Logo
আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

মুকুলে ছেয়ে গেছে বাগান, লাভের স্বপ্নে বিভোর আমচাষিরা

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৩৮জন দেখেছেন

Image

জসীমউদ্দীন ইতি ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের গাছে গাছে উঁকি দিচ্ছে আমের মুকুল। রাস্তার ধারে, বাড়ির আঙিনায়, মাঠ-ঘাটে, আনাচে কানাচে গাছের ডালে হলুদ ও সোনালী বর্ণে শোভা পাচ্ছে মুকুল। ফাগুন হাওয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণ, মাতোয়ারা চারপাশ। বাগানজুড়ে মৌমাছির গুঞ্জন আর মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণে মুগ্ধ করেছে প্রকৃতি প্রেমীদের। আমের মুকুল পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বাগানমালিক ও আম চাষিরা। ভালো ফলনের আশায় লাভের স্বপ্ন দেখছেন তারা। 

জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখা যায়, জেলার পাঁচ উপজেলায় মোট ১ হাজার ৮৪৪টি আম বাগানের রয়েছে। যার আয়তন প্রায় ৩ হাজার ২৩৬ হেক্টর জমি। এছাড়াও বসত বাড়িরসহ মোট ৫ হাজার ৮২ হেক্টর জমির আম গাছ। উপজেলার বিভিন্ন বাগানে আম্রপালি, সূর্যপূরী, বান্দিগড়সহ বিদেশি কিং চাকাপাত, নাম দোকমাই, চিয়াংমাই, আলফান শো, রেডপার্লমারসহ বিভিন্ন জাতের আম গাছ রয়েছে। এসব বাগানের প্রতিটি গাছেই ব্যাপক মুকুল এসেছে। কোনো কোনো গাছে গুটিও আসতে শুরু করেছে।

ভালো ফল পেতে গাছের পরিচর্যা ও পোকা দমনে বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক স্প্রে করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন আম চাষি ও বাগানে কর্মরত শ্রমিকরা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানিয়েছে, জেলায় মোট ৪৯ হাজার ১৮৫ টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লক্ষ্যমাত্রার থেকেও বেশি আম উৎপাদন হতে পারে বলে ঢাকা মেইলকে জানিয়েছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম। আম চাষিরা জানান, আবহাওয়ার কারণে গত বছর আম চাষে কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। এবার প্রতিটি গাছে ব্যাপক পরিমাণ মুকুল এসেছে।

অনুকূল আবহাওয়া থাকলে আর কোনো রোগ বালাই না আসলে এ বছর আমের বাম্পার ফলন হবে। বড় ধরনের ঝড়বৃষ্টি না হলে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আশা তাদের। এছাড়াও সরকারিভাবে আম সংরক্ষণের ব্যবস্থা করলে আরও বেশি লাভবান হবেন বলেও জানান তারা। পীরগঞ্জ উপজেলার আম চাষি মো. আহসান হাবিব (ডিপজল) বলেন, তার ২০ একর জমিতে আম্রপালি, সূর্যপূরী, বান্দিগড়িসহ বিদেশি কিং চাকাপাত, নাম দোকমাই, চিয়াংমাই, আলফান শো, রেডপালমারসহ বিভিন্ন জাতের ৮ হাজার আম গাছ আছে। এসব গাছের পরিচর্যায় প্রতিদিন প্রায় ৮-১০ শ্রমিক কাজ করেন।

এবার  প্রতিটি গাছেই মুকুল এসেছে। মনে হচ্ছে এবার আমের ভালো ফলন হবে। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হাবিব নামে এক বাগান মালিক বলেন, গত বছর তিন দফায় শীলাবৃষ্টি হওয়ায় আমার আম বাগানে প্রায় ৯ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এবার গাছগুলোতে খুব মুকুল এসেছে। প্রতিটি গাছের পরিচর্যা খুব ভালোভাবে নেওয়া হচ্ছে। আশা করছি, তেমন ঝড়বৃষ্টি না হলে ভালো আম হবে। এবং গত বারের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারব। পীরগঞ্জ উপজেলার ভোমরাদহের আমচাষি মাহমুদুল হাসান বলেন, আমি প্রতি বছরই বাগান লিজ নিয়ে আম চাষ করি। এ বছরও ২০টা বাগান লিজ নেওয়া আছে। এবার আমার প্রতিটি বাগানে প্রচুর মুকুল এসেছে।

আর কয়েকদিনের মধ্যে গাছে আমের গুটি আসতে শুরু করবে। তাই গাছে পোকার আক্রমণ যেন না করতে পারে, মুকুল যেন ভালো থাকে সেজন্য বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন রকম ওষুধ স্প্রে করছি। আশা করছি লাভবান হব। কিন্তু আমাদের এদিকে আম সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় চাষিরা আম উৎপাদন করেও বেশি লাভবান হতে পারে না। সরকার যদি আমাদের এসব উৎপাদিত আম বিদেশে রফতানি ও এলাকায় আম সংরক্ষণের ব্যবস্থা করত তাহলে আমরা আরও লাভবান হতে পারতাম। এতে করে আম চাষে কৃষকরা আরও বেশি আগ্রহী হতেন বলেও জানান এই কৃষক। আগের তুলনায় এই জেলায় ব্যাপকহারে আম চাষ হচ্ছে।

সবার বাগান বা গাছের আম প্রায় একই সময় পরিপক্ক হয়। ফলে সকল গাছের আম এক সঙ্গে বাজারে ওঠে বলে দাম পাওয়া যায় না। তাই যদি সরকার আম সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে দিতো তাহলে সেগুলো আমরা সংরক্ষণ করে রাখতে পারতাম ও ভালো মূল্যে বিক্রিও করতে পারতাম বলে জানান উপজেলার হাজীপুরের চাষি আবদুল আজিজ। তিনি সরকারিভাবে আম রফতানি ও সংরক্ষণের জন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠন গড়ার দাবির জানিয়েছেন। রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড়ের আমচাষি আব্দুল খলিল বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার গাছে ব্যাপক মুকুল এসেছে। ইতোমধ্যে কিছু গাছে আমের গুটি আসা শুরু করেছে।

খন পরিচর্যা বলতে শুধু বিষ প্রয়োগ ও গাছে সেচ করতে হচ্ছে। তবে এখন একটু বৃষ্টির প্রয়োজন। বৃষ্টি হলেই চিন্তা নাই। আর বৃষ্টি না হলে ওষুধ মেশানো পানি গাছের মুকুলে স্প্রে করতে হবে। রবিউল ইসলাম বলেন, আমাদের আশাপাশের প্রতিটি আম গাছে ও বাগানে অনেক মুকুল এসেছে। এবার আমও হয়তো ব্যাপক হবে। তবে সরকার এসব আম রফতানি করার উদ্যোগ নিতো তাহলে চাষিরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি দেশও বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারতো।

এবার যে হারে আমের মুকুল এসেছে সেগুলো ধরে রাখতে পারলে জেলায় আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, কৃষি বিভাগ থেকে গাছে সেচ, আমের মুকুল ও গুটি ঝড়া রোধে কীটনাশক স্প্রেসহ আমের ফলন সম্প্রসারণে সকল প্রকার পরামর্শ আম চাষিদের দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও রফতানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের আওতার মাধ্যমে জেলায় আম সংরক্ষণের জন্য শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কথা বিভিন্ন মিটিং ও সেমিনারে ঊর্ধ্বতনদের জানানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে,  ঠাকুরগাঁওয়েও একসময় আম সংরক্ষণে আমভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হবে।


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে ফিল্মি স্টাইলে শিশু অপহরণ; ৫ জনকে কুপিয়ে জখম

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image

শেফালী আক্তার রাখি,মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে প্রকাশ্য দিবালোকে বসতবাড়িতে ঢুকে ফিল্মি স্টাইলে এক শিশু অপহরণ ও ৫ জনকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় শিশুটির খালা জেসমিন আক্তার বাদি হয়ে বুধবার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগে জানাগেছে, হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের হোগলাবুনিয়া গ্রামে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে মোস্তাফিজুর রহমান হাওলাদারের বসতবাড়িতে জোরপূর্বক জানালা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে মালামাল তছনছ ও ভাংচুর চালিয়ে নগদ ৪৫ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। সিমান্তবর্তী ইন্দুরকানি উপজেলার বালিপাড়া গ্রামের কামরুল ইসলামের নের্তৃত্বে ২০/২৫ জনের একটি বাহিনী গৃহমালিক মোস্তাফিজুর রহমানের নাতি শিশু কণ্যা মুনতাহার (৫)কে ফিল্মি স্টাইলে অপহরণ করে মোটরসাইকেল যোগে বীরদর্পে চলে যায় দুর্বত্তরা।

এ সময় বাঁধা দিলে হামলাকারিদের এলোপাতাড়ি মারপিট ও কুপিয়ে জখম করে। জখমীরা হলেন মোস্তাফিজুর রহমান হাওলাদারের স্ত্রী হাসিনা বেগম (৬৫), আসাদুজ্জামান হাওলাদার (৪৫), সাইফুল ইসলাম হাওলাদার (৩৫), কলেজ শিক্ষার্থী মারজানা আক্তার (১৮), হিজবুল্লাহ (২৪)কে রক্তাক্ত জখম করে। আহতদের মধ্যে গুরুত্বর জখমী সাই আসাদুজ্জামান হাওলাদার, সাইফুল ইসলাম হাওলাদারকে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

গৃহকর্তী বৃদ্ধা হাসিনা বেগম বলেন, তার মেয়ে ও জামাতার সাথে বিবাহের পর থেকেই পারিবারিক কলহ লেগে থাকে। মেয়েকে নির্যাতন করে। গতবছর রমজান মাসে মেয়ে জাকিয়া বেগম মারা যায়। তারপর থেকেই তার দুটি শিশু মুনতাহার (৫) ও মুসফিকা (৮)।

আমার কাছেই বড় হয়। এ নিয়ে তার পিতা আদালতে মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত শিশুদেরকে আমি (নানী)’র নিকট থাকার নির্দেশনা দেয়। এ ঘটনার জের ধরে বসতবাড়িতে ঢুকে বিভিন্ন মালামাল লুট করে শিশু মুনতাহারকে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় মোরেলগঞ্জ থানায় কামরুল ইসলামসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দিয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায় স্থানীয় গ্রামবাসি জহিরুল ইসলাম হাওলাদার, জেসমিন আক্তার ভূক্তভোগীরা বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে এ ধরনের হামলার কারনে আমরা আতংকে রয়েছি।

প্রশাসনের প্রতি হামলাকারিদের দৃষ্টান্ত মূলক বিচার দাবি করছি।এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুদ্দীন বলেন, শিশুকে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে বিচারাধীন মাদক মামলা ৮২ হাজারের বেশি

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন দেশের আদালতগুলোতে বর্তমানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দায়েন করা মাদক সংক্রান্ত বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৮২ হাজার ৫০৭টি বলে। তবে গত ৫ বছরে এ সংক্রান্ত ১০ হাজার ২৫৯টি মামলা নিষ্পন্ন হয়েছে বলেও তিনি জানান।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্বতন্ত্র সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন বিচারিক আদালতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদক সংক্রান্ত বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৮২ হাজার ৫০৭টি।

তিনি জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ (সংশোধিত-২০২০) অনুসারে মাদকসহ আটক হওয়ার তারিখ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে মামলার তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করার বিধান রয়েছে।

যার আলোকে অধিদপ্তরের দায়ের করা মামলাগুলোর তদন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সকল আইন-প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বিগত ৫ বছরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দায়ের করা মামলার মধ্যে ১০ হাজার ২৫৯টি মামলা বিচারিক আদালতে নিষ্পন্ন হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ (সংশোধিত-২০২০) এর আলোকে মহানগর দায়রা জজ, দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য এক বা একাধিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নির্দিষ্ট করার বিধান রাখা হয়। এ বিধানের আলোকেই বর্তমানে মাদক মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


আরও খবর



মেহেরপুরে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুর প্রতিনিধি:মেহেরপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে চ্যানেল ২৪ স্টাফ রিপোর্টার রাশেদুজ্জামান ও জবাদিহি পত্রিকার সাংবাদিক সিরাজুদ্দোজা পাভেলের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে মেহেরপুর প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে আয়োজিত এ মানববন্ধনে জেলায় কর্মরত সাংবাদিক ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের কর্মীরা অংশ গ্রহণ করে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করেন।

মানববন্ধনে মেহেরপুর প্রেস ক্লাব আহবায়ক মহসিন আলী আঙ্গুরের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাব সভাপতি ফজলুল হক মন্টু, সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল হক মানিক, সাংবাদিক তুহিন অরন্য, রফিকুল আলম, ফারুক হোসেন, গাংনী প্রেস ক্লাব সভাপতি তোহিদ-উদ-দৌলা রেজা, মুজিবনগর প্রেস ক্লাব সভাপতি মুন্সি উমর ফারুক প্রিন্স, জাগো মেহেরপুর মূখপাত্র সোয়েব রহমান, মৃত্তিকা গ্রুপ থিয়েটরের সভাপতি মানিক হোসেন, উই আর ফর পিপল সভাপতি খন্দকার মইজ ও মানবাধিকার কর্মী দিলারা ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মেহেরপুর প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেন ইয়ামিন মুক্ত।

বক্তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্বপালনকালে সাংবাদিকদের উপর যে বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে তা স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বড় বাধা। সমাজের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা এসব দুর্বৃত্তদের দমন করা না গেলে একটি সুন্দর সমাজ গঠন সম্ভব নয়। হামলার সাথে জড়িতের দৃষ্টান্তমূলক সাজা নিশ্চিত করার দাবি জানান মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।

প্রসঙ্গত, গেল ১২ ফেব্রুয়ারী মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপিতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক মোটর সাইকেল চালক নিহত হয়। এ ঘটনার জের ধরে কিছু উচ্ছৃংখল মানুষ মউক নামের একটি এনজিও অফিসে হামলা চালায়। ঘটনাস্থলে দুর্ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ধারণ করার সময় উচ্ছৃংশল কিছু মানুষ সাংবাদিক রাশেদুজ্জামানের উপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। তাকে বাঁচাতে ছুটে গেলে তাদের হামলার শিকার হন সাংবাদিক পাভেল। পরে পুলিশ ও সাংবাদিকরা তাদের দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। ঘটনার দিন রাশেদুজ্জামান বাদি হয়ে সাত জনের নাম উল্লেখ করে মেহেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনাস্থল থেকে আবু লায়েছ নামের এক আসামি এবং গেল রাতে ১নং আসামি আকাশকে গ্রেফতার করে পুলিশ।


আরও খবর



মির্জাপুরে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮২জন দেখেছেন

Image

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:মির্জাপুর উপজেলার মীর দেওহাটা নামক স্থানে রবিবার ০৪/ তারিখ নদীতে বাঁধ দিয়ে অবৈধভাবে মাটি কাঁটার দায়ে দুইজনকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই সাথে নদীতে নির্মিত অবৈধ বাঁধ কেটে দেওয়া হয়েছে।

এ সময় মাটি কাটা রত অবস্থায় ৬টি ভেকু ও ১১ টি ড্রাম ট্রাক জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ভেকু ও ড্রাম ট্রাক স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারের জিম্মায় রাখা হয়েছে। এই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাকিলা বিনতে মতিন। তিনি বলেন, আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



এক কোটি পরিবার রমজানে দুই দফায় পাবে ৫ পণ্য

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

টিসিবির মাধ্যমে আসন্ন রমজান মাসে এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারীদের ভর্তুকি মূল্যে দুই দফায় পাঁচটি পণ্য দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। এসময় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার অস্থিতিশীল না করার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বানও জানানো হয়।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলে নিজ নির্বাচনি এলাকা দেলদুয়ার ও নাগরপুরে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত পৃথক নাগরিক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান তিনি।

রমজানকে কেন্দ্র করে দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের যথেষ্ট মজুত আছে উল্লেখ করে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, টিসিবির পণ্য আগে ট্রাকে করে বিক্রয় করা হতো। এখন ডিলারদের মাধ্যমে দেয়া হচ্ছে। কার্ডধারীরা ডিলারদের দোকান থেকে যাতে নিজেদের সুবিধামত সময়ে নিতে পারে সে শিগগিরই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, পণ্যের দাম কমানোর কোনো ম্যাজিক নেই। তবে একটি সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা করতে পারলে যেটাকে আমরা স্মার্ট বাজার ব্যবস্থাপনা বলছি। এটা করতে পারলে বাজারে পণ্য সরবরাহ বাড়বে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভোক্তার নিকট ন্যায্যমূল্যে পৌঁছাবে। বাজারে দামের ওপর প্রভাব পড়বে।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য তাঁত শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে নতুন পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হস্তশিল্পকে এবছরের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছেন। এর প্রেক্ষিতে আমরা ‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ স্লোগান নিয়ে কাজ শুরু করেছি।

তিনি এক্ষেত্রে টাঙ্গাইল জেলা বিশেষ করে দেলদুয়ারের শীতল পাটি এবং মৃৎশিল্প নিয়ে কাজ করতে উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেন।


আরও খবর