Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত

মূল্যছাড়ে জ্বালানি তেল কিনতে রাশিয়া যাচ্ছে শ্রীলঙ্কার মন্ত্রীরা

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৮০জন দেখেছেন
Image

মূল্যছাড়ে জ্বালানি তেল কিনতে রাশিয়া ও কাতারে মন্ত্রীদের পাঠাতে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কার সরকার। অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া শ্রীলঙ্কায় সবচেয়ে বড় সংকট চলছে জ্বালানির। এর একদিন আগে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অন্য সব কিছু থাকলেও জ্বালানি তেল শেষ হয়ে গেছে। এরই মধ্যে দেশটির পাম্প স্টেশনগুলোতে যানবাহনের লাইন দীর্ঘ হতে শুরু হয়েছে। রোববার (২৬ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী কাঞ্চনা উইজেসেকেরা বলেছেন, গত মাসে রাশিয়া থেকে ৯০ হাজার টন সাইবেরিয়ান ক্রুড কেনা হয়েছে। এখন আরও তেল কিনতে সোমবার (২৭ জুন) দুই মন্ত্রীকে মস্কো পাঠানো হবে।

এর আগে তেলের চালান আসে দুবাইভিত্তিক একটি কোম্পানির মাধ্যমে। শ্রীলঙ্কার রাজনীতিবিদরা কর্তৃপক্ষকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনা করার আহ্বান জানিয়েছে।

কাঞ্চনা উইজেসেকেরা বলেছেন, কম দামে তেল পেতে আলোচনার জন্য দুইজন মন্ত্রী যাবেন রাশিয়ায় ও আমি যাবো কাতারে।

এদিকে শ্রীলঙ্কায় ফের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। এতে দেশটির নাগরিকদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে। তাছাড়া ঋণ সহায়তার বিষয়ে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা শ্রীলঙ্কায় পৌঁছেছেন।

দেশটির সিলন পেট্রলিয়াম করপোরেশন (সিপিসি) রোববার ডিজেলের দাম বাড়ানোর কথা জানিয়েছে। ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৪৬০ রুপি করা হয়েছে। অন্যদিকে পেট্রলের দাম ২২ শতাংশ বাড়িয়ে ৫৫০ রুপি করা হচ্ছে।


আরও খবর



ডলারের বাজার অস্থির করে ফায়দা লুটছে ‘কিছু গোষ্ঠী’

প্রকাশিত:Thursday ২৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

কিছু গোষ্ঠী ডলারের বাজার অস্থির করে মুনাফা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আর এফ হোসেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে আস্থার অভাব, অকার্যকারিতা ও ডলারের বাজার অস্থির করে সেখান থেকে কিছু গোষ্ঠী মুনাফা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। কোনো ব্যাংক কিংবা প্রতিষ্ঠানও এ কাজ করে থাকতে পারে।

তিনি বলেন, আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার পুনরায় সচল করে এর প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে ব্যাপকভাবে কাজ করতে হবে। ব্যবস্থা বৈদেশিক মুদ্রাবাজার ক্ষেত্রে আন্তঃব্যাংক লেনদেন চালু করতে পারলে সংকট উত্তরণ সম্ভব হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া নির্দেশনা মেনে চললে ডলারের বাজার স্বাভাবিক হবে।

এবিবি চেয়ারম্যান আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনে জারি করা বাংলাদেশ ব্যাংকের মাস্টার সার্কুলারের ফলে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার কমবে। এর ফলে, ব্যাংকগুলোতে জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত হবে।

‘নতুন পুনঃতফশিল নীতিমালা যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এখানে ব্যাংকখাতকে ছাড় দেওয়া হয়নি। ঋণ পুনঃতফসিল সব দেশেই হয়, তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি এটার অনুমোদন দেয় না।‘


আরও খবর



অনন্ত-বর্ষার সিনেমা সফল হলে পরাজয়টা কার?

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ১৬ August ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

চলচ্চিত্রের কোনো সংগঠন পিকনিক করবে, অনন্ত জলিলকে ডাকো। কোনো সংগঠনের ইফতার বা কোনো আয়োজন, অনন্ত জলিলকে ডাকো। ডাক পেয়েছেন কিন্তু অনন্ত সাড়া দেননি তেমন ঘটনা শোনা যায়নি কখনো। সাধ্যেরে সবটুকু দিয়ে চলচ্চিত্র ও এখানকার মানুষদের পাশে সবসময়ই ছিলেন তিনি। নানা সাক্ষাৎকার ও আয়োজনে বহুবার বলেছেন, ‘আমি চাই মিলেমিশে সবাই একটা পরিবারের মতো হয়ে থাকবো।’

সেই পরিবার থেকে অপমানিত হলেন অনন্ত। ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১০৭টি হলে মুক্তি পেয়েছে অনন্ত’র সিনেমা ‘দিন: দ্য ডে’। প্রায় ১০০ কোটি বাজেটের ছবিটি বেশ ভালোই সাড়া ফেলেছে সাড়া দেশে। ঈদের পর অনন্ত যমুনা ব্লকবাস্টারে একটি বিশেষ শোয়ের আয়োজন করেছিলেন। যেখানে তিনি ৭৪ জন শিল্পীকে আমন্ত্রণ করেছেন বলে জানান। কিন্তু দেখা গেল নায়িকা কেয়াসহ হাতে গোনা ৪-৫ ছাড়া আর কেউই আসেননি।

যে শিল্পী সমিতির নেতৃত্ব গেল রোজা ঈদে কার্ড ছাপিয়ে সিনেমার প্রচার করেছিল সেই তারাও অনন্তর ‘দিন: দ্য ডে’ দেখতে এলেন না। কোনো প্রচারণায় থাকা তো দূর! কিন্তু কেন? সেই প্রশ্নের উত্তর অনন্তও জানেন না। তবে তিনি যে তার আমন্ত্রণ রক্ষা না করায় তার চলচ্চিত্র পরিবারের উপর কষ্ট পেয়েছেন সেটা বেশ স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিয়েছেন।

এদিকে এই আমন্ত্রণকে কেন্দ্র করেও দেখা গেল কিছু নাটকীয় ব্যাপার স্যাপার। দেশের একটি গণমাধ্যমে কিংবদন্তি অভিনেত্রী ববিতা দাবি করেছেন, অনন্ত নাকি মিথ্যাচার করছেন। ববিতাকে দাওয়াত না দিয়েই তাকে দাওয়াত দেয়া হয়েছে বলে দাবি করছেন। ববিতা জানান, ‘আমরা তিনবোনের কেউই ছবি দেখার আমন্ত্রণ পাইনি। আমন্ত্রণ না করে মিথ্যা বলা ঠিক নয়’।

তবে ববিতার বোন আরেক অভিনেত্রী চম্পা গণমাধ্যমে বলেছেন যে তিনি ছবি দেখার দাওয়াত পেয়েছেন। ব্যক্তিগত ব্যস্ততায় যেতে না পারায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। দুই বোনের দুই রকম বক্তব্য মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

ববিতা নিভৃতচারী মানুষ। চলচ্চিত্র থেকে নিজেকে বলা চলে দূরে সরিয়ে রেখেছেন। কোনো আয়োজনেই তার দেখা মেলে না। প্রিয় কারো মৃত্যু ছাড়া অন্য তেমন কোনো ইস্যুতেই তিনি মুখ খুলেন না। হঠাৎ করে অনন্ত’র সিনেমার আমন্ত্রণ পাওয়া না পাওয়া নিয়ে তার ক্ষোভ মাখা বক্তব্যের কারণ অনেকেই খুঁজে পাচ্ছেন না।

এদিকে আরেক বর্ষিয়ান অভিনেত্রী অঞ্জনা বেজায় চটেছেন অনন্ত-বর্ষা জুটির উপর। তারা ১০০ কোটি টাকা বাজেটে যৌথ প্রযোজনায় নিজেদের সিনেমাটির প্রচার করতে গিয়ে দাবি করছেন এটি আন্তর্জাতিক মানের। আন্তর্জাতিক আমেজের। সেই নিয়ে প্রতিবাদী হয়েছেন অঞ্জনা। তিনি দাবি করেছেন, ৩০ বছর আগেই তিনি আন্তর্জাতিক মানের সিনেমা করেছেন। অনন্ত তবে কেন সারাক্ষণ ‘আন্তর্জাতিক সিনেমা’ বলে স্লোগান দিচ্ছেন। ফেসবুকে নিজের অভিনীত বেশকিছু সিনেমার পোস্টার যুক্ত করে একটি পোস্ট দিয়েছেন অঞ্জনা। শুরুতেই বিরক্তি প্রকাশ করে সেখানে লিখেছেন, ‘মিস্টার অনন্ত জলিল, আন্তর্জাতিক মানের সিনেমা, আন্তর্জাতিক মানের সিনেমা…! আপনার এই কথা শুনতে শুনতে আমরা বিরক্ত হয়ে গেছি। বিশেষ করে আমি অনেক বিরক্ত হয়েছি। আমার অভিনীত আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের পোষ্টারগুলো দিলাম দেখে নিন।’

অঞ্জনার সেই আন্তর্জাতিক সিনেমার তালিকায় চোখ বুলিয়ে দেখা গেল সেখানে বেশ কিছু ছবির নাম। নানা দেশের সিনেমাগুলো যার যার সময়ে বেশ ব্যবসা সফল বলেও তথ্য মিললো। কিন্তু এই ছবিগুলো গেল ৩০ বছরে কখনোই আলোচনায় আসেনি। নতুন প্রজন্ম এই সিনেমাগুলোর সঙ্গে একেবারেই পরিচিত নয়। কারণ এগুলো নিয়ে এখানে চর্চা হয় না। সম্ভবত দেশের সেরা ১০০ সিনেমার তালিকার করলে সেখানে একটিও স্থান পাবে না। আন্তর্জাতিক সিনেমাগুলোতে বাংলাদেশের প্রাপ্তি কেবল অঞ্জনার যুক্ত হওয়াটাই। সেগুলো নিয়ে তিনি গর্ব করতেই পারেন। বেশি বেশি করে ছবিগুলো প্রদর্শনের ব্যবস্থা করে এ প্রজন্মের কাছে তুলেও ধরতে পারেন। কিন্তু অনন্ত যখন নিজে লগ্নি করে অন্য একটি দেশের সঙ্গে যৌথভাবে দেশের একাধিক শিল্পীদের নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সিনেমা তৈরি করলেন তখন তার প্রচারে অঞ্জনার বিরক্তি বা ক্ষোভের কারণটা ঠিক বোধগম্য হলো না।

অঞ্জনা এবং অনন্ত; আন্তর্জাতিক সিনেমার প্রেক্ষাপটে দুজনের ভূমিকা ও সাফল্য একেবারেই আলাদা। তারচেয়েও বড় কথা, অনন্তর সিনেমাটি সবেমাত্র মুক্তি পেয়েছে। তিনি তার ছবির প্রচারে যে বিষয়টি আকর্ষণীয় সেটিকেই সবার সামনে তুলে ধরবেন এটাই স্বাভাবিক। সবাই করে। তাতে অন্য শিল্পী বা গোষ্টির ক্ষোভ প্রকাশের যুক্তি থাকতে পারে না। একজন সিনিয়র শিল্পী হিসেবে অনন্তকে আন্তর্জাতিক মানের সিনেমার জ্ঞান দিতে গিয়ে নিজেকে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াটি হাস্যকর হয়ে উঠেছে তাই। অনেকেই দাবি করছেন, অঞ্জনা হয়তো আলোচনার জন্যই অনন্তর বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। বলার অপেক্ষা রাখে না, আলোচনা কাড়তে সক্ষম হয়েছেন তিনি। ফেসবুকে যেমন অনন্ত বিরোধী সিন্ডিকেট স্ট্যাটাসটি লুফে নিয়েছে তেমনি অনেক গণমাধ্যমও এগুলো প্রচার করেছে। সেইসব খবরের লিংক আবার অঞ্জনা তার ফেসবুকে শেয়ারও করেছেন। উদ্দেশ্য কি তবে শুধুই আলোচনায় আসা?

অনন্ত একজন পাকা ব্যবসায়ী। একাধিকবার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি তিনি পেয়েছেন। তিনি খুব ভালো করেই জানেন এদেশের সিনেমার বাজারে ১ কোটি টাকা লগ্নি করাও ঝুঁকির। সেই তিনি ১০০ কোটি টাকার সিনেমা নিয়ে হাজির হয়েছেন। অনেকেই বলছেন, মিথ্যাচার করছেন অনন্ত। তার ছবিটি মোটেও ১০০ কোটি টাকার নয়। হতে পারে। প্রচারণার স্বার্থে অনন্ত-বর্ষা মিথ্যাচার করতে পারেন। কিন্তু আমরা কি নিজেদের মন্তব্যের পক্ষে কোনো প্রমাণ দিতে পারছি? যতক্ষণ প্রমাণ না আসে যে এটা ১০০ কোটি বাজেটের নয় ততক্ষণ ছবির কর্তৃপক্ষ হিসেবে অনন্ত-বর্ষার দাবিই সঠিক প্রমাণিত।

ছবির লোকেশন, শিল্পী, দৃশ্যায়ণ দেখলে বোঝা যায় অনন্ত-বর্ষারা মিথ্যে বলছেন না। তবুও ধরে নেয়া যাক এটি ১০ কোটি টাকা বাজেটের সিনেমা। বাংলাদেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি এর আগে এত টাকার লগ্নির ঝুঁকি নিয়েছে? নেয়নি। সেদিক থেকে এই ছবিটির জন্য সবার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন ছিল। কারণ আমরা সিনেমা নিয়ে খুব খারাপ সময় পার করছি। সেই দুঃসময় কাটাতে সবাই সকাল সন্ধ্যা এক হয়ে সিনেমার উন্নতির কথা বলছি। প্রযোজক নেই বলে নানা উপায় খুঁজছি প্রযোজক বাড়ানোর। কিন্তু দেখা যায় কোনো আশা জাগানিয়া সিনেমা মুক্তি পেলে আমরাই সেই সিনেমার জন্য হুমকি হয়ে উঠি! প্রযোজক লগ্নি হারিয়ে এ মুখো আর হন না। নতুন যারা লগ্নির কথা ভাবেন তারাও আর সাহস করেন না।

সিনেমা মুক্তির পর চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট প্রায় সবাই কীভাবে কীভাবে যেন নানাভাগে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছি! নিজের বলয় বা পছন্দের মানুষদের বাইরের ছবি হলে সেটা নিয়ে প্রকাশ্যে-গোপনে নানারকম মত ও কার্যক্রমে সিনেমার অপপ্রচার চলে। সাধারণ মানুষ তাদের ভালো মন্দ অনুভূতি প্রকাশ করবে, করুক। সেগুলো নেতিবাচক মোড়কে প্রচার কেন হচ্ছে? ইন্ডাস্ট্রির মানুষেরাই বা কেন কোনো সিনেমার নেতিবাচক প্রচার করবে? ঘরের মানুষ হয়ে ঘরের ক্ষতি করার প্রবণতা তো ভয়ংকর।

অনন্ত-বর্ষার ‘দিন: দ্য ডে’ নিয়ে বলিউডের অনেক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। অনন্ত-বর্ষারা সেগুলোকে প্রচার করছেন। তারা দাবি করছেন, বলিউড থেকে অনেকে ফোন কলে তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অনেকে অনুসন্ধানী হয়ে তথ্য পেয়েছেন এগুলো পেইড নিউজ ও প্রচারণা। হতেই পারে। বলিউডভিত্তিক গণমাধ্যমগুলো বরাবরই পেইড নিউজ। বিশেষ করে সিনেমার প্রচার বিষয়ক সংবাদগুলোর বেলায়। সে কথা নতুন কিছু নয়। সেদিকে নজর না দিয়ে নিজের সিনেমার প্রচার অনন্তরা বিদেশি গণমাধ্যম থেকে করাতে পেরেছেন সেটাই আলোচ্য হওয়া উচিত ছিল। এর আগেও দেশের বেশ ক’জন নির্মাতার নিউজ বলিউড থেকে প্রকাশ হয়েছে। সেগুলো পেইড কি পেইড না তা তো কেউ খতিয়ে দেখতে চাইনি বা যাইনি। তবে ‘দিন: দ্য ডে’র বেলায় হঠাৎ সবাই এত সক্রিয় কেন?

দেশের নতুন প্রজন্মের জনপ্রিয় পরিচালক আশফাক নিপুণও আলোচনায় সামিল হয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘বর্ষাকে বলিউড থেকে কেন কল দেবে?’ উনার কাছে প্রশ্ন, বর্ষাকে কল দিতে কি বারণ আছে? বলিউডে অনন্ত-বর্ষার পরিচিত কেউ থাকতে পারে না? নাকি থাকা উচিত নয়! আশফাক নিপুণ একজন নির্মাতা, বেশ গুণি এবং প্রশংসিত নির্মাতা। তার কাছ থেকে স্রোতে গা ভাসানো এসব মন্তব্য আশা করা যায় না।

তবে একথাও স্পষ্ট করে বলা যায়, সিনেমার প্রচার করতে গিয়ে অনন্ত-বর্ষা অনেক বিতর্কেরই জন্ম দিয়েছে। কে কি বললো, কে কিভাবে মূল্যায়ণ করলো সেসব বিবেচনায় নিয়ে তর্কে-বিতর্কে জড়িয়ে নেতিবাচক প্রচারণায় এখন আর সাধারণ মানুষ বশ হয় না। দেশের নানা সংকটে অনন্ত এগিয়ে আসেন, তার এসব দান-অনুদানের প্রতি সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা আছে। তিনি একজন এন্টারটেইনার। সেদিক থেকেও মানুষ তার প্রতি আগ্রহী। সিনেমার স্বাভাবিক প্রচারণাই যথেষ্ট ছিল ‘দিন: দ্য ডে’র জন্য। অন্য সিনেমা, অন্য নির্মাতা-শিল্পীদের আক্রমণ করা অনন্ত জলিলের মতো ইন্ডাস্ট্রির একজন সিনিয়র সিটিজেনের কাছে কেউ আশা করে না।

তিনি এখন পর্যন্ত যে কয়টি সিনেমা করেছেন সবগুলোই বহুল আলোচিত এবং ব্যবসা সফল। ট্রল, সমালোচনা যতোই হোক মানুষ তাদের সিনেমা দেখেছে, অতীত সে কথাই বলে। তাদের সিনেমা মুক্তি পেলে সেটি দেশে একটি ইস্যু হিসেবে দাঁড়িয়ে যায়। এবারেও দাঁড়িয়েছে। তাদের সিনেমার আলোচনার প্রভাবে অন্য সিনেমাগুলোও আলোচনায় থাকে। ‘দিন: দ্য ডে’র বেলাতেও সেটা হয়েছে। দর্শক ছবি দেখছে। অনেকে তাদের মুগ্ধতার কথাও জানাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, পর্দা ও বাস্তব জীবনের জুটি হিসেবে অনন্ত-বর্ষার প্রশংসা হচ্ছে, তাদের সম্পর্কের দায়বদ্ধতা প্রশংসিত হচ্ছে। ইতিবাচক এই বিষয়গুলোই হোক অনন্ত-বর্ষার
সিনেমার প্রচারের হাতিয়ার। তাদের সাফল্যে যারা পরাজয়ের কষ্ট পান, তাদের পরাজিত হতে দেয়ার সুযোগ নষ্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। যদিও স্পষ্ট নয়, তারা কারা। তারা আসলে ছায়ার মতো। আছে বোঝা যায়। কিন্তু খুঁজলে দেখা যায় না।

সিনেমা ব্যবসার মন্দার এই চরম সংকটময় মুহূর্তে গেল রোজা ঈদ থেকে হলে আসতে শুরু করেছেন দর্শক, এটা আশা জাগানিয়া ব্যাপার। কোরবানি ঈদে সিনেমা নিয়ে দর্শকের আগ্রহটা আরও বেড়েছে। অনন্য মামুনের পরিচালনায় রোশান-পূজা জুটির ‘সাইকে’ জোনাকি মতো কোথাও জ্বলছে, কোথাও নিভু নিভু। আর এই ঈদে মুক্তি পাওয়া রায়হান রাফি পরিচালিত ইয়াশ রোহান, বিদ্যা সিনহা মিম ও শরীফুল রাজের ‘পরাণ’ বাজিমাত করেছে সিনেপ্লেক্সগুলোতে। ঈদের সিনেমার বাজারে ছবিটি পূর্ণিমার চাঁদ হয়ে ধরা দিয়েছে। ‘দিন: দ্য ডে’ যেন জোছনা। চাঁদ দেখতে গেলে জোছনা তো এড়ানো যায় না। তাই না?


আরও খবর

আসছে ‘গোলমাল ৫’!

Friday ১৯ August ২০২২




হেপাটাইটিস কতটা মারাত্মক? জানুন এর ৫ ধরন ও গুরুতর লক্ষণসমূহ

প্রকাশিত:Thursday ২৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

হেপাটাইটিস হলো লিভারের একটি প্রদাহ। দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে হেপাটাইটিসের বিভিন্ন ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটায়। হেপাটাইটিসের ভাইরাস প্রাথমিক অবস্থায় শরীরে কোনো উপসর্গ প্রকাশ না করলেও ধীরে ধীরে মারাত্মক হয়ে ওঠে। যদিও এই রোগ ছোঁয়াচে নয়।

হেপাটাইটিস লিভারের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কময়ে দিতে শুরু করে। জানেন কি প্রতি বছর লিভারের এই রোগে বিশ্বব্যাপী এক কোটি ৩০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।

হেপাটাইটিস ভাইরাস দ্বারা লিভার কার্যক্ষমতা হারাতে শুরু করলেই কেবল নানা লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন- শরীর দুর্বল, বমি বমি ভাব, পেটব্যথা, শরীর হলুদ বর্ণ ধারণ করা ও হলুদ প্রস্রাবের মতো উপসর্গ ইত্যাদি। শরীরে এই রোগের বিস্তার ঘটলে পেটে পানি জমা, রক্ত পায়খানা ও রক্তবমি হতে পারে।

জেনে নিন হেপাটাইটিসের বিভিন্ন ৫ ধরন ও লক্ষণসমূহ-

হেপাটাইটিসের ৫টি ভাইরাস হলো এ, বি, সি, ডি ও ই। এর মধ্যে টাইপ বি ও সি মারাত্মক রূপ নেয়। যা লিভার সিরোসিস ও ক্যানসারের মতো মারাত্মক আকার ধারণ করে। প্রাথমিক অবস্থায় তা এর চিকিৎসা করা না হলে সমস্যা আরও কগুরুতর হয়ে ওঠে। ফলে লিভার সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

>> হেপাটাইটিস এ দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এ রোগের ক্ষেত্রে লিভার ফুলে যাওয়া, ক্ষুধামন্দা, জ্বর, বমি ও জয়েন্টে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দেয়।

>> হেপাটাইটিস বি ভাইরাস শরীরের রক্ত, ঘাম, লালা, বীর্যসহ বিভিন্ন দেহনিঃসৃত তরলের মাধ্যমে ছড়ায়। সাধারণত রক্তে অবস্থিত ভাইরাস ও এর বিরুদ্ধে অবস্থিত অ্যান্টিবডি থেকে এ রোগ নির্ণয় করা হয়।

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস লিভারে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এ কারণে রোগীর বমি বমি ভাব, ক্লান্তি, কোলিক, ত্বকের হলুদ রঙের মতো সমস্যা দেখা দেয়।

এটি সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী লিভার রোগ যা লিভার সিরোসিস ও ক্যানসারের রূপ নেয়। যদি কোনো গর্ভবতী নারী এতে আক্রান্ত হন; তবে তার গর্ভস্থ শিশুও এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

>> হেপাটাইটিস সি বেশ জটিল ভাইরাস। এটি হেপাটাইটিস এ ও বি এর চেয়েও বেশি বিপজ্জনক। রক্ত দেওয়া-নেওয়া, শিরায় ইনজেকশনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওষুধ প্রয়োগের সময় যদি জীবাণুযুক্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়, সেখান থেকে হেপাটাইটিস সি এর সংক্রমণ ঘটে। পৃথিবী জুড়ে আনুমানিক ১৩০-১৭০ মিলিয়ন লোক হেপাটাইটিস সি রোগে আক্রান্ত।

হেপাটাইটিস সি আক্রান্ত ব্যক্তির তেমন কোনো উপসর্গ থাকে না। তবে দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণের ফলে লিভারের ক্ষত ও বেশ কয়েক বছর পর সিরোসিস সৃষ্টি করে।

আবার অনেক সময় সিরোসিস আক্রান্ত ব্যক্তির লিভার অকার্যকর, যকৃতের ক্যানসার, বা খাদ্যনালি ও পাকস্থলীর শিরা ফুলে যেতে পারে। যার ফলে রক্তক্ষরণে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া ত্বকে চর্মরোগ দেখা দিতে পারে।

>> হেপাটাইটিস ডিতে বেশি আক্রান্ত হন হেপাটাইটিস বি ও সি এর রোগীরা। এটি দূষিত রক্তের সংক্রমণ, সংক্রামিত সূঁচ ব্যবহার বা শেভিংয়ের অন্যান্য কিটগুলির ব্যবহারের মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে। লিভারের সংক্রমণের ফলে বমি ও হালকা জ্বর হয়।

>> হেপাটাইটিস ই দূষিত খাবার দ্বারা ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগে আক্রান্ত হলে রোগী ক্লান্তি, ওজন হ্রাস, ত্বকের হলুদ হওয়া ও হালকা জ্বর অনুভব করে। এ সংক্রমণের ফলে রোগী ক্লান্তি, ওজন হ্রাস, ফ্যাকাশে ত্বক ও চেহারা ও জ্বরের মতো লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।

হেপাটাইটিসের বিভিন্ন ধরণ ও লক্ষণ যদি আপনার শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে মিলে যায়; তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের শরনাপন্ন হতে হবে।

আজ বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস। এ বছরের হেপাটাইটিস দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘হেপাটাইটিস নির্মূলের এখনই সময়’। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ভাইরাল হেপাটাইটিসকে নির্মূল করার জন্য সব দেশকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।

সূত্র: হেলথলাইন


আরও খবর



জাতীয় শোক দিবসে ৪ হাজার মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করবে বিসিবি

প্রকাশিত:Sunday ১৪ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
Image

পুরো দেশ ও জাতি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাঙালি জাতি সত্তার উন্মেষকারী ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে দেশের সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত।

রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, উপসনালয়সহ সর্বত্র কোরআনখানি, মিলাদ, দোয়ার মাহফিল, বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার পাশাপাশি দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবিও ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত দিবসে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের ভেন্যু ম্যানেজার আব্দুল বাতেন জাগো নিউজকে জানিয়েছেন, আগামীকাল ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে পবিত্র কোরআনখানি, বিশেষ মোনাজাত ও খাবার বিতরণ করা হবে।

বাতেন আরও জানান, সর্বমোট ৪ হাজার মানুষের এক বিশাল সমাগম-এর উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি। বাতেনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী আগামীকাল জাতীয় শোক দিবসের সকাল থেকেই বিসিবি প্রধান কার্য্যালয় তথা মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে চলবে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত। দুপুর ১২টায় হবে বিশেষ মোনাজাত। আর সাড়ে ১২ টায় শুরু হবে খাবার বিতরণ।

প্রসঙ্গতঃ গণভোজের জন্য এরই মধ্যে বিসিবির পক্ষ থেকে ৭টি বড় আকারে গরু কেনা হয়েছে।


আরও খবর



সরকার নয়, বিএনপি চোখে সর্ষে ফুল দেখছে: কাদের

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন— সরকার নয়, চোখে সর্ষে ফুল দেখছে বিএনপি। সামনে যখন আরও প্রকল্পের উদ্বোধন হবে তখন বিএনপি নেতারা চোখে সর্ষে ফুল ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাবেন না।

বুধবার (২০ জুলাই) সকালে রাজধানীর সেতুভবনে ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন সেতুমন্ত্রী। ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার চোখে সর্ষে ফুল দেখছে’ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গে টেনে এ কথা বলেন তিনি।

পদ্মাসেতু হয়ে যাওয়ায় বিএনপি নেতাদের যে অন্তর জ্বালা বেড়েছে তা এখনো কমেনি বরং দিনদিন বাড়ছে এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সমানেই আসছে তরুণ প্রজন্মের মেট্রোরেল, কর্ণফুলীতে বঙ্গবন্ধু টানেলসহ অনেক মেগাপ্রকল্প, তাই বিএনপি নেতারা চোখে শুধু সর্ষে ফুলই দেখতে পাচ্ছেন। সামনে যখন এসব প্রকল্পের উদ্বোধন হবে তখন তারা চোখে সর্ষে ফুল ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাবেন না।

বিদ্যুৎ নিয়ে সাময়িক যে সংকট সেটা নাকি সীমাহীন দুর্নীতির কারণে হয়েছে এবং এ সংকট নাকি সরকারের পতনের দিকে নিয়ে যাবে— বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকার পতনের যে দিবাস্বপ্ন বিএনপি দেখছে সেটা অচীরেই দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে।

দুর্নীতিতে সিদ্ধহস্ত বিএনপি নেতারা সবকিছুতেই দুর্নীতির গন্ধ খুঁজে বেড়ান। সবকিছু নিয়ে মিথ্যাচার করা বিএনপির এখন দৈনন্দিন রুটিন হয়ে গিয়েছে। দেশবাসী জানেন বিশ্বব্যাপী এখন জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এ সংকটকে আরও প্রকট করেছে।

যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি মার্কেট চরম অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে, এ পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতি যাতে বড় ধরনের কোনো ক্ষতির সম্মুখীন না হয় সে লক্ষ্যে সরকারকে আগেভাগেই কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা বিশ্বব্যাপী এ সংকটের কোনো সমাধানের কথা না বলে বরং দুর্নীতির কাল্পনিক অভিযোগ তুলে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে এবং দুরভিসন্ধিমূলক শান্ত জনগণকে উস্কে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু বিএনপির এসব মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্র জাতির কাছে এখন স্পষ্ট। বিএনপির কথা মানুষ এখন আর বিশ্বাস করে না। যেকোনো সংকট ও দুর্যোগে আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব আজ পরীক্ষিত।

তিনি বলেন, করোনা সংকট মোকাবিলায় যেখানে বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ হিমশিম খেয়েছে সেখানে শেখ হাসিনা সরকার অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এ সংকট মোকাবিলা করে দেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছে।

দেশবাসী ভালো করেই জানেন, যেকোন সংকট মোকাবিলায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ অন্য যেকোন দলের থেকে অনেক এগিয়ে। কাজেই মিথ্যাচার আর অপপ্রচার করে জনগণকে উস্কে দেওয়ার যে ষড়যন্ত্র বিএনপি করছে সে ফাঁদে দেশবাসী পা দেবে না। অতীতেও জনগণ শেখ হাসিনা সরকারের ওপর আস্থা রেখেছে এবং এখনো রাখছে।

বিশ্ব পরিস্থিতি ও বাস্তবতা বিএনপি অনুধাবন করতে না পারলেও জনগণ ঠিকই বিষয়টি অনুধাবন করে সরকারকে সহযোগিতা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অল্প সময়ের মধ্যেই এ সংকটের সমাধান হবে ইনশাআল্লাহ।


আরও খবর