Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগর নির্বাচন অফিস,টাকা ছাড়া মিলে না সেবা

নাসিরনগর নির্বাচন অফিস,টাকা ছাড়া মিলে না সেবা

প্রকাশিত:Saturday ২২ January 20২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ২৫১জন দেখেছেন
Image


মোঃআব্দুল হান্নান,

অফিসেরকর্মকর্তা কর্মচারী আর পাঁচ দালালে মিলেই চালাচ্ছে নাসিরনগর নির্বাচন কর্মকর্তার কার্য্যালয়। এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।দালালরা  চাইলেই  তৈরি করে দিতে পারেন নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)! ভুল সংশোধন কিংবা স্থান পরিবর্তনসহ নির্বাচন অফিসের যে কোন সেবা দিতে পারেন তারা।এমন কাজ তারা গোপনে নয়, প্রকাশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঘোষণা দিয়েই করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে।


আপনি যদি সচেতন নাগরিক হোন, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে যদি কোন সেবার আবেদন করেন, তাহলে পোহাতে হবে চরম ভোগান্তি।  কাগজে সমস্যা,কাগজে ক্রটি এমন নানা অজুহাতে আপনার কাজ আটকে থাকবে দিনের পর দিন। তবে দালালের হাতে তাদের চাহিদা মত টাকা ধরিয়ে দিলে বা  চুক্তি করলেই মিলবে সেবা। এমনই চিত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার  নাসিরনগর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের।


নির্বাচন অফিসের দালাল জাকারিয়া আহমেদ তাকের ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আইডি কার্ডের সকল সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দেন। তার স্ট্যাটাসটি হলো কারো যদি জরুরি আইডি কার্ড লাগে তবে যোগাযোগ করুন। অপর আরেকটি স্ট্যাটাসে লেখেন, আইডি কার্ড সংশোধন করে দিতে পারি, যাদের সমস্যা তারা যোগাযোগ করবেন।


ভোক্তভোগীদের অভিযোগ, নাসিরনগর নির্বাচন অফিসের নির্বাচন কর্মকর্তা ও অফিস সহকারী থেকে শুরু করে এমএলএসএস এর সাথে আর্থিক চুক্তি ছাড়া মিলে না সেবা। তাদের সহযোগী স্থানীয় বদপাঁচ দালালও রয়েছে। ওই দালালরা অফিসের আশপাশে সকাল ৯টা থেকে শুরু করে রাত ১০টা পর্যন্ত বসে থাকে। তাদের কাজ হল সেবাগ্রহীতাদের সাথে চুক্তি করে নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে পৌঁছানো।


অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি নতুন এনআইডি কার্ড করতে ২০ হাজার থেকে শুরু করে সর্বনিম্ন ৩/৪ হাজার টাকা, সংশোধনের জন্য ক্যাটাগরিভেদে পাঁচ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেন তারা। দালাল ছাড়া সরাসরি নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসরণ করে অফিস আসলে পোহাতে হয় চরম ভোগান্তি। তবে দালালের মাধ্যমে গেলেই মেলে প্রশান্তি।


সরেজমিন উপজেলা নির্বাচন অফিস ঘুরে দেখা গেছে, দুপুরের দিকে নির্বাচন অফিসের সামনে ও বিভিন্ন কক্ষের ভেতর সেবাগ্রার্থীদের প্রচুর ভিড়। এখানে সর্বত্রই উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি। কারোরই মুখে নেই কোন মাস্ক। নির্বাচন কর্মকর্তা ভিড় ঠেকাতে অফিসের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে রেখেছে। নতুন আইডি কার্ড করতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা প্রায় শতাধিক সেবাগ্রহীতাকে দেখা গেছে। এদের মধ্যে থাকা ঢাকা কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. রোকন উদ্দিন ভূইঁয়া অভিযোগ করে বলেন, আমি আমার ছেলের আইডি কার্ড করতে নির্বাচন অফিসে আসি। নির্বাচন কর্মকর্তা শতশত সেবাগ্রহীতার জন্মনিবন্ধন আটকে রেখে টাকা আদায় করে হয়রানি করছে।ঢাকা থেকে আসা গোয়াল নগর ইউনিয়নের লালুয়ারটুক গ্রামের গ্রাফিক্স ডিজাইনা জোহাম জানায়,সে ভোট উঠানোর পর প্রিন্টিং কপির জন্য অনেক দিন অফিসে ধর্না দিলেও কোন কাজ হয়নি।কিন্তু অফিসের ইমরান সাহেব কে ৪ হাজার টাকা দেয়ার ২৪ ঘন্টার ভিতরেই পেয়ে যান প্রিন্টিং কপি।ডাঃ রোকন উদ্দিন বলেন,হয়রানির কারণ জানতে চাইলে নির্বাচন অফিসার দুর্ব্যহার করে।


 এদিকে অফিস থেকে বের হওয়ার সময় চোখে পড়ে সেবাগ্রহীতা সালামের সাথে অফিসের দালাল পারভেজের টাকা লেনদেনের চিত্র। সেটি মোবাইলে ধারণ করা হয়। তখন পারভেজ এসে এ প্রতিবদেককে বলেন, আমি সালামের কাছে টাকা পাইতাম সেই টাকাই ফেরৎনিচ্ছি।


ভলাকুট ইউনিয়নের বাঘী গ্রামের বাসিন্দা শ্যামল ভৌমিক অভিযোগ করে বলেন, আমি বিদেশ যেতে দ্রুত আইডি কার্ড করতে অফিসে আসি। কিন্তু নির্বাচন কর্মকর্তা আমার সকল কাগজপত্র দেখে বলেন, তোমার বয়স কম। আইডি কার্ড হবেনা। পড়ে একজন দালাল অফিসের পেছনে নিয়ে আমায় বলল স্যার (নির্বাচন কর্মকর্তাকে) কিছু খরচপাতি দিলে বয়স কোন সমস্যা হবেনা। তখন নির্বাচন অফিসারকে আমি ৩ হাজার টাকা দেই। কবে কার্ড পাব ভগবানই ভাল জানেন।


একই ইউনিয়নের কুটুই গ্রামের উদ্ভব দাস বলেন, আমার আইডি কার্ডে নামের ভুল সংশোধনের জন্য অফিসে আসি। কিন্তু অফিসের কেউ আমার সাথে কথাই বলতে চায়না। পরে একজন দালাল আমাকে বলে ১ সপ্তাহের মধ্যে ঠিক করে দিবে, বিনিময়ে তাকে ৩ হাজার টাকা লাগবে। আমি বাধ্য হয়ে ৩ হাজার টাকা দেই। কিন্তু প্রায় দুই মাস হলেও কার্ড পাচ্ছি না।


হরিপুর ইউনিয়নের মিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি ২০২১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর নতুন আইডি কার্ড করতে অফিসে সকল কাগজপত্র জমা দেই। কিন্তু টাকা ছাড়া করবেনা বলে ফিরিয়ে দেয়। পরে ৫ হাজার টাকা দেওয়ার পর চার মাস পর কার্ড হাতে পাই। কে টাকা নিয়েছে জানতে চাইলে বলেন, অফিসের আউট সোর্সিং-এ নিয়োগ পাওয়া ইমরান তার কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করেছে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন দালাল বলেন, এ অফিসের বিকাশ, রইস খান, মিজান, রুস্তম ও পারভেজই বেশি কাজ করে। তারাই নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে সেবাগ্রহীতাদের সাথে কন্ট্রাক করে অফিসে নিয়ে আসে।


অনিয়ম ও হয়রানির বিষয়ে জানতে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি কোন সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে ঘুষ নেয়নি। কাউকে হয়রানিও করিনা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ আপনি নিজে টাকা নিয়ে কাজ করেন এমন প্রশ্ন করলে তিনি আর কথা বলতে রাজি হননি।


-খবর প্রতিদিন/ সি.বা   


আরও খবর



আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী আর নেই

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী আর নেই

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (১৯ মে) স্থানীয় সময় আনুমানিক সকাল ৭টায় যুক্তরাজ্যের লন্ডনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।


গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ।


আবদুল গাফফার চৌধুরী স্বাধীনতা যুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের মাধ্যমে নিবন্ধিত স্বাধীন বাংলার প্রথম পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক জয় বাংলা’র প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন। তিনি ভাষা আন্দোলনের স্মরণীয় গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র রচয়িতা।


আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর জন্ম ১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া গ্রামে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের মিডলসেক্সে এজোয়ার এলাবার মেথুইন রোডের ৫৬ নম্বর বাড়িতে বসবাস করতেন।


ছাত্রজীবনে লেখালেখিতে হাতেখড়ি হয়েছিল তার। ১৯৪৯ সালে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সম্পাদিত মাসিক সওগাত পত্রিকায় তার গল্প প্রকাশিত হয়। ১৯৫২ সালে সাময়িকপত্রে প্রকাশিত হয় প্রথম উপন্যাস ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’।


আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর সাংবাদিকতায় হাতেখড়িও ছাত্রজীবনে। ঢাকা কলেজের ছাত্র থাকাকালে যোগ দেন দৈনিক ইনসাফ পত্রিকায়। ১৯৫১ সালে যোগ দেন খায়রুল কবীর সম্পাদিত দৈনিক সংবাদের বার্তা বিভাগে। ১৯৫৬ সালে যোগ দেন তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া সম্পাদিত দৈনিক ইত্তেফাকে।



১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী কলমযোদ্ধার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। জয় বাংলা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে মডারেটরের ভূমিকাও পালন করেন। স্বাধীনতার পর ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক জনপদের প্রধান সম্পাদক ছিলেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।


তিনি ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে লন্ডনে পাড়ি জমান। ১৯৭৬ সালে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী সেখানে ‘বাংলার ডাক’ নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। ‘সাপ্তাহিক জাগরণ’ পত্রিকায়ও কিছুদিন কাজ করেন। পরে তিনি ‘নতুন দিন’ ও ‘পূর্বদেশ’ পত্রিকা বের করেন। প্রবাসে থাকলেও গাফ্ফার চৌধুরী আমৃত্যু বাংলাদেশের প্রধান প্রধান সংবাদ মাধ্যমে নিয়মিত লিখে গেছেন। এছাড়া ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন নানা সভা-সেমিনারে।


গাফ্ফার চৌধুরী ইউনেস্কো পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পদক, একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদকসহ অসংখ্য পদক ও সম্মাননা পেয়েছেন।


আরও খবর



বেনাপোল স্থল বন্দর থেকে চারটি ওয়ান সুটার গান উদ্ধার

প্রকাশিত:Monday ০৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৮৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

বেনাপোল কাস্টম হাউজ থেকে অবৈধভাবে রাখা চারটি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করেছে পুলিশ।


রবিবার (৮ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একটি তালাবদ্ধ রুমে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস একটি টিম কাস্টম হাউসে আসে। 


বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ভূঁইয়া জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর পুড়ে যাওয়া মালামালের মধ্যে পরিত্যক্ত অবস্থায় চারটি আগ্নেয়াস্ত্র দেখতে পায় পুলিশ।


সংশ্লিষ্টরা জানান, বেনাপোল কাস্টম হাউসে অ্যান্টি শাখার পাশে পুরনো একটি অফিস রুম রয়েছে। তবে সেটি ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়ায় অব্যবহৃত কিছু মালামাল রেখে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। 


রবিবার সন্ধ্যায় ওই রুম থেকে আগুনের ধোঁয়া দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিস অফিসে ফোন দেয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আধাঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।


 পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পায় পুড়ে যাওয়া পণ্যের মধ্যে চারটি ওয়ান শুটার গান রয়েছে। তবে কারা সেগুলো সেখানে রেখেছে তা জানা যায়নি।


এদিকে ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল কাস্টম হাউজ সম্পূর্ণ সিসি ক্যামেরা, অস্ত্রধারী আনসার ও আর্মড পুলিশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।  কারা কী উদ্দেশ্যে এ আগ্নেয়াস্ত্র সেখানে মজুত রেখেছিল তা খতিয়ে দেখা জরুরি।


আরও খবর



সঙ্গে গেছেন তার স্ত্রী

চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা আব্বাস

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পাকস্থলীতে সমস্যা নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

মঙ্গলবার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।

বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


তিনি বলেন, মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। তার সঙ্গে গেছেন স্ত্রী আফরোজা আব্বাস ও তার ছেলে।

এর আগে গত ১৭ মে সকালে অসুস্থ হয়ে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি হন । পেটের পীড়ায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোলিভার বিভাগের অধীনে ভর্তি হন তিনি।

আরও খবর



কারাগার থেকে হাসপাতালে হাজী সেলিম

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় দণ্ডিত আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের ৫১১ নম্বর কেবিনে কারারক্ষীদের প্রহরায় চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।সোমবার (২৩ মে) সকাল ৯টার দিকে একটি অ্যাম্বুলেন্স যোগে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিএসএমএমইউতে আনা হয় আলোচিত এই সংসদ সদস্যকে।


বিএসএমএমইউয়ের পরিচালক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, হৃদরোগজনিত সমস্যার কারণে হাজী সেলিমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, কার্ডিয়াক বিভাগের অধ্যাপক ডা. হারিসুল হকের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। আমরা তার শারীরিক কন্ডিশন দেখে পরে বিস্তারিত জানাবো।এর আগে রোববার (২২ মে) দুর্নীতির মামলায় ১০ বছর দণ্ডিত আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজী সেলিম বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করে যে কোনো শর্তে জামিনের আবেদন করেন।


দুপুর ২টার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালতে এ আবেদন করে তিনি। এছাড়া কারাগারে উন্নত চিকিৎসা ও প্রথম শ্রেণির ডিভিশন চেয়ে আরও দুটি আবেদন করা হয়।


এরপর সাজা ভোগের জন্য তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। রোববার বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে আদালত থেকে পিকআপ ভ্যানে তাকে নিয়ে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় পুলিশ। সন্ধ্যা ৬টার দিকে কারাগারে পৌঁছান তিনি।


আরও খবর



চোর-ছিনতাইকারী বলে গালি দেয়ায় ১০ বছরের শিশুর আত্মহত্যা

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ April ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১৬৬জন দেখেছেন
Image

সাভার প্রতিনিধিঃ

সাভার পৌর এলাকায় চোর-ছিনতাইকারী বলে গালির অপবাদ সইতে না পেরে আরাফাত (১০) নামে এক শিশু বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুঁলে আত্মহত্যা করেছে।সোমবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে সাভার পৌর এলাকার দেঁওগায়ে কামালের বাড়ি থেকে শিশুটির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


শিশু আরাফাত চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থানার কালিবাজার গ্রামের জিন্নার ছেলে। সে সাভারে দেঁওগায়ে দাদির কাছে থাকতো। বিয়ে বিচ্ছেদের পর বাবা-মা শিশুটিকে দাদির কাছে রেখে যার যার মতো সংসার করছেন। তাদের সঙ্গে এখন আর কোন যোগাযোগ নেই দাদী জরিনা বেগমের।



দাদি জরিনা বেগম  বলেন, ‘বাপ-মায়ে চলে যাওয়ার পর আরাফাত আমার সঙ্গে সাভারেই থাকতো। শুনেছি কারা যেন আরাফাতকে চোর-ছিনতাইকারী বলে গালিগালাজ করেছে। পরে গতকাল (সোমবার) দুপুরে আমি বাসায় না থাকলে সে ফ্যানের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুঁলে আত্মহত্যা করে। তার মরদেহ পুলিশ এসে উদ্ধার করে।



আরও খবর