Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

নাসিরনগর হরিপুরের এক ত্রাসের নাম ভয়ংকর কাপ্তান

প্রকাশিত:Monday ০৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৪৪জন দেখেছেন
Image


নাসিরনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের মন্দির ভাংঙ্গা, মাদক,ডাকাতি,খুন ও মারামারী সহ একাদিক মামলার গ্রেপ্তারী ফরোয়ানা ভুক্ত আসামী ও হরিপুরের এক  ভয়ংকর ত্রাসের নাম কাপ্তান।


কাপ্তানের ভয়ে গ্রামের তিতন ফকির সহ অনেকেই আতংকে  দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।জানা গেছে ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবরে নাসিরনগরে হিন্দুদের বাড়িঘর ও মন্দির ভাঙ্গার অন্যতম আসামী কাপ্তান।তাছাড়াও কাপ্তানের বিরোদ্বে  নাসিরনগর ও পার্শ্ববর্তী মাধবপুর থানায় রয়েছে একাদিক ডাকাতি,মারামারী,মাদক ও খুনের মামলা।


হরিপুর গ্রামের  তিতন ফকির জানান ভয়ংকর কাপ্তানের ভয়ে তিনি ও তার পরিবারের লোকজন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন।হরিপুরের টেকপাড়ার আওয়াল মিয়া অভিযোগ করে জানায়,কাপ্তান একটি সরকারী জায়গা থেকে মাটি কেটে ট্রাক বোঝাই করে সরকারী ও জনগনের হাটাচলাফেরা করার রাস্তা ভেঙ্গে গর্তে পরিনত করে ব্রিক ফিল্ডে মাটি বিক্রি করার সময় তারা বাধা দেয়।তাতে কাপ্তান ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন কেউ বাঁধা দিলে তাকে ট্রাকের চাকার নীচে ফেলে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসেন।


তিনি জানান কাপ্তানের যেই কথা সেই কাজ।পরদিন কাপ্তানের ট্রাক মাটি বোঝাই  করে সেই রাস্তা দিয়ে আসার সময় আমার তৃতীয় শ্রেণী পড়ুয়া ছেলে রাসেল রাস্তায় গেলে তাকে ট্রাকের চাকার নীচে পেলে মেরে ফেলে।এ সব ছাড়াও আরো অনেক অভিযোগ রয়েছে কাপ্তানের বিরোদ্বে।হরিপুরের নিরীহ ও শান্তিপ্রিয় লোকজন এই জগন্য,ভয়ংকর কাপ্তানের অত্যাচার থেকে মুক্তি চায়।কাপ্তানের গ্রেপ্তারী পরোয়ানার বিষয়ে জানতে চাইলে হরিপুরের বিট অফিসার এস আই রূপন নাথ জানান,কাপ্তানের বিরোদ্বে তার হাতে দুটি গ্রেপ্তারী ফরোয়ানা রয়েছে।পুলিশ কাপ্তানকে গ্রেপ্তারের জন্য হন্যে হয়ে খুঁজছে।



আরও খবর



‘১.২৩ শতাংশ জিডিপি বাড়াবে পদ্মা সেতু’

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

পদ্মা সেতুর মাধ্যমে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এর মাধ্যমে ১.২৩ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে। ০.৮৪ শতাংশ দারিদ্র্য হ্রাস পাবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

রোববার (২৬ জুন) দুপুরে মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত প্রকল্প এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত আয়বর্ধনমূলক প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর কারণে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য খুলে গেছে। মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। ইতোমধ্যে এসব জেলায় নতুন নতুন কারখানা গড়ে উঠছে। এতে এ এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

এ সময় মুন্সিগঞ্জের প্রায় ৩ হাজার ১২৪ জনকে প্রশিক্ষণ শেষে বিভিন্ন ট্রেডে সনদ প্রদান করা হয়। এছাড়া পাঁচজনকে নগদ ৩৭ হাজার টাকা করে ভাতা প্রদান করা হয়।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতায় দুই ধাপে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষকে ১২টি ট্রেডে আধুনিক ও সময়োপযোগী নানা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মানুষের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসূলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি যুব ও ক্রীয়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন, যুব উন্নয়ন পরিচালক (প্রশিক্ষন) খন্দকার মো. রুহুল আমিন ও পদ্মা বহুমুখী নির্মাণ প্রকল্পের নির্বাহী প্রৌকশলী মো. রজব আলী উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



এক চার্জে ৩০ ঘণ্টা চলবে ইয়ারফোন

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

ভারতীয় বাজারে আসছ কালারফিটের নতুন ওয়্যারলেস ইয়ারফোন। নয়েজ বাডস ভিএস১০৪ নামের ইয়ারফোনটি আগামী ১৪ জুন লঞ্চ করার পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি। তবে এরই মধ্যে ইয়ারফোনটিকে অ্যামাজনে দেখা গেছে।

ইয়ারফোনটিতে নয়েজ ‘ট্রু বেস টিউনিং’ থাকায় এটি শক্তিশালী বেস আউটপুট সরবরাহ করতে সক্ষম। কানে স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে এবং শক্তভাবে ফিট হয়ে থাকার জন্য নতুন ইয়ারফোনটি কন্টুর ডিজাইনের সঙ্গে আসছে। এছাড়া এর চিরাচরিত লুকের চার্জিং কেসে থাকবে এলইডি লাইট। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী ইয়ারফোনের চার্জিং লেভেল জানতে পারবেন।

অন্যদিকে শক্তিশালী বেস সরবরাহ করতে ইয়ারফোনটিতে ব্যবহৃত হয়েছে ১৩ এমএম ড্রাইভার। এছাড়া দ্রুত সংযোগের জন্য এতে দেওয়া হয়েছে ব্লুটুথ ৫.২, যার কানেক্টিভিটি রেঞ্জ ১০ মিটার পর্যন্ত। ইয়ারফোনটি হাইপারলিংক টেকনোলজি সাপোর্ট করবে। তাই এর চার্জিং কেসের ঢাকনা খোলার সঙ্গে সঙ্গে এটি নিকটবর্তী ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারবে।

ইয়ারফোনটি একবার পুরোপুরি চার্জ হলে ৩০ ঘণ্টা পর্যন্ত প্লেব্যাক টাইম অফার করতে সক্ষম। তবে সেক্ষেত্রে চার্জিং কেস ব্যবহার করতে হবে। এমনকি ইউএসবি টাইপ সি পোর্টের মাধ্যমে মাত্র ১ ঘন্টায় ইয়ারফোনটিকে চার্জ দেওয়া যাবে। উপরন্তু ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করায় মাত্র ১০ মিনিট চার্জে এটি ১ ঘন্টা পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য।

বর্তমানে ইয়ারফোনটি ব্ল্যাক, হোয়াইট, গ্রিন এবং ব্লু এই চারটি কালার অপশনে অ্যামাজনে পাবেন ক্রেতারা। ভারতীয় বাজারে নয়েজ বাডস ভিএস১০৪ ইয়ারফোনের প্রারম্ভিক দাম ধার্য করা হয়েছে ৯৯৯ টাকা।

সূত্র: গিজমোচায়না


আরও খবর



তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপ না করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপ না করার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন তামাকবিরোধী বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা বলেছেন, বাজেটে তামাকপণ্যের কর ও দাম বাড়ানো হলে বাড়তি নয় হাজার দুইশ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করা যাবে। এসডিজির টার্গেট ৩ দশমিক ৪ অর্জনে ‘২০৩০ সালের মধ্যে অসংক্রামক রোগে মৃত্যু এক-তৃতীয়াংশে নামিয়ে আনার জন্য’ এই বাড়তি রাজস্ব ব্যয় করা যাবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে ১৮ টি সংগঠন এই প্রতিবাদ জানায়। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের উপ-পরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সংগঠনগুলো হলো- বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রাম (বিসিসিপি), এইড ফাউন্ডেশন, ব্যুরো অব ইকোনমিক রিসার্চ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন, ডেভলপমেন্ট অ্যাকটিভিস অব সোসাইটি (ডাস), ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুয়র (ডরপ), গ্রাম বাংলা উন্নয়ন কমিটি, মানস, ন্যাশনাল এন্টি টিউবারকিউলোসিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নাটাব), ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, প্রগতির জন্য জ্ঞান (প্রজ্ঞা), স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন, টোব্যাকো কন্ট্রোল রিসার্চ সেল (টিসিআরসি), তামাক বিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ), উন্নয়ন সমন্বয়, ভয়েস, ওয়ার্ক ফর বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি ট্রাস্ট) ও প্রত্যাশা মাদকবিরোধী সংগঠন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে করহার অপরিবর্তিত রেখে নিম্ন, মধ্যম, উচ্চ ও প্রিমিয়াম স্তর অর্থাৎ চারটি স্তরেই সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়েছে। নিম্নস্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের দাম মাত্র এক টাকা বাড়িয়ে ৪০ টাকা করা হয়েছে, যা শতকরা হিসাবে বেড়েছে ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ, মধ্যম স্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের দাম ২ টাকা বাড়িয়ে ৬৫ টাকা করা হয়েছে, যা শতকরা হিসাবে বেড়েছে ৩ দশমিক ১৭ শতাংশ, উচ্চ স্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের দাম ৯ টাকা বাড়িয়ে ১১১ টাকা করা হয়েছে, যা শতকরা হিসাবে বেড়েছে ৮ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং প্রিমিয়াম স্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের দাম ৭ টাকা বাড়িয়ে ১৪২ টাকা করা হয়েছে যা শতকরা হিসাবে বেড়েছে ৫ দশমিক ১৮ শতাংশ হারে।

সিগারেট নানা ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে জানিয়ে বক্তারা বলেন, বর্তমানে সিগারেট বাজারের ৭৫ শতাংশই নিম্ন স্তরের দখলে যার প্রধান ভোক্তা মূলত দরিদ্র ও তরুণ জনগোষ্ঠী। প্রস্তাবিত বাজেটে এই বিপুল পরিমাণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যঝুঁকিকে উপেক্ষা করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্নস্তরে সিগারেটের দাম বেড়েছে মাত্র ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ (প্রতি শলাকা ১০ পয়সা মাত্র)। অন্যদিকে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ১০ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

তারা আরও বলেন, দেখা যাচ্ছে যে- মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় প্রকৃত অর্থে সিগারেটের দাম বিগত বছরের তুলনায় কমে গেছে। সঠিকভাবে কর ও মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ধূমপানে নিরুৎসাহিত করা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষার একটি কার্যকর ও পরীক্ষিত কৌশল হওয়া সত্ত্বেও প্রস্তাবিত বাজেট সে লক্ষ্য অর্জনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে, যা অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক। বরাবরের মতোই বহুজাতিক তামাক কোম্পানিগুলোর কোনো প্রকার অতিরিক্ত বিনিয়োগ ও উৎপাদন ব্যয় ছাড়াই এবারের বাজেটে ব্যাপকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।

মানববন্ধন থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে তামাকপণ্যের কর ও দাম বাড়ানোর জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনাও তুলে ধরেন বক্তারা।

সেগুলো হলো-

১। সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা।

২। অভিন্ন করভারসহ সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক প্রচলন করা।

৩। ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করে ১১ টাকা ২৫ পয়সা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ ও ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ২০ টাকা নির্ধারণ করে নয় টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা।

৩। নিম্ন স্তরের জর্দা এবং গুলের কর ও দাম বাড়ানোসহ সুনির্দিষ্ট এক্সাইজ শুল্ক প্রচলন করা।

প্রস্তাবগুলো কার্যকর হলে কী সুবিধা অর্জিত হবে সেই চিত্রও তুলে ধরেন বক্তারা।

সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে-

১। প্রায় ৯ লাখ তরুণকে তামাক ব্যবহার থেকে বিরত করা যাবে ও প্রায় সাড়ে ৪ লাখ তরুণ অকাল মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনে এটি খুবই সহায়ক হবে।

২। বাড়তি নয় হাজার দুইশ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করা যাবে। এসডিজির টার্গেট ৩ দশমিক ৪ অর্জনে ‘২০৩০ সালের মধ্যে অসংক্রামক রোগে মৃত্যু এক-তৃতীয়াংশে নামিয়ে আনার জন্য’ এই বাড়তি রাজস্ব ব্যয় করা যাবে।

৩। নিম্ন স্তরের সিগারেটের মূল্য বেশি বাড়ালে নিম্ন আয়ের সিগারেট ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা করা যাবে। তাদের আয়ের প্রায় ২১ শতাংশ ব্যয় হয় তামাক পণ্যের পেছনে। এই অর্থ তামাক পণ্যের পরিবর্তে শিক্ষায় ব্যয় করলে তাদের সন্তানদের পড়ালেখার মোট ব্যয় ১১ শতাংশ বাড়ানো সম্ভব হবে।


আরও খবর



ভোগ-বিলাস নয়, উন্নয়নের জন্য আ’লীগের ক্ষমতায় আসা দরকার: হানিফ

প্রকাশিত:Wednesday ১৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

ভোগ-বিলাস করার জন্য নয় বরং দেশের উন্নয়নের জন্য আওয়ামী লীগের আবারও ক্ষমতায় আসা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

বুধবার (১৪ জুন) দুপুরে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের শাহ আলী থানার অন্তর্গত ৮ ও ৯৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সম্মেলনে হানিফ বলেন, জিয়াউর রহমান, এরশাদ, খালেদা জিয়া রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে ভোগ-বিলাসে মত্ত ছিলো। তাদের লক্ষ্য ছিলো ক্ষমতায় থাকা, যার কারণে দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে তারা কোনো কাজ করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত রাখার জন্য আওয়ামী লীগের আবারও ক্ষমতায় আসা দরকার।

তিনি আরও বলেন, ভিশনারি লিডার ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর বৈষম্যের চিত্র বেরিয়ে আসতে থাকে। সে সময় তিনি বুঝতে পেরেছিলেন বাঙালি জাতির জন্য নতুন রাষ্ট্র প্রয়োজন। তিনি স্বাধীন, ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। জাতির পিতার নেতৃত্বে লড়াই করে আমরা দেশ স্বাধীন করেছি।

‘বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত, পতাকা ও সংবিধান সবই হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে। বঙ্গবন্ধুর পর আজ আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দ্বিতীয় ভিশনারি লিডার হিসেবে পেয়েছি। লিডার ছাড়া যে উন্নয়ন সম্ভব নয়, আজ তিনি সেটা প্রমাণ করেছেন।’

দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের উন্নয়ন প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ এ নেতা বলেন, মালয়েশিয়ার মাহাথির মোহাম্মদ টানা ২২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। মালয়েশিয়ার মানুষের মাথাপিছু আয় ১৬ হাজার মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। লি কুইন টানা ২০ বছর সিঙ্গাপুরের নেতৃত্ব দিয়েছেন। আজ তাদের মাথাপিছু আয় ৭৯ হাজার মার্কিন ডলার। তারা ভিশনারি লিডার ছিলেন। আমরা সেই নেতা পেয়েছি বলেই আজ বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ৬০০ ডলার থেকে ২৮৬০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে।

‘শেখ হাসিনার ভিশনারি নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পেয়েছে। দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করা হচ্ছে। সেখানে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় বাড়বে। ভিশনারি লিডারশীপ আছে বলে দেশকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আমরা ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ দেখতে পাবো।’

‘বিএনপি নেতারা বলছেন, এক-এগারোতে শেখ হাসিনা আপোস করেছিলেন। অথচ বিএনপির হাত ধরে তো এক-এগারোর উৎপত্তি হয়েছে। তারা ক্ষমতায় বসেই শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করেছিলো, তাকে কেন গ্রেফতার করা হবে? তিনি তো সে সময় ক্ষমতায় ছিলেন না। তিনি ক্ষমতা ছাড়ার পর খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসেছিলেন।’

ক্ষমতায় থাকতে শেখ হাসিনা যদি অনিয়ম করতেন, খালেদা জিয়া কি ছেড়ে দিতেন? এমন প্রশ্ন রেখে হানিফ বলেন, আপোস করলে খালেদা জিয়া করেছেন। শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের কয়েক মাস পর খালেদাকে গ্রেফতার করা হয়। এতেই প্রমাণ হয়- কে আপোস করেছিলো।

খালেদা জিয়ার কিছু হলে আওয়ামী লীগ সরকারকে দায় নিতে- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ। রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমরা চাই তিনি সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরুক। তবে এটা মানতে হবে, তিনি আদালত কর্তৃক দণ্ডিত। সরকার তার বিরুদ্ধে মামলা করেনি। এক-এগারোর সময় মামলা হয়েছে। আদালত দণ্ড দিয়েছেন। সরকার কিছু করেনি, তাহলে কেন আমাদের দায় নিতে হবে?

‘বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা মানবতা দেখিয়ে কারাগারের বদলে বাসায় থেকে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। তাদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত ছিলো। সরকার বা আমরা কি বলেছিলাম, এতিমের টাকা আত্মাসাৎ করতে?’

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে হানিফ বলেন, স্লোগান রাজনীতির অংশ। তবে এটা পরিপূর্ণ রাজনীতি নয়। তৃণমূলের মাধ্যমে জনমত গঠন হয়। শুধু স্লোগাননির্ভর হলে হবে না। তৃণমূল আওয়ামী লীগকে আরও সুদৃঢ় করতে হবে। মানুষের কাছে যাবেন, সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরবেন। ১৬ কোটি মানুষের আশা, ভরসা ও আস্থার জায়গা শেখ হাসিনা। যত ষড়যন্ত্রই হোক, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।

ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কার্যনির্বাহী সদস্য মারুফা আক্তার পপি, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মিজানুল ইসলাম মিজু ও সহ-প্রচার সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ হামিদ।

শাহ আলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আগা খান মিন্টুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মোল্লার সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি।


আরও খবর



জোনায়েদ সাকির ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিসহ সদ্যগঠিত রাজনৈতিক জোট গণতন্ত্র মঞ্চের কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন মঞ্চের কেন্দ্রীয় নেতারা।

বুধবার (৮ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ও পল্টন মোড়ে পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশ করে তারা এই প্রতিবাদ জানান।

পল্টনের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্য সচিব বাবলু ভাই, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর প্রমুখ।

অপরদিকে প্রেস ক্লাবে জোনায়েদ সাকির সহধর্মিনী অধিকারকর্মী তাসলিমা আখতারের নেতৃত্বে গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা বিক্ষোভ করেন।

সমাবেশে নেতারা বলেন, বাংলাদেশটাকে এই সরকার ও তার নেতাকর্মীরা এমন একটা জায়গায় নিয়ে গেছে, এমন একটা পরিস্থিতির মধ্যে ঠেলে দিতে চায়, যেন মানুষকে তারা আগুনে পুড়িয়ে মারবে, বিনা বেতনে মারবে। কিন্তু কেউ যদি আগুনে পোড়া মানুষকে দেখতে যায়, তাহলে তাদের ওপর আক্রমণ করবে। বেতন চাইলে তাকে পুলিশ দিয়ে মারবে। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই আন্দোলনে সবাইকে সামিল হতে হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আশপাশের এলাকা ও পল্টন মোড় প্রদক্ষিণ করেন গণসংহতি আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।


আরও খবর