে ঘুমান। তাই তাদের ভাসমান বলছি না।

জনশুমারির সময়ের নানা প্রতিকূলতার কথা তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, একটি প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে যাচ্ছিলাম। করোনা ভাইরাস, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, উত্তরাঞ্চলের বন্যা।

তিনি বলেন, জনশুমারি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়েছি। তখনই যেটা বলেছি সকালে নিয়ে গেছি বিকেলে সেটা অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী এবং তার দফতরের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।

জনসংখ্যার তত্ত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, জনসংখ্যার হার বাড়বেও একটা সময় কমে যাবে। এটাই জনসংখ্যার থিওরি। বাংলাদেশের এক সময় থেকে অর্ধেকে নেমে আসবে। একটা সময় গিয় নির্ভরশীলতার হার বেশি থাকবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন— স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। প্রাথমিক প্রতিবেদন বিষয়ক উপস্থাপনা করেন প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন।


আরও খবর



বিয়ের দাবিতে অবস্থান করা নারীকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ২

প্রকাশিত:Saturday ২৩ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেওয়া রোকসানা বেগম (৩২) নামের এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১।

শুক্রবার (২২ জুলাই) রাতে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার ভবেরচর এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন, মো. মনির হোসেন (৪৫) এবং মো. আমির হোসেন (৪০)।

শনিবার (২৩ জুলাই) সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীতে র‌্যাব-১১ সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১১ অধিনায়ক তানভীর মাহমুদ পাশা জানান, গত ১৮ জুলাই সোনারগাঁয়ের সাদিরপুর ইউনিয়নের বাইশটেকী দেওয়ান বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেওয়া এক সন্তানের জননী রোকসানা বেগমকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভিকটিমের ছোট ভাই মো. এনামুল হক (২৫) বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় হত্যা মামলা করেন।

তিনি আরও জানান, নিহত রোকসানা বেগমের বিবাহ বিচ্ছেদ হয় গত ৭/৮ বছর আগে। এরপর থেকে তিনি তার একমাত্র ছেলে শুভকে নিয়ে ছোট ভাই মো. এনামুল হকের (২৫) বাড়িতে থাকতেন। পাশাপাশি উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের বাইশটেকী গ্রামের দেওয়ান বাড়িতে জামদানি শাড়ি তৈরির কাজ করতেন। সেই সুবাদে উক্ত বাড়ির মৃত রাজু মিয়ার ছেলে মনির হোসেনের (৪৫) সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে ভিকটিম বিয়ের ব্যাপারে মনির হোসেনকে চাপ দিলে আসামি মনির তার মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়। গত ১৫ জুলাই আসামি মনিরের মেয়ের বিয়ে হলে ভিকটিম গত ১৮ জুলাই বিয়ের দাবিতে মনিরের বাড়িতে অবস্থান নেয়। এসময় মনিরের বাড়ির লোকজন তাকে একাধিকবার বাড়ির বাইরে টেনে হেঁচড়ে বের করে দেয়। ভিকটিম অনড় থাকায় মনির হোসেন, তার ভাই গোলজার, খোকন ওরফে খোকা, ছেলে রানা, মনিরের স্ত্রীসহ অন্যান্যরা ভিকটিমকে লোহার পাইপ, লাঠিসোঠা দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর যখম করে। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় ভিকটিমকে মনির হোসেন ও তার সহযোগীরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিমকে মৃত ঘোষণা করেন। ভিকটিমের মৃত্যুর সংবাদ জানার পর মনির ও তার সহযোগীরা লাশ রেখেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়।

তিনি জানান, উক্ত হত্যা মামলার তদন্তের জন্য আসামিদের তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


আরও খবর