Logo
আজঃ Wednesday ২৬ January ২০২২
শিরোনাম
অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে সহ-শিল্পীদের নগ্ন ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদেশের মাটিতে কৃষিপণ্য সরবরাহ বাড়াণোর লক্ষ্যে : ইরান রাজনৈতিক কঠিন চাপে রয়েছেন মেয়র আরিফুল স্বপ্নের মেট্রোরেল রওনা হলো আগারগাঁওয়ের উদ্দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণে ভারতে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ মুরাদ হাসান এমিরেটসের ফ্লাইটে কানাডা গেলেন সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আগামী বিশ্বকাপে ব্যাটসম্যানদের উন্নতি দেখতে চান করোনাভাইরাসে আরও ছয়জনের মৃত্যু বিশ্বের ৪৩তম ক্ষমতাধর নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মুরাদ হাসান এমিরেটসের ফ্লাইটে কানাডা গেলেন

প্রকাশিত:Friday ১০ December ২০২১ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ২১৮জন দেখেছেন
Image

কানাডার উদ্দেশে গতকাল এমিরেটস এয়ারলাইনসের রাত ১১টা ২০ মিনিটের ইকে ৮৫৮৫ ফ্লাইটে দেশ ছেড়েছেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডামুরাদ হাসান। বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন সূত্রে  তথ্য জানা গিয়েছে।

সূত্র জানিয়েছেগতকাল রাত পৌনে ৯টার দিকে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে পৌঁছান ডামুরাদ। আগেই কানাডাগামী একটি ফ্লাইটের টিকিট কেটেছিলেন তিনি। এমিরেটস এয়ারলাইনসের ইকে ৮৫৮৫ ফ্লাইটে দুবাই হয়ে কানাডার পথে রওনা দেন তিনি। ফ্লাইটটি ১১টা ২০ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও সহযাত্রীদের কভিড পরীক্ষাসহ অন্যান্য কারণে রাত ১টার দিকে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর ছেড়ে যায়।

সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া  তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অশালীন বক্তব্য দেয়ায় বিতর্কের মুখে পড়েন সাবেক  প্রতিমন্ত্রী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বক্তব্য ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। এমন বাস্তবতায় তাকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব হারানোর পাশাপাশি জেলা আওয়ামী লীগের পদ থেকেও তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

গতকাল সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মুরাদ হাসানের দেশত্যাগের প্রস্তুতির খবরের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেনমুরাদ হাসান যদি স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগ করতে চানতাহলে তাকে বাধা দেবে না সরকার।  বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরই মুরাদ হাসান কানাডার উদ্দেশে যাত্রা করেন।

ডামুরাদ হাসান ১৯৭৪ সালের ১০ অক্টোবর জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলাধীন দৌলতপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম অ্যাডভোকেট মতিয়র রহমান তালুকদারমাতা মনোয়ারা বেগম। তার পিতা ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ  আইনজীবী। অ্যাডভোকেট মতিয়র রহমান তালুকদার জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তিনি ১৯৮৬-২০০৩ মেয়াদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ছিলেন।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে ১৪১জামালপুর- (সরিষাবাড়ীমেস্টা  তিতপল্যাসংসদীয় আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি জাতীয় সংসদের স্বাস্থ্য  পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে বিভিন্ন দেশ সফর করেন। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪১জামালপুর- সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য হন। ২০১৯ সালের  জানুয়ারি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য  পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ২০১৯ সালের ১৯ মে থেকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।


আরও খবর



নাসিরনগর নির্বাচন অফিস,টাকা ছাড়া মিলে না সেবা

নাসিরনগর নির্বাচন অফিস,টাকা ছাড়া মিলে না সেবা

প্রকাশিত:Saturday ২২ January 20২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ৯৩জন দেখেছেন
Image


মোঃআব্দুল হান্নান,

অফিসেরকর্মকর্তা কর্মচারী আর পাঁচ দালালে মিলেই চালাচ্ছে নাসিরনগর নির্বাচন কর্মকর্তার কার্য্যালয়। এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।দালালরা  চাইলেই  তৈরি করে দিতে পারেন নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)! ভুল সংশোধন কিংবা স্থান পরিবর্তনসহ নির্বাচন অফিসের যে কোন সেবা দিতে পারেন তারা।এমন কাজ তারা গোপনে নয়, প্রকাশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঘোষণা দিয়েই করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে।


আপনি যদি সচেতন নাগরিক হোন, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে যদি কোন সেবার আবেদন করেন, তাহলে পোহাতে হবে চরম ভোগান্তি।  কাগজে সমস্যা,কাগজে ক্রটি এমন নানা অজুহাতে আপনার কাজ আটকে থাকবে দিনের পর দিন। তবে দালালের হাতে তাদের চাহিদা মত টাকা ধরিয়ে দিলে বা  চুক্তি করলেই মিলবে সেবা। এমনই চিত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার  নাসিরনগর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের।


নির্বাচন অফিসের দালাল জাকারিয়া আহমেদ তাকের ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আইডি কার্ডের সকল সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দেন। তার স্ট্যাটাসটি হলো কারো যদি জরুরি আইডি কার্ড লাগে তবে যোগাযোগ করুন। অপর আরেকটি স্ট্যাটাসে লেখেন, আইডি কার্ড সংশোধন করে দিতে পারি, যাদের সমস্যা তারা যোগাযোগ করবেন।


ভোক্তভোগীদের অভিযোগ, নাসিরনগর নির্বাচন অফিসের নির্বাচন কর্মকর্তা ও অফিস সহকারী থেকে শুরু করে এমএলএসএস এর সাথে আর্থিক চুক্তি ছাড়া মিলে না সেবা। তাদের সহযোগী স্থানীয় বদপাঁচ দালালও রয়েছে। ওই দালালরা অফিসের আশপাশে সকাল ৯টা থেকে শুরু করে রাত ১০টা পর্যন্ত বসে থাকে। তাদের কাজ হল সেবাগ্রহীতাদের সাথে চুক্তি করে নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে পৌঁছানো।


অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি নতুন এনআইডি কার্ড করতে ২০ হাজার থেকে শুরু করে সর্বনিম্ন ৩/৪ হাজার টাকা, সংশোধনের জন্য ক্যাটাগরিভেদে পাঁচ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেন তারা। দালাল ছাড়া সরাসরি নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসরণ করে অফিস আসলে পোহাতে হয় চরম ভোগান্তি। তবে দালালের মাধ্যমে গেলেই মেলে প্রশান্তি।


সরেজমিন উপজেলা নির্বাচন অফিস ঘুরে দেখা গেছে, দুপুরের দিকে নির্বাচন অফিসের সামনে ও বিভিন্ন কক্ষের ভেতর সেবাগ্রার্থীদের প্রচুর ভিড়। এখানে সর্বত্রই উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি। কারোরই মুখে নেই কোন মাস্ক। নির্বাচন কর্মকর্তা ভিড় ঠেকাতে অফিসের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে রেখেছে। নতুন আইডি কার্ড করতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা প্রায় শতাধিক সেবাগ্রহীতাকে দেখা গেছে। এদের মধ্যে থাকা ঢাকা কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. রোকন উদ্দিন ভূইঁয়া অভিযোগ করে বলেন, আমি আমার ছেলের আইডি কার্ড করতে নির্বাচন অফিসে আসি। নির্বাচন কর্মকর্তা শতশত সেবাগ্রহীতার জন্মনিবন্ধন আটকে রেখে টাকা আদায় করে হয়রানি করছে।ঢাকা থেকে আসা গোয়াল নগর ইউনিয়নের লালুয়ারটুক গ্রামের গ্রাফিক্স ডিজাইনা জোহাম জানায়,সে ভোট উঠানোর পর প্রিন্টিং কপির জন্য অনেক দিন অফিসে ধর্না দিলেও কোন কাজ হয়নি।কিন্তু অফিসের ইমরান সাহেব কে ৪ হাজার টাকা দেয়ার ২৪ ঘন্টার ভিতরেই পেয়ে যান প্রিন্টিং কপি।ডাঃ রোকন উদ্দিন বলেন,হয়রানির কারণ জানতে চাইলে নির্বাচন অফিসার দুর্ব্যহার করে।


 এদিকে অফিস থেকে বের হওয়ার সময় চোখে পড়ে সেবাগ্রহীতা সালামের সাথে অফিসের দালাল পারভেজের টাকা লেনদেনের চিত্র। সেটি মোবাইলে ধারণ করা হয়। তখন পারভেজ এসে এ প্রতিবদেককে বলেন, আমি সালামের কাছে টাকা পাইতাম সেই টাকাই ফেরৎনিচ্ছি।


ভলাকুট ইউনিয়নের বাঘী গ্রামের বাসিন্দা শ্যামল ভৌমিক অভিযোগ করে বলেন, আমি বিদেশ যেতে দ্রুত আইডি কার্ড করতে অফিসে আসি। কিন্তু নির্বাচন কর্মকর্তা আমার সকল কাগজপত্র দেখে বলেন, তোমার বয়স কম। আইডি কার্ড হবেনা। পড়ে একজন দালাল অফিসের পেছনে নিয়ে আমায় বলল স্যার (নির্বাচন কর্মকর্তাকে) কিছু খরচপাতি দিলে বয়স কোন সমস্যা হবেনা। তখন নির্বাচন অফিসারকে আমি ৩ হাজার টাকা দেই। কবে কার্ড পাব ভগবানই ভাল জানেন।


একই ইউনিয়নের কুটুই গ্রামের উদ্ভব দাস বলেন, আমার আইডি কার্ডে নামের ভুল সংশোধনের জন্য অফিসে আসি। কিন্তু অফিসের কেউ আমার সাথে কথাই বলতে চায়না। পরে একজন দালাল আমাকে বলে ১ সপ্তাহের মধ্যে ঠিক করে দিবে, বিনিময়ে তাকে ৩ হাজার টাকা লাগবে। আমি বাধ্য হয়ে ৩ হাজার টাকা দেই। কিন্তু প্রায় দুই মাস হলেও কার্ড পাচ্ছি না।


হরিপুর ইউনিয়নের মিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি ২০২১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর নতুন আইডি কার্ড করতে অফিসে সকল কাগজপত্র জমা দেই। কিন্তু টাকা ছাড়া করবেনা বলে ফিরিয়ে দেয়। পরে ৫ হাজার টাকা দেওয়ার পর চার মাস পর কার্ড হাতে পাই। কে টাকা নিয়েছে জানতে চাইলে বলেন, অফিসের আউট সোর্সিং-এ নিয়োগ পাওয়া ইমরান তার কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করেছে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন দালাল বলেন, এ অফিসের বিকাশ, রইস খান, মিজান, রুস্তম ও পারভেজই বেশি কাজ করে। তারাই নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে সেবাগ্রহীতাদের সাথে কন্ট্রাক করে অফিসে নিয়ে আসে।


অনিয়ম ও হয়রানির বিষয়ে জানতে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি কোন সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে ঘুষ নেয়নি। কাউকে হয়রানিও করিনা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ আপনি নিজে টাকা নিয়ে কাজ করেন এমন প্রশ্ন করলে তিনি আর কথা বলতে রাজি হননি।


-খবর প্রতিদিন/ সি.বা   


আরও খবর



করোনাভাইরাসের টিকার সনদ ছাড়া যানবাহনে চলাচল করা নিশেধ

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৪ January ২০২২ | ৭৬জন দেখেছেন
Image

করোনাভাইরাসের টিকার সনদ ছাড়া হোটেল-রেস্টুরেন্টের মতো শপিংমলে প্রবেশ এবং ট্রেন, প্লেন ও লঞ্চসহ যানবাহনে চলাচল করা যাবে না। এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব ড. খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে নিজ দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বৈঠকের নির্দেশনা তুলে ধরে এসব কথা বলেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রপিরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ওমিক্রন নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয়েছে। গত ৩ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে টেকনিক্যাল কমিটির একটি সভা হয়েছে। সেখানে যেই বিষয়টি পয়েন্ট আউট করা হয়েছে, সেটা হলো ভ্যাকসিনটা আরও জোরদার করতে হবে। বুস্টার ডোজ কীভাবে সহজ ও বিস্তৃত করা যায়, সেটা দেখতে হবে।

মন্ত্রপিরিষদ সচিব বলেন, ওমিক্রমের বিষয়ে বলা হয়েছে, আমরা এখন থেকে রেস্টুরেন্ট, শপিংমল, প্লেন, ট্রেন ও লঞ্চে যারা উঠবে, তাদের একটা টাইম দেব; তারা ডাবল ভ্যাকসিনেশন সার্টিফিকেট ছাড়া কেউ যাতে না ওঠে। সেরকম একটা চিন্তা-ভাবনার দিকে যেতে হবে।

সচিব আরও বলেন, এছাড়া বাড়ির বাইরে কোনোক্রমেই মাস্ক ছাড়া যাওয়া যাবে না। এটা আমরা অলরেডি বলে দিয়েছি। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে সচিব বলেন, ভ্যাকসিন কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। বুস্টার ডোজের ব্যাপারে আরও মনোযোগী হতে হবে। রেস্তোরাঁ, শপিংমল, বাণিজ্য মেলা, বিমানে যেতে হলে ভ্যাকসিনের ডাবল ডোজের সার্টিফিকেট দেখাতে হবে। মাস্ক ছাড়া কেউ বের হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সারাদেশে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান সীমিত করতে হবে। বুস্টার ডোজের বিষয়ে ফ্রন্টলাইনারদের ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে; যাতে সবাইকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়। করোনা সংক্রমণ বাড়লে গণপরিবহনে যাত্রীর সংখ্যা অর্ধেক করা হবে।

সচিব বলেন, এখন থেকে ১২ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে হলে অন্তত প্রথম ডোজ টিকা দিতে হবেই। সেইসঙ্গে বন্দরগুলোকে আরও শক্তিশালী করারও নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী


আরও খবর



ওমিক্রন প্রতিরোধে নির্দেশনা জারি করলেন পুলিশ সদস্যদের

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১৬৫জন দেখেছেন
Image

করোনাভাইরাসের এর নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও এর প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন প্রতিরোধে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি (অপারেশনস-২) মোহাম্মদ উল্ল্যা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হলো

১. প্রত্যেক পুলিশ সদস্য ডিউটি পালনের সময় অবশ্যই মাস্ক, গ্ল্যাভস, হেডকভার, ফেসশিল্ড প্রভৃতি পরিধান করবেন।

২. ডিউটি পালনকালে কিছু সময় পর পর হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে এবং নিয়মিত ডিউটি শেষে সাবান/হ্যান্ড ওয়াশ দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে।

৩. কোডিড-১৯ (ওমিক্রন) উপসর্গ দেখা দিলে আইসোলেশন সেন্টারে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

৪. প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে দ্রুত সময়ের মধ্যে কোডিড-১৯ ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে ইউনিট ইনচার্জ কর্তৃক অধীন পুলিশ ও নন-পুলিশ সদস্যদের ভ্যাকসিন গ্রহণ নিশ্চিত করা।

৫. পুলিশের সব ইউনিটে ‘No Mask No Service’ এবং ’No Mask No Entry’ নির্দেশনা প্রতিপালন করা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মাস্কের ব্যবস্থা রাখা।

৬. ডিউটিরত সব ক্ষেত্রে শারীরিক দূরত্ব (কমপক্ষে ৩ ফুট বা ১ মিটার), হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।

৭. সেবা গ্রহীতা ও দর্শনার্থীদের পুলিশ স্থাপনায় প্রবেশের ক্ষেত্রে শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয় ও হাত ধোয়া/স্যানিটাইজ নিশ্চিত করা।

৮. প্রত্যেক পুলিশ সদস্যের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী (মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ইত্যাদি) ব্যবহার নিশ্চিত করা।

৯. অপারেশনাল কাজে ব্যবহৃত অস্ত্র, হ্যান্ডকাফ, রায়ট গিয়ার, হ্যান্ডমাইক, মেটাল ডিটেক্টর, আর্চওয়ে ইত্যাদি যথাযথভাবে জীবাণুমুক্ত করা।

১০. ডিউটি শেষে আবাসস্থলে প্রবেশের আগে ইউনিফর্ম ও জুতা ভালোভাবে জীবাণুমুক্ত করা এবং সাবান দিয়ে গোসল করা।

১১. ডাইনিং রুম, ক্যান্টিন, বিনোদন কক্ষ, রোল কল, ডিউটিতে যাবার পূর্বে ও ডিউটি হতে ফেরার পরে, সমাবেশস্থলে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রীর ব্যবহার নিশ্চিত করা।

১২. কোভিড-১৯ উপসর্গ দেখা দিলে কিংবা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে ছিল বা এসেছে এমন পুলিশ সদস্যদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোভিড পরীক্ষার ব্যবস্থা করা।

১৩. কোভিড-১৯ পজেটিভ সদস্যদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী কেন্দ্রীয়/বিভাগীয়/জেলা পুলিশ দাসপাতাল ও স্থানীয় হাসপাতালে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।

১৪. জরুরি প্রয়োজনে রোগীকে অন্যত্র স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ইউনিট ইনচার্জ কর্তৃক তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

১৫. ইউনিট ইনচার্জ ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিজ ইউনিটের আক্রান্ত সদস্য ও তার পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা এবং সার্বিক সহায়তা প্রদান করা।

১৬. হাজতখানা সর্বদা জীবাণুমুক্ত রাখা এবং হাজতে থাকাকালীন কোন ব্যক্তির কোডিড-১৯ এর লক্ষণ প্রকাশ পেলে অবিলম্বে তাকে পৃথক করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

১৭. রেশন সামগ্রী, ওষুধ ইত্যাদি সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি এবং সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করা।

১৮. কোডিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কর্তৃক প্রণীত এসওপি এর নির্দেশনাসমূহ অনুসরণ এবং রোলকলে সচেতনতামূলক ব্রিফিং প্রদান করা।

১৯. কোডিড-১৯ সংক্রাতে ইতিপূর্বে প্রেরিত নির্দেশনা যথাযথ ও আন্তরিকভাবে প্রতিপালন করবেন।

২০. প্রত্যেক পুলিশ ইউনিটে কর্মরত সব সদস্যদের স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রশাসনের সঙ্গেসমন্বয়পূর্বক কোভিড-১৯ (বুস্টার ডোজ) ভ্যাকসিন গ্রহণে নিশ্চিত করতে হবে।

২১. কোভিড-১৯ সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী বিধায় সব পুলিশ সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গকে অবশ্যই যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে


আরও খবর



পুলিশে ও প্রাইমারী স্কুলে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে সাড়ে ১১লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে প্রতারক লিটন

প্রকাশিত:Tuesday ২৫ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

পর্ব-৬

মোঃ আব্দুল হান্নান,নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া),

প্রতারনার মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া নাসিরনগর সদরের মৃত আব্দুল গাফ্ফারের ছেলে প্রতারক লিটন (৩৫), পুলিশে  চাকুরী দেওয়ার নাম করে ৫ লক্ষ লক্ষ টাকা ও প্রাইমারী স্কুলে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে ৩ লক্ষ টাকা  দুইজনের নিকট থেকে  ৮ লক্ষ টাকা । তাছাড়াও দাঁতমন্ডল গ্রামের চাঁন মিয়ার নিকট থেকে ২ লক্ষ টাকা ও প্রতারক লিটনের আপন চাচা নাছির মিয়ার কাছ থেকে দেড় লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে প্রতারক লিটন।


জানা গেছে দাঁতমন্ডল গ্রামের আব্দুল্লাহর মেয়ে রুনা বেগমকে প্রাইমারী স্কুলে সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে রুনার কাছ থেকে নগদ ৩ লক্ষ টাকা, বুড়িশ্বরগ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলেআমিনুল  ইসলামকে পুলিশে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে ৫ লক্ষ টাকা নেয় প্রতারক লিটন। তাদেরকে চাকুরী দিতে না পারায় টাকা ফেরত চাইতে গেলে উল্টো হুমকি দেয় প্রতারক লিটন।


তাছাড়াও দাঁতমন্ডল গ্রামের চাঁন মিয়ার লিটন থেকে ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহারের জন্য ননজুডিসিয়াল ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর প্রদান করে ২ লক্ষ টাকা ও লিটনের আপন চাচা  পান সিগারেট ব্যবসায়ী নাছির মিয়ার নিকট দেড় লক্ষ টাকা নিয়ে আত্মসাৎ তরে প্রতারক লিটন। প্রতারক লিটনের প্রতারনার স্বীকার হয়ে এই পরিবারগুলো আজ রাস্তায় বসার উপক্রম হয়েছে বলে জানায় ভূক্তভোগীরা। 



আরও খবর



ধনবাড়ীতে সরিষার সুফলে লাভ জনক কৃষক ছানোয়ার হোসেন তোতা

প্রকাশিত:Tuesday ২৫ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image


আবুল হোসেন আকাশ (টাঙ্গাইল,ধনবাড়ী)

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের কৃষক ছানোয়ার হোসেন তোতা উপজেলার কৃষি অফিস থেকে একটি প্রকল্প  দিয়েছে  কৃষিক পর যায় উন্নত জাতের একটি ডাল তৈল ও মশলা  প্রকল্পটির  মাধ্যমে  তিন একর জমিতে সরিষা চাষ করেন ।  


কৃষক ছানোয়ার হোসেন তোতা জানান প্রথম আমাকে  উপজেলা-কৃষি-অফিস থেকে এক একর জমি চাষ করার জন্য  সার বীজ এবং কিছু অর্থ দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করে  এতে আমি অনেক লাভ বান হই। আর ৫০০ কেজি সরিষা বীজ  উৎপাদন করি  ।


আবারো আমি  দুই একর জমিতে সরিষা চাষ করি এতে আমার ১ এক হাজার কেজি  বীজ উৎপাদন করি  পরে লোক জনে জানজানি হয় যে আমি সরিষা  বারি সত্তেরো  বারি চৌদ্দো ,আমার এই সরিষা বীজ বিভিন্ন এলাকার মানুষ   নিয়ে সরিষা চাষ করে  অনেকেই  আজ লাভ বান হয়   । এবার আমি তিন একর জমিতে সরিষা চাষ করেছি। এতে আমার  প্রতি এক একর জমিতে ৫০০ কেজি সরিষা উৎপাদন হবে বলেস।


কৃষক তোতা তিন এবার ৩ একর জমিতে ১৫০০ শ কেজি থেকে ১৮০০শ কেজি সরিষা উৎপাদন হবে বলে আশা করেন কৃষক ছানোয়ার হোসেন তোতা । তিনি বলেন, সরিষা আবাদে খরচ কম ফলে অল্প খরচেই ও কম পরিশ্রমেই সরিষা আবাদ করা যায়।  । আমার নিজের জন্য কিছু বীজ রেখে আর সব বীজ আমি বিক্রয় করবো ।


আমি অনেক লাভমান হবো ,আমি উপজেলা  কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর এর সহযোগিতা না পেলে  আমি এতো লাভ ভান হতে পারতাম না  । মাননীয় কৃষি মন্ত্রীর ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি মহদোয় কৃষকদের প্রতি বিশেষ  অবদান রেখেছেন। ,


বর্তমানেমাননীয় প্রধান মন্রীর শেখ হাসিনার  নেতিত্বে আমরা কৃষিক যারা সার বীজ নগত  অর্থ সহ  অনেক সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি  ।


আরও খবর